ঢাকা ০২:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
৩২ মামলার ২২টির বেশি চার্জশিট, মানি লন্ডারিং মামলার তদন্ত এখনও শেষ হয়নি

শুদ্ধি অভিযানের মামলাগুলো রায়ের অপেক্ষায়

‘শুদ্ধি অভিযান’ বা ক্যাসিনোবিরোধী বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছিল ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে। এলিটফোর্স র‌্যাবের আলোচিত সেই অভিযানে গ্রেফতার হয়েছিলেন অবৈধ ক্যাসিনো পরিচালনাকারী, অস্ত্রধারী টেন্ডারবাজ, মাদক কারবারি বেশ কয়েকজন ‘রাঘব-বোয়াল’। যাদের অধিকাংশের বিরুদ্ধেই অস্ত্র, মাদক, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের মামলা করা হয়। সেই শুদ্ধি অভিযানকালে বিপুল টাকা ও অস্ত্রসহ গ্রেফতার হওয়া জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীকে রোববার অস্ত্র মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জি কে শামীমের বিরুদ্ধে মাদক ও মানি লন্ডারিং আইনের দুটি মামলা এখনও বিচারাধীন। এ ছাড়াও বিশেষ ওই অভিযানে গ্রেফতার হওয়া আলোচিত যুবলীগ নেতা (বহিষ্কৃত) ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট, খালেদ মাহমুদ ভুইয়া ও এনামুল হক আরমানসহ অন্যদের বেশিরভাগ মামলা এখন বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার অপেক্ষায়। বিশেষ ওই অভিযানকালে বিভিন্ন থানায় দায়ের করা প্রায় ৩২টি মামলার মধ্যে ২২টির বেশি মামলায় অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অভিযান পরিচালনা করা সংস্থা র‌্যাব সম্রাট, খালেদ মাহমুদ ও আরমানসহ কয়েকজন প্রভাবশালী আসামির বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বেশ কিছু মামলার মধ্যে অন্তত ১০টির তদন্ত করেছে। মামলা সম্পর্কে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার সহকারী পরিচালক আ ন ম ইমরান খান সময়ের আলোকে জানান, তদন্ত শেষে ২০২০ সালের মধ্যেই ৯টি মামলার চার্জশিট আদালতে জমা দিয়েছে র‌্যাব। এ ছাড়া ২০১৯ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ফুয়াং ক্লাবের অভিযানের ঘটনায় দায়েরকৃত মাদক মামলাটির তদন্ত এখনও চলমান। এ মামলার আসামি জাহিদুর রহমান মিয়াসহ আরও তিনজন।

এলিটফোর্স র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন সময়ের আলোকে এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘বিশেষ অভিযোনে তদন্ত করে অবৈধ ক্যাসিনোসহ যাদের বিরুদ্ধে সেসব অপকর্মের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাদেরকেই গ্রেফতার করা হয়। কেউ কেউ জামিনে থাকলেও জানা মতে, আসামিরা কেউ পলাতক অবস্থায় নেই। সবাইকে গ্রেফতারের আওতায় আনা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আবারও অবৈধ ক্যাসিনো বা ওই ধরনের অপকর্মের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে অবশ্যই জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

জানা যায়, ওই বিশেষ অভিযানে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া আরও কিছু মামলার তদন্তভার পড়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), ডিবি পুলিশ ও থানা পুলিশের হাতেও। যার মধ্যে দুদকের কয়েকটি মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে সিআইডির হাতে থাকা মানি লন্ডারিং আইনের কয়েক মামলার চার্জশিট এখনও জমা হয়নি বলে জানা গেছে।

