ঢাকা ০৪:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২, ১৫ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

পুরুষের যেসব গুণ সঙ্গিনীকে সর্বদা সন্তুষ্ট রাখে

নারী ও পুরুষ একে অন্যের প্রতি আকর্ষণ অনুভব করে থাকে। পুরুষের কিছু গুণ যা নারীকে সহজেই আকৃষ্ট করে। তা সব সময় উচ্চতা, গায়ের রং বা বাহ্যিক সৌন্দর্য নয়। কাঙ্ক্ষিত পুরুষের মাঝে আরও বিশেষ কিছু খোঁজেন তারা। বিষয়টা পুরোপুরিই মনো-দৈহিক। শরীর তো আছেই, সঙ্গে অবশ্যই থাকতে হবে আবেগ-অনুভূতিও। কীভাবে একজন পুরুষ তার সঙ্গিনীকে সুখী রাখতে পারেন? কীভাবে তাকে সন্তুষ্ট করতে পারেন? গবেষকদের মতে, পুরুষের তার সঙ্গিনীকে সর্বদা সন্তুষ্ট করার গুণ থাকতে হবে। সঙ্গিনীকে সন্তুষ্ট করার গুণাবলী সম্পন্ন একজন মানুষ পরিবারে সুখ বজায় রাখেন এবং সমৃদ্ধ থাকেন। দেখে নিন, এই গুণগুলো কী কী।

অল্পে সন্তুষ্ট থাকা

একজন মানুষকে তার যতটা সম্ভব পরিশ্রম করা উচিত এবং কাজ করার পরে সে যে টাকা পায়, তাতে খুশি হওয়া উচিত। উপার্জিত অর্থ দিয়ে সংসার চালাতে হবে। যে এই কাজ করে সে শ্রেষ্ঠ মানুষ। একজন মানুষের তার আয়ের পরিমাণে সন্তুষ্ট হওয়া উচিত।

সতর্ক থাকা

একজন পুরুষকে তার পরিবার-স্ত্রী এবং কর্তব্য সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। সর্বদা শত্রুদের থেকে সতর্ক থাকা উচিত। একজন মহিলা সর্বদা খুশি হন যখন তিনি এমন গুণাবলী সম্পন্ন পুরুষকে বিয়ে করেন।

অধিক মাত্রায় রেগে না যাওয়া

অনেক পুরুষের বৈশিষ্ট্য তারা খুব অল্পতেই ক্ষিপ্ত হয়ে যায়। নারীরা আজকাল রাগী, আক্রমণাত্মক সঙ্গী পছন্দ করে না। রাগ করার মতো সুনির্দিষ্ট কারণ থাকলে নারী সঙ্গীকে শান্তভাবে তা বুঝিয়ে বলতে হবে।

আনুগত্য

একজন মানুষকে সর্বদা অনুগত থাকতে হবে। পুরুষ যদি বারবার বিভিন্ন নারীকে দেখতে আগ্রহী হন, এমন ঘরের নারী কখনও সুখী হন না।

সাহসী

একজন পুরুষেরও সাহসী হওয়া উচিত। কেবল একজন ভাগ্যবান মহিলা এমন একজন পুরুষকে পান, যিনি প্রয়োজনের সময় তার জন্য নিজের জীবনের ঝুঁকি নিতে পারেন।

ফিটফাট

নারীরা দীর্ঘদেহী পুরুষ পছন্দ করেন বটে, তবে উচ্চতাই শেষ কথা নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনি কিভাবে নিজেকে উপস্থাপন করছেন। আসল বিষয় হলো নারী বুঝতে চায় আপনি নিজের যত্ন নিতে, ফিটফাট থাকতে পারছেন কি না। যে পুরুষ নিজের দেখভাল করতে পারেন না, তিনি আমার দেখভাল করবেন কী করে? সুতরাং, আলুথালু পোশাক, এলোমেলো চুল, নখ না কাটা বা ময়লা থাকা, মোজায় গন্ধ, ময়লা শার্ট বা জিনসের উদাসীনতার দিন শেষ। হালের নারীরা এসব একেবারেই পছন্দ করেন না। নারীর মন পেতে হলে এসব খামখেয়ালিপনা ছাড়তে হবে।

