ঢাকা ০৯:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

থানায় আত্মহত্যার চেষ্টা যুবকের, হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু

ঝালকাঠি সদর থানায় মাদকাসক্ত এক যুবক আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়ে অসুস্থ হলে তাকে হাসপাতালে নেয়ার পথে মৃত্যু হয়েছে। পুর্বচাঁদকাঠি এলাকার অমল রায়ের পুত্র রাজেশ রায় (২২) মঙ্গলবার বিকেলে এঘটনা ঘটায়।

অমল রায় ও স্থানীয়রা জানান, রাজেশ দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। তাকে কয়েকবার রিহ্যাবে সংশোধনের জন্যও রাখা হয়েছিলো। কোন কিছুতেই তাকে ফেরানো যাচ্ছিলো না।

মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে নেশার টাকার জন্য উত্তেজিত হয়ে সে পিতাকে বটি নিয়ে কোপাতে যায়। প্রতিবেশীরা গিয়ে পিতাকে সরিয়ে ফেললে ওই বটি দিয়ে নিজেই আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। পরে ৯৯৯ কল দিলে থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে রাজেশকে থানায় নেয়। থানা কম্পাউন্ডের মধ্যে নারী ও শিশু ডেস্ক কক্ষে রাখলে ওর জন্য রুটি কলা আনতে যায় পিতা অমল। এসময় প্রহরীর দায়িত্বে থাকা মহিলা সেন্ট্রি চিৎকার শব্দ পেয়ে গিয়ে দেখে লুঙ্গি চিড়ে গলায় পেঁচিয়ে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলছে। সেন্ট্রিও ডাক চিৎকার দিলে থানার অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা ও রাজেশের নিকটাত্মীয়রা সিলিং ফ্যান থেকে ঝুলন্ত মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে হাসপাতালে নেয়ার সময়ে সাথে থাকা ব্যক্তিরা ধারণা করছেন পথিমধ্যেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন।

অমল রায় আরো জানান, আমার পুত্র রাজেশ আত্মহত্যা করেছে। এব্যাপারে কারো বিরুদ্ধে আমার কোন অভিযোগ নেই।

সদর থানার ওসি খলিলুর রহমান জানান, মাদকাসক্ত রাজেশকে থানায় আনা হলে সে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তবে ধারণা করা হচ্ছে সে পথিমধ্যেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয়

রাজপথে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও কোনো ধরনের নাশকতা মেনে নেওয়া হবে না: আমির হোসেন আমু।

থানায় আত্মহত্যার চেষ্টা যুবকের, হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু

প্রকাশের সময় : ০৯:৫৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

ঝালকাঠি সদর থানায় মাদকাসক্ত এক যুবক আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়ে অসুস্থ হলে তাকে হাসপাতালে নেয়ার পথে মৃত্যু হয়েছে। পুর্বচাঁদকাঠি এলাকার অমল রায়ের পুত্র রাজেশ রায় (২২) মঙ্গলবার বিকেলে এঘটনা ঘটায়।

অমল রায় ও স্থানীয়রা জানান, রাজেশ দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। তাকে কয়েকবার রিহ্যাবে সংশোধনের জন্যও রাখা হয়েছিলো। কোন কিছুতেই তাকে ফেরানো যাচ্ছিলো না।

মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে নেশার টাকার জন্য উত্তেজিত হয়ে সে পিতাকে বটি নিয়ে কোপাতে যায়। প্রতিবেশীরা গিয়ে পিতাকে সরিয়ে ফেললে ওই বটি দিয়ে নিজেই আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়। পরে ৯৯৯ কল দিলে থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে রাজেশকে থানায় নেয়। থানা কম্পাউন্ডের মধ্যে নারী ও শিশু ডেস্ক কক্ষে রাখলে ওর জন্য রুটি কলা আনতে যায় পিতা অমল। এসময় প্রহরীর দায়িত্বে থাকা মহিলা সেন্ট্রি চিৎকার শব্দ পেয়ে গিয়ে দেখে লুঙ্গি চিড়ে গলায় পেঁচিয়ে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলছে। সেন্ট্রিও ডাক চিৎকার দিলে থানার অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা ও রাজেশের নিকটাত্মীয়রা সিলিং ফ্যান থেকে ঝুলন্ত মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে হাসপাতালে নেয়ার সময়ে সাথে থাকা ব্যক্তিরা ধারণা করছেন পথিমধ্যেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন।

অমল রায় আরো জানান, আমার পুত্র রাজেশ আত্মহত্যা করেছে। এব্যাপারে কারো বিরুদ্ধে আমার কোন অভিযোগ নেই।

সদর থানার ওসি খলিলুর রহমান জানান, মাদকাসক্ত রাজেশকে থানায় আনা হলে সে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তবে ধারণা করা হচ্ছে সে পথিমধ্যেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।