ঢাকা ০৮:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ২০ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
বাস্তবায়ন নেই প্রধান বিচারপতির নির্দেশনার

সুপ্রিমকোর্ট কর্মীদের বিদেশ সফর বেড়েছে ১৮ গুণ

জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বিদেশ ভ্রমণের আবেদন না করার নির্দেশ আছে প্রধান বিচারপতির। গত ১৯ মে এ নির্দেশ দেন তিনি। তার এ নির্দেশ এমন সময় এসেছিল, যখন প্রধানমন্ত্রীর বরাত দিয়ে কয়েকদিন আগে ১১ মে অর্থমন্ত্রীও অপ্রয়োজনীয় বিদেশ সফর বন্ধের নির্দেশের কথা জানিয়েছিলেন।

করোনার ধাক্কা ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে বৈদেশিক মুদ্রা বাঁচাতে নির্বাহী ও বিচার বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি এ নির্দেশ অবশ্য পালনীয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মে মাসে প্রধান বিচারপতির ওই নির্দেশের পর জুন মাসে সুপ্রিমকোর্ট থেকে কোনো কর্মীর বিদেশ সফরের অনুমতির কথা জানা যায়নি। পরের মাস জুলাইয়ে বিদেশ সফরের অনুমতি দিয়ে মাত্র একজনের কথা বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরকে জানিয়েছিলেন ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান ভূঁইয়া।

তবে আগস্ট মাসে সুপ্রিমকোর্টের ১৮ জন কর্মীর বিদেশ সফরের অনুমতির কথা জানিয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেন এ কর্মকর্তা। আর চলতি সেপ্টেম্বরে ১৩ তারিখ পর্যন্ত এরই মধ্যে তিনজন বেঞ্চ অফিসার, চারজন অ্যাসিস্ট্যান্ট বেঞ্চ অফিসার এবং তিনজন পার্সোনাল অফিসারসহ ১৭ জনের বিদেশ সফরের অনুমতিসংক্রান্ত চিঠি বন্দর কর্তৃপক্ষকে দিয়েছেন তিনি।

প্রধান বিচারপতির নির্দেশটি এমন সময় এসেছিল যখন চলতি বছরের প্রথম দিন ১ জানুয়ারি থেকে ১৯ মে পর্যন্ত বিদেশ সফরের অনুমতি দিয়ে প্রশাসন থেকে সুপ্রিমকোর্টের মাত্র দুইজন কর্মীর বিদেশ সফরের অনুমতি দেওয়া চিঠি গিয়েছিল বন্দরে। অর্থাৎ প্রধান বিচারপতির নির্দেশের আগে মাত্র দুইজনের বিদেশ সফরের অনুমতি দেওয়া চিঠি বন্দর কর্তৃপক্ষের বরাবর গেলেও পরে গেছে ৩৬ জনের ব্যাপারে। এককথায় প্রধান বিচারপতির নির্দেশের আগের তুলনায় পরে ১৮ গুণ বেশি ব্যক্তির বিদেশ সফরের বিষয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলো।

এত ব্যবধানের পরিপ্রেক্ষিতে জানতে চাইলে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান সময়ের আলোকে বলেন, ‘বর্তমানে সুপ্রিমকোর্টে অবকাশ চলছে। দাফতরিক কাজের যেন ক্ষতি না হয়, তাই চলমান অবকাশকালে বিদেশ যাওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সে কারণে সংখ্যাটা এত বেশি দেখাচ্ছে।’
কিন্তু অবকাশ শুরুর আগে গত আগস্ট মাসেও ১৭ ব্যক্তির বিদেশ সফরের অনুমতিসংক্রান্ত চিঠি দিয়েছিল প্রশাসন। বরং আগের মাস জুলাইর প্রথম ১৯ দিনই অবকাশ থাকলেও ওই মাসে বিদেশ সফরের অনুমতিসংক্রান্ত চিঠি দেওয়া হয়েছিল মাত্র একজনের জন্য।

