ঢাকা ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

স্ত্রী হত্যার রহস্য উদঘাটন গ্রেফতার স্বামী ও তার বন্ধু

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি:

মুন্সীগঞ্জ ল‍ৌহজং উপজেলা বেজগাঁও ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ডের গৃহবধু আখিঁনুর গত মাসে স্বামী ও তার বন্ধুমিলে হত‍্যা করেছেন।তাদের মোবাইল ফোনের কল রেকর্ডের ভিত্তিতে গ্রেফতারের পর ন‍ৌ-পুলিশের কাছে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে তারা।
চাঁদপুর অঞ্চল নৌ পুলিশের সুপার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান প্রেস ব্রিফিংয়ে আসামীদের জবানবন্দি স্বীকারোক্তি জানান, আখিনুর হত্যা মামলায় গ্রেফতারকৃত মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর শেখ ও আখিনুর আক্তার ২০০৪ সালে পারিবারিক ভাবে বিয়ে করে বিয়ের পর ৬-৭ বছর একসাথে নারায়ণগঞ্জ বসবাস করত। পরবর্তীতে জাহাঙ্গীর তার স্ত্রী নিয়ে নিজ বাড়ি বেজগাঁও লৌহজং মুন্সীগঞ্জ চলে আসে।
দীর্ঘ ১৮ বছর সংসার জীবনে তাদের কোন সন্তান ছিল না। একটি মেয়েকে নিয়ে আসে লালন পালন করে বর্তমানে তার বয়স চৌদ্দে বছর। তার নাম জেরিন। সে নবম শ্রেণীতে পড়ে এলাকায় আসার পর প্রায় আঁখি নূর তার বাপের বাড়িতে পাশ্ববর্তী টুলুগাঁও চলে যেত এই নিয়ে মাঝে মাঝে আখি নূরের স্বামী জাহাঙ্গীরের সাথে ঝগড়া বিবাদ হতে। স্বামী জাহাঙ্গীরের ব্যবসায়িক প্রয়োজনে তার স্ত্রী তাকে দুইবারে (৮০ হাজার ও ৭০ হাজার টাকা) লোন উঠিয়ে দেয়। পরবর্তীতে জাহাঙ্গীর ওই টাকা পরিশোধ করে এখন থেকে দুই মাস আগে ব্যবসার লস যাওয়ার দরুন জাহাঙ্গীর তার বউকে এক লক্ষ টাকা কিস্তি উঠিয়ে দেওয়ার জন্য বলে। কিন্তু তার স্ত্রী কোন ভাবে জাহাঙ্গীরকে লোন তুলে দিতে রাজি হয়নি এতে জাহাঙ্গীর প্রচুর ক্ষোভ তার স্ত্রীর প্রতি। উক্ত ক্ষোভের বিষয়ে জাহাঙ্গীর তার বন্ধু বেজগাঁও বাজারে সিঙ্গারা-পুরি দোকানদার শাহ আলম বেপারীকে জানায়।
শাহ আলম বেপারী বউকে মেরে ফেলার পরামর্শ দেয়। দুজনে এই ঘটনা ঘটানোর জন্য বিগত এক মাস যাবত পরিকল্পনা করে আসছিল আখিনুরকে কিভাবে হত্যা করা যায়।
তখন শাহ আলম বেপারী বন্ধু জাহাঙ্গিরকে বলে হত্যা করতে হলে তো লাখ টাকা লাগবে জাহাঙ্গীর বলে আমার কাছে এত টাকা নাই। আমি তাকে পাঁচ ছয় হাজার টাকা দিতে পারব। তখন জাহাঙ্গীর শাহ আলম কে বলে কিস্তির টাকা কথা বলে আঁখিনুর যেতে রাজি হবে। ঘটনার এক সপ্তাহ আগে জাহাঙ্গীরের বাড়িতে দিনের বেলা এগারো টার সময় কথা হয় তিনজন একসাথে বসে শাহ আলম বলে ভাবি আমার জমির দলিল জাজিরা ব্যাংকে দেওয়া আছে ।একদিন আপনার যেতে হবে জাহাঙ্গীরকে এক লক্ষ টাকা লোন তুলে দিবো। শাহ আলম কথায় আখিনুর রাজি হয়। ৩১-১১-২০২২ ইংরেজি তারিখের সন্ধ্যার দিকে জাহাঙ্গীর শাহ আলম কে বলে বন্ধু ট্রলার ভাড়া করে শাহ আলম বলে আমি ট্রলার ভাড়া করছি দুই হাজার দিয়ে পেল কিনে রাখছি। সমস্যা হবে না রাত নয়টা পনের মিনিটে দিকে জাহাঙ্গীর বলে শাহ আলমকে, আঁখি নূরকে বলে দাও আঁখি নূরকে কল দিয়ে শাহ আলম বলে ভাবি কয়দিন আগে লোনের কথা বলছিলাম কালকে যাওয়া লাগবে তখন আঁখি নুর বলে ঠিক আছে কাল যাব কল দিয়েন।
