ঢাকা ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

জ্যাকুলিনের বিপদে পাশে নেই সালমান

বলিউডের এলিজেবল ব্যাচেলর সালমান খান পাশে ছিল বলেই ক্যারিয়ার গোছাতে পেরেছিলেন জ্যাকুলিন ফার্নান্ডেজ। শুধু তা-ই নয়, এই অভিনেত্রীর পাশে বন্ধুর মতো ছিলেন সালমান খান। তবে এবার সরে গেলেন তিনি।

কোটি টাকার তছরুপ মামলায় জড়ানোর পর থেকেই পুরোনো বন্ধুর সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখতে শুরু করেছিলেন সালমান খান। কারণ, বিতর্কের অংশ হতে চাননি তিনি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্ধুদের বিপদে-আপদে সবসময় পাশে থাকেন সালমান খান। কিন্তু সেই সঙ্গে তিনি একজন সচেতন নাগরিকও। তবে সেই বন্ধু যদি কথা না শুনে তাহলে তো তিনি বিপথে যেতে পারেন না। তাই জ্যাকুলিনের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখার সিদ্ধান্তই তার কাছে ঠিক মনে হয়েছে।

আবার অক্ষয় কুমারও নাকি জ্যাকুলিনকে সুকেশের বিরুদ্ধে বহুবার সতর্ক করেছিলেন। তবে অভিনেত্রী তখন সুকেশের গভীর প্রেমে ডুবে ছিলেন। তাই তার আর কিছুই করার ছিল না।

আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, জ্যাকুলিনের ‘স্বপ্নের পুরুষ’ ছিলেন সুকেশ চন্দ্রশেখর। দিল্লি পুলিশের আর্থিক দমন শাখার স্পেশ্যাল কমিশনার রবীন্দ্র যাদব সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে জানিয়েছেন যে, প্রচুর ধনদৌলত থাকায় বলিউডের অভিনেত্রীদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করতেন সুকেশ। এই ফাঁদে জড়িয়ে পড়েন জ্যাকুলিনও।

কমিশনার রবীন্দ্র যাদব বলেন, জ্যাকুলিন আরও বিপাকে পড়েছেন। কারণ, সুকেশের অপরাধের কথা জেনেও তার সঙ্গে সর্ম্পকে জড়িয়েছেন। সে দিক থেকে বেঁচে গেছেন বলিপাড়ার আরও এক অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি। রহস্যের গন্ধ পাওয়া মাত্রই সুকেশের সঙ্গে যোগাযোগ ছিন্ন করেন এই অভিনেত্রী।

জনপ্রিয়

রসিক নির্বাচন ; আ’লীগের মেয়র প্রার্থী ডালিয়ার গণসংযোগ অনুষ্ঠিত

জ্যাকুলিনের বিপদে পাশে নেই সালমান

প্রকাশের সময় : ০৯:৩৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২২

বলিউডের এলিজেবল ব্যাচেলর সালমান খান পাশে ছিল বলেই ক্যারিয়ার গোছাতে পেরেছিলেন জ্যাকুলিন ফার্নান্ডেজ। শুধু তা-ই নয়, এই অভিনেত্রীর পাশে বন্ধুর মতো ছিলেন সালমান খান। তবে এবার সরে গেলেন তিনি।

কোটি টাকার তছরুপ মামলায় জড়ানোর পর থেকেই পুরোনো বন্ধুর সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখতে শুরু করেছিলেন সালমান খান। কারণ, বিতর্কের অংশ হতে চাননি তিনি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্ধুদের বিপদে-আপদে সবসময় পাশে থাকেন সালমান খান। কিন্তু সেই সঙ্গে তিনি একজন সচেতন নাগরিকও। তবে সেই বন্ধু যদি কথা না শুনে তাহলে তো তিনি বিপথে যেতে পারেন না। তাই জ্যাকুলিনের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখার সিদ্ধান্তই তার কাছে ঠিক মনে হয়েছে।

আবার অক্ষয় কুমারও নাকি জ্যাকুলিনকে সুকেশের বিরুদ্ধে বহুবার সতর্ক করেছিলেন। তবে অভিনেত্রী তখন সুকেশের গভীর প্রেমে ডুবে ছিলেন। তাই তার আর কিছুই করার ছিল না।

আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, জ্যাকুলিনের ‘স্বপ্নের পুরুষ’ ছিলেন সুকেশ চন্দ্রশেখর। দিল্লি পুলিশের আর্থিক দমন শাখার স্পেশ্যাল কমিশনার রবীন্দ্র যাদব সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে জানিয়েছেন যে, প্রচুর ধনদৌলত থাকায় বলিউডের অভিনেত্রীদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করতেন সুকেশ। এই ফাঁদে জড়িয়ে পড়েন জ্যাকুলিনও।

কমিশনার রবীন্দ্র যাদব বলেন, জ্যাকুলিন আরও বিপাকে পড়েছেন। কারণ, সুকেশের অপরাধের কথা জেনেও তার সঙ্গে সর্ম্পকে জড়িয়েছেন। সে দিক থেকে বেঁচে গেছেন বলিপাড়ার আরও এক অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি। রহস্যের গন্ধ পাওয়া মাত্রই সুকেশের সঙ্গে যোগাযোগ ছিন্ন করেন এই অভিনেত্রী।