ঢাকা ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ব্রাজিলের কাছে পাত্তাই পেলো না ঘানা

আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ঘানাকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে ব্রাজিল। ফ্রান্সের লু আভহাতে শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে সেলেসাওদের হয়ে জোড়া গোল করেছেন রিচার্লিসন। গত বছরের জুলাইয়ে কোপা আমেরিকার ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে হারের পর থেকে এই নিয়ে টানা ১৪ ম্যাচে অপরাজিত রইলো পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।

১১ বছর পর ঘানার সঙ্গে খেললো ব্রাজিল। আফ্রিকার দেশটির বিপক্ষে এই নিয়ে পাঁচ ম্যাচ খেলে সবগুলোই জিতলো তারা।

ম্যাচে প্রথমবার এগিয়ে যেতে সেলেসাওদের সময় লাগে ৯ মিনিট। কর্নার থেকে আনমার্কড মার্কুইনহোসের হেড জড়িয়ে যায় ঘানার জালে। উল্লাসে ফেটে পড়ে গ্যালারি। এরপর কয়েক দফায় পালটা আক্রমণ করলেও, গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারেনি ঘানা। উলটো বার্সেলোনার রাফিনহার একের পর এক মিস করলে, হতাশ হন সমর্থকরা।

২৮ মিনিটে দুর্দান্ত এক গোল করে দলকে এগিয়ে দেন রিচার্লিসন। তার নান্দনিক টাচ অনেকদিন মনে রাখবেন স্টেডিয়ামের দর্শকরা। পরে প্রথমার্ধ্ব ফুরিয়ে যাওয়ার ৫ মিনিট আগে নিজের জোড়া গোল পূরণ করেন রিচার্লিসন। নেইমারের ফ্রি কিক থেকে দারুণ এক হেড করে স্কোর করেন টটেনহ্যাম ফরোয়ার্ড।

বিরতি থেকে ফিরে বেঞ্চের শক্তি পরখ করার নেশায় মাতেন তিতে। একাদশে আনেন চার পরিবর্তন। রিচা-ভিনির সঙ্গে উঠিয়ে নেন ক্যাসিমিরো এবং সিলভাকেও। তবে, ঘানাইয়ানরাও ততক্ষণে গুছিয়ে নিয়েছে নিজেদের। তাই তো স্কোর করা হয়নি আর সেলসাওদের।

একের পর এক আক্রমণ হয়েছে অনেক, কিন্তু পরিকল্পনাহীন অ্যাটাকগুলো পায়নি লক্ষ্যের দিশা। পরে রাফিনহাকে বদলে রদ্রিগোকে নামিয়েও কোন সুবিধা করতে পারেন নি ব্রাজিল বস। শেষ পর্যন্ত প্রথমার্ধ্বের দেয়া সেই তিন গোলের জয় নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় ব্রাজিলকে।

Tag :
জনপ্রিয়

রসিক নির্বাচন ; আ’লীগের মেয়র প্রার্থী ডালিয়ার গণসংযোগ অনুষ্ঠিত

ব্রাজিলের কাছে পাত্তাই পেলো না ঘানা

প্রকাশের সময় : ০৫:৪৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ঘানাকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে ব্রাজিল। ফ্রান্সের লু আভহাতে শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে সেলেসাওদের হয়ে জোড়া গোল করেছেন রিচার্লিসন। গত বছরের জুলাইয়ে কোপা আমেরিকার ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে হারের পর থেকে এই নিয়ে টানা ১৪ ম্যাচে অপরাজিত রইলো পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।

১১ বছর পর ঘানার সঙ্গে খেললো ব্রাজিল। আফ্রিকার দেশটির বিপক্ষে এই নিয়ে পাঁচ ম্যাচ খেলে সবগুলোই জিতলো তারা।

ম্যাচে প্রথমবার এগিয়ে যেতে সেলেসাওদের সময় লাগে ৯ মিনিট। কর্নার থেকে আনমার্কড মার্কুইনহোসের হেড জড়িয়ে যায় ঘানার জালে। উল্লাসে ফেটে পড়ে গ্যালারি। এরপর কয়েক দফায় পালটা আক্রমণ করলেও, গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারেনি ঘানা। উলটো বার্সেলোনার রাফিনহার একের পর এক মিস করলে, হতাশ হন সমর্থকরা।

২৮ মিনিটে দুর্দান্ত এক গোল করে দলকে এগিয়ে দেন রিচার্লিসন। তার নান্দনিক টাচ অনেকদিন মনে রাখবেন স্টেডিয়ামের দর্শকরা। পরে প্রথমার্ধ্ব ফুরিয়ে যাওয়ার ৫ মিনিট আগে নিজের জোড়া গোল পূরণ করেন রিচার্লিসন। নেইমারের ফ্রি কিক থেকে দারুণ এক হেড করে স্কোর করেন টটেনহ্যাম ফরোয়ার্ড।

বিরতি থেকে ফিরে বেঞ্চের শক্তি পরখ করার নেশায় মাতেন তিতে। একাদশে আনেন চার পরিবর্তন। রিচা-ভিনির সঙ্গে উঠিয়ে নেন ক্যাসিমিরো এবং সিলভাকেও। তবে, ঘানাইয়ানরাও ততক্ষণে গুছিয়ে নিয়েছে নিজেদের। তাই তো স্কোর করা হয়নি আর সেলসাওদের।

একের পর এক আক্রমণ হয়েছে অনেক, কিন্তু পরিকল্পনাহীন অ্যাটাকগুলো পায়নি লক্ষ্যের দিশা। পরে রাফিনহাকে বদলে রদ্রিগোকে নামিয়েও কোন সুবিধা করতে পারেন নি ব্রাজিল বস। শেষ পর্যন্ত প্রথমার্ধ্বের দেয়া সেই তিন গোলের জয় নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় ব্রাজিলকে।