ঢাকা ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২, ১৫ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

দৌলতপুরে আদাবাড়ীয়া ও প্রাগপুর ইউনিয়নে মাদক ব্যবসা চরমে ক্যাম্প ইনচার্জের ভূমিকা প্রশ্নবৃদ্ধ

কুষ্টিয়া দৌলতপুর প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার তেকালা পুলিশ ক্যাম্পে এস আই জিয়া যোগাদান করেন প্রায় ৮ মাস আগে। যোগদানের পরে প্রায় ১ মাস ব্যাপক মাদক উদ্ধার ও মালমলা হলেও, প্রায় ৬ মাসে মাদক উদ্ধারের সন্তোষজনক মামলা হয়নাই বলে জানান এলাকাবাসী।

কিন্তু পরবর্তী ছয় মাসে উল্লেখযোগ্য কোন মাদক উদ্ধার ও মামলা হয়নাই ক্যাম্প থেকে।
এ বিষয়ে আদাবাড়ীয়া ইউনিয়নের সচেতন এলাকাবাসী বলেন , ধর্মদহ সিমান্তে প্রায় ৫ মাস যাবৎ মাদকের ব্যবসা চরমে। এমন ব্যবসা ও মাদক ব্যবসায়ীদের খোলামেলা চলা ফেরা আমরা দেখিনাই বিগত দিনে। আমরা ক্যাম্প পুলিশকে তথ্য দিলেও পুলিশ কোন কাজ করেনা। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ধ্বংসের মুখে চলে যাবে।

কেন এলাকাবাসীর এমন কথা শুনছে এ বিষয়ে অনুসন্ধানে গেলে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকের লেবার নাম পরিচয় ও কথোপকথন রেকর্ড না করার শর্তে বলেন, আপনি যদি কাজ কররান তাহলে আমরা মাদকের বড় চালান সম্পর্কে তথ্য দিবো। প্রতিবেদক তখন বলেন কেন ক্যাম্প ইনচার্জ এস আই জিয়া কে দিয়ে কাজ করানো যাবেনা। তখন মাদকের লেবার বলেন না না ওকে দিয়ে কাজ করালে আমি ঐ সবের ভিতরে যাবোনা। প্রশ্ন কারন কি? তখন লেবার হেসে বলেন মাসি করা ভাই, প্রতি মাসে ২ লক্ষ টাকা দেয় মাদক ব্যবসায়ীরা। লাইন ক্লিয়ার দেওয়ার জন্য জিয়া অধিকাংশ সময় ডাংমড়কা সেন্টার মোড় অথবা বাজারে বসে থাকে যাতে অন্য কোন পুলিশ এই এলাকায় ঢুকলে সে খবর দিতে পারে । এছাড়াও আমি একটি মাদকের বড় চালান ধরিয়ে দেয়ার জন্য এস আই জিয়া কে ফোন দিয়েছিলাম। আমি ঐ চালানের একজন লেবার ছিলাম সেখানে প্রায় ১ হাজার ফেন্সিডিল ছিল। আমি জিয়াকে ফোন দেওয়ার ১০ মিনিট পরে মালের মালিক আমাকে ফোন করে বলে কিরে তুই জিয়াকে ফোন দিলি কেন পরে সেখান থেকে কোন রকম প্রান নিয়ে ফিরেছি ভাই। জিয়া না আপনি যদি পারেন জিয়া না অন্য ভালো কোন অফিসার দেন আমি কাজ দিচ্ছি।

তিনি আর বলেন গত মঙ্গলবারে ধর্মদহ ঈদগা মাঠ থেকে ছোট বাবুর কাছ থেকে ক্রয় কৃত জামালপুরের লোকের ৭ শত বতল ফেন্সিডিল মেরে নিলেও থানায় কোন মামলা হয় নাই।

নাম প্রাকাশে অনিচ্ছুক অনেক ব্যক্তি জানান, গত ২৭ /৮/২০২২ ইংরেজি তারিখ রাত ডিজিটি ক্লিনিকের সামনে থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২ পেটি সোমান ৮ কেজি গাঁজা ও একটি ছাতা ও একটি হাসুয়া উদ্ধার ও ২৮/৮/২০২২ ইংরেজি তারিখ রাত অনুমানিক ২ টার পরে চেয়ারম্যান আব্দুল হেল বাকির বাড়ির দক্ষিণের মাঠ থেকে ৩ শত পিচ ফেনসিডিল উদ্ধার করে সেখানে থাকা সোর্স ৪ বতল খেয়ে ফেলে। ২৯৬ বতল দর্গা এলাকার কিসমতের কাছে বিক্রয় করেছে।

৪/৯/২০২২ ইংরেজি তারিখ সকাল ৮ টার পরে ডি জি টি বাজার হতে ধর্মদহ জিরো পয়েন্টে যেতে বিটের কাছ থেকে মোটরসাইকেল ও দুই জন ব্যক্তিকে ১ শত ৫০ বতল ফেন্সিডিল সহ আটক করলেও কোন মামলা হয়নাই।

এ বিষয়ে এস আই জিয়া কাছে জানতে চাইলে সকল বিষয় তিনি অস্বীকার করেন।

এ বিষয়ে দৌলতপুর থানা অফিসার ইনচার্জ জাবীদ হাসান কে একাধিক বার ফোন দিলেও তিনি ফোন কল ধরেন নাই।

