ঢাকা ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২, ১৫ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ব্রিজ হলেও সংযোগ সড়কের অভাবে পড়ে আছে সোয়া চার কোটি টাকার সেতু

একে এম শিশির কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি

‘কি কমু বাজান ব্রীজের লাইগা আমাগো কষ্টের সীমা নাই। গিরু (হাটু) সমান পানি দিয়া হাইট্যা যাওন লাগে। বৃষ্টি অইলে আরো বেশি কষ্ট অয় (হয়)। আমাগো কষ্ট দেহনের (দেখার) কেউ নাই হোননেরও (শুনারও) কেউ নাই। অল্প কয়দিন আগে পাশের গ্রামের এক মহিলা পিছলা খাইয়্যা পইড়া পাও (পা) ভাইঙ্গা (ভেঙ্গে) ঘরে পইড়া রইছে। আমরাও হের লাইগা সাবধানে যাইতাছি।’–দীর্ঘশ্বাস ফেলে বুকের চাপা ক্ষোভ নিয়ে কথা গুলি বলছিলেন বৃদ্ধা হালিমা বেগম।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের খাইলশাবর্তা গ্রামের বাসিন্দা হালিমা বেগম ও তার ননদ কুলসুম বেগম দুই জনই অসুস্থ্য তাই পাশ্ববর্তী কালিয়াকৈর উপজেলার সাকাশ্বর বাজারের কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে যাচ্ছিলেন। শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে সেতুর পূর্বপাশে দাঁড়িয়ে কথা হয় তাদের সঙ্গে।

একই গ্রামের বাসিন্দা কুলসুম বেগম বলেন,‘আগের মেয়র জাহাঙ্গীর সেতুর পূর্ব পাশে রাস্তার কামও ধরছিল। পরে গ্রামের মানুষের সঙ্গে কি যেন হয়ছিল। হের পর থাই আর কোন কাম হয় নাই। এহন নতুন কেরা নাকি মেয়র হয়ছে হেয় আর কোনো খবরও নেয় নাই। আল্লাহই জানে কমে রাস্তা অয়বো (হবে)।

একপাশে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের খাইলসাভর্তা, অন্যপাশে কালিয়াকৈর উপজেলার সাকাশ্বর বাজার। মাঝখানে তুরাগ নদে সিটি করপোরেশনের অর্থায়নে নির্মিত হয়েছে ১৪০ মিটার দীর্ঘ সেতু। কিন্তু সেতু নির্মাণের দুই বছর হয়ে গেলেও এক পাশের প্রায় এক কিলোমিটার হয়নি সংযোগ সড়ক। এতে ভোগান্তিতে রয়েছে আশপাশের ১০ গ্রামের বাসিন্দারা। জীবনের ঝুকি নিয়ে সেতুর একপাশ দিয়ে কয়েক কিলোমিটার হেঁটে এলাকাবাসীরা চলাচল করছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি) ২০১৮ সালের জুলাই মাসে সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ করে। সেতুটি আনুষ্ঠানিক ভাবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল সেতুর উদ্বোধন করেন। সেতুর পশ্চিমপাশ কালিয়াকৈর উপজেলায়, আর অপরপ্রান্ত গাজীপুর সিটি করপোরেশনের আওতায় এলজিআরডির অর্থায়নে সেতিুটি করা হলেও এর পূর্বপাশে সংযোগ সড়কের দায়িত্ব গাজীপুর সিটি করপোরেশনের। সংযোগ সড়কের টেন্ডার পাস হলেও প্রায় সাড়ে চার বছর ধরে পূর্বপাশের প্রায় এক কিলোমিটার সংযোগ সড়ক না থাকায় সেতুটি কোনো কাজেই আসছে না। স্থানীয়রা সেতুটি দিয়ে যাতে হেঁটে পারাপার হতে পারে তার জন্য বারি ভর্তি বস্তা ফেলে হাটার ব্যবস্থা করে নিয়েছে।

