ঢাকা ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

তিন কন্যার দুর্দিন

এক সময় টেলিভিশন খুললেই দেখা যেত আনিকা কবির শখ, সারিকা সাবরিন ও শ্রাবস্তী দত্ত তিন্নিকে। বিজ্ঞান, নাটক ও টেলিফিল্ম সর্বত্রই ছিল তাদের আধিপত্য। তাদের ছাড়া টিভি নাটক খুব কমই নির্মাণ হয়েছে সেই সময়। চাহিদার শীর্ষে থাকা এই অভিনেত্রীদের সিডিউলের অপেক্ষায় থাকতেন নির্মাতারা। দর্শকও মুগ্ধ হতেন তাদের অভিনয় ও রূপের ঝলকানিতে। ছোট পর্দা দাপিয়ে বেড়ানো এই তিন কন্যা নিজেদের উপস্থাপন করেছেন রুপালী পর্দাতেও। কিন্তু অভিনয়ের সঙ্গে নানা কৃতকর্মের ফলে সময়ের ব্যবধানে প্রায় হারিয়ে গেছেন তারা।

শোবিজে অভিনেত্রী আনিকা কবির শখের বিচরণ ছিল অন্যরকম। নাটক-টেলিফিল্ম মানেই তিনি। মাতিয়েছেন বিজ্ঞাপনেও। অভিনয় করেছেন ‘অল্প অল্প প্রেমের গল্প’ নামে একটি চলচ্চিত্রেও। এতে তার নায়ক ছিলেন নিলয় আলমগীর। অভিনয়ের সুবাদেই নিলয়ের সঙ্গে পরিচয় তারপর বিয়ে। কিন্তু সংসার জীবন শুরু করতে না করতেই বিচ্ছেদ ঘটে তাদের। এরপর থেকে অভিনয়ে ধীর ধীরে অনিয়মিত হয়ে পড়েন এই অভিনেত্রী। গত কয়েক বছর ধরেই তার অভিনয় ক্যারিয়ার দোদুল্যমান। আড়ালে যান, আবার প্রকাশ্যে আসেন- এভাবেই চলছিল তার ক্যারিয়ার। এ অবস্থায় আবার বিয়েও করেন। গত বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর কন্যা সন্তানের মা হয়েছেন শখ। তবে মা হওয়ার পর দ্রম্নতই সবকিছু সামলে তিনি অভিনয়ে ফেরেন। তার এ ফিরতি যাত্রায় সবাই ভেবেছেন, শখ হয়তো অভিনয়ে নিয়মিত থাকবেন। কিন্তু সেই অনুমান ভুল প্রমাণ করে তিনি আবারও আড়ালে চলে যান। যার কারণে গত ঈদের সময়ও তাকে নাটকের অভিনয়ে দেখা যায়নি। তবে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই সম্প্রতি অভিনয়ে ফিরেছেন এ অভিনেত্রী। এরই মধ্যে জহির খানের পরিচালনায় ‘যে গল্প বলা হয়নি’ নামের একটি এক খন্ডের নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। নাটকটি ২ সেপ্টেম্বর চ্যানেল আইতে প্রচারও হয়েছে। এতে তার সহশিল্পী ছিলেন আব্দুন নূর সজল। এ নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা গেছে শখকে। শখ বলেন, ‘আমি এখন সংসারী একজন মানুষ। তাছাড়া সন্তানের মা হয়েছি। তাই সংসারটাকেই সবার আগে প্রাধান্য দিচ্ছি। সেসব দায়িত্ব সামলিয়ে সময় পেলে অভিনয় করছি। আশা করছি নিয়মিতই এখন থেকে অভিনয়ে আমাকে দেখতে পাবেন দর্শক। আর এখন নাটক সেক্টর বেশ শক্তিশালী। ভালো নির্মাতা রয়েছে এ ইন্ডাস্ট্রিতে। তাই অভিনয় করেও ভালো লাগে।’ এর আগেও অভিনয়ে নিয়মিত হওয়ার কথা জানালেও আগের জৌলুসে ফিরে আসেননি শখ। এই আছে এই আদলে চলেছেন এই অভিনেত্রী।

