ঢাকা ০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

একসঙ্গে পরিবারের ৫ জনকে হারিয়ে নির্বাক শান্তি বানু

আকস্মিক বজ্রপাতে স্বামী, সন্তান, জামাতা, নাতি ও দেবরকে হারিয়ে শোকে স্তব্ধ ও নির্বাক হয়ে পড়েছেন শান্তি বানু (৬৪)। শুধু শান্তি বানুই নন, তাদের পরিবারের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো গ্রাম। আত্মীয়-স্বজনরা সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করলেও থামছে না স্বজনহারা পরিবারের কান্না। একসঙ্গে সবাইকে হারিয়ে পরিবারের সদস্যরা যেন পাগলপ্রায়। বার বার বলছেন, আমাদের পরিবারের সবাইকে এনে দাও। কান্না করতে গিয়ে কিছু সময় পর পর জ্ঞান হারিয়ে ফেলছেন শমসেরের স্ত্রী, মেয়ে ও নানি।

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার পঞ্চকোশী ইউনিয়নের মাটিকোড়া গ্রামে ছেলে, ভাই, জামাতা ও নাতিকে নিয়ে মাঠে কাজ করতে গিয়েছিলেন শমসের আলী (৬৫)। হঠাৎ বৃষ্টির সঙ্গে আকস্মিক বজ্রপাতে শমসেরসহ প্রাণ হারিয়েছেন তার পরিবারের পাঁচ সদস্যই। একই পরিবারের পাঁচজনের মৃত্যুতে নির্বাক শিবপুর গ্রামবাসী। পুরো গ্রামজুড়ে বিরাজ করছে শোকের ছায়া।

শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলার উল্লাপাড়া পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের শিবপুর গ্রামে সরেজমিনে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা যায়।

শিবপুর গ্রামের মৃতরা হলেন- শমসের আলী (৬৫), তার ছোট ভাই আফছার আলী (৬০), ছোট ছেলে শাহিন মিয়া (৪০), জামাতা মোকাম মিয়া (৪৫), শমসের আলীর নাতি ও মোকাম মিয়ার ছেলে মোন্নাফ আলী (১৮)। এ ঘটনায় আহত শমসের আলীর বড় ছেলে জাহাঙ্গীর (২৭) বর্তমানে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শমসের আলীর পুত্রবধূ মনিজা খাতুন (৩০) বলেন, আমার স্বামী, শ্বশুর, চাচা শ্বশুরসহ পাঁচজন পাশের গ্রাম মাটিকোড়ায় আমন ধানের চারা কেনার জন্য গিয়েছিলেন। সেখানেই বজ্রপাতে আমাদের পরিবারের সবাই মারা গেছেন। এই মৃত্যু মেনে নেওয়া যায় না।

আফসারের ছোট মেয়ে নাজমা খাতুন বলেন, আমার বাপ-চাচারা গরিব মানুষ। অন্যের জমিতে চাষাবাদ করে আমাদের মানুষ করেছেন। বড় করে বিয়ে দিয়েছেন। মাঝে মধ্যে আমাদের দাওয়াত দিতেন। এখন আমাদের কেউ মা বলে ডাকবেন না এবং আমাদের আর বাড়িতে এসে ঘুরে যাওয়ার কথাও বলবেন না। আমার বাবা-চাচা ও ভাইকে কোথায় পাব, আপনারা আমার পরিবারকে এনে দেন বলেই বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ছেন তিনি।

অন্যদিকে বাবা ও ভাইকে হারিয়ে মোন্নাফের বড় বোন মইফুল খাতুন অবিরত বিলাপ করে চলেছেন। তিনি বলেন, ‘আমার ভাই লেখাপড়া করে নৌবাহিনীর বড় অফিসার হতে চেয়েছিল। ভাই তুই কোনে গেলি। আমাকে আর মইফুল আপা বলে ডাকবি না। ভাই তুই বলেছিস, আমার জন্য টাকা গুছিয়ে রাখিস। তুই এভাবে আমাদের রেখে যেতে পারিস না।’

আরও পড়ুন : উল্লাপাড়ায় জমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে ৯ জনের মৃত্যু

মুন্নাফ স্থানীয় খন্দকার আব্দুল মজিদ উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণিতে পড়াশোনা করতো। এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে নৌবাহিনীতে ঢুকতে চেয়েছিল মুন্নাফ। এমন কথা বলতে বলতে বার বার জ্ঞান হারিয়ে ফেলছেন তার বোন মইফুল। তার আহাজারিতে পুরো গ্রামসহ আশপাশের মানুষ যেন স্তব্ধ হয়ে গেছে।

স্বামী-সন্তান হারানো মোন্নাফের মা মর্জিনা বেগম বিলাপ করে বলে চলেছেন, আমার ছেলে আর আমাকে মা বলে ডাকবে না। তোমরা আমার ছেলেকে এনে দাও।

এদিকে মৃত আফসারের প্রতিবেশী আলেয়া বেগম বলেন, আফসারের মৃত্যুর খবর শুনে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন আফসারের বড় মেয়ে আসমা খাতুন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতাল থেকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে রয়েছে।

