ঢাকা ০৯:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

অশ্রু ভেজা চোখে ফেদেরার বিদায়

লেভার কাপই হবে শেষ টুর্নামেন্ট। বহুদিনের প্রতিদ্বন্দ্বী রাফায়েল নাদালকে সঙ্গে নিয়ে নামবেন কোর্টে, তারপর র‌্যাকেটটা তুলে রাখবেন—এই ঘোষণা আগেই দিয়েছিলেন রজার ফেদেরার। টেনিস বিশ্বও তাই প্রস্তুত ছিলো।

শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে লন্ডনের ও’টু এরিনার মঞ্চ যেন ছিলো শুধু ফেদেরারের জন্য। যতো আগ্রহ ওই একটা ম্যাচ ঘিরেই। সঙ্গে ছিলো আবেগ। পেশাদার টেনিস জীবনের শেষ ম্যাচ খেলতে যখন নাদালের সঙ্গে কোর্টে আসেন ফেদেরার, তখন পুরো পৃথিবীর চোখই যেন চলে গিয়েছিলো লন্ডনে।

পেশাদার টেনিস ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটা অবশ্য জিততে পারেননি ফেদেরার। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর টিম ওয়ার্ল্ডের ফ্রান্সেস টিয়াফো এবং জ্যাক সকের বিরুদ্ধে ৪-৬, ৭-৬ (৭/২), ১১-৯ ব্যবধানে হেরে যান ফেদেরার ও নাদাল জুটি। তাতে টেনিসভক্তদের অতৃপ্তি থাকার কথা নয়।

অতৃপ্তি বলে যদি কিছু থেকে থাকে, সেটি ২০টি গ্র্যান্ড স্ল্যামজয়ী সুইস কিংবদন্তিকে আর কখনো কোর্টে দেখতে না পাওয়ার অনুভূতিটুকু। হারের পর বিদায়ী ভাষণে তা মনে হতেই সম্ভবত চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি ফেদেরার। কেঁদেছেন শিশুর মতো। পাশে বসে থাকা রাফায়েল নাদালের চোখও ভিজে এসেছে। পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা নোভাক জোকোভিচের মুখেও তাকানো যাচ্ছিলো না। টেনিসের ‘বিগ ফোর’ এর আরেকজন অ্যান্ডি মারেও উপস্থিত ছিলেন সেখানে।

নাদালের সঙ্গে জীবনের শেষ ম্যাচের পর অঝোরে কাঁদতে-কাঁদতে ফেদারার বলছিলেন, রাফার সঙ্গে একই দলে খেলতে পেরে, সবার সামনে, সব কিংবদন্তিরা..ধন্যবাদ।

ফেদেরারের এই ধন্যবাদের উত্তরে অনুচ্চারে সবাই হয়তো বলেছেন, ‘যেও না রজার’। কেননা, দুই দশকের বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে তাদের কতোবারই তো মুগ্ধ করেছেন ২০ বারের গ্র্যান্ডস্ল্যামজয়ী।

Tag :
জনপ্রিয়

করোনা মোকাবিলার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে স্বাস্থ্যখাতের মানোন্নয়ন করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

অশ্রু ভেজা চোখে ফেদেরার বিদায়

প্রকাশের সময় : ০৫:৪৭:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

লেভার কাপই হবে শেষ টুর্নামেন্ট। বহুদিনের প্রতিদ্বন্দ্বী রাফায়েল নাদালকে সঙ্গে নিয়ে নামবেন কোর্টে, তারপর র‌্যাকেটটা তুলে রাখবেন—এই ঘোষণা আগেই দিয়েছিলেন রজার ফেদেরার। টেনিস বিশ্বও তাই প্রস্তুত ছিলো।

শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে লন্ডনের ও’টু এরিনার মঞ্চ যেন ছিলো শুধু ফেদেরারের জন্য। যতো আগ্রহ ওই একটা ম্যাচ ঘিরেই। সঙ্গে ছিলো আবেগ। পেশাদার টেনিস জীবনের শেষ ম্যাচ খেলতে যখন নাদালের সঙ্গে কোর্টে আসেন ফেদেরার, তখন পুরো পৃথিবীর চোখই যেন চলে গিয়েছিলো লন্ডনে।

পেশাদার টেনিস ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটা অবশ্য জিততে পারেননি ফেদেরার। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর টিম ওয়ার্ল্ডের ফ্রান্সেস টিয়াফো এবং জ্যাক সকের বিরুদ্ধে ৪-৬, ৭-৬ (৭/২), ১১-৯ ব্যবধানে হেরে যান ফেদেরার ও নাদাল জুটি। তাতে টেনিসভক্তদের অতৃপ্তি থাকার কথা নয়।

অতৃপ্তি বলে যদি কিছু থেকে থাকে, সেটি ২০টি গ্র্যান্ড স্ল্যামজয়ী সুইস কিংবদন্তিকে আর কখনো কোর্টে দেখতে না পাওয়ার অনুভূতিটুকু। হারের পর বিদায়ী ভাষণে তা মনে হতেই সম্ভবত চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি ফেদেরার। কেঁদেছেন শিশুর মতো। পাশে বসে থাকা রাফায়েল নাদালের চোখও ভিজে এসেছে। পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা নোভাক জোকোভিচের মুখেও তাকানো যাচ্ছিলো না। টেনিসের ‘বিগ ফোর’ এর আরেকজন অ্যান্ডি মারেও উপস্থিত ছিলেন সেখানে।

নাদালের সঙ্গে জীবনের শেষ ম্যাচের পর অঝোরে কাঁদতে-কাঁদতে ফেদারার বলছিলেন, রাফার সঙ্গে একই দলে খেলতে পেরে, সবার সামনে, সব কিংবদন্তিরা..ধন্যবাদ।

ফেদেরারের এই ধন্যবাদের উত্তরে অনুচ্চারে সবাই হয়তো বলেছেন, ‘যেও না রজার’। কেননা, দুই দশকের বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে তাদের কতোবারই তো মুগ্ধ করেছেন ২০ বারের গ্র্যান্ডস্ল্যামজয়ী।