ঢাকা ০৮:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

টঙ্গীবাড়ীতে বজ্রপাতে ৩ ভাই-বোনের মৃত্যু

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার ধামারন গ্রামে বিলের মধ্যে শাপলা তুলতে গিয়ে বজ্রপাতে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তারা হলো, রবিউল, সানজিদা ও রামিম। তাদের বয়স ১০ থেকে ১২ বছরের মধ্যে।

এদের মধ্যে সানজিদা ও রামিম নানি বাড়ি বেড়াতে এসেছিল। তারা সম্পর্কে খালাতো ভাই ও বোন‌। অপর শিশু নিহত রবিউল, সানজিদা ও রামিমের মামাতো ভাই হয়। রবিউল ধামারন গ্রামের মমিন আলীর ছেলে।

স্থানীয় নজরুল ইসলাম বেপারী ঢাকা পোস্টকে বলেন, সানজিদা টঙ্গীবাড়ি উপজেলার সোনারং গ্রামের সাইফুল মোল্লার মেয়ে এবং রামিম একই গ্রামের কামালের ছেলে। সানজিদা ও রামিম স্থানীয় মাদরাসায় পড়ে। মাদরাসার ছুটিতে তারা গত বৃহস্পতিবার ধামারন গ্রামে মামা মমিন আলী বেপারীর বাড়িতে বেড়াতে আসে।

পরে শনিবার দুপুর ১টার দিকে রবিউল, সানজিদা ও রামিমসহ অপর আরেক শিশু বাড়ির পাশের বিলে শাপলা তুলতে যায়। দুপুর দেড়টার দিকে বজ্রপাতে ওই ৪ শিশু সেখানে আহত হয়। পরে ৩ শিশুকে মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক এসএম ফেরদৌস বলেন, দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে তিন শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তিনি শিশুই মৃত ছিল।

বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করে ওই এলাকার কে. শিমুলিয়া ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান বলেন, আমার এলাকায় বজ্রপাতে ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তাদের লাশ সদর হাসপাতালে রয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয়

সংবাদ প্রকাশের জেরে তিন সাংবাদিকসহ ৫জনের নামে চোরাকারবারির মামলা

টঙ্গীবাড়ীতে বজ্রপাতে ৩ ভাই-বোনের মৃত্যু

প্রকাশের সময় : ১০:২১:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার ধামারন গ্রামে বিলের মধ্যে শাপলা তুলতে গিয়ে বজ্রপাতে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তারা হলো, রবিউল, সানজিদা ও রামিম। তাদের বয়স ১০ থেকে ১২ বছরের মধ্যে।

এদের মধ্যে সানজিদা ও রামিম নানি বাড়ি বেড়াতে এসেছিল। তারা সম্পর্কে খালাতো ভাই ও বোন‌। অপর শিশু নিহত রবিউল, সানজিদা ও রামিমের মামাতো ভাই হয়। রবিউল ধামারন গ্রামের মমিন আলীর ছেলে।

স্থানীয় নজরুল ইসলাম বেপারী ঢাকা পোস্টকে বলেন, সানজিদা টঙ্গীবাড়ি উপজেলার সোনারং গ্রামের সাইফুল মোল্লার মেয়ে এবং রামিম একই গ্রামের কামালের ছেলে। সানজিদা ও রামিম স্থানীয় মাদরাসায় পড়ে। মাদরাসার ছুটিতে তারা গত বৃহস্পতিবার ধামারন গ্রামে মামা মমিন আলী বেপারীর বাড়িতে বেড়াতে আসে।

পরে শনিবার দুপুর ১টার দিকে রবিউল, সানজিদা ও রামিমসহ অপর আরেক শিশু বাড়ির পাশের বিলে শাপলা তুলতে যায়। দুপুর দেড়টার দিকে বজ্রপাতে ওই ৪ শিশু সেখানে আহত হয়। পরে ৩ শিশুকে মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক এসএম ফেরদৌস বলেন, দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে তিন শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তিনি শিশুই মৃত ছিল।

বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করে ওই এলাকার কে. শিমুলিয়া ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান বলেন, আমার এলাকায় বজ্রপাতে ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তাদের লাশ সদর হাসপাতালে রয়েছে।