ঢাকা ০৮:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

বর্তমান সরকার স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করছে: আইসিটি প্রতিমন্ত্রী।

বর্তমান সরকার স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে স্মার্ট উদ্যোক্তা তৈরির কাজ করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) অতীশ দীপঙ্কর ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির স্থায়ী ক্যাম্পাসে আয়োজিত নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষার্থীদের আইসিটিভিত্তিক জ্ঞান অর্জন ও দক্ষ মানুষ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে স্মার্ট উদ্যোক্তা তৈরির কাজ করে যাচ্ছে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে তথ্য ও প্রযুক্তিখাতে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। আমি বিশ্বাস করি আগামীতে তথ্য-প্রযুক্তি, ক্রিয়েটিভিটি, ক্রিটিক্যাল থিংকিং, প্রবলেম সলভিং ও কমিউনিকেশন স্কিল এমনকি নতুন নতুন রোবট তৈরিতে সহায়তা করবে অতীশ দীপঙ্কর ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে সোনার বাংলায় রূপান্তরিত করার জন্য শিক্ষাকে সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু পবিত্র সংবিধানে ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা এবং চিকিৎসা-এই পাঁচটি মৌলিক অধিকারকে সংরক্ষিত করে রেখে গেছেন। তিনি আজ থেকে পঞ্চাশ বছর আগে তার দূরদর্শিতা দিয়ে উপলব্ধি করেছিলেন যে, প্রত্যেক নাগরিককে যদি পাঁচটি মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা যায় তবে সেই রাষ্ট্র একটি আদর্শ রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু শিক্ষাকে গণমুখী এবং অবৈতনিক করার পাশাপাশি বিজ্ঞানমনস্ক ও সোনার মানুষ গড়ে তোলার জন্য একটি শিক্ষানীতি প্রণয়ন করতে চেয়েছিলেন। সোনার বাংলা গড়তে যে তিনি যে শিক্ষানীতি প্রণয়ন করতে চেয়েছিলেন, তার দায়িত্ব দিয়েছিলেন বিজ্ঞানী ড. কুদরাত-এ-খুদার ওপর। যেন বাংলাদেশের প্রতিটি সোনার সন্তানেরা বিজ্ঞানমনস্ক ও প্রযুক্তি শিক্ষায় দক্ষ হয় এবং তারা যেন সোনার বাংলা গড়ে তুলতে পারে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দীপঙ্কর ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতীশ দীপঙ্কর ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান লিয়াকত সিকদার, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমান এবং বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগের পরিচালক মো. ওমর ফারুক।

অনুষ্ঠানের নাচ, গান, আবৃত্তি, অভিনয়, নাটক ও কৌতুকসহ মনোজ্ঞ পরিবেশনা তুলে ধরেন ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রী, অবিভাবক ও আমন্ত্রিত অতিথিদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস।

Tag :
জনপ্রিয়

নির্বাচিত হলে ১৩নং ওয়ার্ড বাসীর জন্য এ্যাম্বুলেন্স উপহার দিব; রসিকের কাউন্সিলর প্রার্থী তুহিন

বর্তমান সরকার স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করছে: আইসিটি প্রতিমন্ত্রী।

প্রকাশের সময় : ০৯:৫৮:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর ২০২২

বর্তমান সরকার স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে স্মার্ট উদ্যোক্তা তৈরির কাজ করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) অতীশ দীপঙ্কর ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির স্থায়ী ক্যাম্পাসে আয়োজিত নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষার্থীদের আইসিটিভিত্তিক জ্ঞান অর্জন ও দক্ষ মানুষ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে স্মার্ট উদ্যোক্তা তৈরির কাজ করে যাচ্ছে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে তথ্য ও প্রযুক্তিখাতে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। আমি বিশ্বাস করি আগামীতে তথ্য-প্রযুক্তি, ক্রিয়েটিভিটি, ক্রিটিক্যাল থিংকিং, প্রবলেম সলভিং ও কমিউনিকেশন স্কিল এমনকি নতুন নতুন রোবট তৈরিতে সহায়তা করবে অতীশ দীপঙ্কর ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে সোনার বাংলায় রূপান্তরিত করার জন্য শিক্ষাকে সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু পবিত্র সংবিধানে ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা এবং চিকিৎসা-এই পাঁচটি মৌলিক অধিকারকে সংরক্ষিত করে রেখে গেছেন। তিনি আজ থেকে পঞ্চাশ বছর আগে তার দূরদর্শিতা দিয়ে উপলব্ধি করেছিলেন যে, প্রত্যেক নাগরিককে যদি পাঁচটি মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা যায় তবে সেই রাষ্ট্র একটি আদর্শ রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু শিক্ষাকে গণমুখী এবং অবৈতনিক করার পাশাপাশি বিজ্ঞানমনস্ক ও সোনার মানুষ গড়ে তোলার জন্য একটি শিক্ষানীতি প্রণয়ন করতে চেয়েছিলেন। সোনার বাংলা গড়তে যে তিনি যে শিক্ষানীতি প্রণয়ন করতে চেয়েছিলেন, তার দায়িত্ব দিয়েছিলেন বিজ্ঞানী ড. কুদরাত-এ-খুদার ওপর। যেন বাংলাদেশের প্রতিটি সোনার সন্তানেরা বিজ্ঞানমনস্ক ও প্রযুক্তি শিক্ষায় দক্ষ হয় এবং তারা যেন সোনার বাংলা গড়ে তুলতে পারে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দীপঙ্কর ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতীশ দীপঙ্কর ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান লিয়াকত সিকদার, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমান এবং বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগের পরিচালক মো. ওমর ফারুক।

অনুষ্ঠানের নাচ, গান, আবৃত্তি, অভিনয়, নাটক ও কৌতুকসহ মনোজ্ঞ পরিবেশনা তুলে ধরেন ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রী, অবিভাবক ও আমন্ত্রিত অতিথিদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো ক্যাম্পাস।