এ ছাড়া প্রধান বিচারপতির নির্দেশের আগে বছরের শুরু থেকে ওই সময়ে মাত্র দুইজনের বিদেশ সফরের অনুমতি দেওয়া চিঠি বন্দর কর্তৃপক্ষের বরাবর গেলেও সেই সময়ও দুই দফায় প্রায় এক মাসের অবকাশে ছিল সুপ্রিমকোর্ট।

প্রধান বিচারপতির নির্দেশের আগে চলতি বছরে যে দুইজনের বিদেশ সফরের অনুমতির বিষয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছিল, তাদের একজন হজ এবং আরেকজন ভারতে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য অনুমতি নিয়েছিলেন। কিন্তু প্রধান বিচারপতির নির্দেশের পর যে ৩৮ জনের বিষয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়, তাদের মধ্যে ২৭ জনই গেছেন ভারতে, যাদের মধ্যে ২৫ জনই চিকিৎসার কারণ উল্লেখ করেছেন।

প্রসঙ্গত, প্রধান বিচারপতির নির্দেশ জানানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, অধস্তন আদালতের বিচারকদের ‘বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে’ বিদেশ ভ্রমণের প্রবণতা বেড়েছে। বিষয়টি উল্লেখ করে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখনও দেখতে হবে কেউ ‘চিকিৎসার কারণ দেখিয়ে’ বিদেশ সফরের অনুমতি চাইছেন কি না। কারণ চিকিৎসার প্রয়োজনে কেউ তো বিদেশে যাওয়ার অনুমতি চাইতেই পারেন, কিন্তু প্রকৃত কারণ দেখালে প্রধান বিচারপতির নির্দেশের কারণে অনুমতি নাও মিলতে পারে, এমন আশঙ্কায় কেউ কেউ চিকিৎসার কারণ দেখিয়ে অনুমতি নিয়ে নিচ্ছেন কি না, এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

এমন সতর্কতার কারণ উল্লেখ করে তারা বলছেন, প্রধান বিচারপতির নির্দেশের আগে অনুমতি পাওয়া দুইজনের একজন চিকিৎসার কারণ উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু পরে অনুমতি পাওয়া ৩৮ জনের ২৭ জনই চিকিৎসার কারণ উল্লেখ করেছেন। এটি আগের তুলনায় অনেক বেশি।

এ চিত্র তুলে ধরে মন্তব্য জানতে চাইলে সুপ্রিমকোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ সময়ের আলোকে বলেন, ‘চিকিৎসার প্রয়োজনে কেউ তো বিদেশে যেতেই পারেন। এ ছাড়া এখন অবকাশ চলছে। এ সময়ে কেউ চিকিৎসা সেরে আসতে চাইতেই পারেন। কিন্তু যেহেতু প্রধান বিচারপতির নির্দেশ আছে, তাই তদন্ত করে দেখা উচিত, কেউ চিকিৎসার প্রয়োজন দেখিয়ে বিদেশ সফর করছেন কি না। একইসঙ্গে এ অনুমতি দেওয়ার দায়িত্বে যারা আছেন, তারাও যাচাই-বাছাই করে দেখতে পারেন, যেন কেউ চিকিৎসার কারণ দেখিয়ে বেড়াতে যেতে না পারেন।

প্রসঙ্গত, দেশের অধস্তন আদালতের বিচারকদের জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বিদেশ ভ্রমণের আবেদন না করার জন্য গত ১৯ মে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর আদেশক্রমে সুপ্রিমকোর্টের তৎকালীন রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. বজলুর রহমান এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি লক্ষ করা যাচ্ছে অধস্তন আদালতের বিচারকদের বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে বিদেশ ভ্রমণের প্রবণতা বেড়েছে। বিচারপ্রার্থী জনগণের দ্রুত বিচারিক সেবা দেওয়ার উদ্দেশ্যে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব এড়াতে অধস্তন আদালতের বিচারকদের প্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণ পরিহার করতে অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন প্রধান বিচারপতি। এ অবস্থায় খুব প্রয়োজন ছাড়া অধস্তন আদালতের বিচারকদের বিদেশ ভ্রমণের আবেদন না করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো।

Tag :

