ঢাকা ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

চিনি এখনো সোনার হরিণ

সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের পরও খুচরা বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না চিনি। বিক্রেতারা বলছেন, কখন পাব ঠিক নেই। সোনার হরিণ হয়ে গেছে। কেউ কিছু বলতে পারছে না। পাইকারি ব্যবসায়ীরা শুধু বলছে ‘আসছে’। ভোক্তাদের দরকার হলেও আট থেকে ১০ দোকান খুঁজেও পাচ্ছেন না। পাইকারি ব্যবসায়ীরা মিল থেকে চিনি না পেয়ে দোকানের ঝাঁপ বন্ধ করে এদিক-ওদিক ছোটাছুটি করছেন। তারপরও পাওয়া যাচ্ছে না চিনি।

এদিকে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের পরও চালের দাম কমেনি। আগের মতোই বেশি দামে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। গত সপ্তাহের মতোই পেঁয়াজ ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। তবে সবজিতে একটু স্বস্তি দেখা দিয়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে কমেছে ৫-১০ টাকা। মরিচের দাম কমে কেজি ৪০ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে।

শনিবার (২৯ অক্টোবর) রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে এমনই চিত্র দেখা গেছে।

খুচরা দোকানে নেই চিনি, পাইকারি দোকানে দরজা নামানো
বাজারের লক্ষীপুর স্টোরের কামরুল হাসান বলেন, চিনি নেই। কখন পাব ঠিক নেই। পাইকারি ব্যবসয়ীরা দুই সপ্তাহ থেকে শুধু বলছেন, ‘এইতো আসবে’। কিন্তু আসছে না। তাই বিক্রি করতেও পারছি না।

তিনি আরও বলেন, চলতি মাসের প্রথম দিকে চিনি রিফাইনারি মিলমালিক ও সরকার প্রতি কেজি খোলা চিনি ৯০ টাকা ও প্যাকেটজাত ৯৫ টাকা কেজি বিক্রির ঘোষণা দিলেও বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না। ডিলাররা চিনি পেলে আমরাও খুচরা পর্যায়ে বিক্রি করতে পারব। কিন্তু ডিলাররাই তো পাচ্ছে না। এই মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় মেঘনা গ্রুপের পাইকারি বাজার। তারা পেলে আমরাও বিক্রি করতে পারব।
এ সময় আব্দুল আজিজ নামে এক ভোক্তা বলেন, প্রায় আট থেকে ১০ টা দোকান ঘুরেও চিনি পাচ্ছি না। একি অবস্থা। কখন এর সমাধান হবে। দাম যাই হোক চিনি তো থাকতে হবে। কিন্তু পাওয়া যাচ্ছে না। খুবই খারাপ লাগছে।

তাই কিচেন মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় মেঘনা গ্রুপের ডিলার জামাল ট্রেডার্সে গেলে সরেজমিনে দেখা যায়, তালা মারা নেই, তবে দোকানে ঝাঁপ লাগিয়ে এদিক-ওদিক ঘোরাঘুরি করছেন দোকানদার। কখন চিনি পাওয়া যাবে সেই অপেক্ষা করছেন। তার পাশের দোকানের ব্যবসায়ী নাইম এই প্রতিবেদককে জানান, চিনি নেই। তাই উনি দোকানে থাকেন না। ঝাঁপ লাগিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

কারওয়ান বাজারের শুধু ওই কামরুল হাসানই নয় জব্বার স্টোর, ইয়াসিন স্টোর, আব্দুর রবসহ খুচরা দোকানের ব্যবসায়ীরা জানান, ১০-১৫ দিন থেকে চিনি পাই না। তাই বিক্রিও করতে পারি না। কখন পাব তাও বলা যাচ্ছে না। তবে মিল থেকে পাইকারিতে চিনি না দিলেও তারা ট্রাকে করে বিক্রি ৯৫ টাকা কেজি প্যাকেট চিনি বিক্রি করছে। এতে তাদের লাভও বেশি হচ্ছে। কারণ ডিলারদের কমিশন দিতে হয় না।

তবে নতুন রেটে চিনি পাওয়া না গেলেও সয়াবিন তেল নির্ধারিত কম দামে বিক্রি করা হচ্ছে। কামরুল হাসান বলেন, ৫ লিটার ৮৫০-৮৭০ টাকা, ২ লিটার ৩৫০ টাকা এবং ১ লিটার ১৭০ টাকা। মসুর ডাল ৯০-১৩৫ টাকা, চিনিগুড়া চাল ১৪০ টাকা কেজি। চালের দাম না কমায় বিক্রি করা হচ্ছে না।