এ প্রসঙ্গে দুদকের আইনজীবী (পিপি) মোশারফ হোসেন কাজল সময়ের আলোকে বলেন, ‘জি কে শামীমের অস্ত্র মামলার রায় হলেও মানি লন্ডারিং মামলা বর্তমানে বিশেষ জজ আদালতে সাক্ষী পর্যায়ে রয়েছে। বিচারিক কার্যক্রম যেভাবে চলছে তাতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে রায় ঘোষণা হবে বলে আশা করা যায়।’ মোশারফ হোসেন কাজল আরও বলেন, ‘২০১৯ সালের সেই অভিযানকালে সম্রাটসহ যারা গ্রেফতার হয়েছিল তাদের কিছু মামলার বিষয়ে দুদক কাজ করেছে। সেসব মামলার বিচারিক কার্যক্রম বেশ ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে।’

একই প্রসঙ্গে দুদকের আরেক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মীর আব্দুস সালাম সময়ের আলোকে বলেন, ‘জি কে শামীমের একটি মামলার রায় দ্রুততার সঙ্গে ঘোষণা হলো, এটা অত্যন্ত ইতিবাচক। আশা করি, ওই সময়ের অভিযানের (শুদ্ধি অভিযান) অন্য মামলাগুলোও দ্রুততার সঙ্গে শেষ হবে।’

অন্যদিকে মানি লন্ডারিংয়ের মামলাগুলোর তদন্ত সম্পর্কে জানতে চাইলে সিআইডির ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম বিভাগের পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবির সময়ের আলোকে বলেন, ‘ওইসব মামলার তদন্তে অগ্রগতি আছে। যত দ্রুত সম্ভব চার্জশিট (অভিযোগ) জমা দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।’

২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকার ক্লাবপাড়া ঘিরে প্রথমে অবৈধ ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হয়। এরপর ধারাবাহিক অভিযানে অনেক প্রভাবশালী গ্রেফতার হন। সেই বিশেষ অভিযানে গ্রেফতারের পর প্রতাপশালী যুবলীগ নেতা (বহিষ্কৃত) ইসমাইল হোসেন চৌধুরী ওরফে সম্রাটের নাম হয়েছিল ‘ক্যাসিনো সম্রাট’। র‌্যাবের অভিযানে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর কুমিল্লা থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী এনামুল হক ওরফে আরমানকে গ্রেফতার করা হয়। ধারাবাহিক ওই অভিযানে ঢাকা মহানগর যুবলীগের আরেক প্রভাবশালী নেতা (বহিষ্কৃত) খালেদ মাহমুদ ও সরকারি টেন্ডার-ঠিকাদারির ‘গডফাদার খ্যাত’ জি কে শামীম, সেলিম প্রধান ও শফিকুল আলম ফিরোজসহ অন্তত ১৩ জন প্রভাবশালী গ্রেফতার হন। বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ, মানি লন্ডারিং, অস্ত্র, মাদক আইন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনসহ খালেদের বিরুদ্ধেই মোট সাতটি মামলা হয়। এর মধ্যে ছয়টি মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে, চারটির অভিযোগ গঠন হয়েছে। মানি লন্ডারিং আইনে করা মামলার তদন্ত এখনও চলমান। গত মাসে খালেদ জামিনে মুক্ত হয়েছেন।

অন্যদিকে আদালত থেকে জামিনের পর হাসপাতালে থাকা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী ওরফে সম্রাট গত ২৭ আগস্ট বাইরে বের হন। সম্রাটের বিরুদ্ধে মাদক, মানি লন্ডারিং ও অবৈধ সম্পদসহ মোট চারটি মামলা হয়। জামিনে থাকা সম্রাটের অন্তত তিনটি মামলা বর্তমানে বিচারাধীন। এ ছাড়া ক্যাসিনো হোতা হিসেবে পরিচিত পুরনো ঢাকার দুই সহোদর এনু ও রুপনের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের একটি মামলায় গত ২৫ এপ্রিল রায় ঘোষণা করেন আদালত। ওই রায়ে এনু-রুপনসহ মোট ১২ জনকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত।