সন্তুষ্ট রাখা

একজন পুরুষের উচিত তার নারীকে সবসময় সন্তুষ্ট রাখা। মহিলার সমস্ত যৌক্তিক কথাগুলোকে মেনে নেওয়া উচিত এবং তাকে মানসিকভাবেও সন্তুষ্ট রাখা উচিত। যে পুরুষ এটি করবেন, তিনি তার সঙ্গিনীর কাছে সর্বদা প্রিয় থাকবেন। এই জাতীয় মহিলা এবং পুরুষ উভয়েই নিজেকে ভাগ্যবান মনে করবে।

এক নারীতেই মন

যে সব ছেলেদের প্রচুর মহিলা বন্ধু, তাদেরকে সাধারণত জীবনসঙ্গী করার ক্ষেত্রে এড়িয়েই যান মহিলারা। আসলে বেশির ভাগ মহিলাই চান, তার সঙ্গী তার প্রতিই মজে থাকবে। অন্য কোনও মহিলাকে মনে জায়গা দেবে না।

রসবোধ

যে পুরুষের সেন্স অব হিউমার বা রসবোধ নেই তার দিকে সাধারণত আকৃষ্ট হয় না নারীরা। এই রসবোধকে বুদ্ধিমত্তার নিদর্শন হিসেবে মনে করে নারীরা!

নিঃস্বার্থ পুরুষ

সুদর্শন পুরুষ বেশিরভাগ সময়ই নিজেকে নিয়ে সচেতন ও অহংকারী হয়ে থাকে। সেটা অনেক সময় এত চূড়াতে থাকে সেখান থেকে একটু নেমে আসার মতো ইগো ক্ষয় হয়ে উঠে না। কিন্তু নারী চায় পুরুষ তার কাছে নমনীয় থাকুক, তাকে গুরুত্ব দিক, স্রেফ নিজের ইগোকে নয়! যে পুরুষ ব্যক্তিগত জীবনে বিভিন্ন সামাজিক কাজ করে, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান করে, দাতব্য সংস্থায় কাজ করে তাদেরকে নারীরা খুবই পছন্দ করে।

Tag :
জনপ্রিয়

হোসেনপুর বাজার সনাতন ধর্মাবলম্বী ব্যাবসায়িকদের উদ্যোগে বস্ত্র বিতরণ

পুরুষের যেসব গুণ সঙ্গিনীকে সর্বদা সন্তুষ্ট রাখে

প্রকাশের সময় : ১০:৩৩:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২

নারী ও পুরুষ একে অন্যের প্রতি আকর্ষণ অনুভব করে থাকে। পুরুষের কিছু গুণ যা নারীকে সহজেই আকৃষ্ট করে। তা সব সময় উচ্চতা, গায়ের রং বা বাহ্যিক সৌন্দর্য নয়। কাঙ্ক্ষিত পুরুষের মাঝে আরও বিশেষ কিছু খোঁজেন তারা। বিষয়টা পুরোপুরিই মনো-দৈহিক। শরীর তো আছেই, সঙ্গে অবশ্যই থাকতে হবে আবেগ-অনুভূতিও। কীভাবে একজন পুরুষ তার সঙ্গিনীকে সুখী রাখতে পারেন? কীভাবে তাকে সন্তুষ্ট করতে পারেন? গবেষকদের মতে, পুরুষের তার সঙ্গিনীকে সর্বদা সন্তুষ্ট করার গুণ থাকতে হবে। সঙ্গিনীকে সন্তুষ্ট করার গুণাবলী সম্পন্ন একজন মানুষ পরিবারে সুখ বজায় রাখেন এবং সমৃদ্ধ থাকেন। দেখে নিন, এই গুণগুলো কী কী।

অল্পে সন্তুষ্ট থাকা

একজন মানুষকে তার যতটা সম্ভব পরিশ্রম করা উচিত এবং কাজ করার পরে সে যে টাকা পায়, তাতে খুশি হওয়া উচিত। উপার্জিত অর্থ দিয়ে সংসার চালাতে হবে। যে এই কাজ করে সে শ্রেষ্ঠ মানুষ। একজন মানুষের তার আয়ের পরিমাণে সন্তুষ্ট হওয়া উচিত।

