ঢাকা ১১:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

গ্রামেও শহুরে জ্বরের দাপট!

ডেঙ্গুকে বলা হতো ‘শহুরে জ্বর’। সেই ধারণা বদলে গেছে। গত ২২ বছরে ডেঙ্গু গ্রামেও পৌঁছেছে। এক সময় ভাইরাসের বাহক ছিলেন রাজধানীর বাসিন্দারা। কিন্তু এখন স্থানীয় পর্যায়েও ডেঙ্গুর সংক্রমণ ঘটছে। ইতোমধ্যে দেশের ৪৯ জেলায় ডেঙ্গুজ্বর ছড়িয়ে পড়েছে। গত দুদিনে আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগামী মাসেও মশাবাহিত এই রোগের প্রকোপ থাকবে বলে জানিয়েছে জনস্বাস্থ্যবিদরা।

তারা বলছেন, মশক নিয়ন্ত্রণে সর্বজনীন উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। শহরের মতো গ্রামেও মশক নিবারণে জোর তৎপরতা চালাতে হবে। এজন্য কেন্দ্রীয়ভাবে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। নয়তো প্রতিবছর ডেঙ্গু আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় আঘাত হানবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ইতোমধ্যে দেশের ৪৯ জেলায় ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যে ১০টি জেলায় সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। শুধু ঢাকা মহানগরে এ পর্যন্ত ১১ হাজার ৩৯১, কক্সবাজারে ১১৩১, ময়মনসিংহে ১৩৩, চট্টগ্রামে ৩৭০, যশোরে ২৩৫, পাবনায় ১৬৩, বরিশালে ১৪০, নড়াইলে ৮৩, মাদারীপুরে ৭৯ এবং বরগুনায় ৬৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা বিভাগের ১২ জেলায়, ময়মনসিংহ বিভাগের ৪ জেলায়, চট্টগ্রামের ৮ জেলায়, খুলনার ৯ জেলায়, রাজশাহী জেলায়, রংপুরের ৩ জেলায়, বরিশালের ৫ জেলায় এবং সিলেট বিভাগের দুই জেলায় ডেঙ্গুর সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। রোগটিতে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৫৪ জনের। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই মৃত্যু হয়েছে ২৭ জনের। এছাড়া রয়েছেন চট্টগ্রামে ৫, কক্সবাজারে ১৮ এবং বরিশালে ৪ জন।

মাস হিসেবে আক্রান্ত ও মৃৃৃৃৃত্যুর তথ্যে দেখা যায়, জানুয়ারিতে আক্রান্ত হয়েছেন ১২৬, ফেব্রুয়ারি ও
মার্চে ২০ জন করে, এপ্রিলে ২৩, মে মাসে ১৬৩, জুনে ৭৩৭, জুলাইয়ে ১৫৭১, আগস্টে ৩৫২১ এবং সেপ্টেম্বরের ২৭ তারিখ পর্যন্ত ৮৬৪১ জন।

