ঢাকা ০৮:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ২০ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ভারতে পাচারের শিকার ৭ নারীকে ৩ বছর পর বেনাপোলে হস্তান্তর

মোঃ মাসুদুর রহমান শেখ বেনাপোলঃভালো কাজের প্রলোভনে ভারতে পাচারের শিকার ৭ বাংলাদেশি নারীকে ৩ বছর পর ট্রাভেল পারমিটে বেনাপোলে হস্তান্তর করেছে ভারতীয় পুলিশ।

সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকালে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ পাচার হওয়া বাংলাদেশিদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

ফেরত আসা নারীরা হলেন, খুলনা জেলার হাজারীবাগ উপজেলার মহাকামপুর গ্রামের চম্পা আক্তার, রাবেয়া খাতুন,ঝারা খাতুন,প্রীতি বিশ্বাস, তুলি বিবি,কোহিনুর বেগম,আয়সা খাতুন,

ফেরত আসা নারীদের আইনী সহয়তা দিতে ৪ জনকে জাস্টিস এন্ড কেয়ার ৩ জনকে রাইসট যশোর নামে মোট ২ টি এনজিও সংস্থ্যা গ্রহন করেছে।

যশোর জাস্টিজ এন্ড কেয়ারের সিনিয়র প্রগ্রাম অফিসার আব্দুল মুহিত জানান, ভাল কাজের প্রলোভনে দেশের বিভিন্ন সীমান্ত পথে দালালের মাধ্যমে তারা ভারতে যায়। এসময় অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় পুলিশ তাদের আটক করে জেলে পাঠায়। পরে আইনী সহয়তা দিতে ভারতীয় রেছকিউ ফান্ডেশন একটি মানবাধিকার সংস্থ্যা তাদের আদালত থেকে ছাড়িয়ে হেফাজতে নেয় । দির্ঘ তিন বছর পর দুই দেশের সরকারের সহযোগীতায় ট্রাভেল পারমিটে তারা দেশে ফেরার সুযোগ পায়। ফেরত আসা বাংলাদেশিরা যদি পাচারকারীদের সনাক্ত করে আইনী সহয়তা চাই দেওয়া হবে বলে জানান এনজিও সংস্থ্যার কর্মকর্তারা।

Tag :

কালীগঞ্জে মায়ের শাড়ি গলায় পেঁচিয়ে ছেলের আত্মহত্যা

ভারতে পাচারের শিকার ৭ নারীকে ৩ বছর পর বেনাপোলে হস্তান্তর

প্রকাশের সময় : ১১:৩৩:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২

মোঃ মাসুদুর রহমান শেখ বেনাপোলঃভালো কাজের প্রলোভনে ভারতে পাচারের শিকার ৭ বাংলাদেশি নারীকে ৩ বছর পর ট্রাভেল পারমিটে বেনাপোলে হস্তান্তর করেছে ভারতীয় পুলিশ।

সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকালে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ পাচার হওয়া বাংলাদেশিদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

ফেরত আসা নারীরা হলেন, খুলনা জেলার হাজারীবাগ উপজেলার মহাকামপুর গ্রামের চম্পা আক্তার, রাবেয়া খাতুন,ঝারা খাতুন,প্রীতি বিশ্বাস, তুলি বিবি,কোহিনুর বেগম,আয়সা খাতুন,

ফেরত আসা নারীদের আইনী সহয়তা দিতে ৪ জনকে জাস্টিস এন্ড কেয়ার ৩ জনকে রাইসট যশোর নামে মোট ২ টি এনজিও সংস্থ্যা গ্রহন করেছে।

যশোর জাস্টিজ এন্ড কেয়ারের সিনিয়র প্রগ্রাম অফিসার আব্দুল মুহিত জানান, ভাল কাজের প্রলোভনে দেশের বিভিন্ন সীমান্ত পথে দালালের মাধ্যমে তারা ভারতে যায়। এসময় অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় পুলিশ তাদের আটক করে জেলে পাঠায়। পরে আইনী সহয়তা দিতে ভারতীয় রেছকিউ ফান্ডেশন একটি মানবাধিকার সংস্থ্যা তাদের আদালত থেকে ছাড়িয়ে হেফাজতে নেয় । দির্ঘ তিন বছর পর দুই দেশের সরকারের সহযোগীতায় ট্রাভেল পারমিটে তারা দেশে ফেরার সুযোগ পায়। ফেরত আসা বাংলাদেশিরা যদি পাচারকারীদের সনাক্ত করে আইনী সহয়তা চাই দেওয়া হবে বলে জানান এনজিও সংস্থ্যার কর্মকর্তারা।