ঢাকা ০১:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৪ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

মাঠ দখলে কৌশলী আ.লীগ

সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দিন দিন উত্তপ্ত হয়ে উঠছে দেশের রাজনীতি। দলীয় কর্মী-সমর্থকদের চাঙা করতে লাগাতার কর্মসূচি দিচ্ছে বিএনপি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষেও সাংগঠনিক কর্মসূচি থেকে পিছপা হচ্ছে না দলটি। বিএনপির টার্গেটÍ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রাজনীতির মাঠ দখলে রেখে সরকারবিরোধী বড় ধরনের আন্দোলন গড়ে তোলা। তবে বিএনপির এসব কর্মসূচিতে তীক্ষ দৃষ্টি রাখছে আওয়ামী লীগ। বিরোধীদের সাংগঠনিক শক্তির বিবেচনায় কখনো নমনীয় আবার কখনো কঠোর ভূমিকা পালন করবে দলটি। নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির ঘরে-বাইরে কি কর্মপরিকল্পনা হচ্ছে তাতে তীক্ষ দৃষ্টি রাখবে ক্ষমতাসীন দলটির দায়িত্বশীলরা।

সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন পর ধারাবাহিক কর্মসূচির মাধ্যমে মাঠের রাজনীতিতে উত্তাপ ছড়াচ্ছে বিএনপি। লাগাতার সাংগঠনিক কর্মসূচি, সভা-সমাবেশ, মিছিল-মিটিং ও আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে নিজ দলের কর্মী-সমর্থকদের চাঙা রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। আন্দোলন করতে গিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়াচ্ছে দলটির কর্মী-সমর্থকরা। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার মিরপুর ৬ নম্বর সেকশন বাজারের পশ্চিম পাশে মুকুল ফৌজ মাঠে বিএনপির পক্ষ থেকে সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এ সমাবেশকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

বিএনপি নেতাদের দাবি দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, লাঠিপেটা, হত্যা, আহত ও গ্রেপ্তার করে বিএনপির রাজপথের আন্দোলনকে দমিয়ে রাখা যাবে না। দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ১৮ সেপ্টেম্বর সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি।

এ সময় দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আওয়ামী লীগ একটি গণতন্ত্রবিরোধী ও মানুষের অধিকারকে হরণকারী শক্তি। তারা একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠা করতে চায়। দেশে সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি, গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিনষ্ট, বিরোধী দলগুলোকে রাজনীতি এবং নির্বাচনি মাঠ থেকে দূরে সরিয়ে দেয়ার জন্য চেষ্টা করছে তারা। আমি বলতে চাই, এভাবে সন্ত্রাসী হামলা করে, আহত করে, জখম করে, হত্যা করে, গ্রেপ্তার করে আন্দোলনকে দমিয়ে রাখা যাবে না। বিএনপিকে রাজপথ থেকে সরানো যাবে না।

বিএনপির নেতাদের এসব অভিযোগ রাজনৈতিক কৌশল বলে মনে করছে আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড। দলটির শীর্ষ নেতাদের দাবি আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হোক। এ নির্বাচনে দেশের সব রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করুক। সে লক্ষ্য সামনে রেখে গণতান্ত্রিক সব কার্যক্রম সম্পাদন করবে আওয়ামী লীগ। বিশেষ করে বিএনপিসহ সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে ধারাবাহিক বৈঠক, সংলাপ ও আলোচনায় সবার প্লাটফর্ম তৈরির চিন্তা রয়েছে ক্ষমতাসীনদের। তারা বিশ্বাস করে, দেশ ও দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দেশের গণতন্ত্রকে আরও বেগবান করতে সবাই সহিংসতার পথ পরিহার করে সুষ্ঠু ধারার রাজনীতিতে মনোযোগী হবে। এ জন্য বিরোধী দলগুলোর জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দরজা সবসময় খোলা থাকবে।

তবে আন্দোলনের নামে সহিংসতা ও আগুন-সন্ত্রাসের রাজনীতি একচুলও ছাড় দিতে নারাজ আওয়ামী লীগ। এ জন্য মাঠের রাজনীতিতে তীক্ষ দৃষ্টি রাখার চিন্তাও রয়েছে দলটির। বিশেষ করে সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপিসহ সরকারবিরোধী দলগুলোর মাঠের রাজনীতিতে ভূমিকা কী! গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নামে আগুন-সন্ত্রাস করছে কি-না! অর্থ বিনিয়োগের মাধ্যমে নির্বাচন বানচাল ও প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা করছে কি-না এবং পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আশার নীলনকশা তৈরি করছে কি-না সে সব বিষয়ে অনেকটাই মনোযোগী আওয়ামী লীগ।

