ঢাকা ১০:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

মাপযোগ হয় কিন্তু ব্রীজ হয়না

মাপযোগ হয় কিন্তু ব্রীজ হয়না। কত লোক আসে লেখে আর মাপি যায় হামার কপালোত আর ব্রীজ হয়না। হামার জন্ম থেকে দেখি আসি অনেক অফিসার মাপযোগ করি নিয়া যায় কিন্তু আইজ পর্যন্ত ব্রীজের মুখ হামরা দেখিবার পাইনো না। হামরা অনেক কষ্ট করিয়া হাট,বাজার,স্কুল কলেজ ও নীলফামারী শহরোত যাই। হামার কষ্ট দেখিবার কোন মানষি নাই, ভোট আসিলে সগায় ব্রীজ দিবার চায়।ভোটোত জিতিলে হামার আর ব্রীজের খবর নাই। কথাগুলো বলেন স্থানীয় বাসিন্দা লাল বাবু, কৃপা রায়, আব্দুল ওহাব, মিজানুর রহমানসহ আরো অনেকে।

নীলফামারী সদর উপজেলার পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের কোরানী পাড়া ঘাটে যমুনেশ্বরী নদীর উপড় ব্রীজ না থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছে প্রায় ১০ হাজার মানুষ। ব্রীজ না হওয়ায় প্রতিনিয়ত পথচারীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ওই ঘাটে একটি ব্রীজ হলে যাতায়াতসহ অর্থনৈতিক উন্নয়নে পাল্টে যাবে মানুষের জীবন মান। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষজন যাতায়াত করছেন। এলাকাবাসির যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে বাঁশ সংগ্রহ করে যমুনেশ্বরী নদীর উপড় বাঁশের সাঁকো তৈরী করে যাতায়াত করেন পথচারীরা।

এই সাঁকোটি নীলফামারী জেলা শহরে যাওয়ার একমাএ গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। কোরানী পাড়া ঘাটের পূর্ব দিকে রয়েছে উত্তরা শশী প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম দিকে রয়েছে উত্তর কানিয়াল খাতা দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়, কানিয়াল খাতা মাদ্রাসা, কানিয়াল খাতা প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বিনোদন কেন্দ্র ওসমানিয়া উদ্যান। প্রতিদিন শিক্ষার্থী সহ বিভিন্ন পেশার লোকজন বাঁশের তৈরী সাঁকো দিয়ে চলাচল করছেন। বেশী সমস্যায় রয়েছেন ওই এলাকার কৃষককুল। তারা কৃষি পণ্য বাজারে নিতে না পারায় সঠিক দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

বর্ষার সময় নদীর পানির স্রোতে বাঁশের সাঁকো ভেঙে ভেসে যায়, তখন কলা গাছের ভেলা বানিয়ে পার হতে হয়। এই দুর্ভোগ থেকে পরিএাণ চায় স্থানীয় সহ পথচারীরা। উত্তর কানিয়াল খাতা বিদ্যালয়ের ৬ষ্ট শ্রেণীর শিক্ষার্থী মারুফ হোসেন,৭ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী রাশেদ মিয়া বলেন,আমরা অনেক কষ্ট করে এই বাঁশের সাঁকো দিয়ে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করে থাকি। বর্ষার সময় কলার ভেলায় পার হতে হয়। অনেক সময় বই খাতা নদীতে পরে ভেসে যায়,আমাদেরও দুর্ঘটনায় পরতে হয়।

এই ঘাটে একটি ব্রীজের জরুরী প্রয়োজন। তাদের দাবী একটি ব্রীজ হলে পাল্টে যাবে এই এলাকার দৃশ্যপট। জেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী সুজন কুমার করের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নই.আমি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো।

Tag :
জনপ্রিয়

রামপালে বিএনপির ২০ নেতাকর্মীর নামে মামলা আটক-৬

মাপযোগ হয় কিন্তু ব্রীজ হয়না

প্রকাশের সময় : ০৯:১৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২

মাপযোগ হয় কিন্তু ব্রীজ হয়না। কত লোক আসে লেখে আর মাপি যায় হামার কপালোত আর ব্রীজ হয়না। হামার জন্ম থেকে দেখি আসি অনেক অফিসার মাপযোগ করি নিয়া যায় কিন্তু আইজ পর্যন্ত ব্রীজের মুখ হামরা দেখিবার পাইনো না। হামরা অনেক কষ্ট করিয়া হাট,বাজার,স্কুল কলেজ ও নীলফামারী শহরোত যাই। হামার কষ্ট দেখিবার কোন মানষি নাই, ভোট আসিলে সগায় ব্রীজ দিবার চায়।ভোটোত জিতিলে হামার আর ব্রীজের খবর নাই। কথাগুলো বলেন স্থানীয় বাসিন্দা লাল বাবু, কৃপা রায়, আব্দুল ওহাব, মিজানুর রহমানসহ আরো অনেকে।

নীলফামারী সদর উপজেলার পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের কোরানী পাড়া ঘাটে যমুনেশ্বরী নদীর উপড় ব্রীজ না থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছে প্রায় ১০ হাজার মানুষ। ব্রীজ না হওয়ায় প্রতিনিয়ত পথচারীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ওই ঘাটে একটি ব্রীজ হলে যাতায়াতসহ অর্থনৈতিক উন্নয়নে পাল্টে যাবে মানুষের জীবন মান। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষজন যাতায়াত করছেন। এলাকাবাসির যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে বাঁশ সংগ্রহ করে যমুনেশ্বরী নদীর উপড় বাঁশের সাঁকো তৈরী করে যাতায়াত করেন পথচারীরা।

এই সাঁকোটি নীলফামারী জেলা শহরে যাওয়ার একমাএ গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা। কোরানী পাড়া ঘাটের পূর্ব দিকে রয়েছে উত্তরা শশী প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম দিকে রয়েছে উত্তর কানিয়াল খাতা দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়, কানিয়াল খাতা মাদ্রাসা, কানিয়াল খাতা প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বিনোদন কেন্দ্র ওসমানিয়া উদ্যান। প্রতিদিন শিক্ষার্থী সহ বিভিন্ন পেশার লোকজন বাঁশের তৈরী সাঁকো দিয়ে চলাচল করছেন। বেশী সমস্যায় রয়েছেন ওই এলাকার কৃষককুল। তারা কৃষি পণ্য বাজারে নিতে না পারায় সঠিক দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

বর্ষার সময় নদীর পানির স্রোতে বাঁশের সাঁকো ভেঙে ভেসে যায়, তখন কলা গাছের ভেলা বানিয়ে পার হতে হয়। এই দুর্ভোগ থেকে পরিএাণ চায় স্থানীয় সহ পথচারীরা। উত্তর কানিয়াল খাতা বিদ্যালয়ের ৬ষ্ট শ্রেণীর শিক্ষার্থী মারুফ হোসেন,৭ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী রাশেদ মিয়া বলেন,আমরা অনেক কষ্ট করে এই বাঁশের সাঁকো দিয়ে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করে থাকি। বর্ষার সময় কলার ভেলায় পার হতে হয়। অনেক সময় বই খাতা নদীতে পরে ভেসে যায়,আমাদেরও দুর্ঘটনায় পরতে হয়।

এই ঘাটে একটি ব্রীজের জরুরী প্রয়োজন। তাদের দাবী একটি ব্রীজ হলে পাল্টে যাবে এই এলাকার দৃশ্যপট। জেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী সুজন কুমার করের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নই.আমি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো।