ঢাকা ১২:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

দেশের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নের মাধ্যমে বিদেশে যাওয়া কমে আসবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, বিভিন্ন হাসপাতালে যে চার্জ আছে সেটিকে আমরা নির্ধারণ করে দেওয়ার চেষ্টা করছি। কোনো কোনো জায়গায় দেখা যায় একটি বিশেষ পরীক্ষার জন্য ১০ হাজার টাকা, অন্য জায়গায় আবার ৫০ হাজার টাকা, এই বিরাট বৈষম্য আমরা দূর করতে চাই। এটি হতে দেওয়া যাবে না।

বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দরিদ্র জনগণ যাতে সঠিক চিকিৎসা পায়, তারা যেন কষ্ট না পায়, সেদিকে নজর রাখতে হবে। তাদের যাতে বাড়তি মূল্য না দিতে হয়।

জাহিদ মালেক বলেন, বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে আজ বৈঠকে বসেছিলাম। তাদেরকে বলেছি তাদের সেবার মান উন্নয়ন করতে হবে। সেক্ষেত্রে আমরা ক্যাটাগরি করে দেবো। সেবার মান উন্নত করে এ, বি ও সি ক্যাটাগরি করে দেবো। ক্যাটাগরি সার্বিক ব্যবস্থাপনা অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে। যে ক্যাটাগরিতে যে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার উপযোগী সেই প্রতিষ্ঠান তার বাইরে সেবা দিতে পারবে না।

কবে নাগাদ হাসপাতালের ক্যাটাগরি ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি নির্ধারণ করা হবে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, আলোচনার মাধ্যমে এটি আমরা করতে পারবো। সব হাসাপাতাল তো একই মানের না, সুতরাং এক রকম তো হবে না। সে অনুযায়ী চার্জ নির্ধারণ হবে। করোনার জন্য অনেক কিছু করতে পারিনি, গোটা বিশ্বই এগোতে পারেনি। আগামীতে যাতে দ্রুত করতে পারি সেদিকে নজর রাখছি। এ বছরই এটি হবে। আমরা প্রাথমিক লিস্ট করে রেখেছি। সবকিছুর ধারণা রেখেছি, আশা করি দ্রুতই এটি হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, অনেকে অপারেশন করেন, সিজার করেন। কিন্তু সিজার করার ব্যবস্থা হয়তো সেই ক্লিনিক বা হাসপাতালে নেই, তাদের অপারেশন বা সিজার করতে দেওয়া যাবে না।

দেশের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নের মাধ্যমে বিদেশে যাওয়া কমে আসবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এখনও অনেকে বিদেশে চিকিৎসা নেয় এবং আমাদের কষ্টার্জিত যে বৈদেশিক মুদ্রা, তা চলে যায়। সেটি হয়ত কমবে। চিকিৎসার জন্য অনেক বৈদেশিক মুদ্রা বাইরে চলে যায়। আমাদের দেশে চিকিৎসাটা ভালো থাকলে মানুষ বাইরে যাবে না। তাহলে সেই টাকা দেশেই থাকবে।

Tag :
জনপ্রিয়

সামনে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই”যেকোনো মূল্যে সমাবেশ সফল করতে হবে: ফখরুল।

দেশের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নের মাধ্যমে বিদেশে যাওয়া কমে আসবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

প্রকাশের সময় : ১০:০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর ২০২২

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, বিভিন্ন হাসপাতালে যে চার্জ আছে সেটিকে আমরা নির্ধারণ করে দেওয়ার চেষ্টা করছি। কোনো কোনো জায়গায় দেখা যায় একটি বিশেষ পরীক্ষার জন্য ১০ হাজার টাকা, অন্য জায়গায় আবার ৫০ হাজার টাকা, এই বিরাট বৈষম্য আমরা দূর করতে চাই। এটি হতে দেওয়া যাবে না।

বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দরিদ্র জনগণ যাতে সঠিক চিকিৎসা পায়, তারা যেন কষ্ট না পায়, সেদিকে নজর রাখতে হবে। তাদের যাতে বাড়তি মূল্য না দিতে হয়।

জাহিদ মালেক বলেন, বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে আজ বৈঠকে বসেছিলাম। তাদেরকে বলেছি তাদের সেবার মান উন্নয়ন করতে হবে। সেক্ষেত্রে আমরা ক্যাটাগরি করে দেবো। সেবার মান উন্নত করে এ, বি ও সি ক্যাটাগরি করে দেবো। ক্যাটাগরি সার্বিক ব্যবস্থাপনা অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে। যে ক্যাটাগরিতে যে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার উপযোগী সেই প্রতিষ্ঠান তার বাইরে সেবা দিতে পারবে না।

কবে নাগাদ হাসপাতালের ক্যাটাগরি ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফি নির্ধারণ করা হবে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, আলোচনার মাধ্যমে এটি আমরা করতে পারবো। সব হাসাপাতাল তো একই মানের না, সুতরাং এক রকম তো হবে না। সে অনুযায়ী চার্জ নির্ধারণ হবে। করোনার জন্য অনেক কিছু করতে পারিনি, গোটা বিশ্বই এগোতে পারেনি। আগামীতে যাতে দ্রুত করতে পারি সেদিকে নজর রাখছি। এ বছরই এটি হবে। আমরা প্রাথমিক লিস্ট করে রেখেছি। সবকিছুর ধারণা রেখেছি, আশা করি দ্রুতই এটি হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, অনেকে অপারেশন করেন, সিজার করেন। কিন্তু সিজার করার ব্যবস্থা হয়তো সেই ক্লিনিক বা হাসপাতালে নেই, তাদের অপারেশন বা সিজার করতে দেওয়া যাবে না।

দেশের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নের মাধ্যমে বিদেশে যাওয়া কমে আসবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এখনও অনেকে বিদেশে চিকিৎসা নেয় এবং আমাদের কষ্টার্জিত যে বৈদেশিক মুদ্রা, তা চলে যায়। সেটি হয়ত কমবে। চিকিৎসার জন্য অনেক বৈদেশিক মুদ্রা বাইরে চলে যায়। আমাদের দেশে চিকিৎসাটা ভালো থাকলে মানুষ বাইরে যাবে না। তাহলে সেই টাকা দেশেই থাকবে।