ঢাকা ১১:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

বেকার ভাতা পাবেন কাজ হারানো শ্রমিকরা

করোনা মহামারির মধ্যে লকডাউন দেয়ায় বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠানের কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। চাকরি হারানোর পর কোনো আর্থিক সুবিধা না পেয়ে অনেকের জীবন মানবেতর হয়ে ওঠে। এমন অভিজ্ঞতাকে আমলে নিয়ে কর্মক্ষম বেকার কর্মীদের জন্য ‘ভাতা’ চালু করতে যাচ্ছে সরকার।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ পাঁচ বছরের জন্য যে জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল (২০২১-২০২৬) চূড়ান্ত করেছে, সেখানে সামাজিক বিমা চালুর বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সামাজিক বিমার আওতায় ‘বেকারত্ব বিমা প্রকল্প’ চালুর বিষয়ে গবেষণা করে কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আগামী বছরের মধ্যে শ্রম মন্ত্রণালয়কে এই পরিকল্পনা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠাতে হবে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ের মধ্যে নির্বাচিত কিছু প্রতিষ্ঠানের বেকার শ্রমিকদের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে বেকার বিমা চালু করা হবে। আর ২০২৫ সালের জুলাইয়ের মধ্যে সারা দেশে এটি বাস্তবায়ন করা হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, মানুষের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত হয় এমন কোনো বিমা কর্মসূচি বাংলাদেশে নেই। কিন্তু উন্নত দেশগুলোতে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক বিমা রয়েছে। এর মধ্যে ‘বিসমার্ক’ ও ‘বেভারেজ’ মডেল বেশ প্রচলিত। ওসব মডেলের মধ্যে স্বাস্থ্য বিমা রয়েছে। তবে বাংলাদেশে আপাতত বেকারত্ব, দুর্ঘনায় আহত, পঙ্গু ও মৃত্যু এবং মাতৃত্বকালীন ঝুঁকি ও অসুস্থতাকে প্রাধান্য দিয়ে সামাজিক বিমা চালু করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

সব বিমায় প্রিমিয়াম থাকে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, এসব ক্ষেত্রে প্রিমিয়াম কীভাবে নির্ধারণ করা হবে, তা এখনো ঠিক করা হয়নি। এমন হতে পারে বেকারত্ব বিমার বেশির ভাগ প্রিমিয়াম সরকার দেবে। এটি বাস্তবায়নে সরকারের একটি ফান্ড থাকবে। আমাদের লক্ষ্য, কর্মক্ষম কোনো শ্রমিক ঝামেলায় পড়লে যেন বিমার আওতায় আর্থিক সুবিধা পায়।

শ্রম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল অনুযায়ী কার্যক্রম হাতে নিতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। পরীক্ষামূলকভাবে প্রাতিষ্ঠানিক খাতের বেকার শ্রমিকদের জন্য বেকার বিমা চালু করা হবে। পর্যায়ক্রমে সব প্রাতিষ্ঠানিক-অপ্রাতিষ্ঠানিক সব খাতের শ্রমিকদের জন্য এই ভাতা চালু করা হবে।

বাংলাদেশে সব মিলিয়ে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় ৮১ লাখ। এখন পর্যন্ত পোশাক, চামড়াজাত পণ্য ও জুতা কারখানা, রাইস মিল, ট্যানারি, পেট্রল পাম্প, চা-বাগান, রাবার ইন্ডাস্ট্রিজ, স মিলস, ফার্মাসিউটিক্যালসহ ৪২টি খাতকে প্রাতিষ্ঠানিক খাত হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে সরকার। এসব প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা সরকার নির্ধারণ করে দেয়। যদিও কয়েকটি খাত ছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক অন্য খাতের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা সরকার নির্ধারিত হারে দেয়া হয় না।

শ্রম মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, নতুন করে ব্যক্তিমালিকানাধীন ক্লিনিক, হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার; দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদন ও দুগ্ধ খামার, টাইলস অ্যান্ড সিরামিক, সার কারখানা, সিমেন্ট কারখানা, ইলেকট্রিক অ্যান্ড ইলেকটিক্যাল পণ্য প্রস্তুতকারক শিল্প, ইটভাটা শিল্প, পোলট্রি ফার্ম শিল্প, বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত বিনোদনপার্ক, ব্যাটারি প্রস্তুতকারক শিল্প, শুঁটকি প্রস্তুতকারক শিল্প, পাথর ভাঙা শ্রমিক, ব্যক্তিমালিকানাধীন বিমান পরিবহনশিল্প এবং আইটি শিল্প খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রাতিষ্ঠানিক খাতভুক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কারণ কোনো খাতকে প্রাতিষ্ঠানিক হিসেবে ঘোষণা করার পর সেসব খাতের শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার ভূমিকা রাখতে পারে।

