ঢাকা ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

নতুন মামলার জালে ফাঁসছে বিএনপি

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিসহ নানা ইস্যুতে গত ২২ আগস্ট থেকে রাজপথে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। তাদের এ কর্মসূচি ঘিরে সংঘাতময় হয়ে উঠেছে মাঠের রাজনীতি। দলটির অভিযোগ, রাজধানীতে বাঁধাহীন কর্মসূচি পালন করতে পারলেও জেলা-উপজেলা পর্যায়ে তাদের পদে পদে বাধা দেওয়া হচ্ছে। কখনো পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হচ্ছে; আবার কখনো সংঘর্ষ হচ্ছে আওয়ামী লীগের সঙ্গে। এতে হতাহতের ঘটনাও ঘটছে। এসব সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামিও করা হচ্ছে বিএনপি নেতাকমীদের। এভাবে পুরনো মামলার সঙ্গে নতুন মামলার জালে বিএনপি নেতাকর্মীরা আটকে যাচ্ছে বলে দলটির একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতা অভিযোগ করেছেন।

জানা গেছে, গত ২২ আগস্টের সহিংসতার পর দেশের বিভিন্ন থানায় বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে শতাধিক মামলা হয়েছে। আর এসব মামলায় আসামি করা হয়েছে ২৪ হাজার নেতাকর্মীকে। গ্রেপ্তার হয়েছেন দুই শতাধিক নেতাকর্মী। বিএনপির একাধিক সিনিয়র নেতা আমাদের সময়কে বলেছেন, সরকার পুলিশ দিয়ে বিএনপিকে দমন করতে চাচ্ছে। এ জন্য হামলা করা হচ্ছে। নতুন মামলার জালে আটকানোর চেষ্টা চলছে। গ্রেপ্তার আতঙ্কে আছেন তৃণমূল নেতাকর্মীরা। গ্রেপ্তার এড়াতে নেতাকর্মীরা আবার ঘরছাড়া হয়ে পড়েছেন।

চাপে পড়ছে। বিভিন্ন দাবি আদায়ে মাঠে নেমে কঠিন পরীক্ষা দিতে হচ্ছে দলটির নেতাকর্মীদের। এমন অবস্থার মধ্যেই রাজধানীর

১৬ পয়েন্টে সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। ফলে অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে সামনের দিনগুলোয় মাঠের রাজনীতি আরও সংঘাতময় হয়ে উঠতে পারে।

বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা জানান, তারা সরকারবিরোধী আন্দোলনের চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি করেছেন। আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশে তৃণমূল পুনর্গঠনেও ব্যাপক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিএনপি যখন আন্দোলনের প্রস্তুতি ও দল গোছানোর কাজ শুরু করেছে, ঠিক সেই মুহূর্তে নেতাকর্মীদের নতুন করে গ্রেপ্তার ও মামলার জালে আটকানো হচ্ছে। অনেক এলাকায় মামলার আগেই নেতাকর্মীদের আটক করা হয়েছে। এসব মামলায় বিএনপিকে জড়ানোর কৌশল হিসেবে অসংখ্য অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। যাদের নামে মামলা নেই, তাদেরও আটক করে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হচ্ছে। তৃণমূলের সক্রিয় নেতাকর্মীদের তালিকা করে তাদের বাসায় প্রতিদিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অভিযান চালাচ্ছেন।

এসব বিষয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আমাদের সময়কে বলেন, মামলা ও গ্রেপ্তারের জালে বিএনপিকে বন্দি করা আওয়ামী লীগের পুরনো অভ্যাস। এর আগেও সরকারবিরোধী আন্দোলন দমনে তারা মামলাকে বেছে নেয়। এসব মামলার বাস্তব কোনো ভিত্তি নেই। বিএনপিকে নির্মূল করাই সরকারের মূল উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, সরকার ভিন্নমত সহ্য করতে পারে না। তারা ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য হত্যা, হামলা, খুন, গুম সব মানবতাবিরোধী কাজগুলো তারা করে। আমরা ১২ বছর ধরে এ হামলা মামলার শিকার হচ্ছি। জনগণ আন্দোলনে সম্পৃক্ত হচ্ছে। নেতাকর্মীরাও হামলা-মামলা মোকাবিলা করেই সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

মামলা আইনগত মোকাবিলার ব্যাপারে তিনি বলেন, যেসব জেলায় মামলা হয়েছে, সেখানে বিএনপির লিগ্যাল এইড কমিটি কাজ করছে। আবার কেন্দ্র থেকেও লিগ্যাল এইড কমিটি কাজ করছে। আমরা মাঠ আর আইনগত দুদিক থেকে এ সবের মোকাবিলা করছি।

বিএনপির অভিযোগ, সারাদেশে গত ২২ আগস্ট থেকে বিএনপির কর্মসূচিতে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের হামলায় ৩ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ২ হাজার নেতাকর্মী। বিএনপির ৪ হাজার ৮১ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে। অজ্ঞাত আসামি প্রায় ২০ হাজার। ৫০টির বেশি বাড়িঘর ও ব্যসায়িক প্রতিষ্ঠানে হামলার অভিযোগও করা হয়েছে দলটির পক্ষ থেকে।