Tag :
জনপ্রিয়

হোসেনপুর বাজার সনাতন ধর্মাবলম্বী ব্যাবসায়িকদের উদ্যোগে বস্ত্র বিতরণ

দৌলতপুরে আদাবাড়ীয়া ও প্রাগপুর ইউনিয়নে মাদক ব্যবসা চরমে ক্যাম্প ইনচার্জের ভূমিকা প্রশ্নবৃদ্ধ

প্রকাশের সময় : ১০:৫৭:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২২

কুষ্টিয়া দৌলতপুর প্রতিনিধি

কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার তেকালা পুলিশ ক্যাম্পে এস আই জিয়া যোগাদান করেন প্রায় ৮ মাস আগে। যোগদানের পরে প্রায় ১ মাস ব্যাপক মাদক উদ্ধার ও মালমলা হলেও, প্রায় ৬ মাসে মাদক উদ্ধারের সন্তোষজনক মামলা হয়নাই বলে জানান এলাকাবাসী।

কিন্তু পরবর্তী ছয় মাসে উল্লেখযোগ্য কোন মাদক উদ্ধার ও মামলা হয়নাই ক্যাম্প থেকে।
এ বিষয়ে আদাবাড়ীয়া ইউনিয়নের সচেতন এলাকাবাসী বলেন , ধর্মদহ সিমান্তে প্রায় ৫ মাস যাবৎ মাদকের ব্যবসা চরমে। এমন ব্যবসা ও মাদক ব্যবসায়ীদের খোলামেলা চলা ফেরা আমরা দেখিনাই বিগত দিনে। আমরা ক্যাম্প পুলিশকে তথ্য দিলেও পুলিশ কোন কাজ করেনা। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ধ্বংসের মুখে চলে যাবে।

কেন এলাকাবাসীর এমন কথা শুনছে এ বিষয়ে অনুসন্ধানে গেলে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকের লেবার নাম পরিচয় ও কথোপকথন রেকর্ড না করার শর্তে বলেন, আপনি যদি কাজ কররান তাহলে আমরা মাদকের বড় চালান সম্পর্কে তথ্য দিবো। প্রতিবেদক তখন বলেন কেন ক্যাম্প ইনচার্জ এস আই জিয়া কে দিয়ে কাজ করানো যাবেনা। তখন মাদকের লেবার বলেন না না ওকে দিয়ে কাজ করালে আমি ঐ সবের ভিতরে যাবোনা। প্রশ্ন কারন কি? তখন লেবার হেসে বলেন মাসি করা ভাই, প্রতি মাসে ২ লক্ষ টাকা দেয় মাদক ব্যবসায়ীরা। লাইন ক্লিয়ার দেওয়ার জন্য জিয়া অধিকাংশ সময় ডাংমড়কা সেন্টার মোড় অথবা বাজারে বসে থাকে যাতে অন্য কোন পুলিশ এই এলাকায় ঢুকলে সে খবর দিতে পারে । এছাড়াও আমি একটি মাদকের বড় চালান ধরিয়ে দেয়ার জন্য এস আই জিয়া কে ফোন দিয়েছিলাম। আমি ঐ চালানের একজন লেবার ছিলাম সেখানে প্রায় ১ হাজার ফেন্সিডিল ছিল। আমি জিয়াকে ফোন দেওয়ার ১০ মিনিট পরে মালের মালিক আমাকে ফোন করে বলে কিরে তুই জিয়াকে ফোন দিলি কেন পরে সেখান থেকে কোন রকম প্রান নিয়ে ফিরেছি ভাই। জিয়া না আপনি যদি পারেন জিয়া না অন্য ভালো কোন অফিসার দেন আমি কাজ দিচ্ছি।

তিনি আর বলেন গত মঙ্গলবারে ধর্মদহ ঈদগা মাঠ থেকে ছোট বাবুর কাছ থেকে ক্রয় কৃত জামালপুরের লোকের ৭ শত বতল ফেন্সিডিল মেরে নিলেও থানায় কোন মামলা হয় নাই।

নাম প্রাকাশে অনিচ্ছুক অনেক ব্যক্তি জানান, গত ২৭ /৮/২০২২ ইংরেজি তারিখ রাত ডিজিটি ক্লিনিকের সামনে থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২ পেটি সোমান ৮ কেজি গাঁজা ও একটি ছাতা ও একটি হাসুয়া উদ্ধার ও ২৮/৮/২০২২ ইংরেজি তারিখ রাত অনুমানিক ২ টার পরে চেয়ারম্যান আব্দুল হেল বাকির বাড়ির দক্ষিণের মাঠ থেকে ৩ শত পিচ ফেনসিডিল উদ্ধার করে সেখানে থাকা সোর্স ৪ বতল খেয়ে ফেলে। ২৯৬ বতল দর্গা এলাকার কিসমতের কাছে বিক্রয় করেছে।

৪/৯/২০২২ ইংরেজি তারিখ সকাল ৮ টার পরে ডি জি টি বাজার হতে ধর্মদহ জিরো পয়েন্টে যেতে বিটের কাছ থেকে মোটরসাইকেল ও দুই জন ব্যক্তিকে ১ শত ৫০ বতল ফেন্সিডিল সহ আটক করলেও কোন মামলা হয়নাই।

এ বিষয়ে এস আই জিয়া কাছে জানতে চাইলে সকল বিষয় তিনি অস্বীকার করেন।

এ বিষয়ে দৌলতপুর থানা অফিসার ইনচার্জ জাবীদ হাসান কে একাধিক বার ফোন দিলেও তিনি ফোন কল ধরেন নাই।