২০১৬ সালের সবশেষে শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী ছিল ছয় কোটি ৩৫ লাখ। তাদের মধ্যে কাজে নিয়োজিত ছয় কোটি আট লাখ মানুষ। ওই জরিপ অনুযায়ী, দেশে কর্মক্ষম বেকারের সংখ্যা ২৭ লাখ। ২০২০ সালে করোনার মহামারির পর অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে, অনেক প্রতিষ্ঠানের কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, দেশে এখন কর্মক্ষম বেকারের সংখ্যা অনেক বেশি।

সিপিডির হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশে ১৮ থেকে ২৮ বছর বয়সী যুবকদের তিনজনের একজন বেকার। লন্ডনের ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি ১০০ জন স্নাতক ডিগ্রিধারীর মধ্যে ৪৭ জনই বেকার। আর আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে বেকারের সংখ্যা প্রায় তিন কোটি।

শ্রম মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে তিন কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে বেকারত্বের অবসান করতে চায় সরকার। দেশে ছয় কোটি কর্মক্ষম মানুষের মধ্যে ১৫ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক খাতে কাজের সুযোগ পান। ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে প্রতি বছর দেশের ভেতরে ১৮ লাখ ৪০ হাজার এবং বিদেশে পাঁচ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য জাতীয় কর্মসংস্থান নীতি অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। ওই নীতি অনুযায়ী বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মো. সামসুল আরেফিন বলেন, সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বসে জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল চূড়ান্ত করা হয়েছে। সরকার সার্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে। সেটার ধারবাহিকতায় সামাজিক সুরক্ষার বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেয়া হচ্ছে। এসব কর্মসূচির আলোকে বেকার ভাতা চালু করা হবে।

Tag :
জনপ্রিয়

সামনে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই”যেকোনো মূল্যে সমাবেশ সফল করতে হবে: ফখরুল।

বেকার ভাতা পাবেন কাজ হারানো শ্রমিকরা

প্রকাশের সময় : ১০:১৩:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২

করোনা মহামারির মধ্যে লকডাউন দেয়ায় বেসরকারি অনেক প্রতিষ্ঠানের কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। চাকরি হারানোর পর কোনো আর্থিক সুবিধা না পেয়ে অনেকের জীবন মানবেতর হয়ে ওঠে। এমন অভিজ্ঞতাকে আমলে নিয়ে কর্মক্ষম বেকার কর্মীদের জন্য ‘ভাতা’ চালু করতে যাচ্ছে সরকার।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ পাঁচ বছরের জন্য যে জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল (২০২১-২০২৬) চূড়ান্ত করেছে, সেখানে সামাজিক বিমা চালুর বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সামাজিক বিমার আওতায় ‘বেকারত্ব বিমা প্রকল্প’ চালুর বিষয়ে গবেষণা করে কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আগামী বছরের মধ্যে শ্রম মন্ত্রণালয়কে এই পরিকল্পনা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠাতে হবে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ের মধ্যে নির্বাচিত কিছু প্রতিষ্ঠানের বেকার শ্রমিকদের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে বেকার বিমা চালু করা হবে। আর ২০২৫ সালের জুলাইয়ের মধ্যে সারা দেশে এটি বাস্তবায়ন করা হবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, মানুষের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত হয় এমন কোনো বিমা কর্মসূচি বাংলাদেশে নেই। কিন্তু উন্নত দেশগুলোতে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক বিমা রয়েছে। এর মধ্যে ‘বিসমার্ক’ ও ‘বেভারেজ’ মডেল বেশ প্রচলিত। ওসব মডেলের মধ্যে স্বাস্থ্য বিমা রয়েছে। তবে বাংলাদেশে আপাতত বেকারত্ব, দুর্ঘনায় আহত, পঙ্গু ও মৃত্যু এবং মাতৃত্বকালীন ঝুঁকি ও অসুস্থতাকে প্রাধান্য দিয়ে সামাজিক বিমা চালু করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