ঘটনা দিন ০১-১১-২০২২ সকালে তখন দুইজনে পরামর্শ করে পাশের থেকে কসটেপ কিনে পরে জাহাঙ্গীর লৌহজং পুরাতন থানার ঘাটে অটো রিক্সা দিয়ে চলে যায় আর শাহ আলম গাওদিয়া ট্রলার ঘাট হইতে টলার নিয়ে লৌহজং পুরাতন থানা মাঠে আনুমানিক বারোটা দিকে আখিনুর কল দেয় তার স্বামী জাহাঙ্গীরকে আখিনুর বলে কই তোমরা জাহাঙ্গীর বলে পুরাতন থানা ঘাটের পূর্ব পাশে গাংপারের দিকে আসো। আঁখি নূর অনুমান ৭-৮ মিনিট পরে জাহাঙ্গীরকে কল দিয়ে বলে কই তোমরা জাহাঙ্গীর হাত উঠিলে আখিনুর দেখতে পায়। তারপর তারা তিনজন টলারে ওঠে জাজিরা শরীয়তপুরের দিকে রওনা করে। প্রায় আনুমানিক দুপুর একটা ত্রিশ মিনিট ঘটিকার সময় বালুরটেক এর সামনে পদ্মা নদীর মাঝখানে ট্রলার চালু অবস্থায় আঁখিনেরকে শাহ আলম প্রথমে পিছন থেকে এসে ঘাড়ে ধরে ট্রাবলের মাঝখানে ফেলাইয়া বুকের উপর বসে দুই হাত দিয়ে গলায় চাপ দিয়ে ধরে বসে থাকে পরে জাহাঙ্গীর দুই হাত ধরে বেঁধে ফেলে পরবর্তীতে ফেলে পাঁচ ছয় মিনিট পর চারপাশে কোন লোকজন ও জেলের নৌকা না থাকায় পদ্মা নদীর মাঝখানে ফেলে দেয়। পরবর্তীতে তারা দুজন টলারের যোগে লৌহজং উদ্দেশ্যে রওনা করে জাহাঙ্গীর এমপি এমিলি সামর বাড়ি ঘাটে নামিয়ে দিয়ে শাহ আলম টলার নিয়ে গাঁওদিয়া ঘাটে ট্রলার রেখে তাড়াতাড়ি বাড়ি চলে যায়। গত ০৩-১১-২০২২ তারিখে সকাল আটটা আট ঘটিকায় সময় চন্ডিপুর লঞ্চঘাটের পূর্ব পাশে পদ্মা নদীতে একটি অজ্ঞাত মহিলা মৃতদেহ ভাসমান অবস্থায় দেখে এলাকার লোকজন তাৎক্ষণিক সুরেশ্বর নৌ পুলিশ ফাড়িকে জানাইলে সুরেশ্বর নৌ পুলিশ ফাঁড়ি র এসআই মোঃ নাজমুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় হয়ে এলাকার লোকজনের সহায়তার মৃতদেহটি উদ্ধার করে দেখা যায় যে মৃত মহিলার হাত-পা বাঁধা এবং নাক মুখ সাদা কস্টিক দিয়ে প্যাচানো পরবর্তীতে নারী কং এর সহায়তায় শালীনতার সহিত সুতো সুরথ হাল প্রস্তুতকরণ লাশটি শনাক্ত করার জন্য সিআইডি ক্রাইম সিন ফরিদপুর কে অবগত করিলে তাহারা তথ্য প্রযুক্তি ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে মিতার নাম আখিনুর আক্তার পিতা আফজাল শেখ সায়ং জোরপুল ঢলুগাঁও মুন্সিগঞ্জ সনাক্ত করেন। উক্ত সোমবারটি লৌহজং থানা পুলিশকে অবগত করিয়া লোশন থানা পুলিশ জানায় যে আখিনুর আক্তার নামে একজন মহিলা নিখোঁজ ডায়েরি হয়েছে পরবর্তীতে লৌহজং থানা পুলিশ আখিনুর আক্তারের আত্মীয়-স্বজনকে খবর দিয়ে মৃত আখিনুর আক্তার কে স্বামী মোঃ জাহাঙ্গীর শেখ সহ আত্মীয়-স্বজন শরীয়তপুর সদর মর্গে আসিয়া মৃত পরনে থাকা কালো বোরকা জামা পায়ের নুপুর ও কানের ফুল দেখিয়া আখিনূরকে সনাক্ত করে নিয়ে আসে তারপর মৃতের দেহ দাফন কাফন করেন।

