ঢাকা ১০:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ২০ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

সাটুরিয়ায় চাচা করল ভাতিজিকে ধর্ষণ 

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় ভাতিজিকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে চাচার বিরুদ্ধে। শুক্রবার সকালে ধর্ষিতা স্কুল ছাত্রীকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছেন পুলিশ।

 

ধর্ষিতা স্কুল ছাত্রী জানায়, তার বাবা তাঁতের কাজ করেন পাশের বাড়িতে।সেখানে প্রতিবেশি এক চাচা একসাথে তাঁত বুনন করতেন। প্রায় ৮ মাস আগে গভীর রাতে কাজ শেষ করে আমার বাবার পরিচয় দিয়ে ঘরের দরজা খুলতে বলেন। আমি ঘুম থেকে উঠে দরজা খুলে দেখি প্রতিবেশি চাচা আমিরুল ইসলাম। আমাকে বাহিরে আসতে বললে আমি ঘরের বাইরে যাওয়া মাত্র সে আমার মুখ গামছা দিয়ে বেঁধে ফেলে পাশের জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করে।

ওই ছাত্রী আরো জানায়, ধর্ষণ শেষে আমাকে চাচা আমিরুল ইসলাম ভয়ভীতি দেখায় এ ঘটনা কাউকে না বলার জন্যে। ভয়ভীতি প্রদর্শন করে সে দীর্ঘদিন ধরে আমাকে ধর্ষণ করতে থাকে।গত বুধবার রাতে সে আমার সাথে অবৈধ মেলামেশা করতে এলে তার স্ত্রী রোজিনা দেখে ফেলে। পরে আমি বিষয়টি আমার পরিবারকে জানাই।

 

সাটুরিয়া থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষক আমিরুল ইসলাম মেয়েটিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার সরলতার সুযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ করতে থাকে। ধর্ষণের ঘটনার আলমত হিসেবে তাকে ডাক্তারী পরীক্ষা করার জন্য মানিকগঞ্জ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সে পাশের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী।

সাটুরিয়া থানার ওসি সুকুমার বিশ্বাস বলেন, মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন আসামীকে ধরতে পুলিশ মাঠে কাজ করছেন।

Tag :

পঞ্চগড়ে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো দূর্গা পূজা

সাটুরিয়ায় চাচা করল ভাতিজিকে ধর্ষণ 

প্রকাশের সময় : ০৩:০৩:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় ভাতিজিকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে চাচার বিরুদ্ধে। শুক্রবার সকালে ধর্ষিতা স্কুল ছাত্রীকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছেন পুলিশ।

 

ধর্ষিতা স্কুল ছাত্রী জানায়, তার বাবা তাঁতের কাজ করেন পাশের বাড়িতে।সেখানে প্রতিবেশি এক চাচা একসাথে তাঁত বুনন করতেন। প্রায় ৮ মাস আগে গভীর রাতে কাজ শেষ করে আমার বাবার পরিচয় দিয়ে ঘরের দরজা খুলতে বলেন। আমি ঘুম থেকে উঠে দরজা খুলে দেখি প্রতিবেশি চাচা আমিরুল ইসলাম। আমাকে বাহিরে আসতে বললে আমি ঘরের বাইরে যাওয়া মাত্র সে আমার মুখ গামছা দিয়ে বেঁধে ফেলে পাশের জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করে।

ওই ছাত্রী আরো জানায়, ধর্ষণ শেষে আমাকে চাচা আমিরুল ইসলাম ভয়ভীতি দেখায় এ ঘটনা কাউকে না বলার জন্যে। ভয়ভীতি প্রদর্শন করে সে দীর্ঘদিন ধরে আমাকে ধর্ষণ করতে থাকে।গত বুধবার রাতে সে আমার সাথে অবৈধ মেলামেশা করতে এলে তার স্ত্রী রোজিনা দেখে ফেলে। পরে আমি বিষয়টি আমার পরিবারকে জানাই।

 

সাটুরিয়া থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষক আমিরুল ইসলাম মেয়েটিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার সরলতার সুযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ করতে থাকে। ধর্ষণের ঘটনার আলমত হিসেবে তাকে ডাক্তারী পরীক্ষা করার জন্য মানিকগঞ্জ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সে পাশের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী।

সাটুরিয়া থানার ওসি সুকুমার বিশ্বাস বলেন, মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন আসামীকে ধরতে পুলিশ মাঠে কাজ করছেন।