ঢাকা ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

দামুড়হুদায় এ্যাপোলো ক্লিনিকে এক প্রসূতির পাঁচ সন্তানের জন্ম

দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা বাজারে অবস্থিত এ্যাপোলো ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার সালেমা খাতুন নামের এক গৃহবধূ পাঁচ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। জন্ম নেওয়া পাঁচটি সন্তানের একটিও বেঁচে নেই।

গত ২২ সেপ্টেম্বর উপজেলার কানাঈডাঙ্গা গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার ঝন্টু’র স্ত্রী ও একই গ্রামের লোকমান আলীর মেয়ে সালেমা খাতুন (৩০) রাত ৮টার দিকে এ্যাপোলো ক্লিনিকে একে একে পাঁচটি সন্তান জন্ম দেন। জন্মের কিছুসময় পরই পাঁচটি সন্তানের মৃত্যু হয়। সুস্থ রয়েছেন প্রসূতি গৃহবধূ।

গৃহবধূর স্বামী ঝন্টু মিয়া জানান,বিকালে স্ত্রী’র পেটে ব্যথা হলে দ্রুত তাকে কার্পাসডাঙ্গা এ্যাপোলো ক্লিনিকে নিয়ে যায়। এরপর একে একে পাঁচটি সন্তান প্রসব করেন। কিন্তু পাঁচটি সন্তানের কেউই বেঁচে রইল না। বর্তমান আমার স্ত্রী সুস্থ আছেন।

এ্যাপোলো ক্লিনিকের পরিচালক মামুনুর রশীদদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সন্ধ্যার আগে একজন প্রসূতিকে পেটে ব্যাথা নিয়ে তার স্বামী আমাদের ক্লিনিকে আসেন ক্লিনিকে আসার পরই তিনি একটি সন্তান প্রসব করেন। এরপর কর্তব্যরত চিকিৎসকের সহযোগিতায় পরপর আরো চারটি সন্তান জন্ম নেয়। এরই কিছু সময়ের মধ্যে জন্ম নেওয়া পাঁচটি সন্তানের মৃত্যু হয়। সন্তানের মধ্যে ছিলো একটি মেয়ে, দুটি ছেলে এবং বাকী দুটো বাচ্চা এক ও অপরের সঙ্গে জোড়া থাকার ফলে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি। গৃহবধূ প্রসূতি নারী বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, তিনি সুস্থ। পারিবারিকভাবে জানা গেছে জন্ম নেওয়া পাঁচটি শিশুর কানাইডাঙ্গায় স্থানীয় কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয়

সাটুরিয়ায় নিয়োগ বাতিলের দাবীতে মানববন্ধন

দামুড়হুদায় এ্যাপোলো ক্লিনিকে এক প্রসূতির পাঁচ সন্তানের জন্ম

প্রকাশের সময় : ১০:২৫:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২

দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা বাজারে অবস্থিত এ্যাপোলো ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার সালেমা খাতুন নামের এক গৃহবধূ পাঁচ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। জন্ম নেওয়া পাঁচটি সন্তানের একটিও বেঁচে নেই।

গত ২২ সেপ্টেম্বর উপজেলার কানাঈডাঙ্গা গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার ঝন্টু’র স্ত্রী ও একই গ্রামের লোকমান আলীর মেয়ে সালেমা খাতুন (৩০) রাত ৮টার দিকে এ্যাপোলো ক্লিনিকে একে একে পাঁচটি সন্তান জন্ম দেন। জন্মের কিছুসময় পরই পাঁচটি সন্তানের মৃত্যু হয়। সুস্থ রয়েছেন প্রসূতি গৃহবধূ।

গৃহবধূর স্বামী ঝন্টু মিয়া জানান,বিকালে স্ত্রী’র পেটে ব্যথা হলে দ্রুত তাকে কার্পাসডাঙ্গা এ্যাপোলো ক্লিনিকে নিয়ে যায়। এরপর একে একে পাঁচটি সন্তান প্রসব করেন। কিন্তু পাঁচটি সন্তানের কেউই বেঁচে রইল না। বর্তমান আমার স্ত্রী সুস্থ আছেন।

এ্যাপোলো ক্লিনিকের পরিচালক মামুনুর রশীদদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সন্ধ্যার আগে একজন প্রসূতিকে পেটে ব্যাথা নিয়ে তার স্বামী আমাদের ক্লিনিকে আসেন ক্লিনিকে আসার পরই তিনি একটি সন্তান প্রসব করেন। এরপর কর্তব্যরত চিকিৎসকের সহযোগিতায় পরপর আরো চারটি সন্তান জন্ম নেয়। এরই কিছু সময়ের মধ্যে জন্ম নেওয়া পাঁচটি সন্তানের মৃত্যু হয়। সন্তানের মধ্যে ছিলো একটি মেয়ে, দুটি ছেলে এবং বাকী দুটো বাচ্চা এক ও অপরের সঙ্গে জোড়া থাকার ফলে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি। গৃহবধূ প্রসূতি নারী বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, তিনি সুস্থ। পারিবারিকভাবে জানা গেছে জন্ম নেওয়া পাঁচটি শিশুর কানাইডাঙ্গায় স্থানীয় কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।