ঢাকা ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

গোটা দেশ চোরে গিজগিজ করছে: রিজভী

গোটা দেশে এখন চোরে গিজগিজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘গণতন্ত্রকে স্বৈরতন্ত্রে রূপান্তরের জনক হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার কাছে গণতন্ত্র ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা বড় নয়। ওনার কাছে সোনার হরিণ ক্ষমতা সবচেয়ে বড়। আজকে তার কাছে সবচেয়ে ঘৃণার বস্তু হচ্ছে নির্বাচন।’

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের একটি নাম। রাজনীতিতে তার যে অবদান তা অনেক সময় ধরে। তিনি দুঃখ কষ্ট সহ্য করলেও কখনো আত্মসমর্পণ করেননি। দেশ ছেড়ে গেছেন এমন নজির নেই। সবকিছুকে ছাপিয়ে তিনি মহীয়ান ও জাতীয় জীবনের বাতিঘর। তিনি জীবন বাজি রেখে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে আপসহীন নেতৃত্ব দিচ্ছেন।’

এক-এগারোর সময়কার উদাহরণ টেনে রিজভী বলেন, ‘ওয়ান ইলেভেনে একজন নেত্রী দেশ ছেড়ে গিয়েছিল। কিন্তু খালেদা জিয়া তা করেননি। আত্মসমর্পণ না করে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে কীভাবে আপসহীন নেতৃত্ব দিতে হয় তার নাম খালেদা জিয়া। তিনি আমাদের অনুপ্রেরণা।’

বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, ‘আজকে দেশে কী পরিস্থিতি বিরাজমান। গত পরশু রাতে সোনিয়া নামের মহিলা দল নেত্রীকে রাজবাড়ী থেকে পুলিশ তুলে নিয়ে গেছে। সে দিনের বেলা গ্রেপ্তারের দাবি জানালেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকেরা তাকে অমানবিক ও বর্বরোচিতভাবে গ্রেপ্তার করে। তিনি নাকি ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার কারণে প্রধানমন্ত্রীর সুনাম ক্ষু্ণ্ন হয়েছে।’

রিজভীর প্রশ্ন, ‘প্রধানমন্ত্রী কী বলবেন যে, তার কত পার্সেন্ট সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে? কই ইডেনের ঘটনায় আপনার সুনাম ক্ষুণ্ন হয় না? কারণ তারা তো ছাত্রলীগ? ছাত্রলীগের সেক্রেটারি যখন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির সঙ্গে মোবাইলে ভবন নির্মাণের চাঁদা দাবি করে, তখন কি আপনার সুনাম ক্ষুণ্ন হয় না? পররাষ্ট্রমন্ত্রী যখন বলে, পার্শ্ববর্তী দেশের সঙ্গে কথা বলব যে ক্ষমতায় রাখা যায় কিনা? কই তখন কি আপনার সুনাম ক্ষুণ্ন হয় না? আপনি দুই সন্তানের মাকে রাতের আঁধারে গ্রেপ্তার করেছেন।’

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘তিনি জানেন যে বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতি হবে। সে জন্যই তিনি কুইক রেন্টালের বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য চুরির সুযোগ দিতে ইনডেমনিটি আইন করেছেন। আজকে গোটা দেশে চোরে গিজগিজ করছে। আজকে নারী ফুটবলার কৃষ্ণা ও শামসুন্নাহারের ব্যাগ থেকে ডলার চুরি হয়। বাংলা একাডেমি থেকে বিদেশি রাষ্ট্রদূতের স্ত্রীর ভ্যানিটি ব্যাগ চুরি হয়। ঠাকুরগাঁওয়ে একজন ছাত্রলীগের নেতা ছাগল চুরি করে পিকনিক করতে গিয়ে জনতার হাতে ধরা পড়ে। আজকে চোরের কবলে দেশ। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য আমাদেরকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অবিলম্বে মুক্ত করতে হবে।’

সারাদেশে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশ ও আওয়ামী নেতাকর্মীদের হামলার প্রতিবাদ এবং বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অবিলম্বে মুক্তির দাবিতে এই সমাবেশের আয়োজন করে গণতন্ত্র ফোরাম।

সংগঠনের সভাপতি খলিলুর রহমান ইব্রাহিমের সভাপতিত্বে ও আব্দুল্লাহ আল নাইমের পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, বিলকিস ইসলাম, মৎস্যজীবী দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিলন মেহেদী, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) শাহাদাত হোসেন সেলিম, কল্যাণ পার্টির সাহিদুর রহমান তামান্না, তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনির, ইসমাইল চৌধুরী খোকন, কাদের সিদ্দিকী ও ইসমাইল হোসেন সিরাজী প্রমুখ।

অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ বলেন, ‘আওয়ামী লীগ দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করেছে। অতীতেও তারা বাকশাল কায়েমের মাধ্যমে দেশকে অকার্যকর করেছিল। তারা আবারও বিদেশি শক্তির ইন্ধনে ক্ষমতায় আসতে চায়। কিন্তু বিএনপি নেতাকর্মীরা আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আপনাদের পতন ঘটাবে। আর কোনো পাতানো নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না। সাহস থাকলে পুলিশ ছাড়া রাজপথে আসুন, বিএনপি থাকে নাকি আওয়ামী লীগ থাকে। পুলিশকে বলব,আপনারা নিরপেক্ষ থাকুন।’

শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সুষ্ঠু নির্বাচনকে ভয় পায়। আজকে তারেক রহমানের জাদুর ছোঁয়ায় বিএনপি নেতাকর্মীরা যখন উজ্জীবিত, তখন সরকার ও পুলিশ বেপরোয়াভাবে হামলা করছে। মনে রাখবেন, এখন থেকে প্রতিবাদ নয় প্রতিশোধ নেওয়া হবে।’

মীর সরফত আলী সপু বলেন, ‘ক্ষমতাসীন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের পুলিশ বাহিনী আমাদের চারজন নেতাকর্মীর প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। অন্যদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে প্রায় শতগুণ। প্রধানমন্ত্রী নিজেই বলেছেন দেশে দুর্ভিক্ষ দেখা দেবে। এমতাবস্থায় নির্বাচন কমিশন কেন ৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ইভিএম কিনতে যাচ্ছে? এই প্রকল্প অবিলম্বে বাতিল করে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন এবং খালেদা জিয়াকে মুক্তি ও নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। না হলে রাজপথে দাঁতভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে।’

আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ বলেন, ‘এই অবৈধ সরকার তাদের পতন টের পেয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের হত্যা ও তাদের উপর এমনকি বাড়িতে গাড়িতে হামলা করছে। এসবের বিরুদ্ধে আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি নিশ্চিত করতে হবে।’

Tag :
জনপ্রিয়

আগামী বছর থেকে বিদ্যুৎ সংকট অনেকটাই কেটে যাবে: জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী।

গোটা দেশ চোরে গিজগিজ করছে: রিজভী

প্রকাশের সময় : ০৭:৫৯:২৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অক্টোবর ২০২২

গোটা দেশে এখন চোরে গিজগিজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘গণতন্ত্রকে স্বৈরতন্ত্রে রূপান্তরের জনক হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার কাছে গণতন্ত্র ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা বড় নয়। ওনার কাছে সোনার হরিণ ক্ষমতা সবচেয়ে বড়। আজকে তার কাছে সবচেয়ে ঘৃণার বস্তু হচ্ছে নির্বাচন।’

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের একটি নাম। রাজনীতিতে তার যে অবদান তা অনেক সময় ধরে। তিনি দুঃখ কষ্ট সহ্য করলেও কখনো আত্মসমর্পণ করেননি। দেশ ছেড়ে গেছেন এমন নজির নেই। সবকিছুকে ছাপিয়ে তিনি মহীয়ান ও জাতীয় জীবনের বাতিঘর। তিনি জীবন বাজি রেখে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে আপসহীন নেতৃত্ব দিচ্ছেন।’

এক-এগারোর সময়কার উদাহরণ টেনে রিজভী বলেন, ‘ওয়ান ইলেভেনে একজন নেত্রী দেশ ছেড়ে গিয়েছিল। কিন্তু খালেদা জিয়া তা করেননি। আত্মসমর্পণ না করে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে কীভাবে আপসহীন নেতৃত্ব দিতে হয় তার নাম খালেদা জিয়া। তিনি আমাদের অনুপ্রেরণা।’

বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, ‘আজকে দেশে কী পরিস্থিতি বিরাজমান। গত পরশু রাতে সোনিয়া নামের মহিলা দল নেত্রীকে রাজবাড়ী থেকে পুলিশ তুলে নিয়ে গেছে। সে দিনের বেলা গ্রেপ্তারের দাবি জানালেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকেরা তাকে অমানবিক ও বর্বরোচিতভাবে গ্রেপ্তার করে। তিনি নাকি ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার কারণে প্রধানমন্ত্রীর সুনাম ক্ষু্ণ্ন হয়েছে।’

রিজভীর প্রশ্ন, ‘প্রধানমন্ত্রী কী বলবেন যে, তার কত পার্সেন্ট সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে? কই ইডেনের ঘটনায় আপনার সুনাম ক্ষুণ্ন হয় না? কারণ তারা তো ছাত্রলীগ? ছাত্রলীগের সেক্রেটারি যখন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির সঙ্গে মোবাইলে ভবন নির্মাণের চাঁদা দাবি করে, তখন কি আপনার সুনাম ক্ষুণ্ন হয় না? পররাষ্ট্রমন্ত্রী যখন বলে, পার্শ্ববর্তী দেশের সঙ্গে কথা বলব যে ক্ষমতায় রাখা যায় কিনা? কই তখন কি আপনার সুনাম ক্ষুণ্ন হয় না? আপনি দুই সন্তানের মাকে রাতের আঁধারে গ্রেপ্তার করেছেন।’

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘তিনি জানেন যে বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতি হবে। সে জন্যই তিনি কুইক রেন্টালের বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য চুরির সুযোগ দিতে ইনডেমনিটি আইন করেছেন। আজকে গোটা দেশে চোরে গিজগিজ করছে। আজকে নারী ফুটবলার কৃষ্ণা ও শামসুন্নাহারের ব্যাগ থেকে ডলার চুরি হয়। বাংলা একাডেমি থেকে বিদেশি রাষ্ট্রদূতের স্ত্রীর ভ্যানিটি ব্যাগ চুরি হয়। ঠাকুরগাঁওয়ে একজন ছাত্রলীগের নেতা ছাগল চুরি করে পিকনিক করতে গিয়ে জনতার হাতে ধরা পড়ে। আজকে চোরের কবলে দেশ। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য আমাদেরকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অবিলম্বে মুক্ত করতে হবে।’

সারাদেশে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশ ও আওয়ামী নেতাকর্মীদের হামলার প্রতিবাদ এবং বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অবিলম্বে মুক্তির দাবিতে এই সমাবেশের আয়োজন করে গণতন্ত্র ফোরাম।

সংগঠনের সভাপতি খলিলুর রহমান ইব্রাহিমের সভাপতিত্বে ও আব্দুল্লাহ আল নাইমের পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, বিলকিস ইসলাম, মৎস্যজীবী দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিলন মেহেদী, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) শাহাদাত হোসেন সেলিম, কল্যাণ পার্টির সাহিদুর রহমান তামান্না, তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ড. কাজী মনিরুজ্জামান মনির, ইসমাইল চৌধুরী খোকন, কাদের সিদ্দিকী ও ইসমাইল হোসেন সিরাজী প্রমুখ।

অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ বলেন, ‘আওয়ামী লীগ দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করেছে। অতীতেও তারা বাকশাল কায়েমের মাধ্যমে দেশকে অকার্যকর করেছিল। তারা আবারও বিদেশি শক্তির ইন্ধনে ক্ষমতায় আসতে চায়। কিন্তু বিএনপি নেতাকর্মীরা আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আপনাদের পতন ঘটাবে। আর কোনো পাতানো নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না। সাহস থাকলে পুলিশ ছাড়া রাজপথে আসুন, বিএনপি থাকে নাকি আওয়ামী লীগ থাকে। পুলিশকে বলব,আপনারা নিরপেক্ষ থাকুন।’

শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সুষ্ঠু নির্বাচনকে ভয় পায়। আজকে তারেক রহমানের জাদুর ছোঁয়ায় বিএনপি নেতাকর্মীরা যখন উজ্জীবিত, তখন সরকার ও পুলিশ বেপরোয়াভাবে হামলা করছে। মনে রাখবেন, এখন থেকে প্রতিবাদ নয় প্রতিশোধ নেওয়া হবে।’

মীর সরফত আলী সপু বলেন, ‘ক্ষমতাসীন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের পুলিশ বাহিনী আমাদের চারজন নেতাকর্মীর প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। অন্যদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে প্রায় শতগুণ। প্রধানমন্ত্রী নিজেই বলেছেন দেশে দুর্ভিক্ষ দেখা দেবে। এমতাবস্থায় নির্বাচন কমিশন কেন ৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ইভিএম কিনতে যাচ্ছে? এই প্রকল্প অবিলম্বে বাতিল করে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন এবং খালেদা জিয়াকে মুক্তি ও নেতাকর্মীদের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। না হলে রাজপথে দাঁতভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে।’

আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ বলেন, ‘এই অবৈধ সরকার তাদের পতন টের পেয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের হত্যা ও তাদের উপর এমনকি বাড়িতে গাড়িতে হামলা করছে। এসবের বিরুদ্ধে আমাদের রুখে দাঁড়াতে হবে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি নিশ্চিত করতে হবে।’