ঢাকা ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ব্রহ্মপুত্রের পানি কমলেও ভাঙছে, বাড়লেও ভাঙছে

আবারও ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধির ফলে তীব্র ভাঙনের মুখে পড়েছে কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র ও ধরলা অববাহিকার শত শত পরিবার। গত এক মাসে ওই ইউনিয়নের মুসুল্লিপাড়া, সরকার পাড়া, ব্যাপারী পাড়া, রাসুলপুর ও মোল্লারহাট এলাকার তিন শতাধিক বাড়ি-ঘর নদীতে বিলীন হয়েছে। এখনও ভাঙন অব্যাহত আছে।

দেখা গেছে, যে যার মতো নিজেদের বাড়ি ঘর নিরাপদ আশ্রয়ে নিতে পরিবারের সবাই মিলে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এমন অবস্থায় নির্ঘুম রাত কাটছে নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের।

২০ বছর ধরে বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের মুসুল্লিপাড়া জামে মসজিদে মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ইব্রাহিম খলিল (৬০) বলেন, তীব্র ভাঙনের কারণে মসজিদটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তারপরেও কংক্রিটের সিঁড়ি নদীতে চলে গেছে। মসজিদের পাশাপাশি অনেক পরিবারও নিঃস্ব হয়ে গেছে।

বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের মুসুল্লিপাড়া এলাকার সাদ্দাম হোসেন বলেন, ব্রহ্মপুত্রের পানি কমলেও ভাঙছে, বাড়লেও ভাঙছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড মোল্লারহাটের কড্ডার মোড়ে কিছু কাজ করছে। আর যদি ৫০০ মিটার এলাকাজুড়ে কাজ করত তাহলে এত পরিমাণে ক্ষয়ক্ষতি হতো না।

বেগমগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান বাবলু মিয়া বলেন, আমার ইউনিয়নের তিন ভাগের দুই ভাগ ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদে চলে গেছে। পানি বৃদ্ধির ফলে আবাদি ফসলও পানিতে তলিয়ে আছে।

এ বিষয় কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

Tag :
জনপ্রিয়

সাটুরিয়ায় নিয়োগ বাতিলের দাবীতে মানববন্ধন

ব্রহ্মপুত্রের পানি কমলেও ভাঙছে, বাড়লেও ভাঙছে

প্রকাশের সময় : ০৬:৩৪:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২

আবারও ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধির ফলে তীব্র ভাঙনের মুখে পড়েছে কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র ও ধরলা অববাহিকার শত শত পরিবার। গত এক মাসে ওই ইউনিয়নের মুসুল্লিপাড়া, সরকার পাড়া, ব্যাপারী পাড়া, রাসুলপুর ও মোল্লারহাট এলাকার তিন শতাধিক বাড়ি-ঘর নদীতে বিলীন হয়েছে। এখনও ভাঙন অব্যাহত আছে।

দেখা গেছে, যে যার মতো নিজেদের বাড়ি ঘর নিরাপদ আশ্রয়ে নিতে পরিবারের সবাই মিলে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এমন অবস্থায় নির্ঘুম রাত কাটছে নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের।

২০ বছর ধরে বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের মুসুল্লিপাড়া জামে মসজিদে মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ইব্রাহিম খলিল (৬০) বলেন, তীব্র ভাঙনের কারণে মসজিদটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তারপরেও কংক্রিটের সিঁড়ি নদীতে চলে গেছে। মসজিদের পাশাপাশি অনেক পরিবারও নিঃস্ব হয়ে গেছে।

বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের মুসুল্লিপাড়া এলাকার সাদ্দাম হোসেন বলেন, ব্রহ্মপুত্রের পানি কমলেও ভাঙছে, বাড়লেও ভাঙছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড মোল্লারহাটের কড্ডার মোড়ে কিছু কাজ করছে। আর যদি ৫০০ মিটার এলাকাজুড়ে কাজ করত তাহলে এত পরিমাণে ক্ষয়ক্ষতি হতো না।

বেগমগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান বাবলু মিয়া বলেন, আমার ইউনিয়নের তিন ভাগের দুই ভাগ ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদে চলে গেছে। পানি বৃদ্ধির ফলে আবাদি ফসলও পানিতে তলিয়ে আছে।

এ বিষয় কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।