ঢাকা ০৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

পলকে টপকে শীর্ষে ফরহাদ হোসেন

বিদায়ী অর্থ বছরের (২০২১-২২) বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) বাস্তবায়নে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে এগিয়ে রয়েছে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের নেতৃত্বে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। গত অর্থবছরে শীর্ষ অবস্থানে ছিল প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের নেতৃত্বে আইসিটি বিভাগ। অন্যদিকে এবার সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে বীর মুক্তিযোদ্ধা আ.ক.ম. মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ওই অর্থ বছরে তালিকার একেবারে নিচে স্থান হয়েছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

সরকারের ৫২টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের পাওয়া নম্বরের গড় ৯২ দশমিক ০১ নম্বর, যা গত অর্থবছরে (২০২০-২১) ছিল ৮৯ দশমিক ০১ নম্বর। সে হিসেবে এবার বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়নের গড় হার ৩ নম্বর বেড়েছে।

রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ‘মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর ২০২১-২২ অর্থবছরের এপিএ-তে প্রাপ্ত নম্বর’ প্রকাশ করেছে।

তালিকা অনুযায়ী, ৯৯ দশমিক ০৮ নম্বর পেয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। গত অর্থবছরে আইসিটি বিভাগ ৯৮ দশমিক ৬৬ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছিল।

অন্যদিকে, ৭৬ দশমিক ৩২ নম্বর পেয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অবস্থান ৫২টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে সবার শেষে।

বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়নে শীর্ষ ১০ মন্ত্রণালয় ও বিভাগ

৯৯ দশমিক ০৮ নম্বর পেয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রথম, ৯৮ দশমিক ৯৩ নম্বর পেয়ে বিদ্যুৎ বিভাগ দ্বিতীয়, ৯৮ দশমিক ৫৩ নম্বর পেয়ে কৃষি মন্ত্রণালয় তৃতীয়, ৯৭ দশমিক ৮৮ নম্বর পেয়ে অর্থ বিভাগ চতুর্থ, ৯৭ দশমিক ৯৬ নম্বর পেয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ পঞ্চম, ৯৭ দশমিক ৭৫ নম্বর পেয়ে বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ ষষ্ঠ, ৯৭ দশমিক ৩৮ নম্বর পেয়ে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সপ্তম, ৯৭ দশমিক ০৯ নম্বর পেয়ে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় অষ্টম, ৯৫ দশমিক ৭১ নম্বর পেয়ে পরিকল্পনা বিভাগ নবম এবং ৯৫ দশমিক ৫২ নম্বর পেয়ে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ দশম স্থান অর্জন করেছে।

ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অবস্থান

এপিএ বাস্তবায়নে পর্যায়ক্রমে স্থান করে নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ (নম্বর ৯৫ দশমিক ৪৬), খাদ্য মন্ত্রণালয় (৯৫ দশমিক ৩৮), মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় (৯৫ দশমিক ৩৭), বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় ( ৯৫ দশমিক ১৮), সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় (৯৫ দশমিক ১৭), সেতু বিভাগ (৯৪ দশমিক ৮৩), ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (৯৪ দশমিক ৮১), পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় (৯৪ দশমিক ৭০), নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় (৯৪ দশমিক ০২), পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (৯৩ দশমিক ৮৩), সুরক্ষা সেবা বিভাগ (৯৩ দশমিক ২৮), জননিরাপত্তা বিভাগ (৯৩ দশমিক ২৪), স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ( ৯২ দশমিক ৯৫), তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় (৯২ দশমিক ৮৯), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় (৯২ দশমিক ৬৫), সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ (৯২ দশমিক ৪৮), স্থানীয় সরকার বিভাগ (৯২ দশমিক ৪৩), শিল্প মন্ত্রণালয় (৯২ দশমিক ২৫), অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (৯২ দশমিক ১৩), আইন ও বিচার বিভাগ (৯১ দশমিক ৭৩), দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় (৯১ দশমিক ৪৪), কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ (৯১ দশমিক ৪২), মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় (৯১ দশমিক ০৯), অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (৯১ দশমিক ০৩), যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় (৯০ দশমিক ৯৬), পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ (৯০ দশমিক ৯১), ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ (৯০ দশমিক ৬৪), আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (৯০ দশমিক ১১), বাণিজ্য মন্ত্রণালয় (৮৯ দশমিক ৯০), প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় (৮৯ দশমিক ৭৫), স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ (৮৯ দশমিক ১১), রেলপথ মন্ত্রণালয় (৮৮ দশমিক ৬৬), পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (৮৮ দশমিক ৪০), ভূমি মন্ত্রণালয় (৮৭ দশমিক ৮০), বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় (৮৭ দশমিক ৫৬), শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় (৮৭ দশমিক ৪৫), সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় (৮৬ দশমিক ৭৪), গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় (৮৫ দশমিক ৫৩), প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় (৮৪ দশমিক ৫৪), লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ (৮৩ দশমিক ৭৫), প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় (৮১ দশমিক ৩৫) ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় (৭৬ দশমিক ৩২)।

