ঢাকা ১১:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ভবিষ্যতে শুধু ডেটার ওপর নির্ভর করে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা যাবে: ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী।

পুঁজিবাজারে কোন শেয়ারের দাম বাড়বে, কোন শেয়ারের দাম কমবে তা ডেটাই বলে দেবে বলে মন্তব্য করছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে শুধু ডেটার ওপর নির্ভর করে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা যাবে।

বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ-২০২২ উপলক্ষে অ্যাসোসিয়েশন অব অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিজ অ্যান্ড মিউচুয়াল ফান্ডস (এএএমসিএমএফ) আয়োজিত ‘রুল অব টেকনোলজি অ্যান্ড ইএসজি অ্যানালাইটিকস ইন সাসটেইনেবল ফাইন্যান্সিং’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

টেলিযোগাযোগমন্ত্রী বলেন, আপনারা যারা শেয়ার মার্কেটে ব্যবসা করেন। তারা যদি আর্টিফিশিয়ালি ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করেন তখন আপনার কাছে কিউপিওর ডেটা আসবে। আর্টিফিশিয়ালি ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস করে দেবে ভবিষ্যতে আপনার কোন শেয়ারটা বাড়বে-কমবে।

 

মোস্তাফা জব্বার বলেন, আপনারা যদি বড় সম্পদের নাম বলেন তাহলে সেই সম্পদের নাম হচ্ছে ডেটা। এখন তো গ্রাফ ওঠা-নামা দেখে ইনভেস্টমেন্ট করেন। ভবিষ্যতে শুধু ডেটার ওপর নির্ভর করবে আপনার ইনভেস্টমেন্ট কোথায় যাবে, কোথায় যাবে না।

মন্ত্রী আরও বলেন, এই যে অবস্থাটা সেই অবস্থার জন্য আপনি যদি নিজে প্রস্তুত না হন এবং আপনি যদি তাতে অংশগ্রহণ করতে না পারেন, আপনার নিজের যদি দক্ষতাটা না থাকে, তাহলে আপনার জন্য সময়টা কঠিন হয়ে যাবে।

অনুষ্ঠানে কমিশনার মিজানুর রহমান বলেন, দেশের মিউচুয়াল ফান্ড খাতের আকার দ্রুত বাড়ছে। দুই বছর আগে এ খাতের মোট সম্পদের মূল্য ছিল ১০ হাজার কোটি টাকা। বর্তমানে তা বেড়ে ১৫ হাজার কোটি টাকা হয়েছে। এ খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গেলে কয়েক বছরের মধ্যে মিউচুয়াল ফান্ড খাতের মোট আকার এক লাখ কোটি টাকায় উন্নীত করা সম্ভব।

এএএমসিএমএফের প্রেসিডেন্ট হাসান ইমাম বলেছেন, মিউচুয়াল ফান্ড এখন মার্কেটে ভালো ইনভেস্টমেন্ট না, এটা প্রায়ই শোনা যায়। কিন্তু আমি বলব এখন শেয়ার মার্কেটের সবচেয়ে বড় সুযোগ হলো মিউচুয়াল ফান্ড। কারণ আমি এখন ৫ টাকা দিয়ে এমন একটা ইউনিট কিনতে পারি, যেটার সম্পদ আছে ১০ টাকা। এছাড়া ওই ৫ টাকা দিয়ে আমি সাড়ে ৭ শতাংশ ডিভিডেন্ড পাই। যার ডিভিডেন্ড ইল্ড বা প্রকৃত লভ্যাংশ ১৫ শতাংশ।

তিনি বলেন, আমাদের একচুয়াল ক্লোজড মিউচুয়াল ফান্ডকে যদি দেখি সিচুয়েশন কিন্তু এরকমই। যেটার ১০ টাকা এনএভি, সেটা ৫ টাকায় ট্রেড হচ্ছে। এটা ইনভেস্টরদের জন্য বড় অপরচুনিটি। আপনারা যদি লংটার্ম ইনভেস্টর সত্যি হন, তাহলে এসব মিউচুয়াল ফান্ড কেনা উচিত। কারণ এরা বছর বছর ভালো ডিভিডেন্ড দিচ্ছে। অর্থাৎ ডিভিডেন্ড ইল্ড ৫ টাকায় কিনলে কত পাব। ৫ টাকায় কিনলে কত ডিভিডেন্ড পাব সেটা যদি হিসাব করেন, তাহলে অনেক ফান্ড ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ডিভিডেন্ড দেয়।

এএএমসিএমএফ’র সভাপতি ড. হাসান ইমামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিএসইসির কমিশনার শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ ও রুমানা ইসলাম।

Tag :
জনপ্রিয়

সামনে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই”যেকোনো মূল্যে সমাবেশ সফল করতে হবে: ফখরুল।