সতর্ক থাকা

একজন পুরুষকে তার পরিবার-স্ত্রী এবং কর্তব্য সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। সর্বদা শত্রুদের থেকে সতর্ক থাকা উচিত। একজন মহিলা সর্বদা খুশি হন যখন তিনি এমন গুণাবলী সম্পন্ন পুরুষকে বিয়ে করেন।

অধিক মাত্রায় রেগে না যাওয়া

অনেক পুরুষের বৈশিষ্ট্য তারা খুব অল্পতেই ক্ষিপ্ত হয়ে যায়। নারীরা আজকাল রাগী, আক্রমণাত্মক সঙ্গী পছন্দ করে না। রাগ করার মতো সুনির্দিষ্ট কারণ থাকলে নারী সঙ্গীকে শান্তভাবে তা বুঝিয়ে বলতে হবে।

আনুগত্য

একজন মানুষকে সর্বদা অনুগত থাকতে হবে। পুরুষ যদি বারবার বিভিন্ন নারীকে দেখতে আগ্রহী হন, এমন ঘরের নারী কখনও সুখী হন না।

সাহসী

একজন পুরুষেরও সাহসী হওয়া উচিত। কেবল একজন ভাগ্যবান মহিলা এমন একজন পুরুষকে পান, যিনি প্রয়োজনের সময় তার জন্য নিজের জীবনের ঝুঁকি নিতে পারেন।

ফিটফাট

নারীরা দীর্ঘদেহী পুরুষ পছন্দ করেন বটে, তবে উচ্চতাই শেষ কথা নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনি কিভাবে নিজেকে উপস্থাপন করছেন। আসল বিষয় হলো নারী বুঝতে চায় আপনি নিজের যত্ন নিতে, ফিটফাট থাকতে পারছেন কি না। যে পুরুষ নিজের দেখভাল করতে পারেন না, তিনি আমার দেখভাল করবেন কী করে? সুতরাং, আলুথালু পোশাক, এলোমেলো চুল, নখ না কাটা বা ময়লা থাকা, মোজায় গন্ধ, ময়লা শার্ট বা জিনসের উদাসীনতার দিন শেষ। হালের নারীরা এসব একেবারেই পছন্দ করেন না। নারীর মন পেতে হলে এসব খামখেয়ালিপনা ছাড়তে হবে।

সন্তুষ্ট রাখা

একজন পুরুষের উচিত তার নারীকে সবসময় সন্তুষ্ট রাখা। মহিলার সমস্ত যৌক্তিক কথাগুলোকে মেনে নেওয়া উচিত এবং তাকে মানসিকভাবেও সন্তুষ্ট রাখা উচিত। যে পুরুষ এটি করবেন, তিনি তার সঙ্গিনীর কাছে সর্বদা প্রিয় থাকবেন। এই জাতীয় মহিলা এবং পুরুষ উভয়েই নিজেকে ভাগ্যবান মনে করবে।

এক নারীতেই মন

যে সব ছেলেদের প্রচুর মহিলা বন্ধু, তাদেরকে সাধারণত জীবনসঙ্গী করার ক্ষেত্রে এড়িয়েই যান মহিলারা। আসলে বেশির ভাগ মহিলাই চান, তার সঙ্গী তার প্রতিই মজে থাকবে। অন্য কোনও মহিলাকে মনে জায়গা দেবে না।

রসবোধ

যে পুরুষের সেন্স অব হিউমার বা রসবোধ নেই তার দিকে সাধারণত আকৃষ্ট হয় না নারীরা। এই রসবোধকে বুদ্ধিমত্তার নিদর্শন হিসেবে মনে করে নারীরা!

নিঃস্বার্থ পুরুষ

সুদর্শন পুরুষ বেশিরভাগ সময়ই নিজেকে নিয়ে সচেতন ও অহংকারী হয়ে থাকে। সেটা অনেক সময় এত চূড়াতে থাকে সেখান থেকে একটু নেমে আসার মতো ইগো ক্ষয় হয়ে উঠে না। কিন্তু নারী চায় পুরুষ তার কাছে নমনীয় থাকুক, তাকে গুরুত্ব দিক, স্রেফ নিজের ইগোকে নয়! যে পুরুষ ব্যক্তিগত জীবনে বিভিন্ন সামাজিক কাজ করে, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান করে, দাতব্য সংস্থায় কাজ করে তাদেরকে নারীরা খুবই পছন্দ করে।