ঢাকা ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অক্টোবর ২০২২, ২২ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
টার্গেট জাতীয় নির্বাচন

দল ও সরকারে ভারসাম্যের পরিকল্পনা আওয়ামী লীগের

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দল ও সরকারের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে চায় আওয়ামী লীগ। এ লক্ষ্যে আগামী ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের ২২তম জাতীয় কাউন্সিলেও দল ও সরকার আলাদা করার পরিকল্পনা নিয়েছে ক্ষমতাসীন দলটি। এতে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের গতি বাড়বে এবং তা নির্বাচনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন দলের শীর্ষ নেতারা। তবে সব কিছুই নির্ভর করছে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর।

দলটির একাধিক সূত্র বলছে, আগামী সংসদ নির্বাচনকে টার্গেট করে সরকার ও দলকে আলাদা করার কৌশল নিতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ। মন্ত্রীরা যেহেতু সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকেন, সঙ্গত কারণে তাদের পক্ষে সাংগঠনিক কাজে বেশি সময় দেওয়া সম্ভব হয় না। সূত্র জানায়, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ৪৭ জনের মধ্যে মন্ত্রী রয়েছেন ২৫ জন, প্রতিমন্ত্রী ১৯ জন ও উপমন্ত্রী তিনজন। দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী ছাড়া গত ২১তম কাউন্সিলে ৪৭ জনের মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের মধ্যে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির মাত্র চারজন মন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন। তবে প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর দায়িত্বে কেউ নেই।

এর বাইরে উপদেষ্টা পরিষদ সদস্যদের মধ্যে একজন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। যদিও তাকে গত ২৪ মে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য করা হয়। ফলে আগামী ২২তম কাউন্সিলেও দলের কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে ৪-৭ জনকে রাখা হতে পারে। এতে সাংগঠনিক কার্যক্রম শক্তিশালী হবে এবং দ্বাদশ নির্বাচনে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারবে দল। তবে আগামী কাউন্সিলে সরকার ও দল পৃথক করার প্রক্রিয়ায় যারা দলের গুরুত্বপূর্ণ কোনো পদে স্থান না পাবেন, তাদের কাউকে মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়া হতে পারে। আবার মন্ত্রিসভায় যারা রয়েছেন, তাদেরও কাউকে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হতে পারে।

আওয়ামী লীগের একাধিক শীর্ষ নেতা বলেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দল এবং সরকারকে আলাদা রাখতে চান। যারা দলের নেতা হবেন, তারা সার্বক্ষণিক হবেন। তারা সরকারে থাকতে পারবেন না এ রকম ভাবনা রয়েছে দলীয় সভাপতির মধ্যে। তবে অনেক মন্ত্রীই দল ও সরকার আলাদা করার কৌশলের সঙ্গে একমত নন। অধিকাংশ মন্ত্রী এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা না বললেও তাদের মধ্যে রয়েছে ক্ষোভ। আবার দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন, কিন্তু মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি, তারা মুখে না বললেও মনোকষ্টে রয়েছেন। এক ব্যক্তিকে একসঙ্গে সরকার ও দলে দুটি পদে না রাখার বিষয়ে দলীয় সভাপতি সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছেন, এটা তারা মানতে চান না। তবে এই বাস্তবতা বিবেচনা করেই আগামী কাউন্সিলে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করা হবে।

মন্ত্রিসভার রদবদলেও সার্বিক দিক বিবেচনা করা হবে। তবে সভাপতি পদে পরিবর্তন দলের কেউ চান না এবং বাস্তবে সেটা সম্ভবও নয়। এ ছাড়া আসন্ন ২২তম কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক পদে যিনি আসুন তাকে মন্ত্রিসভায় রাখা হবে। কারণ দলের সাধারণ সম্পাদকের পদ অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আবার তিনি মন্ত্রী না হলে, সরকার সম্পর্কে জানা তার জন্য কঠিন হয়ে পড়বে। এতে তার জন্য দল চালানো কঠিন হয়ে পড়বে। তবে উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য, সভাপতিমণ্ডলী, সম্পাদকমণ্ডলী ও সদস্য বেশ কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। এদের মধ্যে এখন যারা মন্ত্রিসভায় রয়েছেন, তাদেরও কেউ কেউ দলটির কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান নাও পেতে পারেন। আর কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান পেলে তারা মন্ত্রিসভায় নাও থাকতে পারেন। তারাই পরবর্তী তিন বছরের জন্য দলের নেতৃত্ব দেবেন এবং আগামী নির্বাচন মোকাবিলা করবেন।

তারা বলেন, পঞ্চাশ দশকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করার জন্য মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন। ১৯৭৪ সালে এএইচএম কামারুজ্জামানও মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দলের সভাপতি হয়েছিলেন। প্রশ্ন হলো, আওয়ামী লীগের নতুন কমিটি দল ও সরকারকে কতটা আলাদা করতে পারবে? দল ও সরকার আলাদা করার অর্থ শুধু ব্যক্তির পদ বদল নয়, দলের চরিত্রও বদল। সরকার কীভাবে পরিচালিত হবে, তার নীতি ও কর্মসূচি কী হবে, সেসব ঠিক করবে দল। আর বাস্তবায়ন করবে সরকার। কারণ সরকার ও দলের কাঠামো কখনই একাকার হয়ে যেতে পারে না।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্ল্যাহ বলেন, ‘আমরা যতটুকু লক্ষ করেছি, আওয়ামী লীগের গত ২১তম কাউন্সিলের মধ্য দিয়ে নেত্রী শেখ হাসিনা দল ও সরকার আলাদা করেছিলেন। কারণ নেত্রী যেহেতু চান সে ক্ষেত্রে হতে পারে। তবে নেত্রী কী করবেন তা এ মুহূর্তে বলা কঠিন। কারণ দল ও সরকার কীভাবে চালাবেন সেটি দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত।’

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর আরেক সদস্য আবদুর রহমান এ বিষয়ে বলেন, ‘আগামী কাউন্সিলের মধ্য দিয়ে মন্ত্রিসভা বা দল আলাদা করা হবে কি হবে না সেটি দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানেন। কারণ তিনিই ঠিক করবেন দল ও মন্ত্রিসভা কীভাবে সাজাবেন। এগুলোর এখতিয়ার দলীয় সভাপতির।’

দল ও সরকারের ভারসাম্য আনার বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন বলেন, ‘গত ২১তম কাউন্সিলে দল ও সরকার আলাদা করা হয়েছিল। এর ফলে দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পায়। আগামী ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের ২২তম কাউন্সিলেও গতবারের ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন থাকবে বলে আমার ধারণা। এর চেয়ে বেশি আমাদের লেভেল থেকে জানা বা বলার নেই। কিছু বিষয় থাকে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে। আমরা সে পর্যায়ে উন্নীত হইনি। তবে সব কিছুই নির্ভর করছে দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর।’

Tag :

২ লাখ টাকার ফুলদানি নিলামে বিক্রি হলো ৯২ কোটি টাকায়

টার্গেট জাতীয় নির্বাচন

দল ও সরকারে ভারসাম্যের পরিকল্পনা আওয়ামী লীগের

প্রকাশের সময় : ১০:৫১:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দল ও সরকারের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে চায় আওয়ামী লীগ। এ লক্ষ্যে আগামী ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের ২২তম জাতীয় কাউন্সিলেও দল ও সরকার আলাদা করার পরিকল্পনা নিয়েছে ক্ষমতাসীন দলটি। এতে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের গতি বাড়বে এবং তা নির্বাচনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন দলের শীর্ষ নেতারা। তবে সব কিছুই নির্ভর করছে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর।

দলটির একাধিক সূত্র বলছে, আগামী সংসদ নির্বাচনকে টার্গেট করে সরকার ও দলকে আলাদা করার কৌশল নিতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ। মন্ত্রীরা যেহেতু সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকেন, সঙ্গত কারণে তাদের পক্ষে সাংগঠনিক কাজে বেশি সময় দেওয়া সম্ভব হয় না। সূত্র জানায়, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ৪৭ জনের মধ্যে মন্ত্রী রয়েছেন ২৫ জন, প্রতিমন্ত্রী ১৯ জন ও উপমন্ত্রী তিনজন। দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী ছাড়া গত ২১তম কাউন্সিলে ৪৭ জনের মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের মধ্যে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির মাত্র চারজন মন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন। তবে প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর দায়িত্বে কেউ নেই।

এর বাইরে উপদেষ্টা পরিষদ সদস্যদের মধ্যে একজন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। যদিও তাকে গত ২৪ মে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য করা হয়। ফলে আগামী ২২তম কাউন্সিলেও দলের কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে ৪-৭ জনকে রাখা হতে পারে। এতে সাংগঠনিক কার্যক্রম শক্তিশালী হবে এবং দ্বাদশ নির্বাচনে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারবে দল। তবে আগামী কাউন্সিলে সরকার ও দল পৃথক করার প্রক্রিয়ায় যারা দলের গুরুত্বপূর্ণ কোনো পদে স্থান না পাবেন, তাদের কাউকে মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়া হতে পারে। আবার মন্ত্রিসভায় যারা রয়েছেন, তাদেরও কাউকে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হতে পারে।

আওয়ামী লীগের একাধিক শীর্ষ নেতা বলেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দল এবং সরকারকে আলাদা রাখতে চান। যারা দলের নেতা হবেন, তারা সার্বক্ষণিক হবেন। তারা সরকারে থাকতে পারবেন না এ রকম ভাবনা রয়েছে দলীয় সভাপতির মধ্যে। তবে অনেক মন্ত্রীই দল ও সরকার আলাদা করার কৌশলের সঙ্গে একমত নন। অধিকাংশ মন্ত্রী এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা না বললেও তাদের মধ্যে রয়েছে ক্ষোভ। আবার দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন, কিন্তু মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি, তারা মুখে না বললেও মনোকষ্টে রয়েছেন। এক ব্যক্তিকে একসঙ্গে সরকার ও দলে দুটি পদে না রাখার বিষয়ে দলীয় সভাপতি সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছেন, এটা তারা মানতে চান না। তবে এই বাস্তবতা বিবেচনা করেই আগামী কাউন্সিলে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করা হবে।

মন্ত্রিসভার রদবদলেও সার্বিক দিক বিবেচনা করা হবে। তবে সভাপতি পদে পরিবর্তন দলের কেউ চান না এবং বাস্তবে সেটা সম্ভবও নয়। এ ছাড়া আসন্ন ২২তম কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক পদে যিনি আসুন তাকে মন্ত্রিসভায় রাখা হবে। কারণ দলের সাধারণ সম্পাদকের পদ অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আবার তিনি মন্ত্রী না হলে, সরকার সম্পর্কে জানা তার জন্য কঠিন হয়ে পড়বে। এতে তার জন্য দল চালানো কঠিন হয়ে পড়বে। তবে উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য, সভাপতিমণ্ডলী, সম্পাদকমণ্ডলী ও সদস্য বেশ কিছু পরিবর্তন আসতে পারে। এদের মধ্যে এখন যারা মন্ত্রিসভায় রয়েছেন, তাদেরও কেউ কেউ দলটির কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান নাও পেতে পারেন। আর কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান পেলে তারা মন্ত্রিসভায় নাও থাকতে পারেন। তারাই পরবর্তী তিন বছরের জন্য দলের নেতৃত্ব দেবেন এবং আগামী নির্বাচন মোকাবিলা করবেন।

তারা বলেন, পঞ্চাশ দশকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করার জন্য মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন। ১৯৭৪ সালে এএইচএম কামারুজ্জামানও মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দলের সভাপতি হয়েছিলেন। প্রশ্ন হলো, আওয়ামী লীগের নতুন কমিটি দল ও সরকারকে কতটা আলাদা করতে পারবে? দল ও সরকার আলাদা করার অর্থ শুধু ব্যক্তির পদ বদল নয়, দলের চরিত্রও বদল। সরকার কীভাবে পরিচালিত হবে, তার নীতি ও কর্মসূচি কী হবে, সেসব ঠিক করবে দল। আর বাস্তবায়ন করবে সরকার। কারণ সরকার ও দলের কাঠামো কখনই একাকার হয়ে যেতে পারে না।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্ল্যাহ বলেন, ‘আমরা যতটুকু লক্ষ করেছি, আওয়ামী লীগের গত ২১তম কাউন্সিলের মধ্য দিয়ে নেত্রী শেখ হাসিনা দল ও সরকার আলাদা করেছিলেন। কারণ নেত্রী যেহেতু চান সে ক্ষেত্রে হতে পারে। তবে নেত্রী কী করবেন তা এ মুহূর্তে বলা কঠিন। কারণ দল ও সরকার কীভাবে চালাবেন সেটি দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত।’

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর আরেক সদস্য আবদুর রহমান এ বিষয়ে বলেন, ‘আগামী কাউন্সিলের মধ্য দিয়ে মন্ত্রিসভা বা দল আলাদা করা হবে কি হবে না সেটি দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানেন। কারণ তিনিই ঠিক করবেন দল ও মন্ত্রিসভা কীভাবে সাজাবেন। এগুলোর এখতিয়ার দলীয় সভাপতির।’

দল ও সরকারের ভারসাম্য আনার বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন বলেন, ‘গত ২১তম কাউন্সিলে দল ও সরকার আলাদা করা হয়েছিল। এর ফলে দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পায়। আগামী ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের ২২তম কাউন্সিলেও গতবারের ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন থাকবে বলে আমার ধারণা। এর চেয়ে বেশি আমাদের লেভেল থেকে জানা বা বলার নেই। কিছু বিষয় থাকে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে। আমরা সে পর্যায়ে উন্নীত হইনি। তবে সব কিছুই নির্ভর করছে দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর।’