এলাকাবাসী জানায়, দশ মিনিটের রাস্তা অথচ সংযোগ সড়ক না থাকায় সময় লাগছে একঘন্টার বেশি। শুধু সময়ের অপচয় নয়, রাস্তাটি হলে সাধারণ মানুষ গাড়ি, ভ্যানরিকশায় চলাচল করতে পারতেন কিন্তু রাস্তা না থাকায় পায়ে হেঁটে চলাচল করছে প্রায় ১০ গ্রামের মানুষ। সেতুর পশ্চিম পাশে তুরাগ নদের কোলঘেঁষা বহুপুরোনো সাকাশ্বর বাজার। আশপাশের ১০ থেকে ১৫ টি গ্রামের মানুষ এখানে হাটবাজার করতে আসেন প্রতিদিন। যখন সেতুটি ছিলনা তখন নদী পারাপারের জন্য ছিল নৌকা। কিন্তু সেতু হওয়ায় এখন আর নৌকায় পারাপারের সুযোগ নেই। একদিকে নৌকায় চলাচল বন্ধ অপরদিকে সেতুটিতে উঠার জন্য নেই রাস্তা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে কয়েক হাজার সাধারণ মানুষ। যোগাযোগ রক্ষা ও বাজারে যাতায়াতের জন্য স্থানীয়রা তৈরি করেছেন সরু ও বিপদজনক একটি রাস্তা। যেখানে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা।

গতকাল সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, ঝুঁকি নিয়ে বিভিন্ন বয়সের মানুষ চলাচল করছে। কেউবা সবজির ডালা মাথায় নিয়ে বাজারে যাচ্ছে, কেউবা কৃষিকাজ করতে। সেতু পূর্ব পাশে এখন অথই পানি। গ্রামের মানুষ সেখানে গোসলের জন্য বাঁশের মাচা তৈরি করছে। কয়েকজন স্কুল পড়ুয়া ছেলেমেয়ে গোসল করছে। সাকাশ্বর গ্রামের গোলাম মোল্লা দুটি গরু নিয়ে ঝুঁকি নিয়ে উঠছেন সেতুটিতে। তিনি জানান, শুধু আমি নয়, আশপাশের অনেক মানুষ গরু নিয়ে পার হয়। গরু পড়ে আহত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও বাধ্য হয়ে চলাচল করতে হয়।

কাউলতিয়া গ্রামের বাসিন্দা দেওয়ান আব্দুর রহিম বলেন, গত ৩-৪ বছর ধরে সেতুটা পড়ে আছে কিন্তু আমাদের কোন কাজে আসছে না। এটি আমাদের দুঃখের কারণ এখন। আজ ( মঙ্গলবার ) বৃষ্টি নেই বলে আপনারা হাটতে পারছেন। বৃষ্টি থাকলে সেতুটিতে উঠতে পাহাড়ের মতো মনে হয়। বিষয়টি নিয়ে এলাকার কাউন্সিলরকে বার বার বলছি কিন্তু কোনো কাজ হচ্ছে না। বেঁচে থাকতে মনে হয় আরা রাস্তা দেখে যেতে পারবো না।

খালিশাবর্তা গ্রামের শাকিল বলেন, যেখানে রাস্তা হওয়ার কথা ছিল, সেখানে এখন মাছ চাষ হচ্ছে। আমরা একপ্রকার আশা ছেড়ে দিয়েছি। আমরা ভেবেই নিয়েছি এলাকার মানুষদের এভাবেই কষ্ট করে চলতে হবে।

গাজীপুর সিটির ২১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এস এম ফারুক আহাম্মেদ বলেন, সেতুটির সংযোগ সড়ক নিয়ে আমরা অসহায় হয়ে পড়েছি। মেয়র না থাকায় এই সমস্যাটা আরো বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এলাকাবাসীর কাছে কোনো জবাব দিতে পারি না। মাত্র পৌনে এক কিলোমিটার রাস্তা করলেই মানুষ চলাচল করতে পারতো। কিন্তু সেই রাস্তাটিই আমরা করতে পারছি না।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের জোন-৫ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আবু হানিফ বলেন, গত কয়েকদিন আগেও আমরা এলাকাটি পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা হয়েছে। আগামী শুস্ক মৌসুমে সংযোগ সড়ক নির্মানের কাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয়

