ঢাকা ১২:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

কারা জায়গা পাবেন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ একাদশে!

ফুটবলীয় প্রতিভার আতুড়ঘর বলা হয় ব্রাজিলকে। পেলে থেকে সক্রেটিস, রোনালদিনহো কিংবা নেইমার জুনিয়র – সেলেসাওদের সমার্থক হয়ে উঠেছে নান্দনিক আর শৈলীময় ফুটবল। এই নান্দনিকতার বাহকদেরও অভাব হয়নি কোন প্রজন্মে। সবসময়ই ব্রাজিল জাতীয় দলে দেখা গিয়েছে একঝাঁক তারকাকে।

ফুটবলীয় প্রতিভার আতুড়ঘর বলা হয় ব্রাজিলকে। পেলে থেকে সক্রেটিস, রোনালদিনহো কিংবা নেইমার জুনিয়র – সেলেসাওদের সমার্থক হয়ে উঠেছে নান্দনিক আর শৈলীময় ফুটবল। এই নান্দনিকতার বাহকদেরও অভাব হয়নি কোন প্রজন্মে। সবসময়ই ব্রাজিল জাতীয় দলে দেখা গিয়েছে একঝাঁক তারকাকে।

বর্তমান সময়েও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। ব্রাজিলের ফুটবলাররা দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন ইউরোপের সেরা ক্লাবগুলোতে। কিন্তু একাদশে তো সবাইকে রাখা যায় না, সম্ভবও নয়। আপাতত সেলেসাও দলে নেইমার আর ক্যাসেমিরো জায়গা প্রায় নিশ্চিত, কিন্তু বাকি নয়টি পজিশনে রয়েছে সমানে-সমানে প্রতিযোগিতা। বিশ্বকাপে শুরুর একাদশে জায়গা পাওয়ার দৌড়ে কারা এগিয়ে আছেন সেটাই এবার দেখে নেয়া যাক।

গোলরক্ষক: অ্যালিসন, এডারসন

অ্যালিসন এবং এডারসন – দুইজনের মধ্যে পার্থক্য খুঁজে বের করা বেশ কঠিনই। তারা দুইজনেই খেলেন প্রিমিয়ার লিগের সেরা দুই ক্লাবে, বড় ম্যাচের চাপ সামলানোর অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাদের।

তাই এই দুই গোলরক্ষকের যেকোনো একজনকে বেছে নেয়া ব্রাজিলের কোচ তিতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বটে। তবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অভিজ্ঞতা বিবেচনায় সেলেসাওদের প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক হিসেবেই হয়তো কাতারে যাবেন অ্যালিসন।

ডিফেন্ডার: থিয়াগো সিলভা, মার্কুইনহোস, এডার মিলিটাও

পারফরম্যান্সের হিসেবে থিয়াগো সিলভা ব্রাজিলের অটো চয়েজ সদস্য-ই, তবে বয়সের কথা ভাবলে কিছুটা সংশয় জাগাটা স্বাভাবিক। যদিও চেলসির হয়ে দুর্দান্ত খেলতে থাকা সিলভাকে বয়সের অজুহাতে বেঞ্চে রাখবেন না তিতে, সেটা একপ্রকার নিশ্চিত।

এছাড়া প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ের অধিনায়ক মার্কুইনহোসও অনেক দিন ধরে জাতীয় দলের নিয়মিত মুখ। কিন্তু তাঁর সাম্প্রতিক ফর্ম সন্তোষজনক নয়, আর তাই রিয়াল মাদ্রিদকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং লা লিগা জেতানো ডিফেন্ডার এডার মিলিটাও হতে পারেন কোচের আস্থার নাম। এখন পর্যন্ত অবশ্য সিলভা, মার্কুইনহোস জুটিকে মাঠে দেখার সম্ভাবনাই বেশি।

ফুলব্যাক: দানিলো, সান্দ্রো, দানি আলভেস, এডার মিলিটাও

ব্রাজিল দলের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা ফুলব্যাক; এই পজিশনে অনেক খেলোয়াড় থাকলেও কেউই নেই সেরা ছন্দে। দানিলো এবং অ্যালেক্স সান্দ্রো রক্ষণভাগে চলনসই হলেও, আক্রমণের ক্ষেত্রে দুইজনেই নিষ্ফলা।

এছাড়া বয়সের কারণে শুরুর একাদশে দানি আলভেসের জায়গা না পাওয়াই স্বাভাবিক। সেন্টারব্যাক এডার মিলিটাওকে তাই রাইটব্যাক পজিশনে খেলানোর কথা ভাবছেন কোচ তিতে। বিশ্বকাপের আগে প্রীতি ম্যাচগুলোতে মিলিটাওয়ের পারফরম্যান্স আশানুরূপ হলে তাকেই দেখা যাবে রক্ষণের ডানদিকে।

