ঢাকা ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গা তাড়াতে নতুন ফাঁদ

বাংলাদেশ সীমান্তে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে প্রতিদিনই আকাশে উড়ছে হেলিকপ্টার। বাংকার থেকে ছোড়া গোলার বিকট শব্দে কাঁপছে এপারে নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু, বাইশাফাড়ি, রেজু গর্জনবনিয়া, আমতলিসহ পুরো সীমান্ত এলাকা। মাঝে মাঝেই মিয়ানমার থেকে ছোড়া গোলা, মর্টার শেল এসে পড়ছে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন নো ম্যান্স ল্যান্ডে আশ্রিত সাড়ে চার হাজার রোহিঙ্গাসহ স্থানীয় বাসিন্দারা। ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তিন দফা তলব করে প্রতিবাদ জানানো হলেও থামেনি তাদের আগ্রাসী তৎপরতা। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে নতুন করে রোহিঙ্গা ঢলেরও আশঙ্কা বাড়ছে।

জানা গেছে, বিদ্রোহী দমনের নামে কৌশলে রোহিঙ্গাদের আরাকান রাজ্য থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে মিয়ানমার। ইতোমধ্যে মিয়ানমারের বুচিদং এলাকার একাধিক গ্রামে রোহিঙ্গাদের এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি নতুন করে বাড়িঘরে আগুন দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় সীমান্ত সিলগালাসহ যে কোনো ধরনের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি। বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি।

সূত্র জানায়, ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে ঢাকা। ২০১৭ সালের মতো ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেবে না বাংলাদেশ এমন স্পষ্ঠ বার্তা দেওয়া হয়েছে। নেপিদোর বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে ঢাকার উদ্বেগের বিষয়টি শক্তভাবে জানিয়েছে বাংলাদেশ। ঢাকায় বিদেশি মিশনগুলোকেও জানানো হয়েছে যে একজন রোহিঙ্গাকেও আর নেবে না বাংলাদেশ। বরং যত দ্রুত সম্ভব বাংলাদেশে আশ্রিত
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে নজর ঢাকার। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কোনো ধরনের উসকানিতে পা না দিয়ে বাংলাদেশকে কূটনৈতিকভাবে আগাতে হবে।

প্রতিবেশ ভারত ছাড়া কেবল মিয়ানমারের সঙ্গে স্থলসীমান্ত রয়েছে বাংলাদেশের। সেই সীমান্তে থেমে থেমে নানা উত্তেজনা বহু বছর ধরে চলে আসছে। ২০০৭ সালে সেন্টমার্র্টিনে ঢুকে পড়েছিল মিয়ানমারের দুটি যুদ্ধজাহাজ। ২০১১ সালে বাংলাদেশ সীমান্তে ঢুকে অস্ত্রসহ বিজিবি সদস্যকে অপহরণ করে তারা। বান্দরবনের থানচিতে মর্টারশেল ও গুলি পড়ে ২০১২, ২০১৬ ও ২০১৭ সালে। ২০১৪ সালে বান্দরবনের নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবি সদস্যকে হত্যা করে লাশ নিয়ে যাওয়ার দুঃসাহস দেখায় মিয়ানমার। ২০১৯ ও ২০২০ সালে সেন্টমার্টিনকে নিজেদের অংশ দেখায় দেশটি। আর গত এক মাসে বেশ কয়েকবার মিয়ানমারের ছোডা মর্টারশেল ও গোলা বারুদ পড়েছে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে।

এদিকে গত শুক্রবার বিকালে মিয়ানমার থেকে ছোড়া আরও একটি গোলা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এসে পড়েছে। এটি তৃতীয় দফায় আসা গোলা। বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডেও তুমব্রু ঘোনারপাড়া নামক এলাকায় এটি পড়ে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এর আগে গত ২৮ আগস্ট মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নিক্ষিপ্ত দুটি মর্টারশেলের গোলা একই ইউনিয়নের তুমব্রু উত্তরপাড়া জামে মসজিদ এলাকায় এসে পড়ে। সেগুলো বিস্ফোরিত না হওয়ায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। পরে ৩ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৯টায় যুদ্ধবিমান থেকে ফায়ার করা দুটি গোলা ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রেজু আমতলী বিজিবি বিওপি আওতাধীন সীমান্ত পিলার ৪০-৪১ এর মাঝামাঝি এলাকায় পড়ে।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, তুমব্রু পশ্চিমকুল সীমান্তে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে খনন করা হয়েছে বাংকার, রাখা হচ্ছে ভারী অস্ত্র। যা দেখা যায় তুমব্রু পশ্চিমকুল সীমান্তে বাংলাদেশের অভ্যন্তর থেকে। তবে এ বাংকার এখন গাছপালা দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। সেখানে ওঠানামা করছে মিয়ানমারের সেনারা। আর মাঝে মধ্যে এই বাংকার থেকে ছোড়া হয় গোলা।

