ঢাকা ০১:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অক্টোবর ২০২২, ২২ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

জট পাকাচ্ছে রাজনীতি

আর ১৫ মাস পরই দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন। ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) নির্বাচনী রোডম্যাপ চূড়ান্ত করেছে; কিন্তু এখনো রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনমুখী হয়নি। এমনকি আগামী নির্বাচন ইস্যুতে তারা ঐকমত্যেও পৌঁছতে পারেনি। নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করার পর বিগত দিনের মতোই পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা-সমালোচনায় সরগরম দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন। একদিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী নেতৃত্বাধীন ১৪ দল সংবিধান অনুযায়ী অর্থাৎ বর্তমান সরকারের অধীনেই নির্বাচন করার বিষয়ে দৃঢ় প্রত্যয়ী। অন্যদিকে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দল নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার বা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষপাতী। নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া তারা নির্বাচনে যাবে না বলেও জানিয়ে দিয়েছে। একই সিদ্ধান্তে অনড় বাম গণতান্ত্রিক জোটসহ অন্যান্য বাম দলগুলোও। আগামী নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা বললেও বর্তমান ইসির প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করেছে জাতীয় সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি (জাপা)। অর্থাৎ আগামী নির্বাচন ইস্যুতে বর্তমানে দুটি পক্ষ। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দল একদিকে আর বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলসহ আরও কিছু রাজনৈতিক দল অন্যদিকে। নির্বাচন ইস্যুতে দুই পক্ষ দুই দিকে থাকায় কেবলই রাজনৈতিক সংকট ঘনীভূত হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত কী হবে, কোন প্রক্রিয়ায় নির্বাচন হবে এ নিয়ে প্রশ্ন ও সংশয় ক্রমে জোরালো হচ্ছে।

নির্বাচন নিয়ে গত বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘সবাই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক, সেটাই আমরা চাই। আর যদি কেউ না করে, সেটা যার যার দলের সিদ্ধান্ত। সে জন্য আমাদের সংবিধান তো আমরা বন্ধ করে রাখতে পারি না।’ একই কথার পুনরাবৃত্তি করছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরও। তিনি বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে বিএনপিই নির্বাচনকে ভয় পায়। শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা নিয়ে তাদের যত ভয়। আওয়ামী লীগ কখনো খালি মাঠে গোল দিতে চায় না। আওয়ামী লীগ চায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন।’ কাদের আরও বলেন, ‘নির্বাচনে অংশগ্রহণ কোনো সুযোগ নয়, এটি একটি অধিকার; কিন্তু বিএনপি পরাজয়ের ভীতিতে আক্রান্ত, তাই তারা নির্বাচনে আসে না। কমিশনকে তারা বিতর্কিত করতে চায় এবং নির্বাচনব্যবস্থাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করার উদ্দেশ্যমূলক অপতৎপরতা চালায়।’ বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘তাদের সময় কমিশন গঠনে তারা কি কারও মতামত নিয়েছিল, কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ করেছিল? তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই সাদেক আলী ও আজিজ মার্কা অজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন গঠন হয়েছিল। সোয়া এক কোটি ভুয়া ভোটার তালিকাভুক্ত করে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অপচেষ্টা করেছিল কারা? দলীয় ক্যাডারদের নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ দিয়েছিল কারা? বিএনপি কি এসব ভুলে গেছে?’

ইসির নির্বাচনী রোডম্যাপে বলা হয়েছে ইসির কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৩ সালের নভেম্বরে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হবে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী বছরের ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের জানুয়ারির মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। ইভিএম নিয়ে রোডম্যাপে বলা হয়, সবশেষ সংলাপে অংশ নেওয়া ১২টি দল ইভিএমের পক্ষে। বিপক্ষে রয়েছ ছয়টি দল। ১১টি দল শর্তসাপেক্ষে ইভিএমের পক্ষে।

নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও রোডম্যাপ ইস্যুতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘বর্তমান সরকারের অধীনে আর কোনো নির্বাচন নয়। নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকার গঠিত না হলে আমরা নির্বাচনে যাব না।’

জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের রোডম্যাপ মূল্যহীন। যে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা নেই, তারা সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারবে বলে মনে হয় না। আইনে আছে, নির্বাচনের সময় দেশের নির্বাহী বিভাগ নির্বাচন কমিশনের অধীনে কাজ করবে। কিন্তু নির্বাহী বিভাগ যদি নির্বাচন কমিশনের কথা না শোনে, তাহলে কী হবে, তা বলা নেই। তাই নির্বাচন কমিশনের কথা নির্বাহী বিভাগ মানতে বাধ্য নয়।’

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) এর সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, ‘বর্তমান সরকারের চেতনায় অবাধ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের কোনো ছায়াও অবশিষ্ট নেই। আওয়ামী লীগ আগামী সংসদ নির্বাচনকে যে কোন উপায়ে ক্ষমতা ধরে রাখার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করবে।’

আগামী নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য পথ কী, তা জানতে চাইলে বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘সমাধানের জন্য দুইটা পথ। প্রথমত, সুষ্ঠু ভোটাধিকারের দাবিতে মানুষকে পথে নামতে হবে। এটা হলে নির্বাচনকালীন নির্দদলীয় সরকারের দাবি ক্ষমতাসীনরা মানবে। এ ছাড়া বাংলাদেশে অন্যকোনো পথ নেই।’ সিপিবি তথা বাম জোটের নির্বাচনে যাওয়ার প্রস্তুতি আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে যাবো কিনা তা সময়েই বলে দিবে।’

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা। সবার অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বড় চ্যালেঞ্জ। তবে সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় লেভেলপ্লেইং ফিল্ড নিশ্চিত করা। এজন্য আইনি সংস্কার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করি।’ তিনি বলেন, ‘আস্থা যদি অর্জন করতে হয়, তা হলে নির্বাচন কমিশন ঠিক করবে কী করণীয়। তবে আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হচ্ছে মন্ত্রী-এমপি হিসেবে বহাল থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের ফলে লেভেলপ্লেইং ফিল্ড নষ্ট হয়। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ওপর এক ধরনের চাপ থাকে। সে কারণে লেভেলপ্লেইং ফিল্ড তৈরি করা সম্ভব হয় না।’

Tag :

২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ২ সহস্রাধিক, আক্রান্ত সাড়ে ৬ লাখ

জট পাকাচ্ছে রাজনীতি

প্রকাশের সময় : ১০:৩০:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২

আর ১৫ মাস পরই দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন। ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) নির্বাচনী রোডম্যাপ চূড়ান্ত করেছে; কিন্তু এখনো রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনমুখী হয়নি। এমনকি আগামী নির্বাচন ইস্যুতে তারা ঐকমত্যেও পৌঁছতে পারেনি। নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা করার পর বিগত দিনের মতোই পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা-সমালোচনায় সরগরম দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন। একদিকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী নেতৃত্বাধীন ১৪ দল সংবিধান অনুযায়ী অর্থাৎ বর্তমান সরকারের অধীনেই নির্বাচন করার বিষয়ে দৃঢ় প্রত্যয়ী। অন্যদিকে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দল নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার বা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষপাতী। নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া তারা নির্বাচনে যাবে না বলেও জানিয়ে দিয়েছে। একই সিদ্ধান্তে অনড় বাম গণতান্ত্রিক জোটসহ অন্যান্য বাম দলগুলোও। আগামী নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা বললেও বর্তমান ইসির প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করেছে জাতীয় সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি (জাপা)। অর্থাৎ আগামী নির্বাচন ইস্যুতে বর্তমানে দুটি পক্ষ। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দল একদিকে আর বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলসহ আরও কিছু রাজনৈতিক দল অন্যদিকে। নির্বাচন ইস্যুতে দুই পক্ষ দুই দিকে থাকায় কেবলই রাজনৈতিক সংকট ঘনীভূত হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত কী হবে, কোন প্রক্রিয়ায় নির্বাচন হবে এ নিয়ে প্রশ্ন ও সংশয় ক্রমে জোরালো হচ্ছে।