বেশি দামেই চাল বিক্রি
সরকার চালের বাজার স্থিতিশীল রাখার বিভিন্ন উদ্যোগ নিলেও কমছে না। আমনের মৌসুম ঘনিয়ে আসলেও চালের কোনো দাম কমেনি। একই বাজারের কুমিল্লা রাইস জেনারেল স্টোরের শহিদুল ইসলাম ও বরিশাল রাইস এজেন্সির হাফিজ বলেন, এখনো আগের দামে চাল বিক্রি করা হচ্ছে। কমেনি কোনো চালের দাম।

তারা বলেন, ‘মিনিকেট চাল এখনো ৭৪ থেকে ৭৫ টাকা কেজি, ২৮ চাল ৬৬ টাকা, বাসমতি ৮৮ টাকা, নাজির শাইল ৮২ থেকে ৯০ টাকা কেজি বিক্রি করা হচ্ছে। তবে মোটা চাল নেই। পোলাও চালের দামও কমছে না। খোলা চাল ১২৫ টাকা ও বিভিন্ন কোম্পানির প্যাকেট চাল ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি বিক্রি করা হচ্ছে।

পেঁয়াজের কেজি ৫০-৬০ টাকা
গত সপ্তাহে পেঁয়াজের কেজিতে বেড়েছে ৫-১০ টাকা। এ সপ্তাহেও সেই দামে বিক্রি করা হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, কাঁচামাল, পেঁয়াজের মৌসুম শেষ হতে যাচ্ছে। তাই আর কমার সম্ভাবনা নেই।

রফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের বেশি দামে কেনা। তাই বেশি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে। ভালো মানের রাজশাহীর পেঁয়াজ ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে অন্য পেঁয়াজের কেজি ৫০-৫৫ টাকা। তবে আদার দাম আগের চেয়ে কেজিতে ২০ টাকা কমে ১৬০ টাকা কেজি বিক্রি করছে বিক্রেতারা। দেশীয় আদা ১০০ টাকা ও রসুন ৭০ টাকা। তবে চায়না আদা ১৩০-১৪০ টাকা কেজি বিক্রি করা হচ্ছে।

আগের মতোই মাছ-মাংস-ডিম
নদীর পানি কমলেও খাল, বিলের মাছের দাম কমছে না। মাছ ব্যবসায়ীরা বলেন, চাহিদা বেশি। তাই কমছে না মাছের দাম। আগের মতোই রুই ও কাতলার কেজি ২৮০-৪৫০ টাকা, চিংড়ি ৬০০-১০০০ টাকা কেজি, বোয়াল ৮০০-১২০০ টাকা, কাচকি ৪০০-৫০০ টাকা, সিং ৪০০ থেকে ৬০০, পাঙ্গাস ১৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি বিক্রি করা হচ্ছে।

এদিকে মাংসের দামও কমেনি। কারওয়ান বাজারের মা বাবার দোয়াপোল্ট্রি হাউজের সুমন বলেন, প্রতি কেজি বয়লার ১৮০ টাকা, লাল লেয়ার ৩০০ টাকা, পাকিস্তানি ৩০০ টাকা ও দেশি মুরগি ৫৫০ টাকা কেজি বিক্রি করা হচ্ছে। এদিকে গরুর মাংস ৭০০ টাকা, খাসির মাংস ৮৫০-৯০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে বলে জানান বিক্রেতারা।

স্বস্তির দিকে সবজি
শীত ঘনিয়ে আসায় গত সপ্তাহের তুলনায় প্রায় সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে। বাঁধাকপি ও ফুলকপির দাম কমে প্রতি পিস ৬০ থেকে ৬০ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি শিম ১২০ টাকা বিক্রি করা হলেও শনিবার তা ৯০ থেকে ১০০ টাকা, বেগুনের দাম কমে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি করা হচ্ছে। পটল ৪০ টাকা, মরিচের কেজি ৪০ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে। ঝিঙে, ধুন্দল, চিচিঙ্গা, ঢেড়স, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, টমেটো ১২০ টাকা, শসা ৫০-৬০ টাকা কেজি বিক্রি করা হচ্ছে বলে বিক্রেতারা জানান।

মরিচ বিক্রেতা রফিক জানান মরিচের সরবরাহ বাড়ায় দাম কমেছে। আগের সপ্তাহে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি বিক্রি করা হলেও আজকে সব মরিচ ৪০ টাকা কেজি বিক্রি করা হচ্ছে।

Tag :
জনপ্রিয়

নির্বাচিত হলে ১৩নং ওয়ার্ড বাসীর জন্য এ্যাম্বুলেন্স উপহার দিব; রসিকের কাউন্সিলর প্রার্থী তুহিন

