ঢাকা ০৮:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ২০ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

অস্ট্রেলিয়ার সৈকতে আটকে পড়া ২০০ তিমির মৃত্যু

অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়া অঙ্গরাজ্যের কিং দ্বীপে আটকে পড়া ২৩০টি তিমির মধ্যে ২০০টিই মারা গেছে। স্থানীয়রা গত মঙ্গলবার আটকে পড়া তিমিগুলো সমুদ্রপাড়ে দেখতে পান। এদিকে, দ্বীপে এভাবে তিমি আটকে পড়াকে অস্বাভাবিক বলছেন পরিবেশবিদরা।

অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রীয় বন্যপ্রাণী পরিসেবা অধিদপ্তর জানিয়েছে, আনুমানিক ২৩০ পাইলট তিমির মধ্যে মাত্র ৩৫টি এখনো জীবিত রয়েছে। যেগুলো বেঁচে রয়েছে সেগুলোকেও উদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

সংবাদমাধ্যমে এ সংক্রান্ত প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, সৈকতজুড়ে কয়েক ডজন তিমি পড়ে রয়েছে। কয়েকটি তিমি নিশ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করছে। স্থানীয়রা জীবিত তিমিদের কয়েকটিকে ভেজা কম্বল দিয়ে জড়িয়ে দিয়েছেন। কেউ বালতি করে পানি দিয়ে তাদের বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন।

অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রীয় বন্যপ্রাণী অপারেশন ম্যানেজার ব্রেন্ডন ক্লার্ক জানিয়েছেন, ‘আমরা সৈকতে প্রায় ৩৫টি জীবিত তিমি পেয়েছি। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য হচ্ছে এই প্রাণীদের উদ্ধার ও মুক্ত করা। তবে দুর্ভাগ্যবশত এরই মধ্যে অনেকগুলো তিমি মারা গেছে।’

পরিবেশবিদরা বলছেন, জোয়ারের পানিতে পথ ভুলে সৈকতে আসার পর পানি নামলেও তিমিগুলো সমুদ্র সৈকতে আটক পড়ে। এ ঘটনাকে অস্বাভাবিক উল্লেখ করে বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

যদিও তাসমানিয়ার দ্বীপে তিমি আটকে পড়ার ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও পশ্চিম উপকূলে ৩৬০টি পাইলট তিমি আটকা পড়েছিল। এর মধ্যে ১১১টি তিমিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল।

অস্ট্রেলিয়ার পরিবেশ ও পানি বিষয়ক মন্ত্রী তানিয়া প্লিবারসেক এক টুইট বার্তায় বলেন, ব্যাপকভাবে তিমির আটকা পড়ার খবর দুঃখজনক।

Tag :

কালীগঞ্জে মায়ের শাড়ি গলায় পেঁচিয়ে ছেলের আত্মহত্যা

অস্ট্রেলিয়ার সৈকতে আটকে পড়া ২০০ তিমির মৃত্যু

প্রকাশের সময় : ০৮:৪৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২

অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়া অঙ্গরাজ্যের কিং দ্বীপে আটকে পড়া ২৩০টি তিমির মধ্যে ২০০টিই মারা গেছে। স্থানীয়রা গত মঙ্গলবার আটকে পড়া তিমিগুলো সমুদ্রপাড়ে দেখতে পান। এদিকে, দ্বীপে এভাবে তিমি আটকে পড়াকে অস্বাভাবিক বলছেন পরিবেশবিদরা।

অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রীয় বন্যপ্রাণী পরিসেবা অধিদপ্তর জানিয়েছে, আনুমানিক ২৩০ পাইলট তিমির মধ্যে মাত্র ৩৫টি এখনো জীবিত রয়েছে। যেগুলো বেঁচে রয়েছে সেগুলোকেও উদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

সংবাদমাধ্যমে এ সংক্রান্ত প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, সৈকতজুড়ে কয়েক ডজন তিমি পড়ে রয়েছে। কয়েকটি তিমি নিশ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করছে। স্থানীয়রা জীবিত তিমিদের কয়েকটিকে ভেজা কম্বল দিয়ে জড়িয়ে দিয়েছেন। কেউ বালতি করে পানি দিয়ে তাদের বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন।

অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রীয় বন্যপ্রাণী অপারেশন ম্যানেজার ব্রেন্ডন ক্লার্ক জানিয়েছেন, ‘আমরা সৈকতে প্রায় ৩৫টি জীবিত তিমি পেয়েছি। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য হচ্ছে এই প্রাণীদের উদ্ধার ও মুক্ত করা। তবে দুর্ভাগ্যবশত এরই মধ্যে অনেকগুলো তিমি মারা গেছে।’

পরিবেশবিদরা বলছেন, জোয়ারের পানিতে পথ ভুলে সৈকতে আসার পর পানি নামলেও তিমিগুলো সমুদ্র সৈকতে আটক পড়ে। এ ঘটনাকে অস্বাভাবিক উল্লেখ করে বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

যদিও তাসমানিয়ার দ্বীপে তিমি আটকে পড়ার ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও পশ্চিম উপকূলে ৩৬০টি পাইলট তিমি আটকা পড়েছিল। এর মধ্যে ১১১টি তিমিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল।

অস্ট্রেলিয়ার পরিবেশ ও পানি বিষয়ক মন্ত্রী তানিয়া প্লিবারসেক এক টুইট বার্তায় বলেন, ব্যাপকভাবে তিমির আটকা পড়ার খবর দুঃখজনক।