আলোচিত মডেল-অভিনেত্রী সারিকা সাবরিন। ২০০৬ সালে মিডিয়ায় পথচলা শুরু হয়েছিল। দাপটের সঙ্গে অভিনয় ও মডেলিং করে খুব সহজেই অর্জন করেন নাম-যশ-খ্যাতি। তবে নিজের খামখেয়ালিপনা, হুটহাট শিডিউল ফাঁসানো, ইচ্ছামতো শুটিংয়ে যাওয়া, এমনকি প্রেম-ভালোবাসা ও ব্যবসায়ী মাহিম করিমকে বিয়ে, কন্যা সন্তানের জন্ম, এরপর ডিভোর্স-সংক্রান্ত জটিলতায় পড়ে মিডিয়া থেকে ছিটকে পড়েন। চলতি বছরের ২ ফেব্রম্নয়ারি ফের বিয়ের পিঁড়িতে বসেন এই অভিনেত্রী। বিয়ের মাসেই কাজে ফিরেন সারিকা। ১৫ ফেব্রম্নয়ারি বাংলাভিশনের ‘আমার আমি’ টক শো উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে শুরু করেন তিনি। পরদিন ১৬ ফেব্রম্নয়ারি তুহিন হোসেনের ভাষা দিবসের নাটক ‘ইচ্ছে মত’-তে অভিনয় করেন সারিকা। এতে সারিকার বিপরীতে অভিনয় করেন ইমতিয়াজ বর্ষণ। তখন তিনি জানিয়েছিলেন স্বামীর বাড়ি থকে মিডিয়ার কাজে তার কোনো বাধা নেই। তাই ফের শুটিংয়ে ব্যস্ত থাকবেন। ফেব্রম্নয়ারিতে একাধিক নাটকে অভিনয়ও করেছিলেন। কিন্তু তারপর সেভাবে দেখা যায়নি সারিকাকে।

এক সময়ের আরেক আলোচিত মডেল, অভিনেত্রী ও নায়িকা শ্রাবস্তী দত্ত তিন্নি। ‘বাংলালিংক দেশে’র বিজ্ঞাপন দিয়ে রাতারাতি আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা পান তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। একে একে নাটক-বিজ্ঞাপনে কাজ করে নিজের অবস্থান বেশ পাকাপোক্তই করে নিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। ছোট পর্দা ছাপিয়ে বড় পর্দায় মুগ্ধতা ছড়িয়েছিলেন এই তারকা অভিনেত্রী। সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ‘সে আমার মন কেড়েছে’ চলচ্চিত্রে শাকিব খানের সাথে জুটিবদ্ধ হয়ে অভিনয় করেন তিন্নি। ২০০৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর অভিনেতা আদনান ফারুক হিলেস্নালকে বিয়ে করেন। কিন্তু দাম্পত্য কলহের জের ধরে তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়। এরপর ব্যক্তি জীবনে হতাশার কারণে শোবিজ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন তিনি। প্রবেশ করেন নেশার জগতে। এর মধ্যে আবার রিহ্যাবে গিয়েও বেশ কিছুদিন কাটাতে হয়েছে তাকে। তারপর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসে আবারও টুকটাক নাটকে অভিনয় করেন। কিন্তু এরপর আরও কিছু সমস্যা তাকে গ্রাস করে। ২০১৪ সালে আদনান হুদা সাদকে বিয়ে করেন তিন্নি। এ সংসারও তার সুখের হয়নি। ফের বিচ্ছেদে জড়ান। ২০১৭ সালে তিন্নি ‘কুয়াশার ভিতরে একটি মৃতু্য’ শিরোনামে নাটকে অভিনয় করেন। এই নাটকে তিন্নি অভিনয় করেন সজলের বিপরীতে। এরপর তাকে আর অভিনয়ে পাওয়া যায়নি। টিভি নাটকে তার চাহিদা থাকলেও অভিনয় ছেড়ে বর্তমানে সুদুর কানাডায় একমাত্র মেয়েকে নিয়ে জীবন কাটছে তার। সেখানে মেয়ে আরিশাকে নিয়ে তার সময় ভালো কাটছে। দেশ থেকে দূরে থাকলেও মাঝেমধ্যে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে জানান দেন তিন্নি। তার সাবলীল অভিনয়-পারফরমেন্স কি আর দেখবেন না দর্শক? তিন্নি উত্তরে সরাসরি ‘হঁ্যা’ কিংবা ‘না’ বললেও জানালেন, আসলে আমি এসব নিয়ে এখন ভাবছি না। আমি আমার মেয়ে আরিশাকে নিয়েই কেবল ভাবছি। কারণ আমার জীবন এখন আরিশানির্ভর। আমি আরিশাকে নিয়ে বাকিটা জীবন ভালো থাকতে চাই। তবে দেশ, দেশের মানুষকে খুব মিস করি। মিডিয়াকেও মিস করি। অবশ্য আর ফেরা হবে কিনা বলতে পারি না।’

Tag :
জনপ্রিয়

রসিক নির্বাচন ; আ’লীগের মেয়র প্রার্থী ডালিয়ার গণসংযোগ অনুষ্ঠিত

তিন কন্যার দুর্দিন

প্রকাশের সময় : ১১:০১:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

এক সময় টেলিভিশন খুললেই দেখা যেত আনিকা কবির শখ, সারিকা সাবরিন ও শ্রাবস্তী দত্ত তিন্নিকে। বিজ্ঞান, নাটক ও টেলিফিল্ম সর্বত্রই ছিল তাদের আধিপত্য। তাদের ছাড়া টিভি নাটক খুব কমই নির্মাণ হয়েছে সেই সময়। চাহিদার শীর্ষে থাকা এই অভিনেত্রীদের সিডিউলের অপেক্ষায় থাকতেন নির্মাতারা। দর্শকও মুগ্ধ হতেন তাদের অভিনয় ও রূপের ঝলকানিতে। ছোট পর্দা দাপিয়ে বেড়ানো এই তিন কন্যা নিজেদের উপস্থাপন করেছেন রুপালী পর্দাতেও। কিন্তু অভিনয়ের সঙ্গে নানা কৃতকর্মের ফলে সময়ের ব্যবধানে প্রায় হারিয়ে গেছেন তারা।

শোবিজে অভিনেত্রী আনিকা কবির শখের বিচরণ ছিল অন্যরকম। নাটক-টেলিফিল্ম মানেই তিনি। মাতিয়েছেন বিজ্ঞাপনেও। অভিনয় করেছেন ‘অল্প অল্প প্রেমের গল্প’ নামে একটি চলচ্চিত্রেও। এতে তার নায়ক ছিলেন নিলয় আলমগীর। অভিনয়ের সুবাদেই নিলয়ের সঙ্গে পরিচয় তারপর বিয়ে। কিন্তু সংসার জীবন শুরু করতে না করতেই বিচ্ছেদ ঘটে তাদের। এরপর থেকে অভিনয়ে ধীর ধীরে অনিয়মিত হয়ে পড়েন এই অভিনেত্রী। গত কয়েক বছর ধরেই তার অভিনয় ক্যারিয়ার দোদুল্যমান। আড়ালে যান, আবার প্রকাশ্যে আসেন- এভাবেই চলছিল তার ক্যারিয়ার। এ অবস্থায় আবার বিয়েও করেন। গত বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর কন্যা সন্তানের মা হয়েছেন শখ। তবে মা হওয়ার পর দ্রম্নতই সবকিছু সামলে তিনি অভিনয়ে ফেরেন। তার এ ফিরতি যাত্রায় সবাই ভেবেছেন, শখ হয়তো অভিনয়ে নিয়মিত থাকবেন। কিন্তু সেই অনুমান ভুল প্রমাণ করে তিনি আবারও আড়ালে চলে যান। যার কারণে গত ঈদের সময়ও তাকে নাটকের অভিনয়ে দেখা যায়নি। তবে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই সম্প্রতি অভিনয়ে ফিরেছেন এ অভিনেত্রী। এরই মধ্যে জহির খানের পরিচালনায় ‘যে গল্প বলা হয়নি’ নামের একটি এক খন্ডের নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। নাটকটি ২ সেপ্টেম্বর চ্যানেল আইতে প্রচারও হয়েছে। এতে তার সহশিল্পী ছিলেন আব্দুন নূর সজল। এ নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা গেছে শখকে। শখ বলেন, ‘আমি এখন সংসারী একজন মানুষ। তাছাড়া সন্তানের মা হয়েছি। তাই সংসারটাকেই সবার আগে প্রাধান্য দিচ্ছি। সেসব দায়িত্ব সামলিয়ে সময় পেলে অভিনয় করছি। আশা করছি নিয়মিতই এখন থেকে অভিনয়ে আমাকে দেখতে পাবেন দর্শক। আর এখন নাটক সেক্টর বেশ শক্তিশালী। ভালো নির্মাতা রয়েছে এ ইন্ডাস্ট্রিতে। তাই অভিনয় করেও ভালো লাগে।’ এর আগেও অভিনয়ে নিয়মিত হওয়ার কথা জানালেও আগের জৌলুসে ফিরে আসেননি শখ। এই আছে এই আদলে চলেছেন এই অভিনেত্রী।