আ.লীগের একটি নির্ভযোগ্য সূত্র বলছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপি-জামায়াতসহ সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো যেন মাঠের রাজনীতিতে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে না পারে এ জন্য সম্পূর্ণ কৌশলী হচ্ছে আওয়ামী লীগ। বিরোধীদের কর্মসূচির স্থান ও সাংগঠনিক শক্তি বিবেচনায় কিছুটা নমনীয় থাকবে ক্ষমতাসীনরা। কোথাও কোথাও আবার দেখানো হবে কঠোর অবস্থান। প্রয়োজনে প্রতিরোধ গড়ে তুলে বিরোধীদের আন্দোলন-সংগ্রাম, মিছিল, মিটিং, সভা-সমাবেশে পণ্ড করে দেয়া হবে। তবে যেখানে বিরোধীদের সাংগঠনিক ভিত দুর্বল, সেখানে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনে কোনো ধরনের বাধা দেয়া হবে না আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে। এ ছাড়া সারা দেশে সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সতর্ক ও সচেতন থাকার নির্দেশনাও দেয়া হচ্ছে কেন্দ্রীয়ভাবে।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘আওয়ামী লীগ গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। এই দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। আওয়ামী লীগের চাওয়া দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হোক। বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করুক। এ জন্য বিরোধীদের জন্য আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দরজা সবসময় খোলা। বিরোধীদের সাথে নির্বাচনকেন্দ্রিক বৈঠক, সংলাপ ও আলোচনায় সবার প্লাটফর্ম তিনি দেবেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘গণতান্ত্রিক আন্দোলন করার অধিকার সবার আছে। সবাই করতে পারে, কোনো বাধা দেয়া হবে না। কিন্তু আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টি কোনোভাবেই মেনে নেয়ার প্রশ্নই আসে না। সর্বশক্তি দিয়ে তাদের নৈরাজ্য প্রতিহত করা হবে।’

Tag :

বুবলীর গন্তব্য কী?

মাঠ দখলে কৌশলী আ.লীগ

প্রকাশের সময় : ১০:৩৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২

সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দিন দিন উত্তপ্ত হয়ে উঠছে দেশের রাজনীতি। দলীয় কর্মী-সমর্থকদের চাঙা করতে লাগাতার কর্মসূচি দিচ্ছে বিএনপি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষেও সাংগঠনিক কর্মসূচি থেকে পিছপা হচ্ছে না দলটি। বিএনপির টার্গেটÍ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রাজনীতির মাঠ দখলে রেখে সরকারবিরোধী বড় ধরনের আন্দোলন গড়ে তোলা। তবে বিএনপির এসব কর্মসূচিতে তীক্ষ দৃষ্টি রাখছে আওয়ামী লীগ। বিরোধীদের সাংগঠনিক শক্তির বিবেচনায় কখনো নমনীয় আবার কখনো কঠোর ভূমিকা পালন করবে দলটি। নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির ঘরে-বাইরে কি কর্মপরিকল্পনা হচ্ছে তাতে তীক্ষ দৃষ্টি রাখবে ক্ষমতাসীন দলটির দায়িত্বশীলরা।

সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন পর ধারাবাহিক কর্মসূচির মাধ্যমে মাঠের রাজনীতিতে উত্তাপ ছড়াচ্ছে বিএনপি। লাগাতার সাংগঠনিক কর্মসূচি, সভা-সমাবেশ, মিছিল-মিটিং ও আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে নিজ দলের কর্মী-সমর্থকদের চাঙা রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। আন্দোলন করতে গিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়াচ্ছে দলটির কর্মী-সমর্থকরা। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার মিরপুর ৬ নম্বর সেকশন বাজারের পশ্চিম পাশে মুকুল ফৌজ মাঠে বিএনপির পক্ষ থেকে সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এ সমাবেশকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

বিএনপি নেতাদের দাবি দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, লাঠিপেটা, হত্যা, আহত ও গ্রেপ্তার করে বিএনপির রাজপথের আন্দোলনকে দমিয়ে রাখা যাবে না। দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ১৮ সেপ্টেম্বর সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি।