Tag :
জনপ্রিয়

সাটুরিয়ায় নিয়োগ বাতিলের দাবীতে মানববন্ধন

৩২ মামলার ২২টির বেশি চার্জশিট, মানি লন্ডারিং মামলার তদন্ত এখনও শেষ হয়নি

শুদ্ধি অভিযানের মামলাগুলো রায়ের অপেক্ষায়

প্রকাশের সময় : ০৮:০৫:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

‘শুদ্ধি অভিযান’ বা ক্যাসিনোবিরোধী বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছিল ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে। এলিটফোর্স র‌্যাবের আলোচিত সেই অভিযানে গ্রেফতার হয়েছিলেন অবৈধ ক্যাসিনো পরিচালনাকারী, অস্ত্রধারী টেন্ডারবাজ, মাদক কারবারি বেশ কয়েকজন ‘রাঘব-বোয়াল’। যাদের অধিকাংশের বিরুদ্ধেই অস্ত্র, মাদক, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের মামলা করা হয়। সেই শুদ্ধি অভিযানকালে বিপুল টাকা ও অস্ত্রসহ গ্রেফতার হওয়া জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীকে রোববার অস্ত্র মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জি কে শামীমের বিরুদ্ধে মাদক ও মানি লন্ডারিং আইনের দুটি মামলা এখনও বিচারাধীন। এ ছাড়াও বিশেষ ওই অভিযানে গ্রেফতার হওয়া আলোচিত যুবলীগ নেতা (বহিষ্কৃত) ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট, খালেদ মাহমুদ ভুইয়া ও এনামুল হক আরমানসহ অন্যদের বেশিরভাগ মামলা এখন বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার অপেক্ষায়। বিশেষ ওই অভিযানকালে বিভিন্ন থানায় দায়ের করা প্রায় ৩২টি মামলার মধ্যে ২২টির বেশি মামলায় অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অভিযান পরিচালনা করা সংস্থা র‌্যাব সম্রাট, খালেদ মাহমুদ ও আরমানসহ কয়েকজন প্রভাবশালী আসামির বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বেশ কিছু মামলার মধ্যে অন্তত ১০টির তদন্ত করেছে। মামলা সম্পর্কে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার সহকারী পরিচালক আ ন ম ইমরান খান সময়ের আলোকে জানান, তদন্ত শেষে ২০২০ সালের মধ্যেই ৯টি মামলার চার্জশিট আদালতে জমা দিয়েছে র‌্যাব। এ ছাড়া ২০১৯ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ফুয়াং ক্লাবের অভিযানের ঘটনায় দায়েরকৃত মাদক মামলাটির তদন্ত এখনও চলমান। এ মামলার আসামি জাহিদুর রহমান মিয়াসহ আরও তিনজন।

এলিটফোর্স র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন সময়ের আলোকে এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘বিশেষ অভিযোনে তদন্ত করে অবৈধ ক্যাসিনোসহ যাদের বিরুদ্ধে সেসব অপকর্মের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাদেরকেই গ্রেফতার করা হয়। কেউ কেউ জামিনে থাকলেও জানা মতে, আসামিরা কেউ পলাতক অবস্থায় নেই। সবাইকে গ্রেফতারের আওতায় আনা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আবারও অবৈধ ক্যাসিনো বা ওই ধরনের অপকর্মের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে অবশ্যই জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।’

জানা যায়, ওই বিশেষ অভিযানে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া আরও কিছু মামলার তদন্তভার পড়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), ডিবি পুলিশ ও থানা পুলিশের হাতেও। যার মধ্যে দুদকের কয়েকটি মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে সিআইডির হাতে থাকা মানি লন্ডারিং আইনের কয়েক মামলার চার্জশিট এখনও জমা হয়নি বলে জানা গেছে।