প্রতিবেশীরা বলছেন, পরিবারটি নিতান্তই গরিব। এরা দিন এনে দিন খাওয়া মানুষ। এখন পরিবারটি পুরুষ শূন্য হয়ে গেল। জানি না আগামী জীবন কীভাবে চলবে।

স্থানীয় বাসিন্দা রাবেয়া খাতুন বলেন, এক পরিবারের পাঁচজন মারা গেছেন। ওই পরিবারটি শেষ হয়ে গেল। এত লাশ আমরা কখনো এক সঙ্গে দেখিনি। ওই পরিবারের সদস্যরা দিন এনে দিন খেতো। এখন পরিবারটির কী হবে।

উল্লাপাড়া পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আজাদ হোসেন জানান, মৃতরা সবাই হতদরিদ্র। তারা অন্যের জমি বর্গা নিয়ে ভাই ও ছেলেরা চাষাবাদ করে সংসার চালাতো। কিন্তু বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) বজ্রপাতের ঘটনায় পরিবারের সবাই মারা গেছেন। বাকি একজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় বগুড়ায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। তিনি বেঁচে গেলেও তার অবস্থা ভালো না। একসঙ্গে পরিবারের পাঁচ সদস্যদের
মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আরও পড়ুন : বজ্রপাতে আপন দুই ভাই ও বাবা-ছেলেসহ একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু

উল্লাপাড়া পৌরসভার মেয়র এসএম নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ও বেদনাদায়ক। এক পরিবারের পাঁচজনের মৃত্যু স্বাভাবিকভাবে মেনে নেওয়া যায় না। খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। তিনটি সংসারের পাঁচজন এক সঙ্গে মারা গেছে। প্রত্যেক পরিবারকে নগদ ১০ হাজার করে টাকা দিয়েছি দাফন কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য। এ পরিবারটি একেবারেই অসহায় হয়ে পড়ল। সাধ্য অনুযায়ী আমরা তাদের পাশে থাকব।

বজ্রপাতের ঘটনায় দুটি গ্রাম পরিদর্শন করেছেন সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য তানভীর ইমাম। মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তাও করেছেন তিনি। এছাড়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মৃতদের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদানের ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গতকাল বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ৯ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে একদিকে যেমন একই পরিবারের পাঁচজন রয়েছেন, তেমনই একটি শিশু ও কিশোরীও রয়েছে। এ সময় আহত হন আরও পাঁচজন। যারা সবাই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

Tag :

প্রতিমায় রং তুলির আঁচড়ে ব্যস্ত কারিগররা

একসঙ্গে পরিবারের ৫ জনকে হারিয়ে নির্বাক শান্তি বানু

প্রকাশের সময় : ০৪:১৩:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকস্মিক বজ্রপাতে স্বামী, সন্তান, জামাতা, নাতি ও দেবরকে হারিয়ে শোকে স্তব্ধ ও নির্বাক হয়ে পড়েছেন শান্তি বানু (৬৪)। শুধু শান্তি বানুই নন, তাদের পরিবারের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো গ্রাম। আত্মীয়-স্বজনরা সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করলেও থামছে না স্বজনহারা পরিবারের কান্না। একসঙ্গে সবাইকে হারিয়ে পরিবারের সদস্যরা যেন পাগলপ্রায়। বার বার বলছেন, আমাদের পরিবারের সবাইকে এনে দাও। কান্না করতে গিয়ে কিছু সময় পর পর জ্ঞান হারিয়ে ফেলছেন শমসেরের স্ত্রী, মেয়ে ও নানি।

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার পঞ্চকোশী ইউনিয়নের মাটিকোড়া গ্রামে ছেলে, ভাই, জামাতা ও নাতিকে নিয়ে মাঠে কাজ করতে গিয়েছিলেন শমসের আলী (৬৫)। হঠাৎ বৃষ্টির সঙ্গে আকস্মিক বজ্রপাতে শমসেরসহ প্রাণ হারিয়েছেন তার পরিবারের পাঁচ সদস্যই। একই পরিবারের পাঁচজনের মৃত্যুতে নির্বাক শিবপুর গ্রামবাসী। পুরো গ্রামজুড়ে বিরাজ করছে শোকের ছায়া।

শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলার উল্লাপাড়া পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের শিবপুর গ্রামে সরেজমিনে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা যায়।

শিবপুর গ্রামের মৃতরা হলেন- শমসের আলী (৬৫), তার ছোট ভাই আফছার আলী (৬০), ছোট ছেলে শাহিন মিয়া (৪০), জামাতা মোকাম মিয়া (৪৫), শমসের আলীর নাতি ও মোকাম মিয়ার ছেলে মোন্নাফ আলী (১৮)। এ ঘটনায় আহত শমসের আলীর বড় ছেলে জাহাঙ্গীর (২৭) বর্তমানে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শমসের আলীর পুত্রবধূ মনিজা খাতুন (৩০) বলেন, আমার স্বামী, শ্বশুর, চাচা শ্বশুরসহ পাঁচজন পাশের গ্রাম মাটিকোড়ায় আমন ধানের চারা কেনার জন্য গিয়েছিলেন। সেখানেই বজ্রপাতে আমাদের পরিবারের সবাই মারা গেছেন। এই মৃত্যু মেনে নেওয়া যায় না।

