ঢাকা ১১:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গাইলে অধ্যক্ষকে খুনের দায়ে দুইজনের মৃত্যুদণ্ড

টাঙ্গাইলের সখীপুরে অধ্যক্ষ জামাল হোসেন ঠান্ডু হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদেরকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তিনজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বেগম শাহানা হক সিদ্দিকা এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সখীপুর উপজেলার ফুলবাগ গোবরচাকা গ্রামের মৃত হাসান আলীর ছেলে মিনহাজুর রহমান মিন্টু, একই গ্রামের সুজত আলীর ছেলে আব্দুল মালেক শুকুর। খালাসপ্রাপ্তরা- হলেন শমশের আলী, মোহাম্মদ মাসুদ এবং মোহাম্মদ নান্নু মিয়া।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ মহসিন সিকদার জানান, ২০১১ সালের ২০ অক্টোবর দুপুরে অধ্যক্ষ জামাল হোসেন ঠান্ডু সখীপুরের পলাশতলী মহাবিদ্যালয় থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। তিনি বৈল্লারপুর এলাকায় পৌঁছালে পূর্ব শত্রুতার জেরে মিনহাজুর রহমান মিন্টুর নেতৃত্বে জামাল হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ওই দিন জামাল হোসেনের স্ত্রী পারভীন বেগম বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেন।

২০১২ সালের ২৬ ডিসেম্বর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আইয়ুব আলী পাঁচজনের নামে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। বিচারক সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে দুইজনকে মৃত্যুদণ্ড ও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তিনজনকে বেকসুর খালাস দেন। রায় ঘোষণার সময় মিন্টু আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং শুকুর পলাতক রয়েছেন।

Tag :
জনপ্রিয়

রসিক নির্বাচন ; আ’লীগের মেয়র প্রার্থী ডালিয়ার গণসংযোগ অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইলে অধ্যক্ষকে খুনের দায়ে দুইজনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশের সময় : ১০:২৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

টাঙ্গাইলের সখীপুরে অধ্যক্ষ জামাল হোসেন ঠান্ডু হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদেরকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তিনজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বেগম শাহানা হক সিদ্দিকা এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সখীপুর উপজেলার ফুলবাগ গোবরচাকা গ্রামের মৃত হাসান আলীর ছেলে মিনহাজুর রহমান মিন্টু, একই গ্রামের সুজত আলীর ছেলে আব্দুল মালেক শুকুর। খালাসপ্রাপ্তরা- হলেন শমশের আলী, মোহাম্মদ মাসুদ এবং মোহাম্মদ নান্নু মিয়া।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ মহসিন সিকদার জানান, ২০১১ সালের ২০ অক্টোবর দুপুরে অধ্যক্ষ জামাল হোসেন ঠান্ডু সখীপুরের পলাশতলী মহাবিদ্যালয় থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। তিনি বৈল্লারপুর এলাকায় পৌঁছালে পূর্ব শত্রুতার জেরে মিনহাজুর রহমান মিন্টুর নেতৃত্বে জামাল হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ওই দিন জামাল হোসেনের স্ত্রী পারভীন বেগম বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেন।

২০১২ সালের ২৬ ডিসেম্বর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আইয়ুব আলী পাঁচজনের নামে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। বিচারক সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে দুইজনকে মৃত্যুদণ্ড ও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তিনজনকে বেকসুর খালাস দেন। রায় ঘোষণার সময় মিন্টু আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং শুকুর পলাতক রয়েছেন।