এদিকে চলতি বছরের প্রথম মৃত্যু হয়েছে জুন মাসে একজন, জুলাইয়ে ৯, আগস্টে ১১ এবং চলতি মাসে এ পর্যন্ত ৩৩ জন। যেসব জেলায় এখনো ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী পাওয়া যায়নি, সেগুলো হলো : নারায়ণগঞ্জ, রাঙামাটি, বান্দরবান, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, ঝলকাঠি, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০০০ সালে বাংলাদেশে প্রথম ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়। এরপর ২০১৮ সাল পর্যন্ত সরকারি হিসাবে ৫০ হাজার ১৪৮ জন রোগটিতে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বাইরের রোগী ছিলেন মাত্র ১৫৮ জন। ২০০০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ঢাকার বাইরে ডেঙ্গু আক্রান্তের কোনো তথ্য নেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে। ২০১৬ সালে সারা দেশে ছয় হাজার ৬০ জন ডেঙ্গু আক্রান্তের মধ্যে ৩৭ জন ছিলেন ঢাকার বাইরের। ২০১৭ সালে দুই হাজার ৭৬৯ জনের মধ্যে ঢাকার বাইরে ১১৬ জন এবং ২০১৮ সালে সারা দেশে ১০ হাজার ১৪৮ জনের মধ্যে পাঁচজন ডেঙ্গু রোগী ছিলেন ঢাকার বাইরের বিভিন্ন জেলার।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. বেনজির আহমেদ বলেন, ডেঙ্গুজ্বরের বিস্তারের সঙ্গে নগরায়ণ সরাসরি জড়িত। শুধু রাজধানীতেই নয়, এখন জেলা শহরেও ব্যপক কনস্ট্রাকশন কার্যক্রম চলছে। যেখানে যত উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ ঘটবে, সেখানে তত বেশি ডেঙ্গু ঝুঁকি তৈরি হবে। কারণ কনস্ট্রাকশন এলাকায় বিভিন্ন প্রয়োজনে পানি ধরে রাখতে হয়। এসব পাত্রে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা পানিতে এডিস মশার লার্ভা জন্মায়। শুধু রোগীর চিকিৎসা করে ডেঙ্গু মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। বাহক নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ডেঙ্গু মোকাবিলায় জোর দিতে হবে। এজন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে উদ্যোগী হতে হবে। কীটতত্ত্ববিদদের নেতৃত্বে ডেঙ্গু মোকাবিলায় জাতীয় কর্মপরিকল্পনা হাতে নিতে হবে। সিটি কর্পোরেশন থেকে স্থানীয় পর্যায় পর্যন্ত কীটতত্ত্ববিদ, টেকনিশিয়ান, ল্যাবরেটরি, লোকবল এবং পর্যাপ্ত মশার ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, দ্বিতীয়বার যাদের ডেঙ্গু হচ্ছে, তাদের মৃত্যুঝুঁকি বেশি। দেশের মানুষের চার ধরনের ডেঙ্গু হতে পারে। সে হিসেবে আমরা যদি আনুমানিকভাবে ১৭ কোটি মানুষ ধরি, তাহলে এদের চারবার করে ডেঙ্গু হলে প্রায় ৬৮ লাখ রোগী সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য এখনই ডেঙ্গু মোকাবিলায় নেমে পড়তে হবে।

এদিকে গত সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৪৬০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকায় ৩২০ জন এবং ঢাকার বাইরের বিভিন্ন জেলায় ১৪০ জন চিকিৎসাধীন।

অধিদপ্তরের তথ্য ইউনিটের (এমআইএস) ইনচার্জ ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে এক হাজার ৭৩৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে এক হাজার ৩১৪ এবং ঢাকার বাইরে অন্যান্য বিভাগে ৪২৪ জন। সূত্র ‍আমার সংবাদ

Tag :
জনপ্রিয়

সামনে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই”যেকোনো মূল্যে সমাবেশ সফল করতে হবে: ফখরুল।

গ্রামেও শহুরে জ্বরের দাপট!

প্রকাশের সময় : ০৯:৫৩:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

ডেঙ্গুকে বলা হতো ‘শহুরে জ্বর’। সেই ধারণা বদলে গেছে। গত ২২ বছরে ডেঙ্গু গ্রামেও পৌঁছেছে। এক সময় ভাইরাসের বাহক ছিলেন রাজধানীর বাসিন্দারা। কিন্তু এখন স্থানীয় পর্যায়েও ডেঙ্গুর সংক্রমণ ঘটছে। ইতোমধ্যে দেশের ৪৯ জেলায় ডেঙ্গুজ্বর ছড়িয়ে পড়েছে। গত দুদিনে আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগামী মাসেও মশাবাহিত এই রোগের প্রকোপ থাকবে বলে জানিয়েছে জনস্বাস্থ্যবিদরা।

তারা বলছেন, মশক নিয়ন্ত্রণে সর্বজনীন উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। শহরের মতো গ্রামেও মশক নিবারণে জোর তৎপরতা চালাতে হবে। এজন্য কেন্দ্রীয়ভাবে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। নয়তো প্রতিবছর ডেঙ্গু আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় আঘাত হানবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ইতোমধ্যে দেশের ৪৯ জেলায় ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যে ১০টি জেলায় সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। শুধু ঢাকা মহানগরে এ পর্যন্ত ১১ হাজার ৩৯১, কক্সবাজারে ১১৩১, ময়মনসিংহে ১৩৩, চট্টগ্রামে ৩৭০, যশোরে ২৩৫, পাবনায় ১৬৩, বরিশালে ১৪০, নড়াইলে ৮৩, মাদারীপুরে ৭৯ এবং বরগুনায় ৬৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা বিভাগের ১২ জেলায়, ময়মনসিংহ বিভাগের ৪ জেলায়, চট্টগ্রামের ৮ জেলায়, খুলনার ৯ জেলায়, রাজশাহী জেলায়, রংপুরের ৩ জেলায়, বরিশালের ৫ জেলায় এবং সিলেট বিভাগের দুই জেলায় ডেঙ্গুর সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। রোগটিতে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৫৪ জনের। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগেই মৃত্যু হয়েছে ২৭ জনের। এছাড়া রয়েছেন চট্টগ্রামে ৫, কক্সবাজারে ১৮ এবং বরিশালে ৪ জন।

মাস হিসেবে আক্রান্ত ও মৃৃৃৃৃত্যুর তথ্যে দেখা যায়, জানুয়ারিতে আক্রান্ত হয়েছেন ১২৬, ফেব্রুয়ারি ও
মার্চে ২০ জন করে, এপ্রিলে ২৩, মে মাসে ১৬৩, জুনে ৭৩৭, জুলাইয়ে ১৫৭১, আগস্টে ৩৫২১ এবং সেপ্টেম্বরের ২৭ তারিখ পর্যন্ত ৮৬৪১ জন।

এদিকে চলতি বছরের প্রথম মৃত্যু হয়েছে জুন মাসে একজন, জুলাইয়ে ৯, আগস্টে ১১ এবং চলতি মাসে এ পর্যন্ত ৩৩ জন। যেসব জেলায় এখনো ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী পাওয়া যায়নি, সেগুলো হলো : নারায়ণগঞ্জ, রাঙামাটি, বান্দরবান, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, ঝলকাঠি, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০০০ সালে বাংলাদেশে প্রথম ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়। এরপর ২০১৮ সাল পর্যন্ত সরকারি হিসাবে ৫০ হাজার ১৪৮ জন রোগটিতে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বাইরের রোগী ছিলেন মাত্র ১৫৮ জন। ২০০০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ঢাকার বাইরে ডেঙ্গু আক্রান্তের কোনো তথ্য নেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে। ২০১৬ সালে সারা দেশে ছয় হাজার ৬০ জন ডেঙ্গু আক্রান্তের মধ্যে ৩৭ জন ছিলেন ঢাকার বাইরের। ২০১৭ সালে দুই হাজার ৭৬৯ জনের মধ্যে ঢাকার বাইরে ১১৬ জন এবং ২০১৮ সালে সারা দেশে ১০ হাজার ১৪৮ জনের মধ্যে পাঁচজন ডেঙ্গু রোগী ছিলেন ঢাকার বাইরের বিভিন্ন জেলার।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. বেনজির আহমেদ বলেন, ডেঙ্গুজ্বরের বিস্তারের সঙ্গে নগরায়ণ সরাসরি জড়িত। শুধু রাজধানীতেই নয়, এখন জেলা শহরেও ব্যপক কনস্ট্রাকশন কার্যক্রম চলছে। যেখানে যত উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ ঘটবে, সেখানে তত বেশি ডেঙ্গু ঝুঁকি তৈরি হবে। কারণ কনস্ট্রাকশন এলাকায় বিভিন্ন প্রয়োজনে পানি ধরে রাখতে হয়। এসব পাত্রে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা পানিতে এডিস মশার লার্ভা জন্মায়। শুধু রোগীর চিকিৎসা করে ডেঙ্গু মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। বাহক নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ডেঙ্গু মোকাবিলায় জোর দিতে হবে। এজন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে উদ্যোগী হতে হবে। কীটতত্ত্ববিদদের নেতৃত্বে ডেঙ্গু মোকাবিলায় জাতীয় কর্মপরিকল্পনা হাতে নিতে হবে। সিটি কর্পোরেশন থেকে স্থানীয় পর্যায় পর্যন্ত কীটতত্ত্ববিদ, টেকনিশিয়ান, ল্যাবরেটরি, লোকবল এবং পর্যাপ্ত মশার ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, দ্বিতীয়বার যাদের ডেঙ্গু হচ্ছে, তাদের মৃত্যুঝুঁকি বেশি। দেশের মানুষের চার ধরনের ডেঙ্গু হতে পারে। সে হিসেবে আমরা যদি আনুমানিকভাবে ১৭ কোটি মানুষ ধরি, তাহলে এদের চারবার করে ডেঙ্গু হলে প্রায় ৬৮ লাখ রোগী সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য এখনই ডেঙ্গু মোকাবিলায় নেমে পড়তে হবে।

এদিকে গত সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৪৬০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকায় ৩২০ জন এবং ঢাকার বাইরের বিভিন্ন জেলায় ১৪০ জন চিকিৎসাধীন।

অধিদপ্তরের তথ্য ইউনিটের (এমআইএস) ইনচার্জ ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে এক হাজার ৭৩৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে এক হাজার ৩১৪ এবং ঢাকার বাইরে অন্যান্য বিভাগে ৪২৪ জন। সূত্র ‍আমার সংবাদ