আফসারের ছোট মেয়ে নাজমা খাতুন বলেন, আমার বাপ-চাচারা গরিব মানুষ। অন্যের জমিতে চাষাবাদ করে আমাদের মানুষ করেছেন। বড় করে বিয়ে দিয়েছেন। মাঝে মধ্যে আমাদের দাওয়াত দিতেন। এখন আমাদের কেউ মা বলে ডাকবেন না এবং আমাদের আর বাড়িতে এসে ঘুরে যাওয়ার কথাও বলবেন না। আমার বাবা-চাচা ও ভাইকে কোথায় পাব, আপনারা আমার পরিবারকে এনে দেন বলেই বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ছেন তিনি।

অন্যদিকে বাবা ও ভাইকে হারিয়ে মোন্নাফের বড় বোন মইফুল খাতুন অবিরত বিলাপ করে চলেছেন। তিনি বলেন, ‘আমার ভাই লেখাপড়া করে নৌবাহিনীর বড় অফিসার হতে চেয়েছিল। ভাই তুই কোনে গেলি। আমাকে আর মইফুল আপা বলে ডাকবি না। ভাই তুই বলেছিস, আমার জন্য টাকা গুছিয়ে রাখিস। তুই এভাবে আমাদের রেখে যেতে পারিস না।’

আরও পড়ুন : উল্লাপাড়ায় জমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে ৯ জনের মৃত্যু

মুন্নাফ স্থানীয় খন্দকার আব্দুল মজিদ উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণিতে পড়াশোনা করতো। এবার এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে নৌবাহিনীতে ঢুকতে চেয়েছিল মুন্নাফ। এমন কথা বলতে বলতে বার বার জ্ঞান হারিয়ে ফেলছেন তার বোন মইফুল। তার আহাজারিতে পুরো গ্রামসহ আশপাশের মানুষ যেন স্তব্ধ হয়ে গেছে।

স্বামী-সন্তান হারানো মোন্নাফের মা মর্জিনা বেগম বিলাপ করে বলে চলেছেন, আমার ছেলে আর আমাকে মা বলে ডাকবে না। তোমরা আমার ছেলেকে এনে দাও।

এদিকে মৃত আফসারের প্রতিবেশী আলেয়া বেগম বলেন, আফসারের মৃত্যুর খবর শুনে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন আফসারের বড় মেয়ে আসমা খাতুন। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতাল থেকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে রয়েছে।

প্রতিবেশীরা বলছেন, পরিবারটি নিতান্তই গরিব। এরা দিন এনে দিন খাওয়া মানুষ। এখন পরিবারটি পুরুষ শূন্য হয়ে গেল। জানি না আগামী জীবন কীভাবে চলবে।

স্থানীয় বাসিন্দা রাবেয়া খাতুন বলেন, এক পরিবারের পাঁচজন মারা গেছেন। ওই পরিবারটি শেষ হয়ে গেল। এত লাশ আমরা কখনো এক সঙ্গে দেখিনি। ওই পরিবারের সদস্যরা দিন এনে দিন খেতো। এখন পরিবারটির কী হবে।

উল্লাপাড়া পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আজাদ হোসেন জানান, মৃতরা সবাই হতদরিদ্র। তারা অন্যের জমি বর্গা নিয়ে ভাই ও ছেলেরা চাষাবাদ করে সংসার চালাতো। কিন্তু বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) বজ্রপাতের ঘটনায় পরিবারের সবাই মারা গেছেন। বাকি একজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় বগুড়ায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। তিনি বেঁচে গেলেও তার অবস্থা ভালো না। একসঙ্গে পরিবারের পাঁচ সদস্যদের
মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আরও পড়ুন : বজ্রপাতে আপন দুই ভাই ও বাবা-ছেলেসহ একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু

উল্লাপাড়া পৌরসভার মেয়র এসএম নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ও বেদনাদায়ক। এক পরিবারের পাঁচজনের মৃত্যু স্বাভাবিকভাবে মেনে নেওয়া যায় না। খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। তিনটি সংসারের পাঁচজন এক সঙ্গে মারা গেছে। প্রত্যেক পরিবারকে নগদ ১০ হাজার করে টাকা দিয়েছি দাফন কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য। এ পরিবারটি একেবারেই অসহায় হয়ে পড়ল। সাধ্য অনুযায়ী আমরা তাদের পাশে থাকব।

বজ্রপাতের ঘটনায় দুটি গ্রাম পরিদর্শন করেছেন সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য তানভীর ইমাম। মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তাও করেছেন তিনি। এছাড়া উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মৃতদের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদানের ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গতকাল বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ৯ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে একদিকে যেমন একই পরিবারের পাঁচজন রয়েছেন, তেমনই একটি শিশু ও কিশোরীও রয়েছে। এ সময় আহত হন আরও পাঁচজন। যারা সবাই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।