Alokito Sakal
পলাশবাড়ীতে “শিক্ষার্থীর সাফল্যই প্রতিষ্ঠানের সাফল্য” শ্লোগানকে সামনে রেখে এগিয়ে যাচ্ছে ইউনিটি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ
শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০৪:৫৬ AM
Alokito Sakal Alokito Sakal :

গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার পৌর এলাকায় অবস্থিত ইউনিটি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষাকার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। শুরুতে দুই শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে স্কুলটি কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে ২২ জন শিকমন্ডলী দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে আধুনিকতার সহিত। প্রতিটি কাসরুম সিসিটিভির আওতায়, আছে সাউন্ড সিস্টেম, অনলাইনের মাধ্যমে রেজাল্ট প্রকাশ, প্রয়োজনে প্রজেক্টরের মাধ্যমে শিক্ষাদান, মেধাভিত্তিক শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানে উন্নিতকরণের লক্ষে এগিয়ে চলার প্রত্যয় নিয়ে চলছে সকল প্রস্তুতি। শহরের টুকনিপাড়ায় কোলাহলমূক্ত এলাকায় স্কুলটির বর্তমান অবস্থান।

ইউনিটি ইন্ট্যারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষার্থী অভিভাবক আশরাফুল সরকার বলেন, পূর্বের চাইতে মেয়ের পড়াশুনায় অনেকটা অগ্রগতি লক্ষ্য করছি আশা রাখি আগামীতে ফলাফল ভাল করবে। অত্র প্রতিষ্ঠানের আবাসিক ছাত্রী হিরামনি বলেন, প্রতিটি শিক্ষক অতি যত্ন সহকারে আমাদেরকে পাঠদান দিয়ে থাকেন এবং সে কারণে আমরা বুঝতে পারি ও আবাসিকে রুটিন অনুযায়ী খাবার পরিবেশন করা হয় এবং নিয়মিত ২৪ ঘন্টা মনিটরিং করা হয়। শিক্ষিকা ফারজানা আক্তার বলেন, আমরা মেধা সৃষ্টিতে সকল শিক্ষকগণ একতাবদ্ধ হয়ে পাঠদান করছি এবং আমরা গাইবান্ধা জেলার মধ্যে একটি অন্যতম স্কুল এন্ড কলেজ হিসেবে তুলে আনতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। শিক্ষিকা খন্দকার সিরাজুম মুনিরা দিয়া বলেন, আমরা জেলার মধ্যে একটা অবস্থান সৃষ্টি করতে চাই।

ইউনিটি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও আজমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার সভাপতি জানান, সময়ের সাথে স্কুলের আধুনিকতার সব সেবা প্রদান করা হচ্ছে। স্কুলটি ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং আগামী বছর ভালো একটা ফলাফল আনার জন্য আমরা ছাত্র-শিক্ষক একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করছি। শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। এ মেরুদন্ডকে শক্ত করেই স্কুলটিতে আগামী বছর চালু হচ্ছে কলেজ শাখা। পুষ্টিগত দিক লক্ষ্য রেখে আবাসিকে খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীসহ মোট ৩০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে। নামাজ আদায়ের জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য আলাদা আলাদা নামাজের ব্যবস্থা রয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষিকার নিবিড় তত্ত্বাবধানে স্কুলের উপস্থিতি প্রায় ৯৬%। প্রতিটি কাসরুম সিসি টিভির মাধ্যমে মনিটরিং করা হচ্ছে।