এ সময় দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আওয়ামী লীগ একটি গণতন্ত্রবিরোধী ও মানুষের অধিকারকে হরণকারী শক্তি। তারা একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠা করতে চায়। দেশে সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি, গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিনষ্ট, বিরোধী দলগুলোকে রাজনীতি এবং নির্বাচনি মাঠ থেকে দূরে সরিয়ে দেয়ার জন্য চেষ্টা করছে তারা। আমি বলতে চাই, এভাবে সন্ত্রাসী হামলা করে, আহত করে, জখম করে, হত্যা করে, গ্রেপ্তার করে আন্দোলনকে দমিয়ে রাখা যাবে না। বিএনপিকে রাজপথ থেকে সরানো যাবে না।

বিএনপির নেতাদের এসব অভিযোগ রাজনৈতিক কৌশল বলে মনে করছে আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড। দলটির শীর্ষ নেতাদের দাবি আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হোক। এ নির্বাচনে দেশের সব রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করুক। সে লক্ষ্য সামনে রেখে গণতান্ত্রিক সব কার্যক্রম সম্পাদন করবে আওয়ামী লীগ। বিশেষ করে বিএনপিসহ সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে ধারাবাহিক বৈঠক, সংলাপ ও আলোচনায় সবার প্লাটফর্ম তৈরির চিন্তা রয়েছে ক্ষমতাসীনদের। তারা বিশ্বাস করে, দেশ ও দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দেশের গণতন্ত্রকে আরও বেগবান করতে সবাই সহিংসতার পথ পরিহার করে সুষ্ঠু ধারার রাজনীতিতে মনোযোগী হবে। এ জন্য বিরোধী দলগুলোর জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দরজা সবসময় খোলা থাকবে।

তবে আন্দোলনের নামে সহিংসতা ও আগুন-সন্ত্রাসের রাজনীতি একচুলও ছাড় দিতে নারাজ আওয়ামী লীগ। এ জন্য মাঠের রাজনীতিতে তীক্ষ দৃষ্টি রাখার চিন্তাও রয়েছে দলটির। বিশেষ করে সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপিসহ সরকারবিরোধী দলগুলোর মাঠের রাজনীতিতে ভূমিকা কী! গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নামে আগুন-সন্ত্রাস করছে কি-না! অর্থ বিনিয়োগের মাধ্যমে নির্বাচন বানচাল ও প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা করছে কি-না এবং পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আশার নীলনকশা তৈরি করছে কি-না সে সব বিষয়ে অনেকটাই মনোযোগী আওয়ামী লীগ।

আ.লীগের একটি নির্ভযোগ্য সূত্র বলছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপি-জামায়াতসহ সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো যেন মাঠের রাজনীতিতে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে না পারে এ জন্য সম্পূর্ণ কৌশলী হচ্ছে আওয়ামী লীগ। বিরোধীদের কর্মসূচির স্থান ও সাংগঠনিক শক্তি বিবেচনায় কিছুটা নমনীয় থাকবে ক্ষমতাসীনরা। কোথাও কোথাও আবার দেখানো হবে কঠোর অবস্থান। প্রয়োজনে প্রতিরোধ গড়ে তুলে বিরোধীদের আন্দোলন-সংগ্রাম, মিছিল, মিটিং, সভা-সমাবেশে পণ্ড করে দেয়া হবে। তবে যেখানে বিরোধীদের সাংগঠনিক ভিত দুর্বল, সেখানে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনে কোনো ধরনের বাধা দেয়া হবে না আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে। এ ছাড়া সারা দেশে সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সতর্ক ও সচেতন থাকার নির্দেশনাও দেয়া হচ্ছে কেন্দ্রীয়ভাবে।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘আওয়ামী লীগ গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। এই দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। আওয়ামী লীগের চাওয়া দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হোক। বিএনপিসহ সব রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করুক। এ জন্য বিরোধীদের জন্য আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দরজা সবসময় খোলা। বিরোধীদের সাথে নির্বাচনকেন্দ্রিক বৈঠক, সংলাপ ও আলোচনায় সবার প্লাটফর্ম তিনি দেবেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘গণতান্ত্রিক আন্দোলন করার অধিকার সবার আছে। সবাই করতে পারে, কোনো বাধা দেয়া হবে না। কিন্তু আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টি কোনোভাবেই মেনে নেয়ার প্রশ্নই আসে না। সর্বশক্তি দিয়ে তাদের নৈরাজ্য প্রতিহত করা হবে।’