এ প্রসঙ্গে দুদকের আইনজীবী (পিপি) মোশারফ হোসেন কাজল সময়ের আলোকে বলেন, ‘জি কে শামীমের অস্ত্র মামলার রায় হলেও মানি লন্ডারিং মামলা বর্তমানে বিশেষ জজ আদালতে সাক্ষী পর্যায়ে রয়েছে। বিচারিক কার্যক্রম যেভাবে চলছে তাতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে রায় ঘোষণা হবে বলে আশা করা যায়।’ মোশারফ হোসেন কাজল আরও বলেন, ‘২০১৯ সালের সেই অভিযানকালে সম্রাটসহ যারা গ্রেফতার হয়েছিল তাদের কিছু মামলার বিষয়ে দুদক কাজ করেছে। সেসব মামলার বিচারিক কার্যক্রম বেশ ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে।’

একই প্রসঙ্গে দুদকের আরেক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মীর আব্দুস সালাম সময়ের আলোকে বলেন, ‘জি কে শামীমের একটি মামলার রায় দ্রুততার সঙ্গে ঘোষণা হলো, এটা অত্যন্ত ইতিবাচক। আশা করি, ওই সময়ের অভিযানের (শুদ্ধি অভিযান) অন্য মামলাগুলোও দ্রুততার সঙ্গে শেষ হবে।’

অন্যদিকে মানি লন্ডারিংয়ের মামলাগুলোর তদন্ত সম্পর্কে জানতে চাইলে সিআইডির ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম বিভাগের পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবির সময়ের আলোকে বলেন, ‘ওইসব মামলার তদন্তে অগ্রগতি আছে। যত দ্রুত সম্ভব চার্জশিট (অভিযোগ) জমা দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।’

২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকার ক্লাবপাড়া ঘিরে প্রথমে অবৈধ ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হয়। এরপর ধারাবাহিক অভিযানে অনেক প্রভাবশালী গ্রেফতার হন। সেই বিশেষ অভিযানে গ্রেফতারের পর প্রতাপশালী যুবলীগ নেতা (বহিষ্কৃত) ইসমাইল হোসেন চৌধুরী ওরফে সম্রাটের নাম হয়েছিল ‘ক্যাসিনো সম্রাট’। র‌্যাবের অভিযানে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর কুমিল্লা থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী এনামুল হক ওরফে আরমানকে গ্রেফতার করা হয়। ধারাবাহিক ওই অভিযানে ঢাকা মহানগর যুবলীগের আরেক প্রভাবশালী নেতা (বহিষ্কৃত) খালেদ মাহমুদ ও সরকারি টেন্ডার-ঠিকাদারির ‘গডফাদার খ্যাত’ জি কে শামীম, সেলিম প্রধান ও শফিকুল আলম ফিরোজসহ অন্তত ১৩ জন প্রভাবশালী গ্রেফতার হন। বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ, মানি লন্ডারিং, অস্ত্র, মাদক আইন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনসহ খালেদের বিরুদ্ধেই মোট সাতটি মামলা হয়। এর মধ্যে ছয়টি মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে, চারটির অভিযোগ গঠন হয়েছে। মানি লন্ডারিং আইনে করা মামলার তদন্ত এখনও চলমান। গত মাসে খালেদ জামিনে মুক্ত হয়েছেন।

অন্যদিকে আদালত থেকে জামিনের পর হাসপাতালে থাকা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী ওরফে সম্রাট গত ২৭ আগস্ট বাইরে বের হন। সম্রাটের বিরুদ্ধে মাদক, মানি লন্ডারিং ও অবৈধ সম্পদসহ মোট চারটি মামলা হয়। জামিনে থাকা সম্রাটের অন্তত তিনটি মামলা বর্তমানে বিচারাধীন। এ ছাড়া ক্যাসিনো হোতা হিসেবে পরিচিত পুরনো ঢাকার দুই সহোদর এনু ও রুপনের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের একটি মামলায় গত ২৫ এপ্রিল রায় ঘোষণা করেন আদালত। ওই রায়ে এনু-রুপনসহ মোট ১২ জনকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত।