ঢাকা ১১:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

যারা বেশি নাক ডাকেন, তাদের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি

নাক ডাকা নিয়ে অনেকেই ঠাট্টা করেন। তবে বিষয়টি আদৌ হাস্যকর নয়, বরং চিন্তার। এমনই দাবি করা হয়েছে সাম্প্রতিক গবেষণায়। সুইডেনের গবেষকরা দাবি করেছেন, যারা নাক ডেকে ঘুমান, তাদের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশ অনেকটাই।

সম্প্রতি বারসেলোনার একটি বিজ্ঞান সম্মেলনে বিজ্ঞানী আন্দ্রেয়াস পামের নেতৃত্বে সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দল গবেষক একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন। গবেষকদের দাবি, মানুষের নাক ডাকার পিছনে একটি বড় কারণ ‘অবসট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া’ বা ‘ওএসএ’। এই সমস্যার জেরে নাকের ভেতর দিয়ে বায়ুপ্রবাহের পথটি রুদ্ধ হয়ে আসে। তাই শব্দ হয় ঘুমের সময়।

বিজ্ঞানীরা চার হাজার ২০০ জন ওএসএ রোগীর উপর এই গবেষণাটি চালান। দেখা যায়, রোগীদের প্রায় অর্ধেকই শেষ পাঁচ বছরের মধ্যে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন।

কিন্তু কেন হয় এমন? বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, বহু ওএসএ রোগীর মধ্যেই স্থূলতা, ডায়াবেটিসের মতো সমস্যা দেখা যায়। অতি আগে ভাবা হত সেগুলোই ক্যান্সারের আশঙ্কা বাড়ায়। তবে নতুন পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, এই সমস্যায় ভোগা মানুষদের মধ্যে রক্তে তুলনামূলক ভাবে অনেক দ্রুত অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যায়। বিশেষ করে ঘুমের মধ্যে বেশি দেখা যায় এই সমস্যা। দীর্ঘমেয়াদি ভিত্তিতে এই অক্সিজেন হ্রাসের সমস্যাই বাড়িয়ে দেয় ক্যান্সারের ঝুঁকি। তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিত হতে আরো গবেষণা প্রয়োজন বলেই মত তাদের।

সূত্র: আনন্দবাজার

Tag :
জনপ্রিয়

ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরই পেরুর প্রেসিডেন্ট আটক

যারা বেশি নাক ডাকেন, তাদের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি

প্রকাশের সময় : ০৯:১৫:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২

নাক ডাকা নিয়ে অনেকেই ঠাট্টা করেন। তবে বিষয়টি আদৌ হাস্যকর নয়, বরং চিন্তার। এমনই দাবি করা হয়েছে সাম্প্রতিক গবেষণায়। সুইডেনের গবেষকরা দাবি করেছেন, যারা নাক ডেকে ঘুমান, তাদের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশ অনেকটাই।

সম্প্রতি বারসেলোনার একটি বিজ্ঞান সম্মেলনে বিজ্ঞানী আন্দ্রেয়াস পামের নেতৃত্বে সুইডেনের উপসালা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দল গবেষক একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন। গবেষকদের দাবি, মানুষের নাক ডাকার পিছনে একটি বড় কারণ ‘অবসট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া’ বা ‘ওএসএ’। এই সমস্যার জেরে নাকের ভেতর দিয়ে বায়ুপ্রবাহের পথটি রুদ্ধ হয়ে আসে। তাই শব্দ হয় ঘুমের সময়।

বিজ্ঞানীরা চার হাজার ২০০ জন ওএসএ রোগীর উপর এই গবেষণাটি চালান। দেখা যায়, রোগীদের প্রায় অর্ধেকই শেষ পাঁচ বছরের মধ্যে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন।

কিন্তু কেন হয় এমন? বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, বহু ওএসএ রোগীর মধ্যেই স্থূলতা, ডায়াবেটিসের মতো সমস্যা দেখা যায়। অতি আগে ভাবা হত সেগুলোই ক্যান্সারের আশঙ্কা বাড়ায়। তবে নতুন পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, এই সমস্যায় ভোগা মানুষদের মধ্যে রক্তে তুলনামূলক ভাবে অনেক দ্রুত অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যায়। বিশেষ করে ঘুমের মধ্যে বেশি দেখা যায় এই সমস্যা। দীর্ঘমেয়াদি ভিত্তিতে এই অক্সিজেন হ্রাসের সমস্যাই বাড়িয়ে দেয় ক্যান্সারের ঝুঁকি। তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিত হতে আরো গবেষণা প্রয়োজন বলেই মত তাদের।

সূত্র: আনন্দবাজার