সীমান্তে মিয়ানমারে গোলাগুলি সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল সাংবাদিকদের বলেন, মিয়ানমার সীমান্ত ক্রস করে কয়েকটি গোলা আমাদের সীমান্তের কাছাকাছি এসে পড়েছে। এ জন্য আমরা মিয়ানমারকে প্রতিবাদ জানিয়েছি। আমাদের বিজিবি তাদের বিজিপির কাছে প্রতিবাদ পাঠিয়েছে। আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ম্যাসেজ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা রাষ্ট্রীয় এবং সব পর্যায়ে এর প্রতিবাদ করছি। আমরা মনে করি, এ ধরনের গোলা যেন না আসে সে ব্যাপারে মিয়ানমার সংযত হবে। কোনো গোলা যেন আর আমাদের সীমান্ত এলাকায় এসে না পড়ে, সে জন্য খেয়াল রাখার জন্য তাদের বলা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এরপর যদি আবারও ঘটে, পরবর্তীতে কি ব্যবস্থা নেওয়া হবেÑ তখনই এ বিষয়টি সম্পর্কে আপনাদের (সাংবাদিকদের) জানানো হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, সীমান্তে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে লড়ছে। এর ফলে কিছু গোলা বাংলাদেশে অভ্যন্তরে পড়ছে। একটি স্বাধীন-সার্বভৌম দেশের ভিতর গোলা এসে পড়তে পারে না। এ জন্যই আমাদের প্রতিবাদ জানাতেই হবে।
রোহিঙ্গা প্রবেশের আশঙ্কা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সন্দেহে যে কোনো কিছু করা যেতে পারে। আপাতভাবে আমরা দেখতে পাচ্ছি তারা যুদ্ধ করছে, আমাদের ভিতরে মাঝে মধ্যে গোলা এসে পড়ছে। এটিতে তাদের আরো সতর্ক হতে হবে। বাংলাদেশের সব সময় খেয়াল রাখতে হবে এতে উদ্দেশ্যমূলক কোনো কিছু আছে কিনা। কোনো কিছু পেলেই আমাদের আরও তৎপর হতে হবে। কারণ আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের কোনো হানি কেউ ঘটাক, সেটা আমরা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না।

Tag :

প্রতিমায় রং তুলির আঁচড়ে ব্যস্ত কারিগররা

রোহিঙ্গা তাড়াতে নতুন ফাঁদ

প্রকাশের সময় : ১০:০২:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২

বাংলাদেশ সীমান্তে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে প্রতিদিনই আকাশে উড়ছে হেলিকপ্টার। বাংকার থেকে ছোড়া গোলার বিকট শব্দে কাঁপছে এপারে নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু, বাইশাফাড়ি, রেজু গর্জনবনিয়া, আমতলিসহ পুরো সীমান্ত এলাকা। মাঝে মাঝেই মিয়ানমার থেকে ছোড়া গোলা, মর্টার শেল এসে পড়ছে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন নো ম্যান্স ল্যান্ডে আশ্রিত সাড়ে চার হাজার রোহিঙ্গাসহ স্থানীয় বাসিন্দারা। ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তিন দফা তলব করে প্রতিবাদ জানানো হলেও থামেনি তাদের আগ্রাসী তৎপরতা। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে নতুন করে রোহিঙ্গা ঢলেরও আশঙ্কা বাড়ছে।

জানা গেছে, বিদ্রোহী দমনের নামে কৌশলে রোহিঙ্গাদের আরাকান রাজ্য থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে মিয়ানমার। ইতোমধ্যে মিয়ানমারের বুচিদং এলাকার একাধিক গ্রামে রোহিঙ্গাদের এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি নতুন করে বাড়িঘরে আগুন দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় সীমান্ত সিলগালাসহ যে কোনো ধরনের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি। বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি।

সূত্র জানায়, ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে ঢাকা। ২০১৭ সালের মতো ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেবে না বাংলাদেশ এমন স্পষ্ঠ বার্তা দেওয়া হয়েছে। নেপিদোর বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে ঢাকার উদ্বেগের বিষয়টি শক্তভাবে জানিয়েছে বাংলাদেশ। ঢাকায় বিদেশি মিশনগুলোকেও জানানো হয়েছে যে একজন রোহিঙ্গাকেও আর নেবে না বাংলাদেশ। বরং যত দ্রুত সম্ভব বাংলাদেশে আশ্রিত
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে নজর ঢাকার। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কোনো ধরনের উসকানিতে পা না দিয়ে বাংলাদেশকে কূটনৈতিকভাবে আগাতে হবে।

