ঢাকা ১০:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

সার্ভার জটিলতায় ডিএনসিসির ৪ আঞ্চলিক কার্যালয়ে জন্ম নিবন্ধন সেবা বন্ধ।

সার্ভার জটিলতায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) চারটি আঞ্চলিক কার্যালয়ে জন্ম নিবন্ধন সেবা বন্ধ রয়েছে। ফলে সেবা নিতে আসা সেবাগ্রহীতারা ভোগান্তিতে পড়েছেন। তবে এ সার্ভার কবে নাগাদ ঠিক হবে সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানাতে পারেননি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশেন সূত্রে জানা গেছে, মিরপুর ২, মিরপুর ৪, উত্তরা ও মহাখালী আঞ্চলিক কার্যালয়ে থেকে স্থানীয়দের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের জন্য সার্ভার বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে জন্মনিবন্ধনের জন্য এসব আঞ্চলিক কার্যালয়ে গিয়ে অনেকেই ফিরে এসেছেন সেবা না পেয়ে।

এদের মধ্যে উত্তরা আঞ্চলিক কার্যালয়ে সন্তানের জন্ম নিবন্ধনের জন্য যাওয়া নূরন নাহীদ নামে এক বেসরকারি চাকরিজীবী বলেন, জন্ম নিবন্ধনের জন্য উত্তরা আঞ্চলিক কার্যালয়ে গিয়ে অনেককে ফিরে আসতে হয়েছে। তারা বলছে, আমাদের কিছু করার নেই এটি সার্ভারের সমস্যা। কবে ঠিক হবে তাও বলতে পারছেন না তারা।

এ বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মহাখালী জোনের একজন সহকারী নিবন্ধক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সারা দিন প্রচুর সেবাগ্রহীতা এসে ঘুরে যাচ্ছেন এটা ঠিক। তবে এখানে আমাদের কিছু করার নেই, এটা সরাসরি সার্ভারের সমস্যা। আমারা এন্ট্রি দেওয়ার জন্য সার্ভারে প্রবেশ করার চেষ্টা করেও পারছি না। বলতে গেলে এটি এক সপ্তাহ ধরে বন্ধে আছে। তবে আমাদের সবগুলো আঞ্চলিক কার্যালয়ে এমন সমস্যা হচ্ছে না। কিছু কিছু আঞ্চলিক কার্যালয়ে এই সেবা দিতে কোন সমস্যা নেই, ভালোভাবেই নিবন্ধন করা যাচ্ছে। বিভিন্ন আঞ্চলিক কার্যালয়ে সার্ভার না পাওয়ার দায়ভার রেজিস্ট্রার জেনারেল অব বার্থ অ্যান্ড ডেথ রেজিস্ট্রেশন কার্যালয়ের ওপর নির্ভর করে, এখানে আমাদের কিছু করার থাকে না।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফিরোজ বলেন, আমাদের কিছু আঞ্চলিক কার্যালয়ে জন্ম নিবন্ধনের সার্ভার ডাউন আছে। তবে অন্যগুলোতে সবাই সেবা নিতে পারছে। এ সমস্যার সঠিক ব্যাখ্যা দিতে পারবে রেজিস্ট্রার জেনারেল অব বার্থ অ্যান্ড ডেথ রেজিস্ট্রেশন কার্যালয় থেকে।

বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে রেজিস্ট্রার জেনারেল অব বার্থ অ্যান্ড ডেথ রেজিস্ট্রেশন কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলেও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কোনো কর্মকর্তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

Tag :
জনপ্রিয়

রামপালে বিএনপির ২০ নেতাকর্মীর নামে মামলা আটক-৬

সার্ভার জটিলতায় ডিএনসিসির ৪ আঞ্চলিক কার্যালয়ে জন্ম নিবন্ধন সেবা বন্ধ।

প্রকাশের সময় : ০৩:৫২:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

সার্ভার জটিলতায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) চারটি আঞ্চলিক কার্যালয়ে জন্ম নিবন্ধন সেবা বন্ধ রয়েছে। ফলে সেবা নিতে আসা সেবাগ্রহীতারা ভোগান্তিতে পড়েছেন। তবে এ সার্ভার কবে নাগাদ ঠিক হবে সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানাতে পারেননি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশেন সূত্রে জানা গেছে, মিরপুর ২, মিরপুর ৪, উত্তরা ও মহাখালী আঞ্চলিক কার্যালয়ে থেকে স্থানীয়দের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের জন্য সার্ভার বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে জন্মনিবন্ধনের জন্য এসব আঞ্চলিক কার্যালয়ে গিয়ে অনেকেই ফিরে এসেছেন সেবা না পেয়ে।

এদের মধ্যে উত্তরা আঞ্চলিক কার্যালয়ে সন্তানের জন্ম নিবন্ধনের জন্য যাওয়া নূরন নাহীদ নামে এক বেসরকারি চাকরিজীবী বলেন, জন্ম নিবন্ধনের জন্য উত্তরা আঞ্চলিক কার্যালয়ে গিয়ে অনেককে ফিরে আসতে হয়েছে। তারা বলছে, আমাদের কিছু করার নেই এটি সার্ভারের সমস্যা। কবে ঠিক হবে তাও বলতে পারছেন না তারা।

এ বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মহাখালী জোনের একজন সহকারী নিবন্ধক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সারা দিন প্রচুর সেবাগ্রহীতা এসে ঘুরে যাচ্ছেন এটা ঠিক। তবে এখানে আমাদের কিছু করার নেই, এটা সরাসরি সার্ভারের সমস্যা। আমারা এন্ট্রি দেওয়ার জন্য সার্ভারে প্রবেশ করার চেষ্টা করেও পারছি না। বলতে গেলে এটি এক সপ্তাহ ধরে বন্ধে আছে। তবে আমাদের সবগুলো আঞ্চলিক কার্যালয়ে এমন সমস্যা হচ্ছে না। কিছু কিছু আঞ্চলিক কার্যালয়ে এই সেবা দিতে কোন সমস্যা নেই, ভালোভাবেই নিবন্ধন করা যাচ্ছে। বিভিন্ন আঞ্চলিক কার্যালয়ে সার্ভার না পাওয়ার দায়ভার রেজিস্ট্রার জেনারেল অব বার্থ অ্যান্ড ডেথ রেজিস্ট্রেশন কার্যালয়ের ওপর নির্ভর করে, এখানে আমাদের কিছু করার থাকে না।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফিরোজ বলেন, আমাদের কিছু আঞ্চলিক কার্যালয়ে জন্ম নিবন্ধনের সার্ভার ডাউন আছে। তবে অন্যগুলোতে সবাই সেবা নিতে পারছে। এ সমস্যার সঠিক ব্যাখ্যা দিতে পারবে রেজিস্ট্রার জেনারেল অব বার্থ অ্যান্ড ডেথ রেজিস্ট্রেশন কার্যালয় থেকে।

বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে রেজিস্ট্রার জেনারেল অব বার্থ অ্যান্ড ডেথ রেজিস্ট্রেশন কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হলেও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কোনো কর্মকর্তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।