Tag :
জনপ্রিয়

নির্বাচিত হলে ১৩নং ওয়ার্ড বাসীর জন্য এ্যাম্বুলেন্স উপহার দিব; রসিকের কাউন্সিলর প্রার্থী তুহিন

স্ত্রী হত্যার রহস্য উদঘাটন গ্রেফতার স্বামী ও তার বন্ধু

প্রকাশের সময় : ০৯:০৮:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ নভেম্বর ২০২২

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি:

মুন্সীগঞ্জ ল‍ৌহজং উপজেলা বেজগাঁও ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ডের গৃহবধু আখিঁনুর গত মাসে স্বামী ও তার বন্ধুমিলে হত‍্যা করেছেন।তাদের মোবাইল ফোনের কল রেকর্ডের ভিত্তিতে গ্রেফতারের পর ন‍ৌ-পুলিশের কাছে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে তারা।
চাঁদপুর অঞ্চল নৌ পুলিশের সুপার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান প্রেস ব্রিফিংয়ে আসামীদের জবানবন্দি স্বীকারোক্তি জানান, আখিনুর হত্যা মামলায় গ্রেফতারকৃত মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর শেখ ও আখিনুর আক্তার ২০০৪ সালে পারিবারিক ভাবে বিয়ে করে বিয়ের পর ৬-৭ বছর একসাথে নারায়ণগঞ্জ বসবাস করত। পরবর্তীতে জাহাঙ্গীর তার স্ত্রী নিয়ে নিজ বাড়ি বেজগাঁও লৌহজং মুন্সীগঞ্জ চলে আসে।
দীর্ঘ ১৮ বছর সংসার জীবনে তাদের কোন সন্তান ছিল না। একটি মেয়েকে নিয়ে আসে লালন পালন করে বর্তমানে তার বয়স চৌদ্দে বছর। তার নাম জেরিন। সে নবম শ্রেণীতে পড়ে এলাকায় আসার পর প্রায় আঁখি নূর তার বাপের বাড়িতে পাশ্ববর্তী টুলুগাঁও চলে যেত এই নিয়ে মাঝে মাঝে আখি নূরের স্বামী জাহাঙ্গীরের সাথে ঝগড়া বিবাদ হতে। স্বামী জাহাঙ্গীরের ব্যবসায়িক প্রয়োজনে তার স্ত্রী তাকে দুইবারে (৮০ হাজার ও ৭০ হাজার টাকা) লোন উঠিয়ে দেয়। পরবর্তীতে জাহাঙ্গীর ওই টাকা পরিশোধ করে এখন থেকে দুই মাস আগে ব্যবসার লস যাওয়ার দরুন জাহাঙ্গীর তার বউকে এক লক্ষ টাকা কিস্তি উঠিয়ে দেওয়ার জন্য বলে। কিন্তু তার স্ত্রী কোন ভাবে জাহাঙ্গীরকে লোন তুলে দিতে রাজি হয়নি এতে জাহাঙ্গীর প্রচুর ক্ষোভ তার স্ত্রীর প্রতি। উক্ত ক্ষোভের বিষয়ে জাহাঙ্গীর তার বন্ধু বেজগাঁও বাজারে সিঙ্গারা-পুরি দোকানদার শাহ আলম বেপারীকে জানায়।