চিনি এখনো সোনার হরিণ

প্রকাশের সময় : ০৩:২২:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২২

সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের পরও খুচরা বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না চিনি। বিক্রেতারা বলছেন, কখন পাব ঠিক নেই। সোনার হরিণ হয়ে গেছে। কেউ কিছু বলতে পারছে না। পাইকারি ব্যবসায়ীরা শুধু বলছে ‘আসছে’। ভোক্তাদের দরকার হলেও আট থেকে ১০ দোকান খুঁজেও পাচ্ছেন না। পাইকারি ব্যবসায়ীরা মিল থেকে চিনি না পেয়ে দোকানের ঝাঁপ বন্ধ করে এদিক-ওদিক ছোটাছুটি করছেন। তারপরও পাওয়া যাচ্ছে না চিনি।

এদিকে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের পরও চালের দাম কমেনি। আগের মতোই বেশি দামে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। গত সপ্তাহের মতোই পেঁয়াজ ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। তবে সবজিতে একটু স্বস্তি দেখা দিয়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে কমেছে ৫-১০ টাকা। মরিচের দাম কমে কেজি ৪০ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে।

শনিবার (২৯ অক্টোবর) রাজধানীর কারওয়ান বাজার ঘুরে এমনই চিত্র দেখা গেছে।

খুচরা দোকানে নেই চিনি, পাইকারি দোকানে দরজা নামানো
বাজারের লক্ষীপুর স্টোরের কামরুল হাসান বলেন, চিনি নেই। কখন পাব ঠিক নেই। পাইকারি ব্যবসয়ীরা দুই সপ্তাহ থেকে শুধু বলছেন, ‘এইতো আসবে’। কিন্তু আসছে না। তাই বিক্রি করতেও পারছি না।

তিনি আরও বলেন, চলতি মাসের প্রথম দিকে চিনি রিফাইনারি মিলমালিক ও সরকার প্রতি কেজি খোলা চিনি ৯০ টাকা ও প্যাকেটজাত ৯৫ টাকা কেজি বিক্রির ঘোষণা দিলেও বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না। ডিলাররা চিনি পেলে আমরাও খুচরা পর্যায়ে বিক্রি করতে পারব। কিন্তু ডিলাররাই তো পাচ্ছে না। এই মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় মেঘনা গ্রুপের পাইকারি বাজার। তারা পেলে আমরাও বিক্রি করতে পারব।
এ সময় আব্দুল আজিজ নামে এক ভোক্তা বলেন, প্রায় আট থেকে ১০ টা দোকান ঘুরেও চিনি পাচ্ছি না। একি অবস্থা। কখন এর সমাধান হবে। দাম যাই হোক চিনি তো থাকতে হবে। কিন্তু পাওয়া যাচ্ছে না। খুবই খারাপ লাগছে।

তাই কিচেন মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় মেঘনা গ্রুপের ডিলার জামাল ট্রেডার্সে গেলে সরেজমিনে দেখা যায়, তালা মারা নেই, তবে দোকানে ঝাঁপ লাগিয়ে এদিক-ওদিক ঘোরাঘুরি করছেন দোকানদার। কখন চিনি পাওয়া যাবে সেই অপেক্ষা করছেন। তার পাশের দোকানের ব্যবসায়ী নাইম এই প্রতিবেদককে জানান, চিনি নেই। তাই উনি দোকানে থাকেন না। ঝাঁপ লাগিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

কারওয়ান বাজারের শুধু ওই কামরুল হাসানই নয় জব্বার স্টোর, ইয়াসিন স্টোর, আব্দুর রবসহ খুচরা দোকানের ব্যবসায়ীরা জানান, ১০-১৫ দিন থেকে চিনি পাই না। তাই বিক্রিও করতে পারি না। কখন পাব তাও বলা যাচ্ছে না। তবে মিল থেকে পাইকারিতে চিনি না দিলেও তারা ট্রাকে করে বিক্রি ৯৫ টাকা কেজি প্যাকেট চিনি বিক্রি করছে। এতে তাদের লাভও বেশি হচ্ছে। কারণ ডিলারদের কমিশন দিতে হয় না।

তবে নতুন রেটে চিনি পাওয়া না গেলেও সয়াবিন তেল নির্ধারিত কম দামে বিক্রি করা হচ্ছে। কামরুল হাসান বলেন, ৫ লিটার ৮৫০-৮৭০ টাকা, ২ লিটার ৩৫০ টাকা এবং ১ লিটার ১৭০ টাকা। মসুর ডাল ৯০-১৩৫ টাকা, চিনিগুড়া চাল ১৪০ টাকা কেজি। চালের দাম না কমায় বিক্রি করা হচ্ছে না।

বেশি দামেই চাল বিক্রি
সরকার চালের বাজার স্থিতিশীল রাখার বিভিন্ন উদ্যোগ নিলেও কমছে না। আমনের মৌসুম ঘনিয়ে আসলেও চালের কোনো দাম কমেনি। একই বাজারের কুমিল্লা রাইস জেনারেল স্টোরের শহিদুল ইসলাম ও বরিশাল রাইস এজেন্সির হাফিজ বলেন, এখনো আগের দামে চাল বিক্রি করা হচ্ছে। কমেনি কোনো চালের দাম।

তারা বলেন, ‘মিনিকেট চাল এখনো ৭৪ থেকে ৭৫ টাকা কেজি, ২৮ চাল ৬৬ টাকা, বাসমতি ৮৮ টাকা, নাজির শাইল ৮২ থেকে ৯০ টাকা কেজি বিক্রি করা হচ্ছে। তবে মোটা চাল নেই। পোলাও চালের দামও কমছে না। খোলা চাল ১২৫ টাকা ও বিভিন্ন কোম্পানির প্যাকেট চাল ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি বিক্রি করা হচ্ছে।

পেঁয়াজের কেজি ৫০-৬০ টাকা
গত সপ্তাহে পেঁয়াজের কেজিতে বেড়েছে ৫-১০ টাকা। এ সপ্তাহেও সেই দামে বিক্রি করা হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, কাঁচামাল, পেঁয়াজের মৌসুম শেষ হতে যাচ্ছে। তাই আর কমার সম্ভাবনা নেই।

রফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের বেশি দামে কেনা। তাই বেশি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে। ভালো মানের রাজশাহীর পেঁয়াজ ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে অন্য পেঁয়াজের কেজি ৫০-৫৫ টাকা। তবে আদার দাম আগের চেয়ে কেজিতে ২০ টাকা কমে ১৬০ টাকা কেজি বিক্রি করছে বিক্রেতারা। দেশীয় আদা ১০০ টাকা ও রসুন ৭০ টাকা। তবে চায়না আদা ১৩০-১৪০ টাকা কেজি বিক্রি করা হচ্ছে।

আগের মতোই মাছ-মাংস-ডিম
নদীর পানি কমলেও খাল, বিলের মাছের দাম কমছে না। মাছ ব্যবসায়ীরা বলেন, চাহিদা বেশি। তাই কমছে না মাছের দাম। আগের মতোই রুই ও কাতলার কেজি ২৮০-৪৫০ টাকা, চিংড়ি ৬০০-১০০০ টাকা কেজি, বোয়াল ৮০০-১২০০ টাকা, কাচকি ৪০০-৫০০ টাকা, সিং ৪০০ থেকে ৬০০, পাঙ্গাস ১৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি বিক্রি করা হচ্ছে।

এদিকে মাংসের দামও কমেনি। কারওয়ান বাজারের মা বাবার দোয়াপোল্ট্রি হাউজের সুমন বলেন, প্রতি কেজি বয়লার ১৮০ টাকা, লাল লেয়ার ৩০০ টাকা, পাকিস্তানি ৩০০ টাকা ও দেশি মুরগি ৫৫০ টাকা কেজি বিক্রি করা হচ্ছে। এদিকে গরুর মাংস ৭০০ টাকা, খাসির মাংস ৮৫০-৯০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে বলে জানান বিক্রেতারা।

স্বস্তির দিকে সবজি
শীত ঘনিয়ে আসায় গত সপ্তাহের তুলনায় প্রায় সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে। বাঁধাকপি ও ফুলকপির দাম কমে প্রতি পিস ৬০ থেকে ৬০ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি শিম ১২০ টাকা বিক্রি করা হলেও শনিবার তা ৯০ থেকে ১০০ টাকা, বেগুনের দাম কমে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি করা হচ্ছে। পটল ৪০ টাকা, মরিচের কেজি ৪০ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে। ঝিঙে, ধুন্দল, চিচিঙ্গা, ঢেড়স, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, টমেটো ১২০ টাকা, শসা ৫০-৬০ টাকা কেজি বিক্রি করা হচ্ছে বলে বিক্রেতারা জানান।

মরিচ বিক্রেতা রফিক জানান মরিচের সরবরাহ বাড়ায় দাম কমেছে। আগের সপ্তাহে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি বিক্রি করা হলেও আজকে সব মরিচ ৪০ টাকা কেজি বিক্রি করা হচ্ছে।