ঢাকা ০৮:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

মারা গেছেন পাকিস্তানের আম্পায়ার আসাদ রউফ

না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন পাকিস্তানের ও আইসিসির সাবেক এলিট প্যানেলভুক্ত আম্পায়ার আসাদ রউফ (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন তিনি৷ মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। খবর- হিন্দুস্তান টাইমস।

নিজের আম্পায়ারিং ক্যারিয়ারে ২৩১ টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে দায়িত্ব পালন করেছেন এই পাকিস্তানি। চলতি শতাব্দির শুরুর দিকে তিনি ছিলেন পাকিস্তানের উল্লেখযোগ্য আম্পায়ারদের মাঝে অন্যতম। ২০০৬ সালে তিনি এলিট প্যানেলের সদস্য হন। এর আগের বছরই তিনি প্রথম অফিসিয়াল কোনো টেস্টে দায়িত্ব পালন করেন। ওয়ানডে প্যানেলে অবশ্য ২০০৪ সাল থেকেই ছিলেন তিনি, ২০০৪ সালে প্রথম কোনো ওয়ানডে ম্যাচের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

তার স্বদেশী সহকর্মী আলিম দারের মতো তিনিও আইসিসি আম্পায়ার হিসেবে বেশ নামকরা একজনই ছিলেন। তবে ২০১৩ সালে মুম্বাই পুলিশের এক অভিযোগে তার ক্যারিয়ারটাই শেষ হয়ে যায়। সে বছর আইপিএল-এর ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে মুম্বাই পুলিশের দেওয়া চার্জ শিটে শীর্ষ অভিযুক্ত ছিলেন তিনি। সেই আইপিএল মৌসুম শেষের আগেই তিনি ভারত ত্যাগ করেন। এরপর সে বছর আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে তার নাম সরিয়ে দেয় আইসিসি, পরের বছর এলিট প্যানেল থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয় তাকে। যদিও আইসিসি জানায়, তদন্তে তার ওপর অভিযোগ আসার কারণে এটা করা হয়নি।

আসাদ অবশ্য আত্মপক্ষ সমর্থন করেই গেছেন। জানিয়েছিলেন, আকসুর তদন্তেও তিনি সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। ২০১৬ সালে বিসিসিআই তাকে ৪টি দুর্নীতির দায়ে ৫ বছরের নিষেধাজ্ঞা দেয়।

আম্পায়ারিংয়ে নাম লেখানোর আগে তিনি খেলোয়াড় হিসেবে তার ক্যারিয়ার গড়েছিলেন। পাকিস্তানের জাতীয় ব্যাংক ও রেলওয়েজের হয়ে তিনি খেলেছিলেন ৭১টি প্রথম শ্রেণীর ম্যাচ, সেখানে ২৮.৭৬ গড়ে রান করেছিলেন তিনি।

Tag :
জনপ্রিয়

সংবাদ প্রকাশের জেরে তিন সাংবাদিকসহ ৫জনের নামে চোরাকারবারির মামলা

মারা গেছেন পাকিস্তানের আম্পায়ার আসাদ রউফ

প্রকাশের সময় : ০৯:৩৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন পাকিস্তানের ও আইসিসির সাবেক এলিট প্যানেলভুক্ত আম্পায়ার আসাদ রউফ (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন তিনি৷ মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। খবর- হিন্দুস্তান টাইমস।

নিজের আম্পায়ারিং ক্যারিয়ারে ২৩১ টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে দায়িত্ব পালন করেছেন এই পাকিস্তানি। চলতি শতাব্দির শুরুর দিকে তিনি ছিলেন পাকিস্তানের উল্লেখযোগ্য আম্পায়ারদের মাঝে অন্যতম। ২০০৬ সালে তিনি এলিট প্যানেলের সদস্য হন। এর আগের বছরই তিনি প্রথম অফিসিয়াল কোনো টেস্টে দায়িত্ব পালন করেন। ওয়ানডে প্যানেলে অবশ্য ২০০৪ সাল থেকেই ছিলেন তিনি, ২০০৪ সালে প্রথম কোনো ওয়ানডে ম্যাচের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

তার স্বদেশী সহকর্মী আলিম দারের মতো তিনিও আইসিসি আম্পায়ার হিসেবে বেশ নামকরা একজনই ছিলেন। তবে ২০১৩ সালে মুম্বাই পুলিশের এক অভিযোগে তার ক্যারিয়ারটাই শেষ হয়ে যায়। সে বছর আইপিএল-এর ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে মুম্বাই পুলিশের দেওয়া চার্জ শিটে শীর্ষ অভিযুক্ত ছিলেন তিনি। সেই আইপিএল মৌসুম শেষের আগেই তিনি ভারত ত্যাগ করেন। এরপর সে বছর আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে তার নাম সরিয়ে দেয় আইসিসি, পরের বছর এলিট প্যানেল থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয় তাকে। যদিও আইসিসি জানায়, তদন্তে তার ওপর অভিযোগ আসার কারণে এটা করা হয়নি।

আসাদ অবশ্য আত্মপক্ষ সমর্থন করেই গেছেন। জানিয়েছিলেন, আকসুর তদন্তেও তিনি সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। ২০১৬ সালে বিসিসিআই তাকে ৪টি দুর্নীতির দায়ে ৫ বছরের নিষেধাজ্ঞা দেয়।

আম্পায়ারিংয়ে নাম লেখানোর আগে তিনি খেলোয়াড় হিসেবে তার ক্যারিয়ার গড়েছিলেন। পাকিস্তানের জাতীয় ব্যাংক ও রেলওয়েজের হয়ে তিনি খেলেছিলেন ৭১টি প্রথম শ্রেণীর ম্যাচ, সেখানে ২৮.৭৬ গড়ে রান করেছিলেন তিনি।