নির্বাচন নিয়ে গত বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘সবাই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক, সেটাই আমরা চাই। আর যদি কেউ না করে, সেটা যার যার দলের সিদ্ধান্ত। সে জন্য আমাদের সংবিধান তো আমরা বন্ধ করে রাখতে পারি না।’ একই কথার পুনরাবৃত্তি করছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরও। তিনি বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে বিএনপিই নির্বাচনকে ভয় পায়। শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা নিয়ে তাদের যত ভয়। আওয়ামী লীগ কখনো খালি মাঠে গোল দিতে চায় না। আওয়ামী লীগ চায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন।’ কাদের আরও বলেন, ‘নির্বাচনে অংশগ্রহণ কোনো সুযোগ নয়, এটি একটি অধিকার; কিন্তু বিএনপি পরাজয়ের ভীতিতে আক্রান্ত, তাই তারা নির্বাচনে আসে না। কমিশনকে তারা বিতর্কিত করতে চায় এবং নির্বাচনব্যবস্থাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করার উদ্দেশ্যমূলক অপতৎপরতা চালায়।’ বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘তাদের সময় কমিশন গঠনে তারা কি কারও মতামত নিয়েছিল, কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ করেছিল? তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই সাদেক আলী ও আজিজ মার্কা অজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন গঠন হয়েছিল। সোয়া এক কোটি ভুয়া ভোটার তালিকাভুক্ত করে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অপচেষ্টা করেছিল কারা? দলীয় ক্যাডারদের নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ দিয়েছিল কারা? বিএনপি কি এসব ভুলে গেছে?’

ইসির নির্বাচনী রোডম্যাপে বলা হয়েছে ইসির কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৩ সালের নভেম্বরে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হবে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী বছরের ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের জানুয়ারির মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। ইভিএম নিয়ে রোডম্যাপে বলা হয়, সবশেষ সংলাপে অংশ নেওয়া ১২টি দল ইভিএমের পক্ষে। বিপক্ষে রয়েছ ছয়টি দল। ১১টি দল শর্তসাপেক্ষে ইভিএমের পক্ষে।

নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও রোডম্যাপ ইস্যুতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘বর্তমান সরকারের অধীনে আর কোনো নির্বাচন নয়। নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকার গঠিত না হলে আমরা নির্বাচনে যাব না।’

জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের রোডম্যাপ মূল্যহীন। যে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা নেই, তারা সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারবে বলে মনে হয় না। আইনে আছে, নির্বাচনের সময় দেশের নির্বাহী বিভাগ নির্বাচন কমিশনের অধীনে কাজ করবে। কিন্তু নির্বাহী বিভাগ যদি নির্বাচন কমিশনের কথা না শোনে, তাহলে কী হবে, তা বলা নেই। তাই নির্বাচন কমিশনের কথা নির্বাহী বিভাগ মানতে বাধ্য নয়।’

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) এর সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, ‘বর্তমান সরকারের চেতনায় অবাধ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের কোনো ছায়াও অবশিষ্ট নেই। আওয়ামী লীগ আগামী সংসদ নির্বাচনকে যে কোন উপায়ে ক্ষমতা ধরে রাখার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করবে।’

আগামী নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য পথ কী, তা জানতে চাইলে বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘সমাধানের জন্য দুইটা পথ। প্রথমত, সুষ্ঠু ভোটাধিকারের দাবিতে মানুষকে পথে নামতে হবে। এটা হলে নির্বাচনকালীন নির্দদলীয় সরকারের দাবি ক্ষমতাসীনরা মানবে। এ ছাড়া বাংলাদেশে অন্যকোনো পথ নেই।’ সিপিবি তথা বাম জোটের নির্বাচনে যাওয়ার প্রস্তুতি আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে যাবো কিনা তা সময়েই বলে দিবে।’

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা। সবার অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বড় চ্যালেঞ্জ। তবে সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় লেভেলপ্লেইং ফিল্ড নিশ্চিত করা। এজন্য আইনি সংস্কার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করি।’ তিনি বলেন, ‘আস্থা যদি অর্জন করতে হয়, তা হলে নির্বাচন কমিশন ঠিক করবে কী করণীয়। তবে আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হচ্ছে মন্ত্রী-এমপি হিসেবে বহাল থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের ফলে লেভেলপ্লেইং ফিল্ড নষ্ট হয়। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ওপর এক ধরনের চাপ থাকে। সে কারণে লেভেলপ্লেইং ফিল্ড তৈরি করা সম্ভব হয় না।’