বিএনপির হিসাব অনুযায়ী, ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ২০২১ সালের জুন মাস পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সারাদেশে বিএনপি নেতাকর্মীর নামে এক লাখ সাত হাজার মামলা দিয়েছে। এসব মামলায় ৩৫ লাখ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কেন্দ্রীয় ও তৃণমূলের প্রায় সব নেতাই এসব মামলার আসামি। কারও কারও বিরুদ্ধে শতাধিক মামলাও রয়েছে। এখনো এসব মামলায় অনেকে কারাগারে। মামলায় হাজিরা দিতে প্রায় প্রতিদিন কেন্দ্রসহ তৃণমূল নেতাকর্মীদের আদালতের বারান্দায় ঘুরতে হচ্ছে। কেউ কেউ পরোয়ানা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। অনেক মামলার বিচারও শুরু হয়েছে। আবার পুরোনো অনেক মামলায় নেতাদের নামে পরোয়ানাও জারি হচ্ছে।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু আমাদের সময়কে বলেন, জ্বালানি তেল ও নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ইস্যুতে বিএনপির কর্মসূচিতে যখন জনসম্পৃক্ততা বাড়ছে, ঠিক তখনই সরকার তাদের মামলা, হামলা নির্যাতনের পুরনো কৌশল বেছে নিয়েছে। কিন্তু যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, তা মামলা হামলা দিয়ে দমানো যাবে না।

পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, আক্রান্ত হলে তখনই কেবল পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। যেসব জায়গায় বিএনপি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করেছে, সেখানে পুলিশ বাধা দেয়নি। কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে পুলিশকে প্রতিপক্ষ ভেবে আক্রমণ করায় আত্মরক্ষায় পুলিশ প্রতিরোধ গড়েছে। কিছু জায়গায় লাঠিপেটা ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করেছে। পুলিশের বিরুদ্ধে বিএনপির অভিযোগ রাজনৈতিক।

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল আমাদের সময়কে বলেন, ‘আমরা কারও নামে মিথ্যা কোনো মামলা দিচ্ছি না। কাউকে হয়রানিও করছি না। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে যেসব মামলা হচ্ছে, সেসব মামলায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’

Tag :
জনপ্রিয়

রসিক নির্বাচন ; আ’লীগের মেয়র প্রার্থী ডালিয়ার গণসংযোগ অনুষ্ঠিত

নতুন মামলার জালে ফাঁসছে বিএনপি

প্রকাশের সময় : ১১:১১:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিসহ নানা ইস্যুতে গত ২২ আগস্ট থেকে রাজপথে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। তাদের এ কর্মসূচি ঘিরে সংঘাতময় হয়ে উঠেছে মাঠের রাজনীতি। দলটির অভিযোগ, রাজধানীতে বাঁধাহীন কর্মসূচি পালন করতে পারলেও জেলা-উপজেলা পর্যায়ে তাদের পদে পদে বাধা দেওয়া হচ্ছে। কখনো পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হচ্ছে; আবার কখনো সংঘর্ষ হচ্ছে আওয়ামী লীগের সঙ্গে। এতে হতাহতের ঘটনাও ঘটছে। এসব সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামিও করা হচ্ছে বিএনপি নেতাকমীদের। এভাবে পুরনো মামলার সঙ্গে নতুন মামলার জালে বিএনপি নেতাকর্মীরা আটকে যাচ্ছে বলে দলটির একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতা অভিযোগ করেছেন।

জানা গেছে, গত ২২ আগস্টের সহিংসতার পর দেশের বিভিন্ন থানায় বিএনপি নেতাকর্মীদের নামে শতাধিক মামলা হয়েছে। আর এসব মামলায় আসামি করা হয়েছে ২৪ হাজার নেতাকর্মীকে। গ্রেপ্তার হয়েছেন দুই শতাধিক নেতাকর্মী। বিএনপির একাধিক সিনিয়র নেতা আমাদের সময়কে বলেছেন, সরকার পুলিশ দিয়ে বিএনপিকে দমন করতে চাচ্ছে। এ জন্য হামলা করা হচ্ছে। নতুন মামলার জালে আটকানোর চেষ্টা চলছে। গ্রেপ্তার আতঙ্কে আছেন তৃণমূল নেতাকর্মীরা। গ্রেপ্তার এড়াতে নেতাকর্মীরা আবার ঘরছাড়া হয়ে পড়েছেন।

চাপে পড়ছে। বিভিন্ন দাবি আদায়ে মাঠে নেমে কঠিন পরীক্ষা দিতে হচ্ছে দলটির নেতাকর্মীদের। এমন অবস্থার মধ্যেই রাজধানীর

১৬ পয়েন্টে সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। ফলে অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে সামনের দিনগুলোয় মাঠের রাজনীতি আরও সংঘাতময় হয়ে উঠতে পারে।

বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা জানান, তারা সরকারবিরোধী আন্দোলনের চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি করেছেন। আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশে তৃণমূল পুনর্গঠনেও ব্যাপক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিএনপি যখন আন্দোলনের প্রস্তুতি ও দল গোছানোর কাজ শুরু করেছে, ঠিক সেই মুহূর্তে নেতাকর্মীদের নতুন করে গ্রেপ্তার ও মামলার জালে আটকানো হচ্ছে। অনেক এলাকায় মামলার আগেই নেতাকর্মীদের আটক করা হয়েছে। এসব মামলায় বিএনপিকে জড়ানোর কৌশল হিসেবে অসংখ্য অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। যাদের নামে মামলা নেই, তাদেরও আটক করে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হচ্ছে। তৃণমূলের সক্রিয় নেতাকর্মীদের তালিকা করে তাদের বাসায় প্রতিদিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অভিযান চালাচ্ছেন।

এসব বিষয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আমাদের সময়কে বলেন, মামলা ও গ্রেপ্তারের জালে বিএনপিকে বন্দি করা আওয়ামী লীগের পুরনো অভ্যাস। এর আগেও সরকারবিরোধী আন্দোলন দমনে তারা মামলাকে বেছে নেয়। এসব মামলার বাস্তব কোনো ভিত্তি নেই। বিএনপিকে নির্মূল করাই সরকারের মূল উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, সরকার ভিন্নমত সহ্য করতে পারে না। তারা ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য হত্যা, হামলা, খুন, গুম সব মানবতাবিরোধী কাজগুলো তারা করে। আমরা ১২ বছর ধরে এ হামলা মামলার শিকার হচ্ছি। জনগণ আন্দোলনে সম্পৃক্ত হচ্ছে। নেতাকর্মীরাও হামলা-মামলা মোকাবিলা করেই সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

মামলা আইনগত মোকাবিলার ব্যাপারে তিনি বলেন, যেসব জেলায় মামলা হয়েছে, সেখানে বিএনপির লিগ্যাল এইড কমিটি কাজ করছে। আবার কেন্দ্র থেকেও লিগ্যাল এইড কমিটি কাজ করছে। আমরা মাঠ আর আইনগত দুদিক থেকে এ সবের মোকাবিলা করছি।

বিএনপির অভিযোগ, সারাদেশে গত ২২ আগস্ট থেকে বিএনপির কর্মসূচিতে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের হামলায় ৩ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ২ হাজার নেতাকর্মী। বিএনপির ৪ হাজার ৮১ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে। অজ্ঞাত আসামি প্রায় ২০ হাজার। ৫০টির বেশি বাড়িঘর ও ব্যসায়িক প্রতিষ্ঠানে হামলার অভিযোগও করা হয়েছে দলটির পক্ষ থেকে।

বিএনপির হিসাব অনুযায়ী, ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ২০২১ সালের জুন মাস পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সারাদেশে বিএনপি নেতাকর্মীর নামে এক লাখ সাত হাজার মামলা দিয়েছে। এসব মামলায় ৩৫ লাখ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কেন্দ্রীয় ও তৃণমূলের প্রায় সব নেতাই এসব মামলার আসামি। কারও কারও বিরুদ্ধে শতাধিক মামলাও রয়েছে। এখনো এসব মামলায় অনেকে কারাগারে। মামলায় হাজিরা দিতে প্রায় প্রতিদিন কেন্দ্রসহ তৃণমূল নেতাকর্মীদের আদালতের বারান্দায় ঘুরতে হচ্ছে। কেউ কেউ পরোয়ানা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। অনেক মামলার বিচারও শুরু হয়েছে। আবার পুরোনো অনেক মামলায় নেতাদের নামে পরোয়ানাও জারি হচ্ছে।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু আমাদের সময়কে বলেন, জ্বালানি তেল ও নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিসহ বিভিন্ন ইস্যুতে বিএনপির কর্মসূচিতে যখন জনসম্পৃক্ততা বাড়ছে, ঠিক তখনই সরকার তাদের মামলা, হামলা নির্যাতনের পুরনো কৌশল বেছে নিয়েছে। কিন্তু যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, তা মামলা হামলা দিয়ে দমানো যাবে না।

পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, আক্রান্ত হলে তখনই কেবল পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। যেসব জায়গায় বিএনপি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করেছে, সেখানে পুলিশ বাধা দেয়নি। কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে পুলিশকে প্রতিপক্ষ ভেবে আক্রমণ করায় আত্মরক্ষায় পুলিশ প্রতিরোধ গড়েছে। কিছু জায়গায় লাঠিপেটা ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করেছে। পুলিশের বিরুদ্ধে বিএনপির অভিযোগ রাজনৈতিক।

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল আমাদের সময়কে বলেন, ‘আমরা কারও নামে মিথ্যা কোনো মামলা দিচ্ছি না। কাউকে হয়রানিও করছি না। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে যেসব মামলা হচ্ছে, সেসব মামলায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’