কালীগঞ্জে মায়ের শাড়ি গলায় পেঁচিয়ে ছেলের আত্মহত্যা

বাস্তবায়ন নেই প্রধান বিচারপতির নির্দেশনার

সুপ্রিমকোর্ট কর্মীদের বিদেশ সফর বেড়েছে ১৮ গুণ

প্রকাশের সময় : ১০:৩০:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বিদেশ ভ্রমণের আবেদন না করার নির্দেশ আছে প্রধান বিচারপতির। গত ১৯ মে এ নির্দেশ দেন তিনি। তার এ নির্দেশ এমন সময় এসেছিল, যখন প্রধানমন্ত্রীর বরাত দিয়ে কয়েকদিন আগে ১১ মে অর্থমন্ত্রীও অপ্রয়োজনীয় বিদেশ সফর বন্ধের নির্দেশের কথা জানিয়েছিলেন।

করোনার ধাক্কা ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে বৈদেশিক মুদ্রা বাঁচাতে নির্বাহী ও বিচার বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি এ নির্দেশ অবশ্য পালনীয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মে মাসে প্রধান বিচারপতির ওই নির্দেশের পর জুন মাসে সুপ্রিমকোর্ট থেকে কোনো কর্মীর বিদেশ সফরের অনুমতির কথা জানা যায়নি। পরের মাস জুলাইয়ে বিদেশ সফরের অনুমতি দিয়ে মাত্র একজনের কথা বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরকে জানিয়েছিলেন ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান ভূঁইয়া।

তবে আগস্ট মাসে সুপ্রিমকোর্টের ১৮ জন কর্মীর বিদেশ সফরের অনুমতির কথা জানিয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেন এ কর্মকর্তা। আর চলতি সেপ্টেম্বরে ১৩ তারিখ পর্যন্ত এরই মধ্যে তিনজন বেঞ্চ অফিসার, চারজন অ্যাসিস্ট্যান্ট বেঞ্চ অফিসার এবং তিনজন পার্সোনাল অফিসারসহ ১৭ জনের বিদেশ সফরের অনুমতিসংক্রান্ত চিঠি বন্দর কর্তৃপক্ষকে দিয়েছেন তিনি।

প্রধান বিচারপতির নির্দেশটি এমন সময় এসেছিল যখন চলতি বছরের প্রথম দিন ১ জানুয়ারি থেকে ১৯ মে পর্যন্ত বিদেশ সফরের অনুমতি দিয়ে প্রশাসন থেকে সুপ্রিমকোর্টের মাত্র দুইজন কর্মীর বিদেশ সফরের অনুমতি দেওয়া চিঠি গিয়েছিল বন্দরে। অর্থাৎ প্রধান বিচারপতির নির্দেশের আগে মাত্র দুইজনের বিদেশ সফরের অনুমতি দেওয়া চিঠি বন্দর কর্তৃপক্ষের বরাবর গেলেও পরে গেছে ৩৬ জনের ব্যাপারে। এককথায় প্রধান বিচারপতির নির্দেশের আগের তুলনায় পরে ১৮ গুণ বেশি ব্যক্তির বিদেশ সফরের বিষয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলো।

এত ব্যবধানের পরিপ্রেক্ষিতে জানতে চাইলে সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান সময়ের আলোকে বলেন, ‘বর্তমানে সুপ্রিমকোর্টে অবকাশ চলছে। দাফতরিক কাজের যেন ক্ষতি না হয়, তাই চলমান অবকাশকালে বিদেশ যাওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সে কারণে সংখ্যাটা এত বেশি দেখাচ্ছে।’
কিন্তু অবকাশ শুরুর আগে গত আগস্ট মাসেও ১৭ ব্যক্তির বিদেশ সফরের অনুমতিসংক্রান্ত চিঠি দিয়েছিল প্রশাসন। বরং আগের মাস জুলাইর প্রথম ১৯ দিনই অবকাশ থাকলেও ওই মাসে বিদেশ সফরের অনুমতিসংক্রান্ত চিঠি দেওয়া হয়েছিল মাত্র একজনের জন্য।