ভবিষ্যতে শুধু ডেটার ওপর নির্ভর করে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা যাবে: ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী।

প্রকাশের সময় : ১২:২০:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর ২০২২

পুঁজিবাজারে কোন শেয়ারের দাম বাড়বে, কোন শেয়ারের দাম কমবে তা ডেটাই বলে দেবে বলে মন্তব্য করছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে শুধু ডেটার ওপর নির্ভর করে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা যাবে।

বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ-২০২২ উপলক্ষে অ্যাসোসিয়েশন অব অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিজ অ্যান্ড মিউচুয়াল ফান্ডস (এএএমসিএমএফ) আয়োজিত ‘রুল অব টেকনোলজি অ্যান্ড ইএসজি অ্যানালাইটিকস ইন সাসটেইনেবল ফাইন্যান্সিং’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

টেলিযোগাযোগমন্ত্রী বলেন, আপনারা যারা শেয়ার মার্কেটে ব্যবসা করেন। তারা যদি আর্টিফিশিয়ালি ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করেন তখন আপনার কাছে কিউপিওর ডেটা আসবে। আর্টিফিশিয়ালি ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস করে দেবে ভবিষ্যতে আপনার কোন শেয়ারটা বাড়বে-কমবে।

 

মোস্তাফা জব্বার বলেন, আপনারা যদি বড় সম্পদের নাম বলেন তাহলে সেই সম্পদের নাম হচ্ছে ডেটা। এখন তো গ্রাফ ওঠা-নামা দেখে ইনভেস্টমেন্ট করেন। ভবিষ্যতে শুধু ডেটার ওপর নির্ভর করবে আপনার ইনভেস্টমেন্ট কোথায় যাবে, কোথায় যাবে না।

মন্ত্রী আরও বলেন, এই যে অবস্থাটা সেই অবস্থার জন্য আপনি যদি নিজে প্রস্তুত না হন এবং আপনি যদি তাতে অংশগ্রহণ করতে না পারেন, আপনার নিজের যদি দক্ষতাটা না থাকে, তাহলে আপনার জন্য সময়টা কঠিন হয়ে যাবে।

অনুষ্ঠানে কমিশনার মিজানুর রহমান বলেন, দেশের মিউচুয়াল ফান্ড খাতের আকার দ্রুত বাড়ছে। দুই বছর আগে এ খাতের মোট সম্পদের মূল্য ছিল ১০ হাজার কোটি টাকা। বর্তমানে তা বেড়ে ১৫ হাজার কোটি টাকা হয়েছে। এ খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গেলে কয়েক বছরের মধ্যে মিউচুয়াল ফান্ড খাতের মোট আকার এক লাখ কোটি টাকায় উন্নীত করা সম্ভব।

এএএমসিএমএফের প্রেসিডেন্ট হাসান ইমাম বলেছেন, মিউচুয়াল ফান্ড এখন মার্কেটে ভালো ইনভেস্টমেন্ট না, এটা প্রায়ই শোনা যায়। কিন্তু আমি বলব এখন শেয়ার মার্কেটের সবচেয়ে বড় সুযোগ হলো মিউচুয়াল ফান্ড। কারণ আমি এখন ৫ টাকা দিয়ে এমন একটা ইউনিট কিনতে পারি, যেটার সম্পদ আছে ১০ টাকা। এছাড়া ওই ৫ টাকা দিয়ে আমি সাড়ে ৭ শতাংশ ডিভিডেন্ড পাই। যার ডিভিডেন্ড ইল্ড বা প্রকৃত লভ্যাংশ ১৫ শতাংশ।

তিনি বলেন, আমাদের একচুয়াল ক্লোজড মিউচুয়াল ফান্ডকে যদি দেখি সিচুয়েশন কিন্তু এরকমই। যেটার ১০ টাকা এনএভি, সেটা ৫ টাকায় ট্রেড হচ্ছে। এটা ইনভেস্টরদের জন্য বড় অপরচুনিটি। আপনারা যদি লংটার্ম ইনভেস্টর সত্যি হন, তাহলে এসব মিউচুয়াল ফান্ড কেনা উচিত। কারণ এরা বছর বছর ভালো ডিভিডেন্ড দিচ্ছে। অর্থাৎ ডিভিডেন্ড ইল্ড ৫ টাকায় কিনলে কত পাব। ৫ টাকায় কিনলে কত ডিভিডেন্ড পাব সেটা যদি হিসাব করেন, তাহলে অনেক ফান্ড ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ডিভিডেন্ড দেয়।

এএএমসিএমএফ’র সভাপতি ড. হাসান ইমামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিএসইসির কমিশনার শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ ও রুমানা ইসলাম।