ঢাকা ১২:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অক্টোবর ২০২২, ২২ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

আমন উৎপাদনে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

জেলার ধান উদ্বৃত জেলা এ জেলার উৎপাদিত ধান দেশের অন্য জেলার চাহিদা পূরন করে আসছে। চলতি আমন মৌসুমে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত চলবে। চলতি মওসুমে ১,৩২ ,৫১৫ হেক্টর জমি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ। তবে হাইব্রিড জাতের আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ মওসুমে ৮,৬৮৫ হেক্টর জমি বেশী আবাদ হয়েছে গত বছরের চেয়ে বলে জানান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

চলতি মৌসুমে কড়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারনে অনেক জায়গায় সেচ এর মাধমে চাষ করতে হয়েছে। নেত্রকোনা জেলার ভৌগলিক কারণে উঁচু, সমতল, নিচু জায়গার ফলে অক্টোবর এর প্রথম সপ্তাহ পযন্ত রোপন কাজ চলবে। রোপনের ২০/২৫ দিনের মধ্য ইউরিয়া সার প্রয়োগ করে কৃষক। সেপ্টেম্বর অক্টোবর মাসে সারের চাহিদা টা একটু বেশি থাকে। গত ২ অক্টোবর সরকার সারের মূল্য বৃদ্ধি করার কারণে প্রতি বস্তা ৫০ কেজি সার ১১ শত টাকায় কৃষক ক্রয় করতে হচ্ছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে কিছুটা বেশি মূল্যে সার ক্রয় করছে কৃষক এমন অভিযোগও রয়েছে। তবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে প্রত্যেক এলাকায় কৃষি উপ -সহকারি কর্মকর্তাগণ নিয়মিত সার ডিলার দের তদারকি করছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ নুরুজ্জামান বলেন, আমন আবাদ শেষ পর্যায়ে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরের মাঝামাঝি ইউরিয়া সারের চাহিদা বেশি থাকে সেপ্টেম্বর মাসে চাহিদার তুলনায় বেশী মওজুদ রয়েছে। ৪২,৪ ৭৪ মেট্রিকটন সার মওজুত রয়েছে। মূল্যবৃদ্ধির কারণে কৃত্রিম সংকট যাতে না হয় সেজন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে মনিটরিং কাজ পরিচালনাকরছেন এবং ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করছে মূল্য বৃদ্ধি ও অনিয়ম এর জন্য জেলায়, ২৪ টি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১,৮০,০০০ টাকা জরিমানা আদায় করছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চাহিদার চেয়ে বেশি সার মওজুত থাকায় সার সংকট নেই বলেই চলে এমনটা দাবি করছে কৃষিসম্প্রসারন অধিদপ্তর।

Tag :

২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ২ সহস্রাধিক, আক্রান্ত সাড়ে ৬ লাখ

আমন উৎপাদনে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

প্রকাশের সময় : ১০:২০:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

জেলার ধান উদ্বৃত জেলা এ জেলার উৎপাদিত ধান দেশের অন্য জেলার চাহিদা পূরন করে আসছে। চলতি আমন মৌসুমে অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত চলবে। চলতি মওসুমে ১,৩২ ,৫১৫ হেক্টর জমি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ। তবে হাইব্রিড জাতের আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ মওসুমে ৮,৬৮৫ হেক্টর জমি বেশী আবাদ হয়েছে গত বছরের চেয়ে বলে জানান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

চলতি মৌসুমে কড়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারনে অনেক জায়গায় সেচ এর মাধমে চাষ করতে হয়েছে। নেত্রকোনা জেলার ভৌগলিক কারণে উঁচু, সমতল, নিচু জায়গার ফলে অক্টোবর এর প্রথম সপ্তাহ পযন্ত রোপন কাজ চলবে। রোপনের ২০/২৫ দিনের মধ্য ইউরিয়া সার প্রয়োগ করে কৃষক। সেপ্টেম্বর অক্টোবর মাসে সারের চাহিদা টা একটু বেশি থাকে। গত ২ অক্টোবর সরকার সারের মূল্য বৃদ্ধি করার কারণে প্রতি বস্তা ৫০ কেজি সার ১১ শত টাকায় কৃষক ক্রয় করতে হচ্ছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে কিছুটা বেশি মূল্যে সার ক্রয় করছে কৃষক এমন অভিযোগও রয়েছে। তবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে প্রত্যেক এলাকায় কৃষি উপ -সহকারি কর্মকর্তাগণ নিয়মিত সার ডিলার দের তদারকি করছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ নুরুজ্জামান বলেন, আমন আবাদ শেষ পর্যায়ে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরের মাঝামাঝি ইউরিয়া সারের চাহিদা বেশি থাকে সেপ্টেম্বর মাসে চাহিদার তুলনায় বেশী মওজুদ রয়েছে। ৪২,৪ ৭৪ মেট্রিকটন সার মওজুত রয়েছে। মূল্যবৃদ্ধির কারণে কৃত্রিম সংকট যাতে না হয় সেজন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে মনিটরিং কাজ পরিচালনাকরছেন এবং ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করছে মূল্য বৃদ্ধি ও অনিয়ম এর জন্য জেলায়, ২৪ টি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১,৮০,০০০ টাকা জরিমানা আদায় করছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চাহিদার চেয়ে বেশি সার মওজুত থাকায় সার সংকট নেই বলেই চলে এমনটা দাবি করছে কৃষিসম্প্রসারন অধিদপ্তর।