এ ছাড়া প্রধান বিচারপতির নির্দেশের আগে বছরের শুরু থেকে ওই সময়ে মাত্র দুইজনের বিদেশ সফরের অনুমতি দেওয়া চিঠি বন্দর কর্তৃপক্ষের বরাবর গেলেও সেই সময়ও দুই দফায় প্রায় এক মাসের অবকাশে ছিল সুপ্রিমকোর্ট।

প্রধান বিচারপতির নির্দেশের আগে চলতি বছরে যে দুইজনের বিদেশ সফরের অনুমতির বিষয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছিল, তাদের একজন হজ এবং আরেকজন ভারতে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য অনুমতি নিয়েছিলেন। কিন্তু প্রধান বিচারপতির নির্দেশের পর যে ৩৮ জনের বিষয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়, তাদের মধ্যে ২৭ জনই গেছেন ভারতে, যাদের মধ্যে ২৫ জনই চিকিৎসার কারণ উল্লেখ করেছেন।

প্রসঙ্গত, প্রধান বিচারপতির নির্দেশ জানানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, অধস্তন আদালতের বিচারকদের ‘বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে’ বিদেশ ভ্রমণের প্রবণতা বেড়েছে। বিষয়টি উল্লেখ করে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখনও দেখতে হবে কেউ ‘চিকিৎসার কারণ দেখিয়ে’ বিদেশ সফরের অনুমতি চাইছেন কি না। কারণ চিকিৎসার প্রয়োজনে কেউ তো বিদেশে যাওয়ার অনুমতি চাইতেই পারেন, কিন্তু প্রকৃত কারণ দেখালে প্রধান বিচারপতির নির্দেশের কারণে অনুমতি নাও মিলতে পারে, এমন আশঙ্কায় কেউ কেউ চিকিৎসার কারণ দেখিয়ে অনুমতি নিয়ে নিচ্ছেন কি না, এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

এমন সতর্কতার কারণ উল্লেখ করে তারা বলছেন, প্রধান বিচারপতির নির্দেশের আগে অনুমতি পাওয়া দুইজনের একজন চিকিৎসার কারণ উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু পরে অনুমতি পাওয়া ৩৮ জনের ২৭ জনই চিকিৎসার কারণ উল্লেখ করেছেন। এটি আগের তুলনায় অনেক বেশি।

এ চিত্র তুলে ধরে মন্তব্য জানতে চাইলে সুপ্রিমকোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ সময়ের আলোকে বলেন, ‘চিকিৎসার প্রয়োজনে কেউ তো বিদেশে যেতেই পারেন। এ ছাড়া এখন অবকাশ চলছে। এ সময়ে কেউ চিকিৎসা সেরে আসতে চাইতেই পারেন। কিন্তু যেহেতু প্রধান বিচারপতির নির্দেশ আছে, তাই তদন্ত করে দেখা উচিত, কেউ চিকিৎসার প্রয়োজন দেখিয়ে বিদেশ সফর করছেন কি না। একইসঙ্গে এ অনুমতি দেওয়ার দায়িত্বে যারা আছেন, তারাও যাচাই-বাছাই করে দেখতে পারেন, যেন কেউ চিকিৎসার কারণ দেখিয়ে বেড়াতে যেতে না পারেন।

প্রসঙ্গত, দেশের অধস্তন আদালতের বিচারকদের জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বিদেশ ভ্রমণের আবেদন না করার জন্য গত ১৯ মে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর আদেশক্রমে সুপ্রিমকোর্টের তৎকালীন রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. বজলুর রহমান এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি লক্ষ করা যাচ্ছে অধস্তন আদালতের বিচারকদের বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে বিদেশ ভ্রমণের প্রবণতা বেড়েছে। বিচারপ্রার্থী জনগণের দ্রুত বিচারিক সেবা দেওয়ার উদ্দেশ্যে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব এড়াতে অধস্তন আদালতের বিচারকদের প্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণ পরিহার করতে অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন প্রধান বিচারপতি। এ অবস্থায় খুব প্রয়োজন ছাড়া অধস্তন আদালতের বিচারকদের বিদেশ ভ্রমণের আবেদন না করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো।