ঢাকা ০২:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

রাজধানীর রমনায় অনুষ্ঠিত হলো স্বেচ্ছাসেবী মিলনমেলা ২০২২

সাজেদুর আবেদীন শান্ত

করোনাকালিন সময়ে মানব সেবায় বিশেষ অবদান রাখায় ৬৪ জেলার স্বেচ্ছাসেবীদের নিয়ে স্বেচ্ছাসেবী মিলনমেলা ২০২২ অনুষ্ঠান উদযাপিত করে বাংলাদেশ মধ্যবিত্ত ফাউন্ডেশন। শুক্রবার বেলা ১০ টায় রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউট হলরুমে উদযাপন করা হয়।

বাংলাদেশ মধ্যবিত্ত ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা নজরুল ইসলাম শুভ রাজের সভাপতিত্বে ও এসএম আব্দুর রহিমের সঞ্চলনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শরিয়তপুর ৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ মধ্যবিত্ত ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা নাহিম রাজ্জাক এমপি। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মানবিক পুলিশ সদস্য শওকত হোসেন পিপিএম। আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রক্তদাতা জাভেদ নাসিমসহ ৬৪ জেলা থেকে আগত অতিথিবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শরিয়তপুর ৩ আসনের সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক বলেন, ‘স্বেচ্ছাসেবীরা নিজের খেয়ে বনের মহিষ তারায়। তারা সবসময় চেষ্টা করে অন্যের জন্য ভালো কিছু করার। তেমনি বাংলাদেশ মধ্যবিত্ত ফাউন্ডেশন। তারা করোনাকালীন সময়ে যে কাজগুলো করেছে সত্যি প্রশংসনীয়। আমি চাই তাদের এই ভালো কাজের ধারা অব্যাহত রাখবে। সেই সাথে দেশে জঙ্গিবাদ রুখতে ও মাদক নির্মুলে কাজ করে যাবে’।

এসময়ে রক্তদানে ও সামাজিক কাজে বিশেষ অবদানের জন্য বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তিদেরকে সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

মানবিক পুলিশ ও বেওয়ারিশ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠা শওকত পিপিএম বলেন, ‘এরকম ৬৪ জেলার স্বেচ্ছাসেবীদের নিয়ে এ রকম একটা আয়োজন দেখে খুবই ভালো লাগলো। আগে স্বেচ্ছাসেবীরা জেলা পর্যায়ে মিলনমেলা করত। এখন জাতীয় পর্যায়ে করে। আশাকরি একদিন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বেচ্ছাসেবী ভাইরা অনুষ্ঠান করবে। সেদিন আর বেশি দূরে নেই’।

বাংলাদেশ মধ্যবিত্ত ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠা নজরুল ইসলাম শুভরাজ বলেন, ‘আমরা করনোর সময়ে সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি ভালো কাজ করার। মানুষের পাশে দাঁড়ানোর, জানিনা কতটুক সফল হয়েছি। তবে আমাদের ডাকে আজ বাংলাদেশের ৬৪ জেলা সেচ্ছাসেবীরা এসেছে এদেখে সত্যি আমার ভালো লাগছে। আমরা আশাকরি আপনারাও সবসময় আর্ত অসহায় মানুষদের সেবা করার চেষ্টা করবেন। সমাজের অবহেলিত মানুষদের প্রতি নজর দিবেন’।

স্বেচ্ছাসেবী মিলনমেলা উপলক্ষে সারাদিন ছিলো নানা আয়োজন। নাচ, গান, বিভিন্ন কুইজ প্রতিযোগিতা ও লটারির আয়োজন করে বিজয়ীদের পুরুষ্কার তুলে দেওয়া হয়। শেষে বাংলার মিস্টারবিন খ্যাত রাশেদ শিকদারের জাদু দেখানোর মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি হয়।

Tag :
জনপ্রিয়

তেলের মূল্যসীমা নির্ধারণে ইইউ ও জি-৭-এর সিদ্ধান্তের নিন্দা রাশিয়ার

রাজধানীর রমনায় অনুষ্ঠিত হলো স্বেচ্ছাসেবী মিলনমেলা ২০২২

প্রকাশের সময় : ১০:৪২:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২

সাজেদুর আবেদীন শান্ত

করোনাকালিন সময়ে মানব সেবায় বিশেষ অবদান রাখায় ৬৪ জেলার স্বেচ্ছাসেবীদের নিয়ে স্বেচ্ছাসেবী মিলনমেলা ২০২২ অনুষ্ঠান উদযাপিত করে বাংলাদেশ মধ্যবিত্ত ফাউন্ডেশন। শুক্রবার বেলা ১০ টায় রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউট হলরুমে উদযাপন করা হয়।

বাংলাদেশ মধ্যবিত্ত ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা নজরুল ইসলাম শুভ রাজের সভাপতিত্বে ও এসএম আব্দুর রহিমের সঞ্চলনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শরিয়তপুর ৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ মধ্যবিত্ত ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা নাহিম রাজ্জাক এমপি। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মানবিক পুলিশ সদস্য শওকত হোসেন পিপিএম। আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রক্তদাতা জাভেদ নাসিমসহ ৬৪ জেলা থেকে আগত অতিথিবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শরিয়তপুর ৩ আসনের সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক বলেন, ‘স্বেচ্ছাসেবীরা নিজের খেয়ে বনের মহিষ তারায়। তারা সবসময় চেষ্টা করে অন্যের জন্য ভালো কিছু করার। তেমনি বাংলাদেশ মধ্যবিত্ত ফাউন্ডেশন। তারা করোনাকালীন সময়ে যে কাজগুলো করেছে সত্যি প্রশংসনীয়। আমি চাই তাদের এই ভালো কাজের ধারা অব্যাহত রাখবে। সেই সাথে দেশে জঙ্গিবাদ রুখতে ও মাদক নির্মুলে কাজ করে যাবে’।

এসময়ে রক্তদানে ও সামাজিক কাজে বিশেষ অবদানের জন্য বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তিদেরকে সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

মানবিক পুলিশ ও বেওয়ারিশ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠা শওকত পিপিএম বলেন, ‘এরকম ৬৪ জেলার স্বেচ্ছাসেবীদের নিয়ে এ রকম একটা আয়োজন দেখে খুবই ভালো লাগলো। আগে স্বেচ্ছাসেবীরা জেলা পর্যায়ে মিলনমেলা করত। এখন জাতীয় পর্যায়ে করে। আশাকরি একদিন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বেচ্ছাসেবী ভাইরা অনুষ্ঠান করবে। সেদিন আর বেশি দূরে নেই’।

বাংলাদেশ মধ্যবিত্ত ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠা নজরুল ইসলাম শুভরাজ বলেন, ‘আমরা করনোর সময়ে সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি ভালো কাজ করার। মানুষের পাশে দাঁড়ানোর, জানিনা কতটুক সফল হয়েছি। তবে আমাদের ডাকে আজ বাংলাদেশের ৬৪ জেলা সেচ্ছাসেবীরা এসেছে এদেখে সত্যি আমার ভালো লাগছে। আমরা আশাকরি আপনারাও সবসময় আর্ত অসহায় মানুষদের সেবা করার চেষ্টা করবেন। সমাজের অবহেলিত মানুষদের প্রতি নজর দিবেন’।

স্বেচ্ছাসেবী মিলনমেলা উপলক্ষে সারাদিন ছিলো নানা আয়োজন। নাচ, গান, বিভিন্ন কুইজ প্রতিযোগিতা ও লটারির আয়োজন করে বিজয়ীদের পুরুষ্কার তুলে দেওয়া হয়। শেষে বাংলার মিস্টারবিন খ্যাত রাশেদ শিকদারের জাদু দেখানোর মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি হয়।