হোসেনপুর বাজার সনাতন ধর্মাবলম্বী ব্যাবসায়িকদের উদ্যোগে বস্ত্র বিতরণ

ব্রিজ হলেও সংযোগ সড়কের অভাবে পড়ে আছে সোয়া চার কোটি টাকার সেতু

প্রকাশের সময় : ১০:৩৩:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২

একে এম শিশির কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি

‘কি কমু বাজান ব্রীজের লাইগা আমাগো কষ্টের সীমা নাই। গিরু (হাটু) সমান পানি দিয়া হাইট্যা যাওন লাগে। বৃষ্টি অইলে আরো বেশি কষ্ট অয় (হয়)। আমাগো কষ্ট দেহনের (দেখার) কেউ নাই হোননেরও (শুনারও) কেউ নাই। অল্প কয়দিন আগে পাশের গ্রামের এক মহিলা পিছলা খাইয়্যা পইড়া পাও (পা) ভাইঙ্গা (ভেঙ্গে) ঘরে পইড়া রইছে। আমরাও হের লাইগা সাবধানে যাইতাছি।’–দীর্ঘশ্বাস ফেলে বুকের চাপা ক্ষোভ নিয়ে কথা গুলি বলছিলেন বৃদ্ধা হালিমা বেগম।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের খাইলশাবর্তা গ্রামের বাসিন্দা হালিমা বেগম ও তার ননদ কুলসুম বেগম দুই জনই অসুস্থ্য তাই পাশ্ববর্তী কালিয়াকৈর উপজেলার সাকাশ্বর বাজারের কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে যাচ্ছিলেন। শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে সেতুর পূর্বপাশে দাঁড়িয়ে কথা হয় তাদের সঙ্গে।

একই গ্রামের বাসিন্দা কুলসুম বেগম বলেন,‘আগের মেয়র জাহাঙ্গীর সেতুর পূর্ব পাশে রাস্তার কামও ধরছিল। পরে গ্রামের মানুষের সঙ্গে কি যেন হয়ছিল। হের পর থাই আর কোন কাম হয় নাই। এহন নতুন কেরা নাকি মেয়র হয়ছে হেয় আর কোনো খবরও নেয় নাই। আল্লাহই জানে কমে রাস্তা অয়বো (হবে)।

একপাশে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের খাইলসাভর্তা, অন্যপাশে কালিয়াকৈর উপজেলার সাকাশ্বর বাজার। মাঝখানে তুরাগ নদে সিটি করপোরেশনের অর্থায়নে নির্মিত হয়েছে ১৪০ মিটার দীর্ঘ সেতু। কিন্তু সেতু নির্মাণের দুই বছর হয়ে গেলেও এক পাশের প্রায় এক কিলোমিটার হয়নি সংযোগ সড়ক। এতে ভোগান্তিতে রয়েছে আশপাশের ১০ গ্রামের বাসিন্দারা। জীবনের ঝুকি নিয়ে সেতুর একপাশ দিয়ে কয়েক কিলোমিটার হেঁটে এলাকাবাসীরা চলাচল করছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি) ২০১৮ সালের জুলাই মাসে সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ করে। সেতুটি আনুষ্ঠানিক ভাবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল সেতুর উদ্বোধন করেন। সেতুর পশ্চিমপাশ কালিয়াকৈর উপজেলায়, আর অপরপ্রান্ত গাজীপুর সিটি করপোরেশনের আওতায় এলজিআরডির অর্থায়নে সেতিুটি করা হলেও এর পূর্বপাশে সংযোগ সড়কের দায়িত্ব গাজীপুর সিটি করপোরেশনের। সংযোগ সড়কের টেন্ডার পাস হলেও প্রায় সাড়ে চার বছর ধরে পূর্বপাশের প্রায় এক কিলোমিটার সংযোগ সড়ক না থাকায় সেতুটি কোনো কাজেই আসছে না। স্থানীয়রা সেতুটি দিয়ে যাতে হেঁটে পারাপার হতে পারে তার জন্য বারি ভর্তি বস্তা ফেলে হাটার ব্যবস্থা করে নিয়েছে।

