ঢাকা ০২:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

আমরা বলতে চাই, আওয়ামীলীগের মধ্যেও একটি সহ্যের সীমা রয়েছে: নানক।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, আমাদেরও সহ্যের সীমা রয়েছে। সেই সহ্যের বাঁধ যদি ভেঙে যায় তার ফল ভালো হবে না। আমরা চাই দেশে শান্তিশৃঙ্খলা এবং গণতান্ত্রিক অধিকার সমুন্নত রাখার জন্য।

শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হাজারীবাগে বিএনপি নেতাকর্মীদের হামলার ঘটনায় আহত হয়ে আগারগাঁও পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দলীয় কর্মীদের খোঁজখবর নিতে যান তিনি। এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

এ সময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম।

জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, শাহ আলমের অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক। আইরিনের দুই হাত ভেঙে দিয়েছে এবং আবদুল্লাহ এখন বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে। আবদুল্লাহর শরীরে ১৮টি সেলাই
লেগেছে এবং তার কিডনি ড্যামেজ হয়ে গিয়েছে। সে এখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে আইসিইউতে সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।

তিনি বলেন, এ অবস্থা বিএনপি-জামায়াত দেশব্যাপী চালাচ্ছে। শুধু আওয়ামী লীগকে লক্ষ্য করে নয় তারা দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পুলিশ বাহিনীর উপর অতর্কিত হামলা করছে। এরা ২০০৯ সাল থেকেই একই অবস্থা সৃষ্টি করেছে। অগ্নি সন্ত্রাস করেছে, মানুষ হত্যা করেছে, রাজনীতির নামে এরা সন্ত্রাসীর পথ বেছে নিয়েছে। সরকারি অফিস জ্বালিয়ে দিয়েছে। ট্রেন লাইন উপড়ে ফেলেছে।

নানক বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, আওয়ামী লীগের মধ্যেও একটি সহ্যের সীমা রয়েছে। সেই সহ্যের বাঁধ যদি ভেঙে যায় তার ফল ভালো হবে না। দেশে গণতন্ত্র রয়েছে, শেখ হাসিনার সরকার দেশের সকল রাজনৈতিক দলকে মিছিল মিটিং করার অধিকার দিয়েছে। কিন্তু সেই অধিকারকে যদি মনে করা হয় যে, তারা যা ইচ্ছা তাই করবে, জনগণের উপর হামলা করবে, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর হামলা করবে, পুলিশের উপর হামলা করবে। তাহলে আমরাও পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, জনগণের জানমাল নিরাপত্তার জন্য সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ভূমিকা পালন করবে।

এ সময় আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, গত দুইদিন ধরে আমাদের আহত নেতাকর্মীদের দেখছি। আমরা বলতে চাই, সন্ত্রাসী কায়দায় সশস্ত্র কায়দায় মানুষের উপর বিশেষ করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, দেশ টিভির সাংবাদিকদের উপর নির্মমভাবে আঘাত করা হয়েছে। আমরা এসব কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

নাছিম বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে যদি কোনো রাজনৈতিক দল কর্মসূচি পালন করে সেক্ষেত্রে আমাদের বাধা দেওয়ার কোন ইচ্ছা নেই। আমাদের কোনো কর্মসূচি নেই। কিন্তু কেউ যদি সন্ত্রাসী কায়দায়, সশস্ত্র কায়দায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর আঘাত করে তাহলে জনগণকে সঙ্গে বিএনপি জামাতি সন্ত্রাসী গুণ্ডাদের প্রতিহত করা হবে।

Tag :
জনপ্রিয়

বোমা ফেলে থামানোর চেষ্টা বিশ্বের বৃহত্তম জীবন্ত আগ্নেয়গিরির লাভাস্রোত!

আমরা বলতে চাই, আওয়ামীলীগের মধ্যেও একটি সহ্যের সীমা রয়েছে: নানক।

প্রকাশের সময় : ০৫:০২:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, আমাদেরও সহ্যের সীমা রয়েছে। সেই সহ্যের বাঁধ যদি ভেঙে যায় তার ফল ভালো হবে না। আমরা চাই দেশে শান্তিশৃঙ্খলা এবং গণতান্ত্রিক অধিকার সমুন্নত রাখার জন্য।

শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হাজারীবাগে বিএনপি নেতাকর্মীদের হামলার ঘটনায় আহত হয়ে আগারগাঁও পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দলীয় কর্মীদের খোঁজখবর নিতে যান তিনি। এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

এ সময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম।

জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, শাহ আলমের অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক। আইরিনের দুই হাত ভেঙে দিয়েছে এবং আবদুল্লাহ এখন বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছে। আবদুল্লাহর শরীরে ১৮টি সেলাই
লেগেছে এবং তার কিডনি ড্যামেজ হয়ে গিয়েছে। সে এখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে আইসিইউতে সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।

তিনি বলেন, এ অবস্থা বিএনপি-জামায়াত দেশব্যাপী চালাচ্ছে। শুধু আওয়ামী লীগকে লক্ষ্য করে নয় তারা দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পুলিশ বাহিনীর উপর অতর্কিত হামলা করছে। এরা ২০০৯ সাল থেকেই একই অবস্থা সৃষ্টি করেছে। অগ্নি সন্ত্রাস করেছে, মানুষ হত্যা করেছে, রাজনীতির নামে এরা সন্ত্রাসীর পথ বেছে নিয়েছে। সরকারি অফিস জ্বালিয়ে দিয়েছে। ট্রেন লাইন উপড়ে ফেলেছে।

নানক বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, আওয়ামী লীগের মধ্যেও একটি সহ্যের সীমা রয়েছে। সেই সহ্যের বাঁধ যদি ভেঙে যায় তার ফল ভালো হবে না। দেশে গণতন্ত্র রয়েছে, শেখ হাসিনার সরকার দেশের সকল রাজনৈতিক দলকে মিছিল মিটিং করার অধিকার দিয়েছে। কিন্তু সেই অধিকারকে যদি মনে করা হয় যে, তারা যা ইচ্ছা তাই করবে, জনগণের উপর হামলা করবে, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর হামলা করবে, পুলিশের উপর হামলা করবে। তাহলে আমরাও পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, জনগণের জানমাল নিরাপত্তার জন্য সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ভূমিকা পালন করবে।

এ সময় আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, গত দুইদিন ধরে আমাদের আহত নেতাকর্মীদের দেখছি। আমরা বলতে চাই, সন্ত্রাসী কায়দায় সশস্ত্র কায়দায় মানুষের উপর বিশেষ করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, দেশ টিভির সাংবাদিকদের উপর নির্মমভাবে আঘাত করা হয়েছে। আমরা এসব কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

নাছিম বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে যদি কোনো রাজনৈতিক দল কর্মসূচি পালন করে সেক্ষেত্রে আমাদের বাধা দেওয়ার কোন ইচ্ছা নেই। আমাদের কোনো কর্মসূচি নেই। কিন্তু কেউ যদি সন্ত্রাসী কায়দায়, সশস্ত্র কায়দায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর আঘাত করে তাহলে জনগণকে সঙ্গে বিএনপি জামাতি সন্ত্রাসী গুণ্ডাদের প্রতিহত করা হবে।