শাহ আলম বেপারী বউকে মেরে ফেলার পরামর্শ দেয়। দুজনে এই ঘটনা ঘটানোর জন্য বিগত এক মাস যাবত পরিকল্পনা করে আসছিল আখিনুরকে কিভাবে হত্যা করা যায়।
তখন শাহ আলম বেপারী বন্ধু জাহাঙ্গিরকে বলে হত্যা করতে হলে তো লাখ টাকা লাগবে জাহাঙ্গীর বলে আমার কাছে এত টাকা নাই। আমি তাকে পাঁচ ছয় হাজার টাকা দিতে পারব। তখন জাহাঙ্গীর শাহ আলম কে বলে কিস্তির টাকা কথা বলে আঁখিনুর যেতে রাজি হবে। ঘটনার এক সপ্তাহ আগে জাহাঙ্গীরের বাড়িতে দিনের বেলা এগারো টার সময় কথা হয় তিনজন একসাথে বসে শাহ আলম বলে ভাবি আমার জমির দলিল জাজিরা ব্যাংকে দেওয়া আছে ।একদিন আপনার যেতে হবে জাহাঙ্গীরকে এক লক্ষ টাকা লোন তুলে দিবো। শাহ আলম কথায় আখিনুর রাজি হয়। ৩১-১১-২০২২ ইংরেজি তারিখের সন্ধ্যার দিকে জাহাঙ্গীর শাহ আলম কে বলে বন্ধু ট্রলার ভাড়া করে শাহ আলম বলে আমি ট্রলার ভাড়া করছি দুই হাজার দিয়ে পেল কিনে রাখছি। সমস্যা হবে না রাত নয়টা পনের মিনিটে দিকে জাহাঙ্গীর বলে শাহ আলমকে, আঁখি নূরকে বলে দাও আঁখি নূরকে কল দিয়ে শাহ আলম বলে ভাবি কয়দিন আগে লোনের কথা বলছিলাম কালকে যাওয়া লাগবে তখন আঁখি নুর বলে ঠিক আছে কাল যাব কল দিয়েন।
ঘটনা দিন ০১-১১-২০২২ সকালে তখন দুইজনে পরামর্শ করে পাশের থেকে কসটেপ কিনে পরে জাহাঙ্গীর লৌহজং পুরাতন থানার ঘাটে অটো রিক্সা দিয়ে চলে যায় আর শাহ আলম গাওদিয়া ট্রলার ঘাট হইতে টলার নিয়ে লৌহজং পুরাতন থানা মাঠে আনুমানিক বারোটা দিকে আখিনুর কল দেয় তার স্বামী জাহাঙ্গীরকে আখিনুর বলে কই তোমরা জাহাঙ্গীর বলে পুরাতন থানা ঘাটের পূর্ব পাশে গাংপারের দিকে আসো। আঁখি নূর অনুমান ৭-৮ মিনিট পরে জাহাঙ্গীরকে কল দিয়ে বলে কই তোমরা জাহাঙ্গীর হাত উঠিলে আখিনুর দেখতে পায়। তারপর তারা তিনজন টলারে ওঠে জাজিরা শরীয়তপুরের দিকে রওনা করে। প্রায় আনুমানিক দুপুর একটা ত্রিশ মিনিট ঘটিকার সময় বালুরটেক এর সামনে পদ্মা নদীর মাঝখানে ট্রলার চালু অবস্থায় আঁখিনেরকে শাহ আলম প্রথমে পিছন থেকে এসে ঘাড়ে ধরে ট্রাবলের মাঝখানে ফেলাইয়া বুকের উপর বসে দুই হাত দিয়ে গলায় চাপ দিয়ে ধরে বসে থাকে পরে জাহাঙ্গীর দুই হাত ধরে বেঁধে ফেলে পরবর্তীতে ফেলে পাঁচ ছয় মিনিট পর চারপাশে কোন লোকজন ও জেলের নৌকা না থাকায় পদ্মা নদীর মাঝখানে ফেলে দেয়। পরবর্তীতে তারা দুজন টলারের যোগে লৌহজং উদ্দেশ্যে রওনা করে জাহাঙ্গীর এমপি এমিলি সামর বাড়ি ঘাটে নামিয়ে দিয়ে শাহ আলম টলার নিয়ে গাঁওদিয়া ঘাটে ট্রলার রেখে তাড়াতাড়ি বাড়ি চলে যায়। গত ০৩-১১-২০২২ তারিখে সকাল আটটা আট ঘটিকায় সময় চন্ডিপুর লঞ্চঘাটের পূর্ব পাশে পদ্মা নদীতে একটি অজ্ঞাত মহিলা মৃতদেহ ভাসমান অবস্থায় দেখে এলাকার লোকজন তাৎক্ষণিক সুরেশ্বর নৌ পুলিশ ফাড়িকে জানাইলে সুরেশ্বর নৌ পুলিশ ফাঁড়ি র এসআই মোঃ নাজমুল ইসলাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় হয়ে এলাকার লোকজনের সহায়তার মৃতদেহটি উদ্ধার করে দেখা যায় যে মৃত মহিলার হাত-পা বাঁধা এবং নাক মুখ সাদা কস্টিক দিয়ে প্যাচানো পরবর্তীতে নারী কং এর সহায়তায় শালীনতার সহিত সুতো সুরথ হাল প্রস্তুতকরণ লাশটি শনাক্ত করার জন্য সিআইডি ক্রাইম সিন ফরিদপুর কে অবগত করিলে তাহারা তথ্য প্রযুক্তি ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে মিতার নাম আখিনুর আক্তার পিতা আফজাল শেখ সায়ং জোরপুল ঢলুগাঁও মুন্সিগঞ্জ সনাক্ত করেন। উক্ত সোমবারটি লৌহজং থানা পুলিশকে অবগত করিয়া লোশন থানা পুলিশ জানায় যে আখিনুর আক্তার নামে একজন মহিলা নিখোঁজ ডায়েরি হয়েছে পরবর্তীতে লৌহজং থানা পুলিশ আখিনুর আক্তারের আত্মীয়-স্বজনকে খবর দিয়ে মৃত আখিনুর আক্তার কে স্বামী মোঃ জাহাঙ্গীর শেখ সহ আত্মীয়-স্বজন শরীয়তপুর সদর মর্গে আসিয়া মৃত পরনে থাকা কালো বোরকা জামা পায়ের নুপুর ও কানের ফুল দেখিয়া আখিনূরকে সনাক্ত করে নিয়ে আসে তারপর মৃতের দেহ দাফন কাফন করেন।