ঢাকা ০৮:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৪ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ছোট ভাইয়ের এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ায় বড় ভাইকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড।

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে জুবলি হাবিবুল্লাহ মিয়ার হাট উচ্চ বিদ্যালয়ে খালাতো ভাইয়ের এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ায় বড় ভাই আলমগীর হোসেনকে (১৮) এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার শহীদ জয়নাল আবেদীন সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতি সর্ববিদ্যা।

দণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর হোসেন উপজেলার ২নং চরবাটা ইউনিয়নের চরবাটা গ্রামের আক্তার হোসেনের ছেলে এবং স্থানীয় সৈকত ডিগ্রি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষার্থী।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আলমগীরকে আটক করা হয়। পরে প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড যাচাই-বাছাই ও জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সে খালাতো ভাই আব্দুর রহমানের প্রক্সি দেওয়ার কথা স্বীকার করে। এছাড়াও সে তার খালাতো ভাইয়ের বিগত দুটি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। পরে ওই যুবককে সাজা দিয়ে পুলিশের কাছে সোর্পদ করা হয়। আর প্রকৃত ছাত্র আব্দুর রহমানকে চলতি এসএসসি পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা হয়।

সুবর্ণচর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চৈতী সর্ববিদ্যা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গণিত পরীক্ষা চলাকালীন আলমগীর হোসেনকে আটক করা হয়। তার প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড দেখে জানা যায়, খালাতো ভাইয়ের প্রক্সি দিতে এসেছিলেন তিনি।

Tag :

মধ্যনগরে দুর্গোৎসব উপলক্ষে ৩৩টি পূজামন্ডপে নগদ অর্থ প্রদান করেন, এমপি রতন

ছোট ভাইয়ের এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ায় বড় ভাইকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড।

প্রকাশের সময় : ১২:৫৫:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে জুবলি হাবিবুল্লাহ মিয়ার হাট উচ্চ বিদ্যালয়ে খালাতো ভাইয়ের এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ায় বড় ভাই আলমগীর হোসেনকে (১৮) এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার শহীদ জয়নাল আবেদীন সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতি সর্ববিদ্যা।

দণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর হোসেন উপজেলার ২নং চরবাটা ইউনিয়নের চরবাটা গ্রামের আক্তার হোসেনের ছেলে এবং স্থানীয় সৈকত ডিগ্রি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষার্থী।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আলমগীরকে আটক করা হয়। পরে প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড যাচাই-বাছাই ও জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সে খালাতো ভাই আব্দুর রহমানের প্রক্সি দেওয়ার কথা স্বীকার করে। এছাড়াও সে তার খালাতো ভাইয়ের বিগত দুটি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। পরে ওই যুবককে সাজা দিয়ে পুলিশের কাছে সোর্পদ করা হয়। আর প্রকৃত ছাত্র আব্দুর রহমানকে চলতি এসএসসি পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা হয়।

সুবর্ণচর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চৈতী সর্ববিদ্যা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গণিত পরীক্ষা চলাকালীন আলমগীর হোসেনকে আটক করা হয়। তার প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড দেখে জানা যায়, খালাতো ভাইয়ের প্রক্সি দিতে এসেছিলেন তিনি।