সব বিমায় প্রিমিয়াম থাকে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, এসব ক্ষেত্রে প্রিমিয়াম কীভাবে নির্ধারণ করা হবে, তা এখনো ঠিক করা হয়নি। এমন হতে পারে বেকারত্ব বিমার বেশির ভাগ প্রিমিয়াম সরকার দেবে। এটি বাস্তবায়নে সরকারের একটি ফান্ড থাকবে। আমাদের লক্ষ্য, কর্মক্ষম কোনো শ্রমিক ঝামেলায় পড়লে যেন বিমার আওতায় আর্থিক সুবিধা পায়।

শ্রম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল অনুযায়ী কার্যক্রম হাতে নিতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। পরীক্ষামূলকভাবে প্রাতিষ্ঠানিক খাতের বেকার শ্রমিকদের জন্য বেকার বিমা চালু করা হবে। পর্যায়ক্রমে সব প্রাতিষ্ঠানিক-অপ্রাতিষ্ঠানিক সব খাতের শ্রমিকদের জন্য এই ভাতা চালু করা হবে।

বাংলাদেশে সব মিলিয়ে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় ৮১ লাখ। এখন পর্যন্ত পোশাক, চামড়াজাত পণ্য ও জুতা কারখানা, রাইস মিল, ট্যানারি, পেট্রল পাম্প, চা-বাগান, রাবার ইন্ডাস্ট্রিজ, স মিলস, ফার্মাসিউটিক্যালসহ ৪২টি খাতকে প্রাতিষ্ঠানিক খাত হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে সরকার। এসব প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা সরকার নির্ধারণ করে দেয়। যদিও কয়েকটি খাত ছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক অন্য খাতের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা সরকার নির্ধারিত হারে দেয়া হয় না।

শ্রম মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, নতুন করে ব্যক্তিমালিকানাধীন ক্লিনিক, হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার; দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদন ও দুগ্ধ খামার, টাইলস অ্যান্ড সিরামিক, সার কারখানা, সিমেন্ট কারখানা, ইলেকট্রিক অ্যান্ড ইলেকটিক্যাল পণ্য প্রস্তুতকারক শিল্প, ইটভাটা শিল্প, পোলট্রি ফার্ম শিল্প, বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত বিনোদনপার্ক, ব্যাটারি প্রস্তুতকারক শিল্প, শুঁটকি প্রস্তুতকারক শিল্প, পাথর ভাঙা শ্রমিক, ব্যক্তিমালিকানাধীন বিমান পরিবহনশিল্প এবং আইটি শিল্প খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রাতিষ্ঠানিক খাতভুক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কারণ কোনো খাতকে প্রাতিষ্ঠানিক হিসেবে ঘোষণা করার পর সেসব খাতের শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার ভূমিকা রাখতে পারে।

২০১৬ সালের সবশেষে শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী ছিল ছয় কোটি ৩৫ লাখ। তাদের মধ্যে কাজে নিয়োজিত ছয় কোটি আট লাখ মানুষ। ওই জরিপ অনুযায়ী, দেশে কর্মক্ষম বেকারের সংখ্যা ২৭ লাখ। ২০২০ সালে করোনার মহামারির পর অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে, অনেক প্রতিষ্ঠানের কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, দেশে এখন কর্মক্ষম বেকারের সংখ্যা অনেক বেশি।

সিপিডির হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশে ১৮ থেকে ২৮ বছর বয়সী যুবকদের তিনজনের একজন বেকার। লন্ডনের ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি ১০০ জন স্নাতক ডিগ্রিধারীর মধ্যে ৪৭ জনই বেকার। আর আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে বেকারের সংখ্যা প্রায় তিন কোটি।

শ্রম মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে তিন কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে বেকারত্বের অবসান করতে চায় সরকার। দেশে ছয় কোটি কর্মক্ষম মানুষের মধ্যে ১৫ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক খাতে কাজের সুযোগ পান। ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে প্রতি বছর দেশের ভেতরে ১৮ লাখ ৪০ হাজার এবং বিদেশে পাঁচ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য জাতীয় কর্মসংস্থান নীতি অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। ওই নীতি অনুযায়ী বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মো. সামসুল আরেফিন বলেন, সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বসে জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল চূড়ান্ত করা হয়েছে। সরকার সার্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে। সেটার ধারবাহিকতায় সামাজিক সুরক্ষার বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেয়া হচ্ছে। এসব কর্মসূচির আলোকে বেকার ভাতা চালু করা হবে।