ঢাকা ০২:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

জয়সূচক গোলটি নিয়ে সংশয়ে ছিলেন মাতিপ!

মাতিপের গোলের পর লিভারপুলের উল্লাস।মাতিপের গোলের পর লিভারপুলের উল্লাস।

নাপোলির বিপক্ষে হরর শোয়ের পর আয়াক্সের বিপক্ষেও শঙ্কায় পড়ে গিয়েছিল লিভারপুল। দ্বিতীয় ম্যাচে জয় পাবে তো? শেষ পর্যন্ত জোয়েল মাতিপের নাটকীয় এক গোলে চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রথম জয়ের দেখা পেয়েছে ইয়ুর্গেন ক্লপের দল। তারা আয়াক্সকে হারিয়েছে ২-১ গোলে।

অ্যানফিল্ডে গোলের শুরুটা করেন মোহাম্মদ সালাহ। ডিয়েগো জোতার সেটআপে ১৭ মিনিটে তার গোলের পর আয়াক্সও পাল্টা জবাব দিতে দেরি করেনি। ২৭ মিনিটে দারুণ এক স্ট্রাইকে স্কোর ১-১ করেন কুদুস। স্বাগতিক দল তার ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু সালাহ, দিয়াজ বা জোতার কেউ লক্ষ্যভেদে সক্ষম হননি। যার খেসারত দিতে হয়েছে ২৭ মিনিটে!

আয়াক্স গোলকিপার রেমকো পাসভির ভার্জিল ফন ডাইক, ট্রেন্ট আলেক্সান্ডার আর্নোল্ডকেও রুখে দিয়েছেন। খেলার ১৫ মিনিট বাকি থাকতে লিভারপুলকে প্রায় স্তব্ধ করে দিতে চেয়েছিলেন ডেলি ব্লিন্ড। ভাগ্যভালো যে কাছ থেকে নেওয়া তার হেড মিস করে জাল। পরে তো কর্নার থেকে পাওয়া সুযোগে জয় নিশ্চিত করেন মাতিপ। ৮৯ মিনিটে তার দারুণ এক হেড গোললাইন অতিক্রম করলে।

শেষ গোলটা ছিল নাটকীয়। মাতিপ লক্ষ্য বরাবর হেড করলেও তা পাল্টা হেডে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন দুসান তাদিচ। ততক্ষণে অবশ্য বল গোললাইন অতিক্রম করে গেছে। পরে গোলের বাঁশি বাঁজিয়েছেন রেফারি। তার আগে এই গোল নিয়ে নিশ্চিত ছিলেন না মাতিপ নিজেও, ‘সত্যি করে তখন যে সেটা গোল ছিল, আমি নিশ্চিত ছিলাম না। কিন্তু রেফারিকে দেখার পরই আবেগটা বের হয়ে আসে।’

Tag :
জনপ্রিয়

সাটুরিয়ায় নিয়োগ বাতিলের দাবীতে মানববন্ধন

জয়সূচক গোলটি নিয়ে সংশয়ে ছিলেন মাতিপ!

প্রকাশের সময় : ১০:৫৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

মাতিপের গোলের পর লিভারপুলের উল্লাস।মাতিপের গোলের পর লিভারপুলের উল্লাস।

নাপোলির বিপক্ষে হরর শোয়ের পর আয়াক্সের বিপক্ষেও শঙ্কায় পড়ে গিয়েছিল লিভারপুল। দ্বিতীয় ম্যাচে জয় পাবে তো? শেষ পর্যন্ত জোয়েল মাতিপের নাটকীয় এক গোলে চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রথম জয়ের দেখা পেয়েছে ইয়ুর্গেন ক্লপের দল। তারা আয়াক্সকে হারিয়েছে ২-১ গোলে।

অ্যানফিল্ডে গোলের শুরুটা করেন মোহাম্মদ সালাহ। ডিয়েগো জোতার সেটআপে ১৭ মিনিটে তার গোলের পর আয়াক্সও পাল্টা জবাব দিতে দেরি করেনি। ২৭ মিনিটে দারুণ এক স্ট্রাইকে স্কোর ১-১ করেন কুদুস। স্বাগতিক দল তার ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু সালাহ, দিয়াজ বা জোতার কেউ লক্ষ্যভেদে সক্ষম হননি। যার খেসারত দিতে হয়েছে ২৭ মিনিটে!

আয়াক্স গোলকিপার রেমকো পাসভির ভার্জিল ফন ডাইক, ট্রেন্ট আলেক্সান্ডার আর্নোল্ডকেও রুখে দিয়েছেন। খেলার ১৫ মিনিট বাকি থাকতে লিভারপুলকে প্রায় স্তব্ধ করে দিতে চেয়েছিলেন ডেলি ব্লিন্ড। ভাগ্যভালো যে কাছ থেকে নেওয়া তার হেড মিস করে জাল। পরে তো কর্নার থেকে পাওয়া সুযোগে জয় নিশ্চিত করেন মাতিপ। ৮৯ মিনিটে তার দারুণ এক হেড গোললাইন অতিক্রম করলে।

শেষ গোলটা ছিল নাটকীয়। মাতিপ লক্ষ্য বরাবর হেড করলেও তা পাল্টা হেডে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন দুসান তাদিচ। ততক্ষণে অবশ্য বল গোললাইন অতিক্রম করে গেছে। পরে গোলের বাঁশি বাঁজিয়েছেন রেফারি। তার আগে এই গোল নিয়ে নিশ্চিত ছিলেন না মাতিপ নিজেও, ‘সত্যি করে তখন যে সেটা গোল ছিল, আমি নিশ্চিত ছিলাম না। কিন্তু রেফারিকে দেখার পরই আবেগটা বের হয়ে আসে।’