আগামী এক বছর মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো কী কাজ করবে, সেই কাজের একটি অঙ্গীকারনামা হচ্ছে এপিএ বা বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি। বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি হিসেবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর প্রতিনিধি হিসেবে সিনিয়র সচিব ও সচিবরা সই করেন। মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো অধীন দপ্তর/সংস্থাগুলোর সঙ্গে এপিএ করে থাকে।

অর্থবছর শেষ হওয়ার পর ওই বছরের চুক্তিতে নির্ধারিত লক্ষ্যগুলো মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো কতটুকু অর্জন করল তার মূল্যায়ন করা হয়। ১০০ নম্বরের সূচকের ভিত্তিতে এই মূল্যায়নটি করা হয়। এপিএ বাস্তবায়নে সেরা ১০টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে সম্মাননা দেওয়া হয়ে থাকে। ২০১৪-১৫ অর্থবছর থেকে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি চালু করা হয়েছিল।

Tag :
জনপ্রিয়

রসিক নির্বাচন ; আ’লীগের মেয়র প্রার্থী ডালিয়ার গণসংযোগ অনুষ্ঠিত

পলকে টপকে শীর্ষে ফরহাদ হোসেন

প্রকাশের সময় : ০৭:৪২:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

বিদায়ী অর্থ বছরের (২০২১-২২) বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) বাস্তবায়নে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে এগিয়ে রয়েছে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের নেতৃত্বে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। গত অর্থবছরে শীর্ষ অবস্থানে ছিল প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের নেতৃত্বে আইসিটি বিভাগ। অন্যদিকে এবার সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে বীর মুক্তিযোদ্ধা আ.ক.ম. মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ওই অর্থ বছরে তালিকার একেবারে নিচে স্থান হয়েছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

সরকারের ৫২টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের পাওয়া নম্বরের গড় ৯২ দশমিক ০১ নম্বর, যা গত অর্থবছরে (২০২০-২১) ছিল ৮৯ দশমিক ০১ নম্বর। সে হিসেবে এবার বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়নের গড় হার ৩ নম্বর বেড়েছে।

রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ‘মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর ২০২১-২২ অর্থবছরের এপিএ-তে প্রাপ্ত নম্বর’ প্রকাশ করেছে।

তালিকা অনুযায়ী, ৯৯ দশমিক ০৮ নম্বর পেয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। গত অর্থবছরে আইসিটি বিভাগ ৯৮ দশমিক ৬৬ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছিল।

অন্যদিকে, ৭৬ দশমিক ৩২ নম্বর পেয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অবস্থান ৫২টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে সবার শেষে।

বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়নে শীর্ষ ১০ মন্ত্রণালয় ও বিভাগ