প্রতিবেশ ভারত ছাড়া কেবল মিয়ানমারের সঙ্গে স্থলসীমান্ত রয়েছে বাংলাদেশের। সেই সীমান্তে থেমে থেমে নানা উত্তেজনা বহু বছর ধরে চলে আসছে। ২০০৭ সালে সেন্টমার্র্টিনে ঢুকে পড়েছিল মিয়ানমারের দুটি যুদ্ধজাহাজ। ২০১১ সালে বাংলাদেশ সীমান্তে ঢুকে অস্ত্রসহ বিজিবি সদস্যকে অপহরণ করে তারা। বান্দরবনের থানচিতে মর্টারশেল ও গুলি পড়ে ২০১২, ২০১৬ ও ২০১৭ সালে। ২০১৪ সালে বান্দরবনের নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবি সদস্যকে হত্যা করে লাশ নিয়ে যাওয়ার দুঃসাহস দেখায় মিয়ানমার। ২০১৯ ও ২০২০ সালে সেন্টমার্টিনকে নিজেদের অংশ দেখায় দেশটি। আর গত এক মাসে বেশ কয়েকবার মিয়ানমারের ছোডা মর্টারশেল ও গোলা বারুদ পড়েছে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে।

এদিকে গত শুক্রবার বিকালে মিয়ানমার থেকে ছোড়া আরও একটি গোলা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এসে পড়েছে। এটি তৃতীয় দফায় আসা গোলা। বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডেও তুমব্রু ঘোনারপাড়া নামক এলাকায় এটি পড়ে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এর আগে গত ২৮ আগস্ট মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নিক্ষিপ্ত দুটি মর্টারশেলের গোলা একই ইউনিয়নের তুমব্রু উত্তরপাড়া জামে মসজিদ এলাকায় এসে পড়ে। সেগুলো বিস্ফোরিত না হওয়ায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। পরে ৩ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৯টায় যুদ্ধবিমান থেকে ফায়ার করা দুটি গোলা ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রেজু আমতলী বিজিবি বিওপি আওতাধীন সীমান্ত পিলার ৪০-৪১ এর মাঝামাঝি এলাকায় পড়ে।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, তুমব্রু পশ্চিমকুল সীমান্তে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে খনন করা হয়েছে বাংকার, রাখা হচ্ছে ভারী অস্ত্র। যা দেখা যায় তুমব্রু পশ্চিমকুল সীমান্তে বাংলাদেশের অভ্যন্তর থেকে। তবে এ বাংকার এখন গাছপালা দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। সেখানে ওঠানামা করছে মিয়ানমারের সেনারা। আর মাঝে মধ্যে এই বাংকার থেকে ছোড়া হয় গোলা।

সীমান্তে মিয়ানমারে গোলাগুলি সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল সাংবাদিকদের বলেন, মিয়ানমার সীমান্ত ক্রস করে কয়েকটি গোলা আমাদের সীমান্তের কাছাকাছি এসে পড়েছে। এ জন্য আমরা মিয়ানমারকে প্রতিবাদ জানিয়েছি। আমাদের বিজিবি তাদের বিজিপির কাছে প্রতিবাদ পাঠিয়েছে। আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ম্যাসেজ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা রাষ্ট্রীয় এবং সব পর্যায়ে এর প্রতিবাদ করছি। আমরা মনে করি, এ ধরনের গোলা যেন না আসে সে ব্যাপারে মিয়ানমার সংযত হবে। কোনো গোলা যেন আর আমাদের সীমান্ত এলাকায় এসে না পড়ে, সে জন্য খেয়াল রাখার জন্য তাদের বলা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এরপর যদি আবারও ঘটে, পরবর্তীতে কি ব্যবস্থা নেওয়া হবেÑ তখনই এ বিষয়টি সম্পর্কে আপনাদের (সাংবাদিকদের) জানানো হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, সীমান্তে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে লড়ছে। এর ফলে কিছু গোলা বাংলাদেশে অভ্যন্তরে পড়ছে। একটি স্বাধীন-সার্বভৌম দেশের ভিতর গোলা এসে পড়তে পারে না। এ জন্যই আমাদের প্রতিবাদ জানাতেই হবে।
রোহিঙ্গা প্রবেশের আশঙ্কা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সন্দেহে যে কোনো কিছু করা যেতে পারে। আপাতভাবে আমরা দেখতে পাচ্ছি তারা যুদ্ধ করছে, আমাদের ভিতরে মাঝে মধ্যে গোলা এসে পড়ছে। এটিতে তাদের আরো সতর্ক হতে হবে। বাংলাদেশের সব সময় খেয়াল রাখতে হবে এতে উদ্দেশ্যমূলক কোনো কিছু আছে কিনা। কোনো কিছু পেলেই আমাদের আরও তৎপর হতে হবে। কারণ আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের কোনো হানি কেউ ঘটাক, সেটা আমরা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না।