ঢাকা ১২:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অক্টোবর ২০২২, ২২ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

খাল ভরাট, বন্ধ ফসল আবাদ

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার প্রবহমান ৮টি খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় আশপাশের ১২ গ্রামের ফসলি জমিতে আর চাষাবাদ হচ্ছে না। এসব এলাকায় আমন মৌসুমে জলাবদ্ধতা এবং বোরো মৌসুমে পর্যাপ্ত পানির অভাবে কৃষকেরা চাষাবাদে উৎসাহ হারিয়ে ফেলছেন।

ফলে হাজার হাজার একর জমি অনাবাদি পড়ে আছে। হুমকির মুখে পড়েছে মাছ চাষও।

কৃষক ও কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বড়লিয়া, আশিয়া, কাশিয়াইশ, কুসুমপুরা, ছনহরা, জঙ্গল খাইন, হাবিলাসদ্বীপ, জিরি, কোলাগাঁও, ভাটিখাইন, কচুয়াই, ধলঘাট ইউনিয়নে আমন ও বোরো আবাদযোগ্য প্রায় ১০ হাজার হাজার একর জমি রয়েছে। এসব জমি কাটাখালি খাল, ধামাই বিবি খাল, গুরুলুটা খাল, কুমারখালি খাল, কালাগাজী খাল, মতিয়ার খাল ও পেরোলা-বড়লিয়া সীমান্তবর্তী খাল, আশিয়া খাল থেকে পানি নিয়ে বোরো ও আমন চাষাবাদ করতেন কৃষকেরা। খালগুলোর মাধ্যমে বড়লিয়া, পূর্ব বড়লিয়া, জঙ্গলখাইন, মেলঘর, কর্তলা, বেলখাইন, বাড়ৈকাড়া, পেরোলা, কন্যায়া ও আশিয়া গ্রামের হাজার হাজার মানুষ উপকৃত হতেন।

কৃষকেরা জানান, খালগুলো খননের অভাবে গত ৩-৪ বছর ধরে পলি ও কচুরিপনায় ভরে গেছে। এ সুযোগে স্থানীয় প্রভাবশালী অনেকে খালের মাঝ বরাবর কাঠের বেড়া দিয়ে মাছের ঘের তৈরি করেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কল্পনা রহমান বলেন, ‘কৃষকদের সমস্যা দূর করার জন্য আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বারবার খাল খনন ও কচুরিপনা অপসারণের জন্য অনুরোধ করেছি। আশা করি, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Tag :

ভারতের গ্রামে অভিনব উদ্যোগ, শৈশব ফেরাতে মোবাইল-টিভিতে নিষেধাজ্ঞা

খাল ভরাট, বন্ধ ফসল আবাদ

প্রকাশের সময় : ১০:২৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার প্রবহমান ৮টি খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় আশপাশের ১২ গ্রামের ফসলি জমিতে আর চাষাবাদ হচ্ছে না। এসব এলাকায় আমন মৌসুমে জলাবদ্ধতা এবং বোরো মৌসুমে পর্যাপ্ত পানির অভাবে কৃষকেরা চাষাবাদে উৎসাহ হারিয়ে ফেলছেন।

ফলে হাজার হাজার একর জমি অনাবাদি পড়ে আছে। হুমকির মুখে পড়েছে মাছ চাষও।

কৃষক ও কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বড়লিয়া, আশিয়া, কাশিয়াইশ, কুসুমপুরা, ছনহরা, জঙ্গল খাইন, হাবিলাসদ্বীপ, জিরি, কোলাগাঁও, ভাটিখাইন, কচুয়াই, ধলঘাট ইউনিয়নে আমন ও বোরো আবাদযোগ্য প্রায় ১০ হাজার হাজার একর জমি রয়েছে। এসব জমি কাটাখালি খাল, ধামাই বিবি খাল, গুরুলুটা খাল, কুমারখালি খাল, কালাগাজী খাল, মতিয়ার খাল ও পেরোলা-বড়লিয়া সীমান্তবর্তী খাল, আশিয়া খাল থেকে পানি নিয়ে বোরো ও আমন চাষাবাদ করতেন কৃষকেরা। খালগুলোর মাধ্যমে বড়লিয়া, পূর্ব বড়লিয়া, জঙ্গলখাইন, মেলঘর, কর্তলা, বেলখাইন, বাড়ৈকাড়া, পেরোলা, কন্যায়া ও আশিয়া গ্রামের হাজার হাজার মানুষ উপকৃত হতেন।

কৃষকেরা জানান, খালগুলো খননের অভাবে গত ৩-৪ বছর ধরে পলি ও কচুরিপনায় ভরে গেছে। এ সুযোগে স্থানীয় প্রভাবশালী অনেকে খালের মাঝ বরাবর কাঠের বেড়া দিয়ে মাছের ঘের তৈরি করেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কল্পনা রহমান বলেন, ‘কৃষকদের সমস্যা দূর করার জন্য আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বারবার খাল খনন ও কচুরিপনা অপসারণের জন্য অনুরোধ করেছি। আশা করি, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’