আলোচিত মডেল-অভিনেত্রী সারিকা সাবরিন। ২০০৬ সালে মিডিয়ায় পথচলা শুরু হয়েছিল। দাপটের সঙ্গে অভিনয় ও মডেলিং করে খুব সহজেই অর্জন করেন নাম-যশ-খ্যাতি। তবে নিজের খামখেয়ালিপনা, হুটহাট শিডিউল ফাঁসানো, ইচ্ছামতো শুটিংয়ে যাওয়া, এমনকি প্রেম-ভালোবাসা ও ব্যবসায়ী মাহিম করিমকে বিয়ে, কন্যা সন্তানের জন্ম, এরপর ডিভোর্স-সংক্রান্ত জটিলতায় পড়ে মিডিয়া থেকে ছিটকে পড়েন। চলতি বছরের ২ ফেব্রম্নয়ারি ফের বিয়ের পিঁড়িতে বসেন এই অভিনেত্রী। বিয়ের মাসেই কাজে ফিরেন সারিকা। ১৫ ফেব্রম্নয়ারি বাংলাভিশনের ‘আমার আমি’ টক শো উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে শুরু করেন তিনি। পরদিন ১৬ ফেব্রম্নয়ারি তুহিন হোসেনের ভাষা দিবসের নাটক ‘ইচ্ছে মত’-তে অভিনয় করেন সারিকা। এতে সারিকার বিপরীতে অভিনয় করেন ইমতিয়াজ বর্ষণ। তখন তিনি জানিয়েছিলেন স্বামীর বাড়ি থকে মিডিয়ার কাজে তার কোনো বাধা নেই। তাই ফের শুটিংয়ে ব্যস্ত থাকবেন। ফেব্রম্নয়ারিতে একাধিক নাটকে অভিনয়ও করেছিলেন। কিন্তু তারপর সেভাবে দেখা যায়নি সারিকাকে।

এক সময়ের আরেক আলোচিত মডেল, অভিনেত্রী ও নায়িকা শ্রাবস্তী দত্ত তিন্নি। ‘বাংলালিংক দেশে’র বিজ্ঞাপন দিয়ে রাতারাতি আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা পান তিনি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। একে একে নাটক-বিজ্ঞাপনে কাজ করে নিজের অবস্থান বেশ পাকাপোক্তই করে নিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। ছোট পর্দা ছাপিয়ে বড় পর্দায় মুগ্ধতা ছড়িয়েছিলেন এই তারকা অভিনেত্রী। সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ‘সে আমার মন কেড়েছে’ চলচ্চিত্রে শাকিব খানের সাথে জুটিবদ্ধ হয়ে অভিনয় করেন তিন্নি। ২০০৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর অভিনেতা আদনান ফারুক হিলেস্নালকে বিয়ে করেন। কিন্তু দাম্পত্য কলহের জের ধরে তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়। এরপর ব্যক্তি জীবনে হতাশার কারণে শোবিজ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন তিনি। প্রবেশ করেন নেশার জগতে। এর মধ্যে আবার রিহ্যাবে গিয়েও বেশ কিছুদিন কাটাতে হয়েছে তাকে। তারপর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসে আবারও টুকটাক নাটকে অভিনয় করেন। কিন্তু এরপর আরও কিছু সমস্যা তাকে গ্রাস করে। ২০১৪ সালে আদনান হুদা সাদকে বিয়ে করেন তিন্নি। এ সংসারও তার সুখের হয়নি। ফের বিচ্ছেদে জড়ান। ২০১৭ সালে তিন্নি ‘কুয়াশার ভিতরে একটি মৃতু্য’ শিরোনামে নাটকে অভিনয় করেন। এই নাটকে তিন্নি অভিনয় করেন সজলের বিপরীতে। এরপর তাকে আর অভিনয়ে পাওয়া যায়নি। টিভি নাটকে তার চাহিদা থাকলেও অভিনয় ছেড়ে বর্তমানে সুদুর কানাডায় একমাত্র মেয়েকে নিয়ে জীবন কাটছে তার। সেখানে মেয়ে আরিশাকে নিয়ে তার সময় ভালো কাটছে। দেশ থেকে দূরে থাকলেও মাঝেমধ্যে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে জানান দেন তিন্নি। তার সাবলীল অভিনয়-পারফরমেন্স কি আর দেখবেন না দর্শক? তিন্নি উত্তরে সরাসরি ‘হঁ্যা’ কিংবা ‘না’ বললেও জানালেন, আসলে আমি এসব নিয়ে এখন ভাবছি না। আমি আমার মেয়ে আরিশাকে নিয়েই কেবল ভাবছি। কারণ আমার জীবন এখন আরিশানির্ভর। আমি আরিশাকে নিয়ে বাকিটা জীবন ভালো থাকতে চাই। তবে দেশ, দেশের মানুষকে খুব মিস করি। মিডিয়াকেও মিস করি। অবশ্য আর ফেরা হবে কিনা বলতে পারি না।’