ঢাকা ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

সিদ্ধান্ত পরিবর্তন : কাজাখস্তানের রাজধানীর নাম ফের হচ্ছে আস্তানা

কাজাখস্তানের রাজধানীর নাম আবার আস্তানা হচ্ছে। কাজাখ প্রেসিডেন্ট এ-সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন দিয়েছেন। তিন বছর আগে পূর্বসূরির নামে করা নামকরণটি প্রত্যাহার হতে যাচ্ছে।

তিন বছর আগে ২০১৯ সালে দেশটির প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন কাসিম-জমার্ট তোকায়েভ। তার প্রথম পদক্ষেপগুলোর একটি ছিল ওই সময়ে সদ্য পদত্যাগকারী প্রেসিডেন্ট নুরসুলতান নাজারবায়েভের নামে দেশের রাজধানীর নাম নুরসুলতান করা।

১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের পর তিন দশক ধরে প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে থাকা নাজারবায়েভ ১৯৯৭ সালে রাজধানী আলমাতি থেকে সরিয়ে নিয়ে যান আস্তানায়। এ পদক্ষেপের ব্যাপক সমালোচনা হয়েছিল। কারণ এলাকাটি ছিল বেশ বিচ্ছিন্ন এবং ভয়াবহ ঠান্ডায় ভারাক্রান্ত। কখনো কখনো সেখানকার তাপমাত্রা মাইনাস ৬০ ডিগ্রি ফারেনহাইটে (শূন্য থেকে ৫১ ডিগ্রি সেলসিয়াস নিচে) নেমে আসে।

তবে বিশাল বিশাল ভবন দিয়ে তিনি রাজধানীকে সাজিয়েছিলেন।
পদত্যাগ করলেও দেশের ক্ষমতাসীন দলের প্রধান ও সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান হিসেবে নাজারবায়েভের বিপুল প্রভাব ছিল। কিন্তু গত জানুয়ারিতে ভয়াবহ বিক্ষোভের পর তোকায়েভ তাকে সকল পদ থেকে অপসারণ করেন।

তোকায়েভের মুখপাত্র রুসলান ঝেলিবান বলেন, পার্লামেন্টের কয়েকজন সদস্যের আনা নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবের প্রতি প্রেসিডেন্ট সমর্থন দিয়েছেন।

সূত্র : ডেইলি সাবাহ

Tag :
জনপ্রিয়

রসিক নির্বাচন ; আ’লীগের মেয়র প্রার্থী ডালিয়ার গণসংযোগ অনুষ্ঠিত

সিদ্ধান্ত পরিবর্তন : কাজাখস্তানের রাজধানীর নাম ফের হচ্ছে আস্তানা

প্রকাশের সময় : ০২:০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

কাজাখস্তানের রাজধানীর নাম আবার আস্তানা হচ্ছে। কাজাখ প্রেসিডেন্ট এ-সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন দিয়েছেন। তিন বছর আগে পূর্বসূরির নামে করা নামকরণটি প্রত্যাহার হতে যাচ্ছে।

তিন বছর আগে ২০১৯ সালে দেশটির প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন কাসিম-জমার্ট তোকায়েভ। তার প্রথম পদক্ষেপগুলোর একটি ছিল ওই সময়ে সদ্য পদত্যাগকারী প্রেসিডেন্ট নুরসুলতান নাজারবায়েভের নামে দেশের রাজধানীর নাম নুরসুলতান করা।

১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের পর তিন দশক ধরে প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে থাকা নাজারবায়েভ ১৯৯৭ সালে রাজধানী আলমাতি থেকে সরিয়ে নিয়ে যান আস্তানায়। এ পদক্ষেপের ব্যাপক সমালোচনা হয়েছিল। কারণ এলাকাটি ছিল বেশ বিচ্ছিন্ন এবং ভয়াবহ ঠান্ডায় ভারাক্রান্ত। কখনো কখনো সেখানকার তাপমাত্রা মাইনাস ৬০ ডিগ্রি ফারেনহাইটে (শূন্য থেকে ৫১ ডিগ্রি সেলসিয়াস নিচে) নেমে আসে।

তবে বিশাল বিশাল ভবন দিয়ে তিনি রাজধানীকে সাজিয়েছিলেন।
পদত্যাগ করলেও দেশের ক্ষমতাসীন দলের প্রধান ও সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান হিসেবে নাজারবায়েভের বিপুল প্রভাব ছিল। কিন্তু গত জানুয়ারিতে ভয়াবহ বিক্ষোভের পর তোকায়েভ তাকে সকল পদ থেকে অপসারণ করেন।

তোকায়েভের মুখপাত্র রুসলান ঝেলিবান বলেন, পার্লামেন্টের কয়েকজন সদস্যের আনা নাম পরিবর্তনের প্রস্তাবের প্রতি প্রেসিডেন্ট সমর্থন দিয়েছেন।

সূত্র : ডেইলি সাবাহ