Alokito Sakal
আল্পস পর্বতের দেশ সুইজারল্যান্ডের সেরা ৫ শহর
রবিবার, ৮ অগাস্ট ২০২১ ০২:২১ AM
Alokito Sakal Alokito Sakal :

 

জেনেভা

জেনেভা বিশ্বব্যাপী কূটনীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের কেন্দ্রবিন্দু। কেউ কেউ একে সম্মেলনের শহর বা গ্লোবাল সিটি বলে অভিহিত করে। এ শহরে ইন্টারন্যাশনাল রেড ক্রস কমিটি ও জাতিসংঘের ইউরোপীয় দফতর ছাড়াও রয়েছে বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান। তবে জেনেভার সবুজাভ পরিবেশ প্রকৃতি-প্রেমীদের বেশি টানে।

স্থানীয়দের কাছে জেনেভা ‘পার্কের শহর’ হিসেবেও পরিচিত। ল্যাক লেম্যান জলপ্রপাত ও জেট ডিইয়াউ পাহাড়ের মনোমুগ্ধকর প্রকৃতির টানে সব দেশ থেকেই ভ্রমণপিপাসুরা আসেন।

ইন্টারল্যাকেন

মার্কেটিং সেন্টার হিসেবে বেশ পরিচিত একটি  শহর ইন্টারল্যাকেন। এরই জের ধরে এই শহরে গড়ে উঠেছে বেশ কিছু বিশ্বমানের ট্যুরিস্ট রিসোর্ট। যেগুলো ভ্রমণ প্রেমীদের পছন্দের তালিকায় বরাবরই থাকে। মূলত অষ্টাদশ শতাব্দী থেকেই দর্শনার্থীরা শহরটিতে ভ্রমণ করা শুরু করেন। থান ও ব্রিয়েঞ্জ নামে দুটি প্রধান হ্রদের তীরবর্তী শহরটিতে বেশিরভাগ সাঁতারুদের ভ্রমণ করতে দেখা যায়। এছাড়া হ্রদ দুটিতে নৌকা ভ্রমণের ব্যবস্থাও রয়েছে। এখানকার তিনটি পাহাড় ইগ্যার, জুংফ্রাউ ও মংকও বেশ বিখ্যাত।

 

লওসান্নে

লওসান্নে শহরে সুইস ও ফ্রেঞ্চ আল্পস পর্বত রয়েছে। যা ঘুরতে আসা মানুষকে বিমোহিত করে। এছাড়া শহরটি প্রধানত দুটি জেলায় বিভক্ত। এর মধ্যে দ্য সাইটে জেলা পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। এ জেলাটি দ্য ওল্ড টাউন নামেও পরিচিত। কারণ এখানে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনসহ রয়েছে গির্জা ও সুরক্ষিত দুর্গ। ইটালিয়ান রেনেসাঁর স্থাপত্যে তৈরি প্যালাইস ডে রুমিন দেশটির জনপ্রিয় একটি ভবন। রয়েছে স্থানীয় শিল্প, সংস্কৃতি ও ঐতিহাসিক স্থাপনা। লওসান্নে শহর কবি লর্ড বায়রন, শেলি ও আর্নেস্ট হেমিংওয়েরও জন্মস্থান।

জুরিখ

গোটা ইউরোপের অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র সুইজারল্যান্ডের শহর জুরিখ। একে সুইজারল্যান্ডের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবেও অভিহিত করা হয়। এখানকার ঐতিহাসিক গির্জা ও বিখ্যাত মিউজিয়াম দেখার জন্য ছুটে আসেন বিভিন্ন দেশের পর্যটকরা। বিশেষ করে সুইস ন্যাশনাল মিউজিয়াম দেখতে রীতিমত মানুষের ঢল নামে।

জার্মাট

সুইজারল্যান্ডের ছোট একটি শহর জার্মাট। শহরটি ম্যারাথন পাহাড়ের কাছে অবস্থিত হওয়ায় স্কিইং ও পাহাড়ে অ্যাডভেঞ্চারের জন্য লোকজন ছুটে আসে। এছাড়া শহর জুড়ে রয়েছে দেখার মতো নানাবিধ স্থাপনা। এসব স্থাপনা দেশটির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরে।