ঢাকা ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

রেকর্ড গড়ে ইউএস ওপেন জিতলেন আলকারাজ

ইউএস ওপেনের সেমিফাইনালের তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার সময় বোঝা গিয়েছিল এবারের ইউএস ওপেন নতুন রাজা পাচ্ছে। যাঁরা আবার কখনো এর আগে কোনো গ্র্যান্ড স্লাম জেতেনি। সেমিফাইনালের তালিকা দেখে সবচেয়ে বেশিবার উচ্চারিত হয়েছে কার্লোস আলকারাজের নাম। আর এই স্প্যানিশ তারকাই হচ্ছেন বছরের শেষ গ্র্যান্ড স্লামের নতুন রাজা। শিরোপা জয়ের সঙ্গে সঙ্গে র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষেও উঠেছেন তিনি। যা ৪৯ বছরের টেনিস ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সে।

ফ্ল্যাশিং মিডোসের ফাইনালে নরওয়ের ক্যাসপার রুডকে ৬-৪,২-৬, ৭-৬ (৭-১),৬-৩ গেমে হারিয়েছেন আলকারাজ। এ জয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছেন স্প্যানিশ তারকা। দুজনেই বর্তমান টেনিস যুগের উঠতি তারকা। দুজনকে বলা হচ্ছে টেনিসের ভবিষ্যৎ তারকাও। আলকারাজ এ বছর মাদ্রিদ মাস্টার্সে দুই কিংবদন্তি রাফায়েল নাদাল ও নোভাক জোকোভিচকে হারিয়ে টেনিস বিশ্বে আলোচনায় এসেছিলেন। তিনি ভবিষ্যতে বিশ্ব টেনিস শাসন করবেন এমনটা বলছেন সাবেক টেনিস কিংবদন্তিরা। শুরুটা করলেন তিনি ইউএস ওপেন দিয়ে। সবচেয়ে কম বয়সে র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠেছেন এই ‘টিনএজ’ তারকা। আলকারাজ এই রেকর্ড গড়ছেন ১৯ বছর ৪ মাস বয়সে। এর আগের রেকর্ডটি ছিল লেলিটন হিউইটের। ২০ বছর ৮ মাস বয়সে রেকর্ডটি গড়েছিলেন এই অস্ট্রেলিয়ান টেনিস তারকা। টেনিসে ১৯৭৩ সালে এটিপি র‌্যাঙ্কিং পদ্ধতি চালু হয়েছিল।

ক্যারিয়ারের প্রথম ইউএস ওপেন গ্র্যান্ড স্লাম জেতার পর আলকারাজ বলেছেন, ‘এটি এমন কিছু যা আমি ছোটবেলা থেকে স্বপ্ন দেখে আসছি। স্বপ্ন দেখছিলাম একদিন বিশ্বের শীর্ষ খেলোয়াড় ও গ্র্যান্ড স্লামে চ্যাম্পিয়ন হব। এর জন্য আমি কঠিন পরিশ্রম করেছি। এটি সত্যি, সত্যি বিশেষ কিছু।’

অন্যদিকে ২৩ বছর বয়সী রুড এবার দ্বিতীয়বারের মতো কোনো গ্র্যান্ড স্লামের ফাইনালে উঠেছিলেন। কিন্তু দুই বারে তাঁর ভাগ্যের শিকে ছিঁড়ল না। এ বছর ফ্রেঞ্চ ওপেনে নাদালের কাছে হারার পর এবার তাঁরই স্বদেশি আলকারাজের কাছে হারলেন ইউএস ওপেন। ম্যাচ শেষে সর্বোচ্চ ২২টি গ্র্যান্ড স্লামের মালিক নাদালের একাডেমির ছাত্র রুড জানিয়েছেন নিজের খেলার ভুলেই তিনি ম্যাচ হেরেছেন। নরওয়ের টেনিস তারকা বলেছেন, ‘তৃতীয় সেটটি ম্যাচের ফল নির্ধারণ করে দিয়েছে। প্রতিপক্ষ দুটি সেট পয়েন্টে আক্রমণাত্মক ও দুর্দান্ত খেলেছে। আমি একটি ভয়ংকর টাই-ব্রেক খেলেছি। দুর্ভাগ্যবশত অনেক ভুলও করেছি। মনে হয় সেই সেট পয়েন্টগুলো মাথা থেকে বের করতে না পারাতেই এমনটি হয়েছে। এটা ছিল দুর্ভাগ্যজনক।’

Tag :
জনপ্রিয়

সাটুরিয়ায় নিয়োগ বাতিলের দাবীতে মানববন্ধন

রেকর্ড গড়ে ইউএস ওপেন জিতলেন আলকারাজ

প্রকাশের সময় : ০৯:২৯:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২

ইউএস ওপেনের সেমিফাইনালের তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার সময় বোঝা গিয়েছিল এবারের ইউএস ওপেন নতুন রাজা পাচ্ছে। যাঁরা আবার কখনো এর আগে কোনো গ্র্যান্ড স্লাম জেতেনি। সেমিফাইনালের তালিকা দেখে সবচেয়ে বেশিবার উচ্চারিত হয়েছে কার্লোস আলকারাজের নাম। আর এই স্প্যানিশ তারকাই হচ্ছেন বছরের শেষ গ্র্যান্ড স্লামের নতুন রাজা। শিরোপা জয়ের সঙ্গে সঙ্গে র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষেও উঠেছেন তিনি। যা ৪৯ বছরের টেনিস ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সে।

ফ্ল্যাশিং মিডোসের ফাইনালে নরওয়ের ক্যাসপার রুডকে ৬-৪,২-৬, ৭-৬ (৭-১),৬-৩ গেমে হারিয়েছেন আলকারাজ। এ জয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছেন স্প্যানিশ তারকা। দুজনেই বর্তমান টেনিস যুগের উঠতি তারকা। দুজনকে বলা হচ্ছে টেনিসের ভবিষ্যৎ তারকাও। আলকারাজ এ বছর মাদ্রিদ মাস্টার্সে দুই কিংবদন্তি রাফায়েল নাদাল ও নোভাক জোকোভিচকে হারিয়ে টেনিস বিশ্বে আলোচনায় এসেছিলেন। তিনি ভবিষ্যতে বিশ্ব টেনিস শাসন করবেন এমনটা বলছেন সাবেক টেনিস কিংবদন্তিরা। শুরুটা করলেন তিনি ইউএস ওপেন দিয়ে। সবচেয়ে কম বয়সে র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠেছেন এই ‘টিনএজ’ তারকা। আলকারাজ এই রেকর্ড গড়ছেন ১৯ বছর ৪ মাস বয়সে। এর আগের রেকর্ডটি ছিল লেলিটন হিউইটের। ২০ বছর ৮ মাস বয়সে রেকর্ডটি গড়েছিলেন এই অস্ট্রেলিয়ান টেনিস তারকা। টেনিসে ১৯৭৩ সালে এটিপি র‌্যাঙ্কিং পদ্ধতি চালু হয়েছিল।

ক্যারিয়ারের প্রথম ইউএস ওপেন গ্র্যান্ড স্লাম জেতার পর আলকারাজ বলেছেন, ‘এটি এমন কিছু যা আমি ছোটবেলা থেকে স্বপ্ন দেখে আসছি। স্বপ্ন দেখছিলাম একদিন বিশ্বের শীর্ষ খেলোয়াড় ও গ্র্যান্ড স্লামে চ্যাম্পিয়ন হব। এর জন্য আমি কঠিন পরিশ্রম করেছি। এটি সত্যি, সত্যি বিশেষ কিছু।’

অন্যদিকে ২৩ বছর বয়সী রুড এবার দ্বিতীয়বারের মতো কোনো গ্র্যান্ড স্লামের ফাইনালে উঠেছিলেন। কিন্তু দুই বারে তাঁর ভাগ্যের শিকে ছিঁড়ল না। এ বছর ফ্রেঞ্চ ওপেনে নাদালের কাছে হারার পর এবার তাঁরই স্বদেশি আলকারাজের কাছে হারলেন ইউএস ওপেন। ম্যাচ শেষে সর্বোচ্চ ২২টি গ্র্যান্ড স্লামের মালিক নাদালের একাডেমির ছাত্র রুড জানিয়েছেন নিজের খেলার ভুলেই তিনি ম্যাচ হেরেছেন। নরওয়ের টেনিস তারকা বলেছেন, ‘তৃতীয় সেটটি ম্যাচের ফল নির্ধারণ করে দিয়েছে। প্রতিপক্ষ দুটি সেট পয়েন্টে আক্রমণাত্মক ও দুর্দান্ত খেলেছে। আমি একটি ভয়ংকর টাই-ব্রেক খেলেছি। দুর্ভাগ্যবশত অনেক ভুলও করেছি। মনে হয় সেই সেট পয়েন্টগুলো মাথা থেকে বের করতে না পারাতেই এমনটি হয়েছে। এটা ছিল দুর্ভাগ্যজনক।’