৯৯ দশমিক ০৮ নম্বর পেয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রথম, ৯৮ দশমিক ৯৩ নম্বর পেয়ে বিদ্যুৎ বিভাগ দ্বিতীয়, ৯৮ দশমিক ৫৩ নম্বর পেয়ে কৃষি মন্ত্রণালয় তৃতীয়, ৯৭ দশমিক ৮৮ নম্বর পেয়ে অর্থ বিভাগ চতুর্থ, ৯৭ দশমিক ৯৬ নম্বর পেয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ পঞ্চম, ৯৭ দশমিক ৭৫ নম্বর পেয়ে বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ ষষ্ঠ, ৯৭ দশমিক ৩৮ নম্বর পেয়ে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ সপ্তম, ৯৭ দশমিক ০৯ নম্বর পেয়ে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় অষ্টম, ৯৫ দশমিক ৭১ নম্বর পেয়ে পরিকল্পনা বিভাগ নবম এবং ৯৫ দশমিক ৫২ নম্বর পেয়ে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ দশম স্থান অর্জন করেছে।

ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অবস্থান

এপিএ বাস্তবায়নে পর্যায়ক্রমে স্থান করে নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ (নম্বর ৯৫ দশমিক ৪৬), খাদ্য মন্ত্রণালয় (৯৫ দশমিক ৩৮), মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় (৯৫ দশমিক ৩৭), বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় ( ৯৫ দশমিক ১৮), সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় (৯৫ দশমিক ১৭), সেতু বিভাগ (৯৪ দশমিক ৮৩), ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (৯৪ দশমিক ৮১), পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় (৯৪ দশমিক ৭০), নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় (৯৪ দশমিক ০২), পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় (৯৩ দশমিক ৮৩), সুরক্ষা সেবা বিভাগ (৯৩ দশমিক ২৮), জননিরাপত্তা বিভাগ (৯৩ দশমিক ২৪), স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ( ৯২ দশমিক ৯৫), তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় (৯২ দশমিক ৮৯), বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় (৯২ দশমিক ৬৫), সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ (৯২ দশমিক ৪৮), স্থানীয় সরকার বিভাগ (৯২ দশমিক ৪৩), শিল্প মন্ত্রণালয় (৯২ দশমিক ২৫), অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (৯২ দশমিক ১৩), আইন ও বিচার বিভাগ (৯১ দশমিক ৭৩), দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় (৯১ দশমিক ৪৪), কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ (৯১ দশমিক ৪২), মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় (৯১ দশমিক ০৯), অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (৯১ দশমিক ০৩), যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় (৯০ দশমিক ৯৬), পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ (৯০ দশমিক ৯১), ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ (৯০ দশমিক ৬৪), আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (৯০ দশমিক ১১), বাণিজ্য মন্ত্রণালয় (৮৯ দশমিক ৯০), প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় (৮৯ দশমিক ৭৫), স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ (৮৯ দশমিক ১১), রেলপথ মন্ত্রণালয় (৮৮ দশমিক ৬৬), পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (৮৮ দশমিক ৪০), ভূমি মন্ত্রণালয় (৮৭ দশমিক ৮০), বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় (৮৭ দশমিক ৫৬), শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় (৮৭ দশমিক ৪৫), সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় (৮৬ দশমিক ৭৪), গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় (৮৫ দশমিক ৫৩), প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় (৮৪ দশমিক ৫৪), লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ (৮৩ দশমিক ৭৫), প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় (৮১ দশমিক ৩৫) ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় (৭৬ দশমিক ৩২)।

আগামী এক বছর মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো কী কাজ করবে, সেই কাজের একটি অঙ্গীকারনামা হচ্ছে এপিএ বা বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি। বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি হিসেবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর প্রতিনিধি হিসেবে সিনিয়র সচিব ও সচিবরা সই করেন। মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো অধীন দপ্তর/সংস্থাগুলোর সঙ্গে এপিএ করে থাকে।

অর্থবছর শেষ হওয়ার পর ওই বছরের চুক্তিতে নির্ধারিত লক্ষ্যগুলো মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো কতটুকু অর্জন করল তার মূল্যায়ন করা হয়। ১০০ নম্বরের সূচকের ভিত্তিতে এই মূল্যায়নটি করা হয়। এপিএ বাস্তবায়নে সেরা ১০টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে সম্মাননা দেওয়া হয়ে থাকে। ২০১৪-১৫ অর্থবছর থেকে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি চালু করা হয়েছিল।