মিডফিল্ডার: ফ্রেড, ব্রুনো, পাকুয়েতা

মিডফিল্ডে ডিফেন্সিভ ভূমিকায় ক্যাসেমিরোর খেলা নিশ্চিত, তবে তাঁর সঙ্গী কে হবেন সেটি এখনো বলা যায় না। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মিডফিল্ডার ফ্রেড ক্লাবে সন্তোষজনক খেলা উপহার দিতে না পারলেও সেলেসাও কোচ প্রায় ভরসা রেখেছেন এই ফুটবলারের উপর।

তবে, নিউক্যাসেলে খেলা ব্রুনো গুইমারেস এই পজিশনে ফ্রেডের বড় প্রতিদ্বন্দ্বী। লং পাস খেলার সামর্থ্যের কারণে ফ্রেডের চেয়ে তাকেই বেশি পছন্দ ভক্ত-সমর্থকদের। এছাড়া মিডফিল্ডে বিভিন্ন পজিশনে খেলতে পারা লুকাস পাকুয়েতাও হতে পারে তিতের ট্রাম্পকার্ড। বিশেষ করে অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার হিসেবে নেইমারের সঙ্গে পাকুয়েতার বোঝাপড়া বেশ চমৎকার।

উইঙ্গার: ভিনিসিয়াস, রাফিনহা, অ্যান্টনি, রদ্রিগো, মার্টিনেল্লি

সম্ভবত এই উইঙ্গার পজিশনে সবচেয়ে বেশি অপশন রয়েছে ব্রাজিলের হাতে। রিয়াল মাদ্রিদের ভিনিসিয়ুস, রদ্রিগো, বার্সেলোনার রাফিনহা, আর্সেনালের মার্টিনেল্লি, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের অ্যান্টনি – প্রত্যেকেরই শুরুর একাদশে খেলার সামর্থ্য রয়েছে।

নিজ ক্লাবের হয়ে তারা ইতোমধ্যে তাদের পারফরম্যান্স দিয়ে মুগ্ধ করেছেন অনেককেই। আর তাই এই তরুণ তারকাদের মাঝ থেকে মাত্র দুইজনকে বেছে নেয়া বেশ কঠিন। এখন অবশ্য ভিনিসয়ুস জুনিয়র এবং রাফিনহা সবচেয়ে এগিয়ে; তবে রদ্রিগো, অ্যান্টনিরা শেষমুহুর্তে বদলে দিতে পারেন হিসেব-নিকেশ।

স্ট্রাইকার: গ্যাব্রিয়েল জেসুস, রিচার্লিসন

সাম্প্রতিক সময়ে ব্রাজিলের খেলা দেখলে বোঝা যায় যে, আগের মত ‘পিওর নাম্বার নাইন’ নিয়ে মাঠে নামে না ব্রাজিল। কিন্তু বিশ্বকাপের মত বড় মঞ্চে প্রথাগত স্ট্রাইকারের উপর ভরসা করতেও পারেন তিতে, বিশেষ করে গ্যাব্রিয়েল জেসুসের দারুণ পারফরম্যান্স এমন ভাবনাকে আরো উসকে দিয়েছে। বর্তমান ফর্ম ধরে রাখতে পারলে বিশ্বকাপে শুরুর একাদশে জেসুসের খেলা প্রায় নিশ্চিত। এছাড়া টটেনহ্যামের রিচার্লিসনকেও পছন্দ করেন সেলেসাও বস। আবার রিয়াল তারকা রদ্রিগোকে স্ট্রাইকার হিসেবে বিবেচনা করলেও অবাক হওয়ার কারণ থাকবে না।

হেক্সা জয়ের লক্ষ্যেই কাতারে পা রাখবে নেইমারের ব্রাজিল। তবে বিশ্বকাপে কেমন কৌশল অবলম্বন করবে তারা, সেটা এখনো পরিষ্কার নয়। হয়তো নেইমারকে ফলস নাইনে দেখা যাবে অথবা তিনি আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার হিসেবে খেলবেন। সেলেসাওদের পরিকল্পনার কেন্দ্রে থাকবেন নেইমার জুনিয়র, তাই একাদশ নির্বাচনে তিনি কোন পজিশনে খেলবেন সেটি বড় ভূমিকা রাখবে।

Tag :
জনপ্রিয়

সামনে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই”যেকোনো মূল্যে সমাবেশ সফল করতে হবে: ফখরুল।

কারা জায়গা পাবেন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ একাদশে!

প্রকাশের সময় : ০৯:৩৪:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

ফুটবলীয় প্রতিভার আতুড়ঘর বলা হয় ব্রাজিলকে। পেলে থেকে সক্রেটিস, রোনালদিনহো কিংবা নেইমার জুনিয়র – সেলেসাওদের সমার্থক হয়ে উঠেছে নান্দনিক আর শৈলীময় ফুটবল। এই নান্দনিকতার বাহকদেরও অভাব হয়নি কোন প্রজন্মে। সবসময়ই ব্রাজিল জাতীয় দলে দেখা গিয়েছে একঝাঁক তারকাকে।

ফুটবলীয় প্রতিভার আতুড়ঘর বলা হয় ব্রাজিলকে। পেলে থেকে সক্রেটিস, রোনালদিনহো কিংবা নেইমার জুনিয়র – সেলেসাওদের সমার্থক হয়ে উঠেছে নান্দনিক আর শৈলীময় ফুটবল। এই নান্দনিকতার বাহকদেরও অভাব হয়নি কোন প্রজন্মে। সবসময়ই ব্রাজিল জাতীয় দলে দেখা গিয়েছে একঝাঁক তারকাকে।

বর্তমান সময়েও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। ব্রাজিলের ফুটবলাররা দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন ইউরোপের সেরা ক্লাবগুলোতে। কিন্তু একাদশে তো সবাইকে রাখা যায় না, সম্ভবও নয়। আপাতত সেলেসাও দলে নেইমার আর ক্যাসেমিরো জায়গা প্রায় নিশ্চিত, কিন্তু বাকি নয়টি পজিশনে রয়েছে সমানে-সমানে প্রতিযোগিতা। বিশ্বকাপে শুরুর একাদশে জায়গা পাওয়ার দৌড়ে কারা এগিয়ে আছেন সেটাই এবার দেখে নেয়া যাক।

গোলরক্ষক: অ্যালিসন, এডারসন

অ্যালিসন এবং এডারসন – দুইজনের মধ্যে পার্থক্য খুঁজে বের করা বেশ কঠিনই। তারা দুইজনেই খেলেন প্রিমিয়ার লিগের সেরা দুই ক্লাবে, বড় ম্যাচের চাপ সামলানোর অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাদের।

তাই এই দুই গোলরক্ষকের যেকোনো একজনকে বেছে নেয়া ব্রাজিলের কোচ তিতের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বটে। তবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অভিজ্ঞতা বিবেচনায় সেলেসাওদের প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক হিসেবেই হয়তো কাতারে যাবেন অ্যালিসন।

ডিফেন্ডার: থিয়াগো সিলভা, মার্কুইনহোস, এডার মিলিটাও

পারফরম্যান্সের হিসেবে থিয়াগো সিলভা ব্রাজিলের অটো চয়েজ সদস্য-ই, তবে বয়সের কথা ভাবলে কিছুটা সংশয় জাগাটা স্বাভাবিক। যদিও চেলসির হয়ে দুর্দান্ত খেলতে থাকা সিলভাকে বয়সের অজুহাতে বেঞ্চে রাখবেন না তিতে, সেটা একপ্রকার নিশ্চিত।

এছাড়া প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ের অধিনায়ক মার্কুইনহোসও অনেক দিন ধরে জাতীয় দলের নিয়মিত মুখ। কিন্তু তাঁর সাম্প্রতিক ফর্ম সন্তোষজনক নয়, আর তাই রিয়াল মাদ্রিদকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং লা লিগা জেতানো ডিফেন্ডার এডার মিলিটাও হতে পারেন কোচের আস্থার নাম। এখন পর্যন্ত অবশ্য সিলভা, মার্কুইনহোস জুটিকে মাঠে দেখার সম্ভাবনাই বেশি।

ফুলব্যাক: দানিলো, সান্দ্রো, দানি আলভেস, এডার মিলিটাও

ব্রাজিল দলের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা ফুলব্যাক; এই পজিশনে অনেক খেলোয়াড় থাকলেও কেউই নেই সেরা ছন্দে। দানিলো এবং অ্যালেক্স সান্দ্রো রক্ষণভাগে চলনসই হলেও, আক্রমণের ক্ষেত্রে দুইজনেই নিষ্ফলা।

এছাড়া বয়সের কারণে শুরুর একাদশে দানি আলভেসের জায়গা না পাওয়াই স্বাভাবিক। সেন্টারব্যাক এডার মিলিটাওকে তাই রাইটব্যাক পজিশনে খেলানোর কথা ভাবছেন কোচ তিতে। বিশ্বকাপের আগে প্রীতি ম্যাচগুলোতে মিলিটাওয়ের পারফরম্যান্স আশানুরূপ হলে তাকেই দেখা যাবে রক্ষণের ডানদিকে।

মিডফিল্ডার: ফ্রেড, ব্রুনো, পাকুয়েতা

মিডফিল্ডে ডিফেন্সিভ ভূমিকায় ক্যাসেমিরোর খেলা নিশ্চিত, তবে তাঁর সঙ্গী কে হবেন সেটি এখনো বলা যায় না। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মিডফিল্ডার ফ্রেড ক্লাবে সন্তোষজনক খেলা উপহার দিতে না পারলেও সেলেসাও কোচ প্রায় ভরসা রেখেছেন এই ফুটবলারের উপর।

তবে, নিউক্যাসেলে খেলা ব্রুনো গুইমারেস এই পজিশনে ফ্রেডের বড় প্রতিদ্বন্দ্বী। লং পাস খেলার সামর্থ্যের কারণে ফ্রেডের চেয়ে তাকেই বেশি পছন্দ ভক্ত-সমর্থকদের। এছাড়া মিডফিল্ডে বিভিন্ন পজিশনে খেলতে পারা লুকাস পাকুয়েতাও হতে পারে তিতের ট্রাম্পকার্ড। বিশেষ করে অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার হিসেবে নেইমারের সঙ্গে পাকুয়েতার বোঝাপড়া বেশ চমৎকার।

উইঙ্গার: ভিনিসিয়াস, রাফিনহা, অ্যান্টনি, রদ্রিগো, মার্টিনেল্লি

সম্ভবত এই উইঙ্গার পজিশনে সবচেয়ে বেশি অপশন রয়েছে ব্রাজিলের হাতে। রিয়াল মাদ্রিদের ভিনিসিয়ুস, রদ্রিগো, বার্সেলোনার রাফিনহা, আর্সেনালের মার্টিনেল্লি, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের অ্যান্টনি – প্রত্যেকেরই শুরুর একাদশে খেলার সামর্থ্য রয়েছে।

নিজ ক্লাবের হয়ে তারা ইতোমধ্যে তাদের পারফরম্যান্স দিয়ে মুগ্ধ করেছেন অনেককেই। আর তাই এই তরুণ তারকাদের মাঝ থেকে মাত্র দুইজনকে বেছে নেয়া বেশ কঠিন। এখন অবশ্য ভিনিসয়ুস জুনিয়র এবং রাফিনহা সবচেয়ে এগিয়ে; তবে রদ্রিগো, অ্যান্টনিরা শেষমুহুর্তে বদলে দিতে পারেন হিসেব-নিকেশ।

স্ট্রাইকার: গ্যাব্রিয়েল জেসুস, রিচার্লিসন

সাম্প্রতিক সময়ে ব্রাজিলের খেলা দেখলে বোঝা যায় যে, আগের মত ‘পিওর নাম্বার নাইন’ নিয়ে মাঠে নামে না ব্রাজিল। কিন্তু বিশ্বকাপের মত বড় মঞ্চে প্রথাগত স্ট্রাইকারের উপর ভরসা করতেও পারেন তিতে, বিশেষ করে গ্যাব্রিয়েল জেসুসের দারুণ পারফরম্যান্স এমন ভাবনাকে আরো উসকে দিয়েছে। বর্তমান ফর্ম ধরে রাখতে পারলে বিশ্বকাপে শুরুর একাদশে জেসুসের খেলা প্রায় নিশ্চিত। এছাড়া টটেনহ্যামের রিচার্লিসনকেও পছন্দ করেন সেলেসাও বস। আবার রিয়াল তারকা রদ্রিগোকে স্ট্রাইকার হিসেবে বিবেচনা করলেও অবাক হওয়ার কারণ থাকবে না।

হেক্সা জয়ের লক্ষ্যেই কাতারে পা রাখবে নেইমারের ব্রাজিল। তবে বিশ্বকাপে কেমন কৌশল অবলম্বন করবে তারা, সেটা এখনো পরিষ্কার নয়। হয়তো নেইমারকে ফলস নাইনে দেখা যাবে অথবা তিনি আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার হিসেবে খেলবেন। সেলেসাওদের পরিকল্পনার কেন্দ্রে থাকবেন নেইমার জুনিয়র, তাই একাদশ নির্বাচনে তিনি কোন পজিশনে খেলবেন সেটি বড় ভূমিকা রাখবে।