ঢাকা ০৭:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

আমনের লক্ষ্যমাত্রার শতভাগ অর্জিত হয়েছে: কৃষি অধিদপ্তর

চলতি আমন মৌসুমে ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রার শতভাগ অর্জিত হয়েছে বলে দাবি করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)।

ডিএই বলছে, এ বছর আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা হলো ৫৯ লাখ হেক্টর। আর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে এক কোটি ৬৩ লাখ মেট্রিক টন চাল।

খরা আর অনাবৃষ্টির কারণে আমন আবাদ নিয়ে শঙ্কা ছিল। সাম্প্রতিক বৃষ্টির কারণে সেই শঙ্কা কেটে গেছে।

ডিএই’র তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-২১ সালে আমন মোট আবাদ হয়েছিল ৫৬ লাখ ২৫ হাজার হেক্টর জমিতে, উৎপাদন হয়েছিল এক কোটি ৪৫ লাখ টন। গতবছর ২০২১-২২ সালে আবাদ হয়েছিল ৫৭ লাখ ২০ হাজার হেক্টর জমিতে, আর উৎপাদন হয়েছিল এক কোটি ৫০ লাখ টন চাল।
সম্প্রতি ময়মনসিংহে এক কর্মসূচিতে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমন উৎপাদনে অনিশ্চয়তা কেটে গেছে। আর কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে আমনে উৎপাদন গতবছরের তুলনায় বেশিও হতে পারে।

এদিকে খরা আর কম বৃষ্টিপাতের কারণে আমনে প্রায় ১৫ লাখ হেক্টর জমিতে সেচ দিতে হয়েছে। সেচকাজে প্রায় ছয় লাখ ৭৪ হাজার গভীর নলকূপ, অগভীর নলকূপ, এলএলপিসহ বিভিন্ন সেচযন্ত্র ব্যবহৃত হয়েছে। দেশে মোট সেচযন্ত্রের পরিমাণ ১৪ লাখেরও বেশি।

Tag :
জনপ্রিয়

রসিক নির্বাচন ; আ’লীগের মেয়র প্রার্থী ডালিয়ার গণসংযোগ অনুষ্ঠিত

আমনের লক্ষ্যমাত্রার শতভাগ অর্জিত হয়েছে: কৃষি অধিদপ্তর

প্রকাশের সময় : ০৯:৩৬:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

চলতি আমন মৌসুমে ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রার শতভাগ অর্জিত হয়েছে বলে দাবি করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)।

ডিএই বলছে, এ বছর আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা হলো ৫৯ লাখ হেক্টর। আর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে এক কোটি ৬৩ লাখ মেট্রিক টন চাল।

খরা আর অনাবৃষ্টির কারণে আমন আবাদ নিয়ে শঙ্কা ছিল। সাম্প্রতিক বৃষ্টির কারণে সেই শঙ্কা কেটে গেছে।

ডিএই’র তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-২১ সালে আমন মোট আবাদ হয়েছিল ৫৬ লাখ ২৫ হাজার হেক্টর জমিতে, উৎপাদন হয়েছিল এক কোটি ৪৫ লাখ টন। গতবছর ২০২১-২২ সালে আবাদ হয়েছিল ৫৭ লাখ ২০ হাজার হেক্টর জমিতে, আর উৎপাদন হয়েছিল এক কোটি ৫০ লাখ টন চাল।
সম্প্রতি ময়মনসিংহে এক কর্মসূচিতে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমন উৎপাদনে অনিশ্চয়তা কেটে গেছে। আর কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে আমনে উৎপাদন গতবছরের তুলনায় বেশিও হতে পারে।

এদিকে খরা আর কম বৃষ্টিপাতের কারণে আমনে প্রায় ১৫ লাখ হেক্টর জমিতে সেচ দিতে হয়েছে। সেচকাজে প্রায় ছয় লাখ ৭৪ হাজার গভীর নলকূপ, অগভীর নলকূপ, এলএলপিসহ বিভিন্ন সেচযন্ত্র ব্যবহৃত হয়েছে। দেশে মোট সেচযন্ত্রের পরিমাণ ১৪ লাখেরও বেশি।