ঢাকা ০৩:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

শ্রীনগরে ভাগ্যকুল মাঠপাড়ায় জলাবদ্ধ রাস্তায় ভোগান্তি!

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার ভাগ্যকুল ইউনিয়নে ব্যস্ততম ভাগ্যকুল বাজার থেকে মাঠপাড়া শাহে আলম সারেংয়ের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ১ কিলোমিটার রাস্তায় জলাবদ্ধতার ফলে হাজার হাজার মানুষের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি হচ্ছে। গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে রাস্তায় প্রায় হাঁটু পানি জমে রয়েছে। পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় রাস্তার পানি সরতে পারছেনা। রাস্তার পাশে অসংখ্য বসতবাড়ি ঘরেও বৃষ্টির পানি ঢুকে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। অপরদিকে বৃষ্টির জমা পানি থেকে বিষাক্ত মশা ও পানি বাহিত রোগ বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, ভাগ্যকুল বাজার থেকে মাঠপাড়া পর্যন্ত রাস্তার নাজুক অবস্থা। পানি জমে থাকার ফলে রাস্তার পিচ উঠে খানাখন্দে ভরে গেছে। এতে রাস্তায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

এ অবস্থায় ঝুঁকি নিয়ে বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করছে। এতে দুর্ঘটনার শঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়াও ভাগ্যকুল র‌্যাব-১০’ ক্যাম্পের পাশে বাবু বাড়ি ও ওয়াপদা পশ্চিম জামে মসদিজ রোডে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, ভাগ্যকুল হরেন্দ্র লাল স্কুল এন্ড কলেজ, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র, পোষ্ট অফিস, ভূমি অফিস, ভাগ্যকুল বাজার, ব্যাংক, বিভিন্ন সরকারি-বেসকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আসা যাওয়া করতে রাস্তাটি গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষ করে ইউনিয়নের ৬ ও ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা প্রতিনিয়ত এসব রাস্তায় চলাচল করেন। পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় সামন্য বৃষ্টিতে রাস্তাজুড়ে পানি জমে যাচ্ছে। প্রায় হাঁটু পানি ভেঙ্গে মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকে ঝুঁকি নিয়ে মানুষ রাস্তায় চলাচল করছেন। জলাবদ্ধতা নিরসণে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টদের সুদৃষ্টি কামনা করেন এলাকাবাসী। শুভ বর্মণ নামে এক ব্যক্তি বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে আমাদের চলাফেরায় চরম ভোগান্তি হচ্ছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানিতে রাস্তা ডুবে যাচ্ছে। অসংখ্য মানুষের বসতবাড়ি জলাবদ্ধ হয়ে পড়েছে।

এ নিয়ে স্থানীয় জন প্রতিনিধিরা মিটিং করছেন। স্থানীয় ইউপি সদস্যগণ এ ব্যাপারে জানিয়েছেন বিভিন্ন খাল ও ডোবা ভরাটের কারণে পানি চলাচলের স্থান বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে সংশ্লিষ্ট জনদের সাথে আলোচনা করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
জনপ্রিয়

সাটুরিয়ায় নিয়োগ বাতিলের দাবীতে মানববন্ধন

শ্রীনগরে ভাগ্যকুল মাঠপাড়ায় জলাবদ্ধ রাস্তায় ভোগান্তি!

প্রকাশের সময় : ১১:০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার ভাগ্যকুল ইউনিয়নে ব্যস্ততম ভাগ্যকুল বাজার থেকে মাঠপাড়া শাহে আলম সারেংয়ের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ১ কিলোমিটার রাস্তায় জলাবদ্ধতার ফলে হাজার হাজার মানুষের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি হচ্ছে। গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে রাস্তায় প্রায় হাঁটু পানি জমে রয়েছে। পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় রাস্তার পানি সরতে পারছেনা। রাস্তার পাশে অসংখ্য বসতবাড়ি ঘরেও বৃষ্টির পানি ঢুকে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। অপরদিকে বৃষ্টির জমা পানি থেকে বিষাক্ত মশা ও পানি বাহিত রোগ বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, ভাগ্যকুল বাজার থেকে মাঠপাড়া পর্যন্ত রাস্তার নাজুক অবস্থা। পানি জমে থাকার ফলে রাস্তার পিচ উঠে খানাখন্দে ভরে গেছে। এতে রাস্তায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

এ অবস্থায় ঝুঁকি নিয়ে বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করছে। এতে দুর্ঘটনার শঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়াও ভাগ্যকুল র‌্যাব-১০’ ক্যাম্পের পাশে বাবু বাড়ি ও ওয়াপদা পশ্চিম জামে মসদিজ রোডে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, ভাগ্যকুল হরেন্দ্র লাল স্কুল এন্ড কলেজ, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র, পোষ্ট অফিস, ভূমি অফিস, ভাগ্যকুল বাজার, ব্যাংক, বিভিন্ন সরকারি-বেসকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আসা যাওয়া করতে রাস্তাটি গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষ করে ইউনিয়নের ৬ ও ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা প্রতিনিয়ত এসব রাস্তায় চলাচল করেন। পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় সামন্য বৃষ্টিতে রাস্তাজুড়ে পানি জমে যাচ্ছে। প্রায় হাঁটু পানি ভেঙ্গে মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকে ঝুঁকি নিয়ে মানুষ রাস্তায় চলাচল করছেন। জলাবদ্ধতা নিরসণে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টদের সুদৃষ্টি কামনা করেন এলাকাবাসী। শুভ বর্মণ নামে এক ব্যক্তি বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে আমাদের চলাফেরায় চরম ভোগান্তি হচ্ছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানিতে রাস্তা ডুবে যাচ্ছে। অসংখ্য মানুষের বসতবাড়ি জলাবদ্ধ হয়ে পড়েছে।

এ নিয়ে স্থানীয় জন প্রতিনিধিরা মিটিং করছেন। স্থানীয় ইউপি সদস্যগণ এ ব্যাপারে জানিয়েছেন বিভিন্ন খাল ও ডোবা ভরাটের কারণে পানি চলাচলের স্থান বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে সংশ্লিষ্ট জনদের সাথে আলোচনা করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।