এলাকাবাসী জানায়, দশ মিনিটের রাস্তা অথচ সংযোগ সড়ক না থাকায় সময় লাগছে একঘন্টার বেশি। শুধু সময়ের অপচয় নয়, রাস্তাটি হলে সাধারণ মানুষ গাড়ি, ভ্যানরিকশায় চলাচল করতে পারতেন কিন্তু রাস্তা না থাকায় পায়ে হেঁটে চলাচল করছে প্রায় ১০ গ্রামের মানুষ। সেতুর পশ্চিম পাশে তুরাগ নদের কোলঘেঁষা বহুপুরোনো সাকাশ্বর বাজার। আশপাশের ১০ থেকে ১৫ টি গ্রামের মানুষ এখানে হাটবাজার করতে আসেন প্রতিদিন। যখন সেতুটি ছিলনা তখন নদী পারাপারের জন্য ছিল নৌকা। কিন্তু সেতু হওয়ায় এখন আর নৌকায় পারাপারের সুযোগ নেই। একদিকে নৌকায় চলাচল বন্ধ অপরদিকে সেতুটিতে উঠার জন্য নেই রাস্তা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে কয়েক হাজার সাধারণ মানুষ। যোগাযোগ রক্ষা ও বাজারে যাতায়াতের জন্য স্থানীয়রা তৈরি করেছেন সরু ও বিপদজনক একটি রাস্তা। যেখানে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা।

গতকাল সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, ঝুঁকি নিয়ে বিভিন্ন বয়সের মানুষ চলাচল করছে। কেউবা সবজির ডালা মাথায় নিয়ে বাজারে যাচ্ছে, কেউবা কৃষিকাজ করতে। সেতু পূর্ব পাশে এখন অথই পানি। গ্রামের মানুষ সেখানে গোসলের জন্য বাঁশের মাচা তৈরি করছে। কয়েকজন স্কুল পড়ুয়া ছেলেমেয়ে গোসল করছে। সাকাশ্বর গ্রামের গোলাম মোল্লা দুটি গরু নিয়ে ঝুঁকি নিয়ে উঠছেন সেতুটিতে। তিনি জানান, শুধু আমি নয়, আশপাশের অনেক মানুষ গরু নিয়ে পার হয়। গরু পড়ে আহত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও বাধ্য হয়ে চলাচল করতে হয়।

কাউলতিয়া গ্রামের বাসিন্দা দেওয়ান আব্দুর রহিম বলেন, গত ৩-৪ বছর ধরে সেতুটা পড়ে আছে কিন্তু আমাদের কোন কাজে আসছে না। এটি আমাদের দুঃখের কারণ এখন। আজ ( মঙ্গলবার ) বৃষ্টি নেই বলে আপনারা হাটতে পারছেন। বৃষ্টি থাকলে সেতুটিতে উঠতে পাহাড়ের মতো মনে হয়। বিষয়টি নিয়ে এলাকার কাউন্সিলরকে বার বার বলছি কিন্তু কোনো কাজ হচ্ছে না। বেঁচে থাকতে মনে হয় আরা রাস্তা দেখে যেতে পারবো না।

খালিশাবর্তা গ্রামের শাকিল বলেন, যেখানে রাস্তা হওয়ার কথা ছিল, সেখানে এখন মাছ চাষ হচ্ছে। আমরা একপ্রকার আশা ছেড়ে দিয়েছি। আমরা ভেবেই নিয়েছি এলাকার মানুষদের এভাবেই কষ্ট করে চলতে হবে।

গাজীপুর সিটির ২১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এস এম ফারুক আহাম্মেদ বলেন, সেতুটির সংযোগ সড়ক নিয়ে আমরা অসহায় হয়ে পড়েছি। মেয়র না থাকায় এই সমস্যাটা আরো বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এলাকাবাসীর কাছে কোনো জবাব দিতে পারি না। মাত্র পৌনে এক কিলোমিটার রাস্তা করলেই মানুষ চলাচল করতে পারতো। কিন্তু সেই রাস্তাটিই আমরা করতে পারছি না।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের জোন-৫ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আবু হানিফ বলেন, গত কয়েকদিন আগেও আমরা এলাকাটি পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা হয়েছে। আগামী শুস্ক মৌসুমে সংযোগ সড়ক নির্মানের কাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।