ঢাকা ০২:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৪ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনা: নবজাতকের পর মারা গেলেন মা

রংপুরের তারাগঞ্জে অ্যাম্বুলেন্স ও মিনিবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নাম না রাখা সেই নবজাতকের পর মারা গেছেন মা মোসলেমা বেগম (৩০)। এ নিয়ে রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) ভোরের ওই দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়াল চারজনে।

রোববার রাত সাড়ে সাতটার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন প্রসূতি মা মোসলেমা বেগম মারা যান। এর আগে সকালে গুরুতর আহত অবস্থায় মা ও নবজাতককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর নবজাতকটি মারা যায়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভোরে মিনিবাসের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের তারাগঞ্জের ইকরচালী হাজীপাড়া খারুভাজ সেতুর কাছে। এতে আহত হয়ে এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনজন।

পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহত ব্যক্তিদের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নীলফামারীর ডোমার উপজেলার চিলাহাটি এলাকার রশিদুল ইসলামের স্ত্রী মোসলেমা বেগম তিন দিন আগে নীলফামারী সদর হাসপাতালে একটি ফুটফুটে ছেলেসন্তানের জন্ম দেন। ভোরে সেই নবজাতক অসুস্থ হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলেন পরিবারের লোকজন। ভোর চারটার দিকে অ্যাম্বুলেন্সটির সঙ্গে সৈয়দপুরগামী ভাই ভাই ক্ল্যাসিক পরিবহনের একটি মিনিবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সাতজন আহত হন। তাঁদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে নাম না রাখা ওই নবজাতকসহ তিনজনের মৃত্যু হয়। নিহত অন্য দুজন হলেন নীলফামারী সদর উপজেলার কুমড়ারমোড় এলাকার অ্যাম্বুলেন্সচালক আলামিন হোসেন (৩৫) ও ডোমার উপজেলার কাচুচুড়াডাঙ্গী গ্রামের রফিকুল ইসলাম (৪০)।

হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ মাহাবুব মোরশেদ বলেন, রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন নবজাতকের মা মোসলেমা বেগম। এ ঘটনায় তারাগঞ্জ হাইওয়ে থানায় একটি মামলা হয়েছে।

Tag :

পুলিশের হাতে কামড় দিয়ে হ্যান্ডকাপসহ পালালো আসামি

রংপুরে সড়ক দুর্ঘটনা: নবজাতকের পর মারা গেলেন মা

প্রকাশের সময় : ০৯:৫৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২

রংপুরের তারাগঞ্জে অ্যাম্বুলেন্স ও মিনিবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নাম না রাখা সেই নবজাতকের পর মারা গেছেন মা মোসলেমা বেগম (৩০)। এ নিয়ে রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) ভোরের ওই দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়াল চারজনে।

রোববার রাত সাড়ে সাতটার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন প্রসূতি মা মোসলেমা বেগম মারা যান। এর আগে সকালে গুরুতর আহত অবস্থায় মা ও নবজাতককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর নবজাতকটি মারা যায়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভোরে মিনিবাসের সঙ্গে অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের তারাগঞ্জের ইকরচালী হাজীপাড়া খারুভাজ সেতুর কাছে। এতে আহত হয়ে এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনজন।

পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহত ব্যক্তিদের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নীলফামারীর ডোমার উপজেলার চিলাহাটি এলাকার রশিদুল ইসলামের স্ত্রী মোসলেমা বেগম তিন দিন আগে নীলফামারী সদর হাসপাতালে একটি ফুটফুটে ছেলেসন্তানের জন্ম দেন। ভোরে সেই নবজাতক অসুস্থ হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলেন পরিবারের লোকজন। ভোর চারটার দিকে অ্যাম্বুলেন্সটির সঙ্গে সৈয়দপুরগামী ভাই ভাই ক্ল্যাসিক পরিবহনের একটি মিনিবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সাতজন আহত হন। তাঁদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে নাম না রাখা ওই নবজাতকসহ তিনজনের মৃত্যু হয়। নিহত অন্য দুজন হলেন নীলফামারী সদর উপজেলার কুমড়ারমোড় এলাকার অ্যাম্বুলেন্সচালক আলামিন হোসেন (৩৫) ও ডোমার উপজেলার কাচুচুড়াডাঙ্গী গ্রামের রফিকুল ইসলাম (৪০)।

হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ মাহাবুব মোরশেদ বলেন, রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন নবজাতকের মা মোসলেমা বেগম। এ ঘটনায় তারাগঞ্জ হাইওয়ে থানায় একটি মামলা হয়েছে।